Skip to main content



বালিকাওয়ালা সিরিজ - দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়



বালিকাওয়ালা ১

কৃষ্ণপাথরের মত শান্ত হয়ে আছি গো

থাবার ঘন থেকে একটু ইচ্ছে
পাঁজর অবধি

জবরদস্ত ঝকঝকে
টাঙাও
লালারস ও রিদম

বালিকাওয়ালা খাড়াই চলে গেল
যেদিকে রুমাল লাগোয়া মন্দির

আসলে ক্রেতা হিসাবে যা সব বলেছিলাম

জাগো ভর্তি

শিরা পেরোচ্ছে বাদামপাহাড়
এই মে'র রাতে তুলো পাঠাও

দৃষ্টি ছড়াতে ছড়াতে সাধারণ পরিবার ওড়ে
ম্যাজিক ওড়ে তিনতলা থেকে

জখম সূচনা ও গমরঙ নিয়ে ফিরে আসি
অপেরা কিনবা
ঘাপটানো হৃদযন্ত্র

খোলাচুলের ক্যাওস গড়িয়ে যায় জলযানে
ফোঁপানো বাঁশির সম্বোধন
ডাকখানা

বোতাম চুঁইয়ে অল্প পীত
ঔঁ ভাসিয়ে দি

একদল ওড়না ও বন্দর

পরিসর চাবকিয়ে
ম্যাজিক ওড়াতে ওড়াতে
আমরা দরজার লাথি মারবো



বালিকাওয়ালা ২

নিজের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে
একটা যত্নশীল চাদর পাতার মুহূর্ত দেখতে পাই

ব্যবস্থা বুঝে ছাদ

খাদের দাঁত নখ ভুলে গেছি

পাহাড়ের নকলনবিসি মনে আছে খালি
ঝুটমুট এই খোঁড়া বছর দুই

সবাই অভিযানে যাচ্ছে
আর আমি একলা খালি চিৎকার করে যাচ্ছি

ওবাড়ির ছাদের বয়স একুশ বাইশ

ঝমঝম হোক
শবদেহের মতো

ভেতরে হুটার বেজে ওঠে
আঙুলের ফাঁশ ও নদীমাতৃক ঘুমে

ঘড়ির বায়নাক্কা আর বালিকার ফালি দিয়ে
উদযাপন করি
ক্যাওটিক উড়ে যাওয়াদের বোধ

তন্নতন্ন
ইচ্ছেজাড্য
সাঁতারের রঙিন পাক

হেলানেরা হঠাৎই স্তব্ধ নোঙর গেঁথে
বন্দরের ছেনালি খাচ্ছে


বালিকাওয়ালা ৩
 
চুরি হোক ওই মাড়ির গোপন
পাল্লাখোলা অন্ধকার
আমিও বেশ ধরা পরে যাই

বাড়ির পুরোনো

সেও ডাকছে

আর সুড়ঙ্গযাপন
ডিপথ্রোট
খাল বিল
রকমারি গ্রহ ও ফিতে

অযত্ন গ্রহণ বেমানান রকম
নিভে যাচ্ছে কিউট ডুব
চুরমার নাভি পাঠাও

বালিকার থেকে ক্যাওস খুলে নেবো

রক্তমুখী মাশরুমের স্যাঁতসেঁতে
খোয়ানো ঘুমদের
অসুখ
দাও

দাতব্য মুদ্রায় নষ্ট পাহারা



দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়

Debajit Arghya Mukhopadhyay


Comments

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS