Skip to main content

Posts



দুটি কবিতা : অভিষেক রায়

~উই শ্যাল ওভারকাম!~
গোপনকুঠিতে, ত্রিপুরাবিমুখ রোদ ও ষড়যন্ত্রময় ধরণী
অকরুণ সমাধিতত্ত্বে পর্যবসিত নির্বাচিত শুকতারা
একদিন জল শুকিয়ে যাবে এই বনভূমির সহমরণে যাবে দুটি পূর্ণতাবাদী চোখ
অভিমানিনী বিবস্ত্রা
রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে তোমায় ভুলতে হবে সেদিন
আসবাবপত্রের দীর্ঘশ্বাস!
গণসমীক্ষার ভিতর ছড়িয়ে উঁকিঝুঁকির দিওনাপন
আলোচনারহিত ও সঙ্গীতমুখর




~ভাটিয়ালি~
ও সমঝদার বলিরেখা
তুমি যে সব সময়ে শ্রমজীবীর কপালে তৈরি ঘন বহুব্রীহি আনন্দে
আস্তিক টিয়াপাখিতে
কর্ষণরহিত ক্ষেতের ফাটলে
রতিস্নানের পর-পর
বিধ্বস্ত উজালা-তে আচম্বিতে ফুটে থাকো
মনে হয় দিশিওয়ালি বিটিয়ারা প্রশান্তির গান গাইছে
খাবার রান্নার মত করে
অন্যমনস্কতায় যেতে চাইছে জীবনের ভোলবদল
আড়িয়াদহ থেকে প্রকাশ বাড়িয়ে দিচ্ছে তার
বন্ধুত্বপূর্ণ হাত
গর্ভলক্ষণের খবর আসছে প্রায়ান্ধকার ভেদ করে
শ্রেণিহীন হয়ে উঠছে নির্বিকল্প সূর্যাস্ত কেমন
চল বিসমিল্লাহ করি এক নতুন জীবনের

Recent posts

ক্লোরোসিস : অভিষেক ঝা

~ক্লোরোসিস~
সকরকন্দের মাটি লাগা এক ভোর বা বিকেলে বড় তৃপ্তি করে প্রেম ঠুকরে ঠুকরে পেটে চালান করছিল এক কাউয়া । দুটি তার ভাগ পাচ্ছিল। আরও দুটি ভাগ না পেয়ে, না-থাকা জিভবা দিয়ে লাল ঝরাচ্ছিল । প্রয়োজনের সময় তৃপ্তি সহকারে খাদ্যগ্রহন --- এর চেয়ে সহজিয়া নিষ্পাপ দৃশ্য আর কীইবা রয়েছে খাদ্যাভাবের এই পৃথিবীতে? তাই এই সহজ বিকাল বা ভোরের ফ্রেমে সবচেয়ে বেশী করে ছড়িয়ে রয়েছে প্রেম। ঠোঁটে মাংসের কুচি লেগে থাকা কাকের চোখের যে সুগভীর আনন্দ তা দেখে খানিক দূরে দাঁড়িয়ে থাকা পিঠালু গাছটা দুটি পাতা ঝরিয়ে দিল পারা স্বচ্ছ রাধিকার পুকুরের বুকে। এক পাক নিষ্পাপ আনন্দে আরেক ঠোকরে খানিক মাংস ছিঁড়ে নিল আরেকটি কাক। কয়েক ঠোকর পর মাংস পিণ্ডটা ঝুপ করে পড়ে গেল জলে। হোঁৎকা মাগুর ঘাই মারল। তার নাগাল এড়িয়েও দু-এক কুচি চায়ের পাতার মত থিতোতে থিতোতে তলার পাঁকে সবসময় স্বপ্ন দেখার মরিয়া চেষ্টায় চোখ মুদে থাকা সেই কাছিমের গায়ে এসে বসল। এখানে শ্যাওলা, পাঁক, মরে যাওয়া মাছের কাঁটা, বালু, গুগলির কঙ্কাল, শামুকের খোল, ছেঁড়া শাড়ির পাড়, এয়োতি চিহ্ন, ডুবে মরা রাধিকার গল্প -- সব কিছু কাছিম-শরীর হয়ে আছে। এ বাড়িতে যেদিন বউ হয়ে আসল সে, অঝোরে বৃষ্…

সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ভয়েস রেকর্ডিং ~ একটি টগবগে সাক্ষাৎকার

~ সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ভয়েস রেকর্ডিং বিষয়ক গৌরচন্দ্রিকা ~
এই অডিও ফাইলগুলো কোথা থেকে কিভাবে এলো তার ভূমিকা খুব অল্প কথায় লিখতে গেলেও দুটো গল্প বলতে হয়। প্রথম গল্প 'ব্যাস' পত্রিকার এবং অবশ্যই স্নিগ্ধেন্দু আর সন্দীপনের। ২০০৪ সালে, সম্ভবত, ব্যারাকপুরের কোনো এক লোকাল বাসে স্নিগ্ধেন্দুর সঙ্গে সন্দীপনের পরিচয়। স্নিগ্ধেন্দু তখন তার এক সুনীলপন্থী বন্ধুকে সুনীল কেন মিডিওকার এবং সন্দীপন লেখক হিসেবে সুনীলের থেকে কেন বহুগুনে এগিয়ে সেইসব বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বন্ধুটিও মানতে নারাজ স্বাভাবিকভাবেই। আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সংস্কৃতিবান পরিবেশে জন্মে 'শুকতারা' আর 'আনন্দমেলা' পড়তে পড়তে বড় হয়ে উঠেছি ওই বয়সে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে পৃথিবীর মহানতম লেখকদের একজন মনে করা এবং নিজেদের নীললোহিত ভাবাটাই তাদের নিয়তি একপ্রকার; পুঁজিনির্ধারিত নিয়তি, যে পুঁজি কিনা বাংলাসাহিত্যের বাণিজ্যিক ধারাটিকে ফুলিয়েফাঁপিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত। আমাদের মতো বাবলু, বুবলু, বাবান, বাবাই, বুবাই ও বুবুনদের ক্রীতদাস ক্রীতদাসীর আখ্যান বা বিজনের রক্তমাংসের বাস্তবতা গ্রহণ করে উঠতে পারার জন্য প্র…

নো বাজেট, লো বাজেট, টেলিফিল্ম, ন্যাশনাল অস্কার, ইত্যাদি - পুরোটাই ব্যক্তিগত : অনমিত্র রায়

নো বাজেট, লো বাজেট, টেলিফিল্ম, ন্যাশনাল অস্কার, ইত্যাদি - পুরোটাই ব্যক্তিগত
পুনরায় উপন্যাস। যাই লিখতে যাচ্ছি আজকাল উপন্যাসের মাপে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। আসলে আমি লেজেন্ড কিনা ! লেজেন্ডদের মাঝে মাঝে এরকমটা হয়। আমি যে লেজেন্ড সেটা কালকে জেনেছিলাম। আজ শিওর হলাম। এর আগেও আমি কয়েকবার লেজেন্ডের সম্মান পেয়েছিলাম। এই নিয়ে বোধহয় ৫-৬ বার হলো।
ঘটনাটার শুরু গতকাল। অথবা গতকাল ঠিক নয়, ২০১৩ সালে। অথবা ২০১০ সালও হতে পারে। কে কিভাবে দেখছে তার ওপর। আপাতত গতকালের ঘটনাটা থেকে শুরু করি।
সোম চক্রবর্তী একটা একজোট হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে দেখলাম ফেসবুকে। সেখানে গিয়ে জানালাম যে আমিও উদ্যোগটারসাথে থাকতে চাই।কিছু পূর্বপরিচিত লোকজনের সাথে কথাবার্তা হচ্ছিলো সেই নিয়ে ওখানে তারপর। ইতিমধ্যে দেখলাম প্রদীপ্তদাও উদ্যোগটার সাথে থাকতে চান জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। অন্যান্য কে কি বলছে দেখতে গিয়ে দেখলাম এক মহিলা লিখেছেন এমনিতে সাথেই আছেন কিন্তু নো বাজেট হলে সাথে নেই। আরেক ব্যক্তি সেখানে লিখেছেন দেখলাম যে একদিকে ইউনিয়নের ধান্দাবাজি আরেকদিকে নো বাজেট ধান্দাওয়ালা। আমি গত চারবছর একেবারেই কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত নেই। ফলে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম ন…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS