Skip to main content

Posts

Featured

কাকাতুয়া-বন ও অন্যান্য ৪ : দীপঙ্কর লাল ঝা

কাকাতুয়া-বন ও অন্যান্য ৪

এই কিছুক্ষন হলো আমি ডালভাত থেকে আলুভাত ছেড়ে উঠে বসেছি। বুক শুনে মনে হচ্ছে কোনো এক সুদূর প্রান্তে এক সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে রমেশ আর যোগেশ এর জিভ থেতলে গারনীশ করা হচ্ছে বাড়ি। আর ওদের বউ চুল থেকে চিমনি তুলে নিচ্ছে। টাং করে লাথি মেরে লাল্টু মাঠে দৌড়ে চলে যায়। আজকাল কে বমি লেখে? লেখে কেউ? লেখে কোন চুল্লুখোর? নিজের পেট কেউ নিজে করে মালিশ? এসব প্রশ্ন আমি তো গুপ অন্ধকারে যেতে যেতে ঈশ্বরকে করতে দেখি। বৃষ্টির কিনারা পালিশ করতে করতে যারা ভুলে গেছে জুতোর খিদে, হা করে থাকে জানালা। আপনি কেনো ওকে নিয়ে যান সবখানে, কি দোষ করেছে ও? ওরও তো ইচ্ছে করে কাজের মাসির হাত ধরে দাঁড়াতে। বলি, এইসব ছিঁড়ে যাওয়া, পিছলে যাওয়া দেখে বন্যাও তো একটু সাবধান হতে পারতো চলাফেরায়। কেউ কিছু বলছে না জন্য গাছের মাথায় চেপে বসেছেন। জানলার ধীরিমে সুকল্যাণ ঘরে বসে আঁতকে ওঠে, জিজ্ঞেস করে 'কে রে?'
উৎপল বলে "হাওয়া"। এতো সহজে কেউ কিভাবে বলতে পারে কিছু? একজন চরম যুদ্ধের রাতেও এভাবে বলেনা। সেনার  চোখ ফুটো করে আমরা গুলির নির্যাস রাখি কোটরে। আমাদের কাঠ-ঠোকরা বলবে? এই হওয়া একজন বিরাট দম্ভ রাজার মতো ঘর…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

Latest Posts

Image

তন্নো রতি প্রচোদয়াৎ ও শাহাজাদীর মণিপদ্মে : অভিষেক রায়

Image

তমসো মা : রঙ্গন রায়

Image

রাতসুখ ও যা কখনো ভাবিনি : পৌলমী গুহ

Image

একটি ভ্রমণকাহিনী : সুপর্ণা মন্ডল

Image

চাষাড়ে অস্হিকল্প / হিমশীতল মাংসমজ্জা ও গর্ত : সায়ন ঘোষ

Image

দ্বারকা : সর্বজিৎ ঘোষ

Image

মেঘপারা মেয়ে ১১, ১২ ও ১৩ : মনোজ দে

Image

তিনকাল : সুপ্রিয় মিত্র