Skip to main content

Posts

Showing posts from June 5, 2016



সৌরদীপ চক্রবর্তীর আঁকা

সৌরদীপ চক্রবর্তী Souradeep Chakraborty



করিডোরে কে ও? - সীমিতা মুখোপাধ্যায়

করিডোরে কে ও?
তারিখটা ছিল ২০১৩ সালের ২৫ শে মে। মেয়েরা যেভাবে কারণে-অকারণে বিভিন্ন তারিখ মনে করে রেখে দেয়, ঠিক সেভাবেই এই তারিখটা আমি স্মৃতির মণিকোঠায় সযত্নে লালন করে চলেছি। তখন থাকি আমি শান্তিনিকেতনে । যাদবপুরে এসেছি ছোটবেলার বান্ধবী মৌটুসীর সাথে দেখা করতে। মৌটুসী তখন যাদবপুর ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলো, গড়িয়ার কাছে এক জায়গায় পেইং গেস্ট হিসেবে থাকে। ওর ডিপার্টমেন্টের আরেকটি মেয়ে তানিয়াও ততদিনে আমার বেশ বন্ধু হয়ে উঠেছে। আমরা তিনজনে মিলে ঠিক করেছি সেদিন মৌটুসীর আস্তানায় রাত কাটাবো আর সারারাত জেগে তুমুল আড্ডাদেবো।
আমি তো যথারীতি সন্ধে নাগাদ যাদবপুর গিয়ে পৌঁছলাম। ইউনিভার্সিটির মধ্যে ঢুকে লক্ষ্য করলাম, ভেতরটা সেদিন কেন জানি না বেশ ফাঁকা ফাঁকা। লোকজন, ছেলেপুলে নেই বললেই চলে। দীর্ঘ পথ একা একা হাঁটছি। ইউনিভার্সিটির মধ্যে বাইরের গাড়ি-ঘোড়ার আওয়াজ একটু কম। ভ্যাপসা গরম। সেদিন গাছের পাতাগুলোও অসম্ভব স্থির হয়ে জানান দিচ্ছিল, কিছু একটা ঘটবে, কিছুক্ষণ বাদেই ঘটবে...
হাঁটতে হাঁটতে অবশেষে মৌটুসীদের ডিপার্টমেন্টের সামনে এসে উপস্থিত হলাম। দেখি, ওদের বিল্ডিং-এর একতলার করিডোরে সেদিন আলো নেই। ওরা নিচের তলার যে ঘ…

কবিতা তিনটিঃ ইন্দ্রজিৎ দত্ত

যদি তোমায় কবি না বলি
যারা চলে গ্যাছে আমি তাদেরই কেউ রবিবার বাদ দিলাম
চুলকাটা, কাপড় কাচা, দুপুরের মাংসভাত
যেটুকু ধরার খেয়ে নিচ্ছে কবিসম্মেলন নিঃশ্বাসের প্যাটার্ন
পৌষে ভরসা রাখি না, ইয়োর হাইনেস দুধপুলির মত নিকোনো ম্যাকবেথ তোমার আসনে আসনে বাজিগর
দোলাও রুমাল, যতুগৃহ হে দিল-ও-জান আমি তোমার নাভির সিমপ্যাথি টিউকল টিপে জল খাই
যতটা চেনা না-চেনা অর্গাজম আমি তো তারাই
যারা যুদ্ধে গ্যাছে


না বলা মানুষটার ইন্সট্রুমেন্টাল
আলমারির খারাপটা আমি নিয়েছি সেটুকুই, যেটা মহানদী
বিপরীত ঝরোখা বাঁশিতে বাঁশিতে ক্লান্ত রেফারি আমায় মুক্তি দাও হে ব্যবহারহীন
হে নিমগাছতলা একটা জেরক্স বিদ্বেষ নিয়ে নেমে এসেছি জিভে
প্রতিটি রবিবাসরীয়ের চতুর্থ পৃষ্ঠা একটা প্রেয়ারহল
একটা যুদ্ধের বিকল্প আমি তো আছিই বহুজাতিক ছায়াপথ। মাল্টি ন্যাশনাল
তুমি কি ততটা বেঁকতে পারো প্লেটোনিক যতটা এগিয়ে গেলে
ঘন্টাঘরের আদল তোমাকে ফিরিয়ে দেওয়া যায় ব্লাউজের গতিবিধি
যতটা টর্চ আর ব্লেডের কারিকুরি
তোমাকে ফিসফিসিয়ে বলতে পারে চূর্ণ হও, অনুপুঙ্খ, ভাঙো....



চাইছি যা নিভুনিভু
ততোটাই ব্যর্থ অক্ষর ছুঁড়ে দাও কিছুটা অসহায়
তোমার আমার সেতু, অলীক জীবন বয়সের ভেতরে কারুকা…

মিস্টার টি আর অমিতাভ বচ্চন: ঋতম সেন

মিস্টার টি আর অমিতাভ বচ্চন
৯ই ডিসেম্বর ২০১৫ বিকেল পাঁচটা বাজতে দশে আমি আমার পাড়ার মোমোর দোকানে বসে মোমো বিক্রেতা রবিনের সঙ্গে দুঃখের গল্প করছিলাম। অনেক রকমের দুঃখ, অর্থকষ্ট তার মধ্যে প্রধান। অর্থকষ্টের জন্য রবিন ল্যাব্রাডরের গায়ে ছেটানোর এন্টিবায়োটিক কিনতে পারছে না, এবং আমি ওর হাফ প্লেট চিকেন মোমোর দাম বাকি রাখতে বাধ্য হচ্ছি। কথা বলতে বলতে আমরা আবিষ্কার করলাম আমাদের চারিদিকে যারা বসে আছে, যেমন পাশের প্লাস্টিকের টেবিলের এক মুশকো পলিটিকাল হাফ নেতা, (যার সবসময়ে বুক ধড়ফড় করে) এবং তার চিমসে চ্যালা, (যে কি গুরুর বুক ধড়ফড়ের কারণ? ), তাদের পাশের টেবিলের প্রেমিক প্রেমিকা (যারা পাশাপাশি বসে হোয়াটস্যাপ করতে করতে মুখেও কথা বলছে), রাস্তার ওপারের রোলের দোকানের খোকন (যে প্রাণপণে মাংস কষছে) , তার খদ্দের (যার মুখ দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু উত্তেজিত গলা শোনা যাচ্ছে) তারা প্রত্যেকে একটাই বিষয়ে কথা বলছে। আজ নাকি এখানে অমিতাভ বচ্চন এসেছে। আমি ঘাবড়ে গিয়ে রবিনকে জিজ্ঞাসা করলাম, এই সত্যিই এখানে অমিতাভ বচ্চন এসেছে নাকি? রবিন উত্তর দিলো, সে কি তুমি জানো না? ওইজন্য তো আমি আজ হেঁটে এলাম, দেখো বাইক নেই। আমি বললাম সে ক…

কবিতার মতন: বিপ্লব দাস

কবিতার মতন

দুপুরবেলা। বাড়িতে। একাকীত্ব। কামনা। ফোন। “আসুন”। ২০০০। গেলাম। উপরে। না। নিচে। ঢুকলাম। “রেডি”? ভালোবাসা। অনামিকা। যুগল। নিঃসরণ। হাসি। মানিব্যাগ। সিগারেট। ফেরত। ভোর। অফিসে। একঘেয়েমি। বিরক্তি। হতাশা।
বিপ্লব দাস
Biplab Das

যেটুকু দুটিঃ সুপ্রতীম সিংহ রায়

যেটুকু দেখছি
আধপচা কিছু ক্লান্তি নিয়ে বসে আছি বেশ
কাজের মাসি কাজ করছে, বাসন মাজছে দূর থেকে ভেসে আসছে কাদের চিল্লামেল্লি
কী মড়াকান্না জুড়েছে শকুনেরা এপাশ-ওপাশ মুখ ঘোরানো বন্ধ, কার্ফু
বর্ষা চলে এল এবার
অলোক কাকার মেয়ে ফের গান গাইবে ফাংশানে আর এপাশে ট্যাঙ্কে তিনদিন জল নেই
অথচ দিব্যি রোজ রাতে রুমাল ভিজে যাচ্ছে মেয়েটার।

যেটুকু জীবন
এই রকমই চলবে আমাদের জীবন
দুপুরের ভোঁ বাজলে কারখানায় আমি হাত ধুয়ে আদরে মেখে নেব বাসি ডাল-রুটি
মোটরগাড়ি, ধোঁয়া উড়িয়ে চলে যাবে হাওয়ায় তোমার জন্য রাখা কেবল জ্যোৎস্না মাখা ঘ্রাণ।
আমাদের ঘরেতে আদতে কোনও ফায়ারপ্লেস নেই
আমি তো চেয়েছিলাম এমনই কিছু ক্যানভাস ছোটোখাটো মনোরম বেশ।
"ভোরবেলা কিছু ফুল রাখা থাক" ইত্যাদি বলে তুমি স্নান সেরে এলোচুলে কাছে আসবে
আর ছাব্বিশ বছরের পুরানো পাপীর মতো আমি হেসে উঠব ফের
ভালবাসা ছাড়া কোনওকালে কিছু ফিক্সড ডিপোজিট ছিল না বলে।
সুপ্রতীম সিংহ রায়
Supratim Singha Roy

এখানে রেশ্মা নেই !- শুভজিত ঘোষাল

এখানে রেশ্মা নেই !
ভালোবাসা বয়ে আনে বুদবুদি ফেনা, তবুও নিরর্থক,মরশুমের শুরুর মতো হাতের চামরা ওঠে।পুরোনো বালিশ বিছানা রোদ,কবেকার অ্যান্টাসিড, তোষোকের তলার চিঠি বিচ্ছিন্ন আলস্যের উত্তর দিয়ে গেছে।

হীরক নরমের মতো শহরের রাস্তা জমির আলের মতো সহজ ভাষায় কিছু দামাল হালুম মোরা। প্রেম-টেম ভালোবাসা বুদবুদি ফেনা।
শুভজিত ঘোষাল
Subhajit Ghosal

দুটি কবিতাঃ সুপ্রকাশ প্রামাণিক

হে নিসর্গ বুকের ভেতর জাগছে অাবার অবাধ্য এক বালক হে নিসর্গ, অার কিছুক্ষণ অাগলে রাখো অালো              হোক নিষাদের সে ঘোর ঘুমের
             শোক বিষাদের এ মরশুমে
জানি তোমার শরীর জুড়ে বিষের রঙিন পালক হে নিসর্গ, তবুও খানিক অাগলে রাখো অালো।
লৌকিক অনায়াসে ভেবে নিতে পারি
পৃথিবী নামের সবুজ জানালা।
নিমেষে প্রবাহ পেতে পারে
সরল তুলিতে অাঁকা তরল ছায়ার নদী।
শীতলাক্ষে উঁকি দিতে পারে 'ময়নামতি' চর।
অামার শরীর জুড়ে ধান গন্ধ,
তুমিও তরুণী চাঁদ হলে
প্রেমগাথা নিয়ে উড়ে যেতে পারে 'মাটির ময়না'... অথচ তুমিও জানো
অামাদের ঠোঁটে এ ভোরাই সুর
কতকাল বন্দী চিত্রকল্প হয়ে।
সুপ্রকাশ প্রামাণিক Suprakash Pramanik


যাপন এড়িয়ে: পূজা নন্দী

যাপন এড়িয়ে ১. তুমি উঠে আসো দীর্ঘ চেনা ঋতু ধরে
সব মেধারই ইতিবৃত্ত এখান থেকে শুরু
ঠিক যেমন অন্যরকমেরও এখান হয়
মোকাবিলায় কেবল ভীত হওয়া...
২. কিভাবে লেখব জানিনা
তবু লিখতে চাই
এভাবে বলতে পারি
উন্মাদ অর্থে তোমাকে চিনি
প্রতারনা চিনি
অবাক বলে কিছু হয় না
শুধু মাটি হতে পারি
ভাবা যায় সময় অদ্ভুত
তবু কোথাও ধুলো মেশে আবর্তনের সাথে
মিশে যায় কান্নায়
তোমাকে চিনিয়ে দেয়
হাওয়া বদল


এ হাওয়া যতু গৃহে
ভালো থাকা নয়
পসার সাজিয়ে জ্বলে
যাবে কৃষ্ণ প্রেম
আর ঠোঁট পুড়ে যাবে
রাধার মতন
আসলে অস্তিত্ব হীন
অবস্থায় কুঁড়ি
যা আবার ফুটে উঠবে...
৩. আমার সাদায় আকাশের রং মেশে
সমস্ত সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেই সেখানে
যেখানে  ছোঁয়া যায়  না জন্ম
লেপটে থাকে না মৃত্যু
ক্ষুদ্র অপরাধে শুধু বিদ্রোহ ঘোষনা.... যেন সচেতন, উপস্থিতি অর্থে...
পূজা নন্দী
Puja Nandi

কিছু কবিতাঃ আশিষ সাহা

কতকিছু মাথায় ঘুরছে সুপ্রিয় বান্ধবীর সাথে দ্যাখা হলে বলি আমাদের অলক্ষে কেউ নজর রেখেছে হাস্যকর দার্শনিক য্যামন বন্ধুদের সামনেই উদাহরণ স্বরূপ মেয়েটিকে চুমু খায় তারপর ঘুরে দাঁড়ায় ও বলে এই যে বিগ্রহ তার প্রকৃতি পাতাল এবং উপাদানে দুর্গম সুগন্ধ আছে দৃশ্যত নিরাপদ স্থান থেকে একটা জলপ্রপাত দ্যাখার মতোই সে সুন্দর একটা মরা সাপ দেখলে পথচারীর যেরকম অনুভূতি হয় আর মৃত মালভূমি যার ওপর কয়েকটা মুখস্থ গাছ।

একটা সম্পূর্ণ স্নান সে একটু জিরিয়ে নিয়ে ভাবলো স্নানে যাবে একটা শব্দের সাথে আরেকটা শব্দ যতিচিহ্ন ছাড়া পৃথিবীর যেকোন অংশ থেকে একটা সম্পূর্ণ স্নান যা প্রমাণ করছে পতঙ্গভীরু মানুষের মস্তিষ্কে কাজ করে সন্দেহজনক কোমলতাভীতি

আমরা একটি দুঃখের কবিতা আমি একটি দুঃখের কবিতা পড়ছি যেখানে একটা মেয়ে জন্মায় ও তার একটি প্রিয় জানালা থাকে সে বাগানে এসে জানলা দিয়ে শূন্য ঘরটার দিকে তাকায় ঘরে এসে সে দ্যাখে নির্জন বাগানে কয়েকটা ফুল গাছ ছাড়া কিছু নেই
আমরা একটা দুঃখের কবিতা আমাদের অনুভুতিগুলো ফড়িং ও প্রজাপতির মতো দেখতে।
আশিষ সাহা Ashish Saha


শুধু গোটা ত্রিশ…: পীযূষ কান্তি বন্দ্যোপাধ্যায়

শুধু গোটা ত্রিশ…
শুধু গোটা ত্রিশ সিট ছিল (ইসস!) আর সবই গেল জোটে কহিলেন খুকু‚ "কৌপীনটুকু কেড়ে নেবো নেক্সট ভোটে।" করি জোড় পাণি কহিলাম‚ "রাণী‚ দুশোর অধিক সিট পেয়েছ এবারে‚ তবে বারেবারে কেন করো খিটখিট?" শুনি কহে রাণী‚ "খুব দিসো বাণী‚ জলে‚ জঙ্গলে‚ স্টেজে আজ হাঁদারাম‚ চড়াম চড়াম কেমন উঠছে বেজে ঢাকের বাদ্যি?" "থাকলে সাধ্যি খেতাম কি হিমসিম? যে বঙ্গে বসে বাপদাদা কষে সাম্যবাদের ডিম ফোলাতো 'তা' দিয়ে‚ সেইটা বাঁধিয়ে এতদিন গেছি টিকে বুঝিনি আসলে কবে তলেতলে লাল হয়ে গেছে ফিকে।" পিসি কন‚ "ট্রেন ধরো‚ কমপ্লেন শুনবো না‚ ছাড়ো দেশ তুমি শালা ইয়ে‚ ভোটে হেরে গিয়ে‚ কী করে দেখাও ফেস?"
হইলো শপথ‚ আমি ধরি পথ‚ জানি না কোথায় যাবো কেন এই ভুল হলো (ধুর চুল!) ভেবেভেবে পস্তাবো এতদিন যারে ভোটের বাজারে দিইনি একটু ছোঁয়া সেই কং আজ (মহা ধড়িবাজ) খেলো সব মালপোয়া মনে ভাবি‚ শালা! আছে তো কেরালা‚ আমি কি লোকাল নাকি সেখানে পালটা ফুটেছে লালটা। কং'কে দিয়েছি ফাঁকি। নেবো ধরাচূড়া‚ ঘুরিবো ত্রিপুরা‚ শ্রেণী-চরিত্র বুঝে সেখানেও যদি ওল্টায় গদি‚ নেবো পার্টনার খুঁজে মিটিংয়ে মিছিলে‚ শুখা খালবিলে আধপেটা‚ আধশোয়…

প্রাকৃত আ-গলে লেখা কবিতারা: পর্ব ১ (উৎসর্গঃ নাদিয়া ইসলাম) - অতনু সিংহ

মা তারা আসলে পাখীর নাম
এবং ডেসিবেলে কেঁপেছে চারটে দেওয়াল ঘুলঘুলি থেকে মারহাবা আকাশও কী দারুণ খসে গেছে, বাতানুকূল তছনছ করে এসেছেন তারা, ভোররাতে, লাল আকাশের পাশে মুখ রেখে... জিভ তার রক্তিম, পায়ের নীচেতে বাঁধা সুরক্ষা-খনির নুপুর, চুলের অরণ্যে আজও চাঁদের অন্ধকার, মৃদুমন্দে পাখির আরাম, তিনি তারা, আমি তার কোহলসন্ধান # আমি তার ত্রিকাল স্বপ্ন থেকে বুনে ফেলছি রাত, তন্ত্রবিদ্যেরও আগে সহজ-ফসলের কথা লিখছি স্নানের ঘোরে তারা পাখী, পাখীমা তারাটির ডানা থেকে শিখছি ভূতল-বিদ্যে আর চরাচরে ট্রানজিস্টার সুদূর ব-দ্বীপ থেকে অগ্ন্যুতপাতের সংবাদ... তারা মা মুণ্ডমালা খুলে রেখে আমাকে শোনাচ্ছেন, নৌকা ভ্রমণের শেষে মালভূমে মেয়েরা রোজ বাজায় পিয়ানো গাছের কোটরে কেমনে রান্নাবাটি, আর কীভাবে বালিতে সূর্য এঁকে সময়ের ওঠানামা, বোনা হয় শীতের পোশাক, কেমনে বাঁধতে হয় ত্রিনয়নী-বেরা কীভাবে হামাগুড়ি, কীভাবে হেঁই-হো ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে আয়না আয়না কাজল-স্বপ্নে লাগে হকের আজান # আমার পাঁজর জুড়ে সারারাত পলাশিয়া মেয়ে ও তাহার সে পরমাপরম, সেই লাল, আমি তার ডানায় কন্ঠ পেতেছি, আর গাইছি, 'সময় তো থাকবে না গো মা কেবলমাত্র কথা রবে...
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS