Skip to main content

Posts

Showing posts from June 12, 2016



মোমবাতি ও স্বপ্নের প্রত্যাবর্তনঃ ঋপণ আর্য

উৎসর্গের কবিতা ~ এক
ফুল দিতে পারিনি হলুদ ফুল... আসলে ফুলের আশে-পাশে এমন সব অনুভূতি আছে, যার এখনও শব্দ তৈরি হয়নি





স্বপ্ন তো দেখবেনই...

পাঁচটি লেখাঃ সঙ্ঘমিত্রা হালদার

একা এধারে সুরটি সন্দেহ করে যথেষ্ট ভুতুম কিনা ঘরবাড়ি ভেংচি কাটে তর্কটি জুড়ে দিই গাছে
ফল আসে



জাতিস্মর ও যৌনতা এইসব পাহাড়ের বহুবিধ আস্কারা রিবনে মোড়া টুকিটাকি তৈজস এখানে এমনকি জুতোও নকল করে হাঁটা ব’লে বোঝানো যাবে না এতখানি জাতিস্মর 
শুরু হবে হবে ক’রে বহুজাগতিক এক কাঠচেরাই-এর শব্দ যেন রা কাড়ছে যৌনতার শিরা ভেতরে ওঠানো- নামানো কপিকল মানুষেরও বহু আগে ফেলে আসা ঘর বর্ষাতি হাতে খুঁজতে বেরিয়েছে পরিজন কেউ
বলে বোঝানো যাবে না এতখানি জাতিস্মর



দূরে ইশারা আসে গীটারে স্ট্রাম করছে কেউ মানে কারো অপেক্ষায় আছে গান বাজো পায়েল। পায়ে এলে বাজো
এই সতর্কীকরণের ভেতর আমরা আছি কিন্নরে অভিবাদনে কিছু বা না-বোঝায় ধরো মৈথিলে তুমি ঘাম লিখেছ তোমার অপেক্ষা করছি আমি আমার ভাষার রা-য়ে রা ঝলসানোর
স্বরের উৎক্ষেপণ বিন্দু তো আসলে এক পাখির বেদনা যার পালক খসানো থেকে শুরু হল কবির মন



পাশের বাড়ি
পাশের বাড়ির রেওয়াজে গাঢ় বয়সের ওসমান লন্ঠন এগিয়ে দেয় আমাদের চোখ সে আবছায়া পেতে ঘুলিয়ে তোলে সুর।
দেখি সরাইখানা বসে যাচ্ছে। সেতু আটকা পড়ছে এমত দীর্ঘ ও আরও কত কী পারঙ্গম তোলে সব। ভালোমানুষ কৌটো থেকে আমাদের স্মৃতির কাঠঠোকরা সেধে সেধে তোলে তাহাদের ঘন যামিনীর আড়ালে যে সুর ছি…

একটা বৃত্তের কয়েকটি বিন্দুর কথা বলছি... - সেখ সাদ্দাম হোসেন

১. সংসারী একটাগাছ
সেযতটামা, ততটাইবাবা

২. মনখারাপ মায়েররান্নাখেয়েবুঝতেপারি
বাবাআজ
একমাসেরজন্যকাজেরশহরেচলেযাবেনআবার।

৩. জানালা কতোটাপালাতেপারবোজানিনা।
ওইযেদ্যাখাযাচ্ছে,
একটাবাতাবিলেবুগাছছেলেকোলেনিয়েউনুনধরাচ্ছে
ওরশিকড়পর্যন্তইআমারইবাদত।

৪. অসুখ ভা

কৌস্তভ চক্রবর্তীর আঁকা ছোটগল্প

ছোটগল্প ১



ছোটগল্প ২









কৌস্তভ চক্রবর্তী Koustav Chakrabarty

'মিফি মোয়েগো দেস্তভা' - হিয়া মুখার্জী

দারুণ রংচং এই সকালে সার্কাস দ্যাখানোর অছিলায় আমি তাঁবু ফেলেছি তোমাদের গ্রামে অথচ তুমি ভাবছো ১৯৯০ তুমি ভাবছো সমুদ্রতীর জুড়ে ব্রতচারী নাচের কথা আমি বাঘ দেখাচ্ছি, সিংহ দেখাচ্ছি তুমি নিষ্পাপ ভাবে হাততালি দিচ্ছো আর একমনে ভাবছো মহাকাশ যাত্রা আমি তোমার কানে কানে অঞ্চল প্রধানের গল্প শোনাচ্ছি অঞ্চল প্রধানের বাক্স ভর্তি মণি মানিক্যের গল্প শোনাচ্ছি বলছি রিং মাস্টারি তো স্রেফ লোক দ্যাখানো আমি আসলে তো এসেছি চুরির ধান্দায় অথচ কি আশ্চর্য তুমি ভাবছো আমি নৌকাডুবির কথা বলতে চাইছি তুমি ভাবছো আমি ভালোবাসাবাসির কথা বলতে চাইছি







হিয়া মুখার্জী Hiya Mukherjee

বিক্রম শেঠীর ফোটোগ্রাফ

চরণ



সিঁদুর খেলা



War

















বিক্রম শেঠী Bikram Sethi

তিনটি কবিতা - প্রবীর রায়

সমঝোতা
প্রথম দিকে শেখার সময় টলমলশ্লোগান নিবিড় ছিল মনে হত সকলেই এক এ অগ্র হয়ে আছে
যে আমার হাত ধরে অনন্ত চেনাল আজ সেই পথের মৃতদেহ কোনও মিছিলে যায়নি


বোঝা শোনা
দড়ি বাঁধা বালতি কুয়োয় ফেলতেই জলশব্দ টেনে তোলায় একটা দীর্ঘ ‘না’
এই কটা বর্ণে কি অনেক শব্দ হবে যা ধ্বনি দেবে পরম্পরা মেনে আকাশ থেকে মৃত পাখির ডানা বৃষ্টি হবে

খোলাখুলি পৃথিবী আঁকতে গেলে মাটি জল পাথর ও তরল আগুন এর সাথে যে ক্রিয়াপদ থাকে সে এক অতীত অন্ধকার সেই কাল খুব মহাকাল  আসন্ন বিনাশের মত


মানবধর্ম
গলা টিপে ধরার আওয়াজে কোনও বর্ন নেই শুধু ধ্বনি আছে তার এক সরগমে বাজনা চাইছে কঠোর আঙুল
মান্য করিনা সেই ধর্মপিপাসা যে শব্দ চিনিনা তাঁর কোনও সংস্কার নেই তার কাছে চলে যেতে চাই                                       









প্রবীর রায়
Prabir Roy

প্রথম গর্ভের স্মৃতি হারিয়ে যাবার পর - বাপি গাইন

১ ভায়োলিন আর একা একা কতদূর বাজে
যতক্ষণ না কেউ তাকে ঘষে ঘষে ব্যথা করে দেয়

২ শুধু কি বহুভাষী ফুল?
আর কোনো কাঁটা না?
ক্ষত না কোনো?
ক্ষতকে জাগিয়ে রাখা কিছু না? হাওয়া এলে দুলে ওঠা শুধু?
হাওয়াকে ষড়যন্ত্র তারপর?
সৌজন্য প্রতিবেশী কেবল?
ফুল ,ফুলের অতিরিক্ত কিছু না

৩ পাহাড়কে তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্হ দিয়েই মানুষ চেনে
তাই অপেক্ষাকৃত ছোটো পাহাড়ের কাছে
কেউ ভুল করেও বাঁশি ভুলে আসতে যায় না। বাঁশি মূলতঃ সেইসব উচ্চতায় ভালো বাজে
যেখানে অবাধ্যতা হাওয়ার কলার উঁচু করে হাঁটছে।


মারো,আমাকেযেমন ইচ্ছে
অন্ধকারে খন্ড খন্ড করো। করেছ শালীন?
দাও দেখি তার অশ্রুটুকু
কপালেছোঁয়াই। তাও কি দেবে না?
মুক্তি দেবে না,জন্মকালীন?


