Skip to main content



আত্ম-ওঁ : দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়

আত্ম-ওঁ

তারপর চলে যেয়ো সমস্ত উলুধোঁয়ার দিকে
আটকাবো না
তোমার জ্যামিতি আর কাঁচের চাঁদ নিয়ে

চিরুনী দিয়ে উট খুঁজে আনবে
আমাদের মরুভূমি থেকে?
গাদা গাদা সাদা কঙ্কাল পাবে
কঙ্কাল আসলে মানুষের পলি, মানুষের জলকুচি

পারবে?
আমাদের খুঁটিনাটি খুড় থেকে তুলে আনতে?
খুড়ের নিচে রোদ পড়লে
সমস্ত কাঁটার নার্সিংগলি
আমাদের অন্তর্বাসকলোনী
যা বয়ে রাখছে প্রাপ্তদাগ-জলবোঁটার পাপড়ি-নীলনীল কুসুম

যতক্ষন না থেঁতলে কাদা হচ্ছ, সেই কাদা কারোর জন্মদিনের কেটের ওপর ক্রিম পারবে
ততক্ষণ এই শ্রম জুড়ে উপাচার আর উদযাপনের আয়োজন
তোমার উপোষ আর সমস্ত জাদুঘরের মাথা থেকে চেরী তুলে আনতে চাই
বিলিয়ে দেবো
বিকিয়ে যেয়ো
যাতায়াতে ঢাকনা খুলে সঞ্চয় মেপে নেবো
আমরা তো জানি
সঞ্চয় ফুরোলে আমরাও ফুরোবো শার্সির কাঁচে

এটা আমার কোন পুরুষ কে লেখা একমাত্র কবিতা

শ্রী থেকে সমুদ্র
আর তার কড়িকাঠ
যা সব দাহ্য
আমাদের পেন না উঠিয়ে আঁকা মহাবিশ্বের অবয়ব
এই যে একঘর অক্সিজেন এটা কি যথেষ্ট? যদি কম পড়ে? মোক্ষের মত দীর্ঘ মাখন রুটি


আমরা এগিয়ে যাব সমস্ত থেঁতলে যাওয়া ব্যাকরণের দিকে
পালক খসা শীত আর অন্ধকার
একটানা নভেম্বর
সব মাসের একটা করে নভেম্বর

সমাদরে মন্দ আমার আঠারো ও ট্রিমারের ঘাম
মননশীল আমি কে আমি বিশ্বাস করি না
আদতে পায়ের কাছ থেকে মাথা
মাথা থেকে অতিমাথায় চড়ে বসেছে এই শীতজল
জাঁকিয়ে ক্ষুধার্ত শহর আমাদের বানিজ্যিক বেলাগাম

তুখোড় নাস্তিকতা আমাদের ফানুশে-জালি শব্দে
শব্দের দেবদূতগণ
তাদের একান্ত কুচি কুচি
কিমার মত সাদা
ছড়িয়ে দিচ্ছে শহরের খোপে খোপে

ভূগোল ভেঙে শহরে বরফ এল

আমরা আমাদের সব রাস্তা ঘাট ঘিলু ও পাপ ভুলে যাবো
ভুলে যাবো আমাদের জলমুখ-বেইমানি-আলবিদা
এভাবে ভুলের তুরপুনে বিদ্ধ করে
টাঙিয়ে রাখবো আমাদের লাশ কে ময়দান চত্বরে
কেউ যদি একটা দুটো বাদাম খোলা আর আঙুল ছুঁড়ে দেয়
এই হাত থেকে ফস্কে যাওয়া মাদারি দৃশ্যের দিকে
আমাদের সাদা পলি
দীর্ঘ ওঁ
ঘড়িমোড়ে কাল পাওয়া বেলুনের লাশ
লম্বা নভেম্বরের জন্য এই সব সাদা বালির ক্যাসেল

সেই সাদার দূষণে তোমাকে বোঝাতে পারিনি সম্পূর্ন পবিত্র হওয়া কোন কাজে কথা না
























দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়
Debajit Arghya Mukhopadhyay
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS