Jyotirmoy Shishu

Jyotirmoy Shishu

Wednesday, November 9, 2016

তিনটি লেখা নিয়ে : সোহম

স্বীকারোক্তি

চেনা রাস্তা দিয়ে ভিড় ঠেলতে ঠেলতে, সারাদিন। সবাইকে আড়চোখে মেপে নেওয়া আর আস্তিনে ছুরি নিয়ে ঘোরার সারাদিন। হ্যাঁ-র সাথে হ্যাঁ আর না-র সাথে না মেলাতে মেলাতে, ক্লান্ত, এইবার তুমি ছেড়ে এসো ব্যূহ। দ্যাখো, বেলাশেষের রোদ্দুর এসে ছুঁয়ে গেছে একলা বাড়ির চিবুক। সন্ধে হবে এরপরই। হুল্লোড় আর হাততালির মোহনা ছেড়ে, শান্ত দুয়েকটি নৌকো রওনা দেবে গাঢ় সমুদ্রের দিকে। তাদের মিলিয়ে যাওয়া আলোর দিকে তাকিয়ে, মনে পড়বে, আসলে অন্য কোথাও যাওয়ার ছিল তোমার। একেবারেই পথভুল করে কবে যেন এসে পড়লে তুমি এইখানে, আর খরচ হয়ে গেল গোটা একটা জীবন।





আয়না

জলের সীমান্ত থেকে সবই উলটো। নিচু পাঁচিলের নিচে কলাঝাড়, সুপুরির গাছ, আরো নিচে নারকেল, দেবদারু, মোবাইল টাওয়ারের মাথা। দু পশলা পাখি উড়ে চলে গেল। এসব পেরিয়ে আরো দূরে নেমে গেলে মেঘ। জলের অনেক নিচে মেঘ ভেসে চলে যাচ্ছে অন্য কোন পাতালের দিকে। আসলে, জলের নিচে সময় গড়িয়ে যায় ঠিক উল্টোদিকে। লোকে তাই মাঝেমধ্যে অতীতে ফিরতে চেয়ে জলে নামে, ডুব দেয়। ফিরে, আর আসে না কখনো।




ইতি...

কথারা
নদীর মত
বান ডাকে।

কথারা
নদীর মত
মরে যায়।














সোহম

Soham