এখানে জল ছিলো।
এখানে ছিলো জলের উপযুক্ত খননকার্য।
খনন কার্য হেতু এখানে ছিলো মানুষের খুলে রাখা জামা।
খুলে রাখার জামার বাইরেএখানে ছিলো এক অস্ফুট শরীর।
এক অস্ফুট শরীর যা পচনশীল ও মৃত্তিকার ধ্রুব আলিঙ্গনবিদ্ধ।
এখানে উপেক্ষিতছিলো
এখানে আন্তরিক ভ্রুক্ষেপ <

তিনটি কবিতা - সায়রী গুপ্ত

নাগরিক দু'মুঠো সময় যেই থেমে যায় এই পৃথিবীতে, আমি একা বসে থাকি। নাগরিক উপত্যকা জুড়ে শুধু ছুটে ছুটে চলে আলোকরেখার মত মেঘ। তাদের বুকের মাঝে দেখেছ কি সেই বৃষ্টি? তীব্র নিঃশ্বাস ফেলে - গতি, আরও বেশি গতিবেগে যারা ভেদ করে যায় প্রতিদিন মুহূর্তের জাল, তাদেরও তো একদিন মনে হতে পারে, আজ থাক। অঝোরধারায় তাই ভিজে যায় রোজকার পথ। ভিজে যায় একরাশ স্মৃতি কিছু দুঃসহ রাতে, ভিজে যায় মনে মনে মানুষের যত শুভক্ষণ, তবু হেঁটে ফিরি যদি স্ট্রিটলাইটের আলো জ্বেলে ভিজে যায় দৃশ্যত আমার সমস্ত জীবন।

এবং অতীত হয়তো তোমার কোন একলা কিছুক্ষণ জুড়ে, ভিড় করে আসে স্মৃতি ঘষা কাঁচে ছবির মতন, ধোঁয়া-ওঠা কফি-কাপ, নিঝুম বারান্দার কোণে হয়তো কেমন যেন মেঘ করে আসে বারেবারে। দিনগুলো একমুঠো বেঁচে আছে আজও বহুদূরে, জানি তবু কিছু কিছু সম্পর্কের নেই শেষ। আলোকবর্ষ যত চলে গেছে সময়ের পারে, এইটুকু দূরত্ব থেকে যাক ভালবাসা হয়ে...

একদিন এক-একটা দিন আসবে ব'লে জানলার পাশে বসি, এক-একটা দিন চলে যাবে তাই রাস্তায় নেমে যাই। এক-একটা দিন রোদ এসে পড়ে শহরতলির বুকে, এক-একটা দিন মরচে রঙের আলোতেই মরে যায়। এক-একটা দিন দিকভুল করে পাখিরাও এসে পড়ে, এক-একটা দ…

তিনটি লেখা - কিশলয়

অনুসিদ্ধান্ত

এই পড়ন্ত বিকেলে একাকী পাহাড়ের দিকে চেয়ে থাকতে দেখা যাবেনা আমায়। পাইন গাছের আড়ালেও থাকবেনা সূর্য কিরণ কিংবা সাদা মেঘ। বহুদূর থেকে শোনা যাবে কুড়ি বছর আগের একটি চিৎকারের প্রতিফলন শুধু
সহজ রাস্তায় এসে দূর্গম পথের সন্ধান পেলে প্রিয়তমা, লিখে রেখ! সহজ রাস্তাও মেলেনা সহজে।


উপাসনা

ভেতরে ভেতরে পুষেছি শত লোভ, কাম, ক্রোধ, মোহের বাসনা তুমি ক্ষমা কোরো...

শরীরে আমার এক অবসন্ন মৃতের বাসস্থান!
বিষাক্ত ফল দিয়ে পুজো দেব তোমায় হে ঈশ্বর, তুমি রাগ হবে নাতো?


একটি প্ররোচনামূলক কবিতা

যেঘাতকটিরসাথেতোমারপরিচয়ছিল সেখুনকরতেপারতোনা!
যেহাতেতুমিচুমুখেতেখেতেদেখেফেল
একটিচকচকেধারালোছুরি
আরসযত্নেতর্জনীবোলাওতারখুঁরধারে
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS