Saturday, August 6, 2016

The Making of 'Fading Clouds'


‘Fading Clouds’
একটি ইন্ডি-ফিল্মের গল্প - সুমন মজুমদার

ঙিন মেঘের গান
গল্পটা শুরু হয়েছিল এক বছর আগে, স্ক্রিপ্ট মাথায় চললেও খাতায় নামছিল না পুরোপুরি, তারপর একদিন ববির বাড়ি খুঁজে পাওয়া, বাড়িটায় একসময় অনেক লোক থাকতেন, তারপর এখন দীর্ঘদিন জলের লাইন কাটা। দেওয়ালে ছবি, ময়লা সোফা আর একা একা একাকীত্ব।

এঘটনা আমার আগেও ঘটেছে, একটা জায়গা চরিত্র আর গল্পের মাঝের ব্যাবধানটুকু সরিয়ে দিয়েছে অন্য সিনেমার ক্ষেত্রেও। যোধপুর পার্কে ববির বাড়িতে রাত কাটানোর পর বাড়ি ফিরে আগামী সাতদিনে প্রথম খসড়া রেডি। কিন্তু ফিল্ম করার টাকা কই? ক্যামেরাম্যান আমার সহপাঠী মৃণ্ময়, সম্পাদক অঙ্কুর। অঙ্কুরের সুবাদে আলাপ সৌম্য মুখোপাধ্যায়ের সাথে। তিনি চেরিপিক্স নামক একটি প্রোডাকশন হাউসের কর্তা। বলা ভালো পোস্ট প্রোডাকশন হাউসের কর্তা। প্রথম আলাপ, স্ক্রিপ্ট পড়া হয়নি, আমি অসম্পুর্ণ শব্দে/বাক্যে ছবির গল্পটা বোঝাবার চেষ্টায়, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন

- কত টাকায় ছবি বানাতে পারবে ভেবেছ?
- আমার টাকা চাইনা, ছবি বানাবার টাকা পেলেই চলবে।
- তাও কত?
- ৫০-৬০হাজার
- পারবে?
- হ্যা।
- শোন তোমাকে টাকা আমি দিতে পারব না, কিন্তু আমার কাছে একটি 7D ক্যামেরা আছে সেটি তুমি নিতে পারো, এবং পোস্ট-প্রোডাকশন এর সমস্তকিছু চেরিপিক্স তোমাকে সাহায্য করবে।


শুরু হয়ে গেল ফেডিং ক্লাউডস এর জার্নি। একটু একটু করে ক্রাউড ফান্ডিং জোগানের সাথে চলল, লোকেশন দেখা, কাস্টিং ইত্যাদি ইত্যাদি। বুঝতে পারলাম মোটের উপর ২লাখ ছাড়া ঠিকঠাক লেন্স, আলো ইত্যাদি নিতে পারব না। যদিও প্রথম দিকের শুটিং এ যাদবপুরের ১৪টাকার খিচুড়িও খেয়েছি আমরা সবাই। কিন্তু বিশেষত ডিসেম্বরে প্রথম দফার শুটিং শেষে বুঝলাম অন্তত ২লাখ মত না হলে জাস্ট হবেনা।


এদিকে অনলাইন ক্রাউড ফান্ডিং যখন মোটে ৪০০০০ জমা পড়েছে, এমনই একদিন যেন আকাশ থেকে নেমে এল আরয়ান সাহা। আরয়ান মুম্বাই সিনেমায় দীর্ঘদিন কাজ করেছে, এখন সে কলকাতায় এসে নিজে ইন্ডিপেনডেন্ট ছবি করার পাশাপাশি নতুনদের সাহায্য করতে চায়। এর আগে ওর সাথে আমার পরিচয় নেই, আরয়ান নিজেই ফেসবুকে আমাদের পেজ দেখে যোগাযোগ করল, সে সিনেমাটিতে ১লক্ষ টাকা বিনিয়োগে প্রস্তুত।