Skip to main content

Posts

Showing posts from June 19, 2016



কিছু লেখাঃ দেবাশিস বিশ্বাস

ঘরের অন্ধকারে যা কিছু ভেঙে পরছে ১ ঘরের অন্ধকারে বুনো হাতিদের শুঁড়ের আওয়াজ কেন তোমাকে বলা হোলো না খনির গর্ভ কতটা দূর শীতকাল এলে, তাঁবু ফেলে শুধু ক্যাম্পফায়ার জ্বালানো উচিত। প্রতিটি শুকনো কাঠের পুড়ে ওঠার আগে নামতে চায়নি কোনও জঙ্গল অথচ আঙুল, আঙুলের শিরা থেকে একমাত্র রক্তের ধ্বনি শোনানো যাচ্ছে না তোমাকে
২ মাংসপেশিগুলো হাড়ের জামা হিসেবে থাকে বিজ্ঞান এখানে অন্য কথা বলার পর, আমি সেই মানুষটিকে খুঁজি
যে রোদের গতিবেগে তছনছ করে--          মহিষের চর্বি থেকে গলে পরা অন্ধকার
৩ একটা ধনুকের ব্যবহার তুমিও জানার চেষ্টা করো অতীতে এই নিয়ে, আদিমদেবতারা যুদ্ধই করে যেত
৪ বাগান তোমাকে কিছুই দেয়নি অথচ বাগানের ফুলগুলোর কোনও দ্বিধা নেই ফেটে যাওয়া ছাড়া
৫ পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেওয়ার পক্ষে বাজপাখিকেই চিহ্নিত করা হয়েছে ডুবে যাওয়ার পর, রবারের ডানাগুলো একদিন ইরেজার হয়ে যাবে
৬ যা দেখানো হচ্ছে তোমাকে তুমি তার পতন খেয়াল করছো


জঙ্গল এক চেতনা পূর্বক লেখা ১ এইসব অন্ধ গুহার মধ্যে প্রবেশ নিষেধ লেখা সত্ত্বেও, হে উড়ন্ত জঙ্গল তোমাকে খুব মনে পরছে তোমার শরীরের ক্ষতগুলি এখনও তেমন প্রকট চোখ খুলে দেখে ফেলেছি এইসব ভয় নির্ভর প্রাকৃতিক দুর্যোগ--- রুটির দোকান থেকে চুরি য…

তিনটি কবিতা: আপন মাহমুদ

কথা, পাহাড়ের সঙ্গে
Tuesday, August 28, 2012
পাহাড়, তোমাকে কিছু বলতে ইচ্ছে করে--বিশেষত মনমরা বিকেলে কী করো তুমি--কার কথা ভাবো--কে তোমার কান্নাকে প্রথম ঝরনা বলেছিলো? আমি? আমি দু-চারটা সিগারেট বেশি খাই, চুপচাপ ঘুরি-ফিরি--দাড়ি কেন কাটতে হবে, ভাবি...
মাঝেমাঝে নিজেকে শৈশবের হাতে তুলে দিয়ে ঘড়ি দেখি--ঘড়িতে ৩৪টা বাজে! ফুল পাখি নদী ওরা কেমন আছে?

পাহাড় তুমি কি জানো, রজনীগন্ধা সবজি নয় কেন!



প্রসঙ্গ; বর্ষামঙ্গল
আমাদের উদীচী ও চারুকলার আপুরা এবারও বেশ নাচ দেখালেন বর্ষামঙ্গল অনুষ্ঠানে--কেউ কেউ যথারীতি পুরনো রবিঠাকুরকেই নতুন করে ঝরাতে চেষ্টা করলেন--মঞ্চ থেকে একটু দূরে, বৃষ্টি ও ভেজাবালিকাদের প্রতি মুগ্ধতা রেখে আমরা গল্প করছিলাম-- আমাদের একজন সিগারেট ধরাতে ধরাতে বলল,‘ ছাত্রী হোস্টেলের মেয়েরাই সব‘চে কার্যকর বৃষ্টি--কেনো না, ওদের শুকাতে দেওয়া একটা পুরনোই ওড়না দেখেই তুমুল ভিজে উঠি আমরা।’
আরেকজন কিছুটা অনাসক্ত গলায় বলল,‘ বাদ দে, ওই সব বৃষ্টি-টিষ্টি-- কোথাও একটা কলার ভেলাও দেখছি না যে ভাসবো-- ভাসতে না জানলে জাহাজ তো দূরের কথা একটা কাগজের নৌকাও হওয়া যায় না।’
এভাবেই, একথায়-ওকথায় রাত বাড়ে-- আমাদের বর্ষাবিষয়ক আড্ডাও যায় ভেঙে-- কেবল…

পঞ্চায়েতপ্রধানকে আমি মেরেছিঃ দীপাংশু আচার্য

পঞ্চায়েতপ্রধানকে আমি মেরেছি (এটি একটি গদ্যের বই, যার স্বত্ব হারিয়ে গ্যাছে শল্যচিকিৎসকের ঝাঁটে) যেন রবীন্দ্রনাথ হাত থেকে ফেলে উনুন ভাঙলেন ইচ্ছে ক’রে...
উৎসর্গ নাক

লেখক পরিচিতিঃ তোমায় হৃদমাঝারে ক্লিশে ক’রে রাখি তুমি যাকে ইতরের ছবি দাও ফি বছর আমি সেই পল্টন পাগোল আমি গীটারের কাঠ বাজাই। আর চোখ বন্ধ ক’রে গান গাইতে দেখলে সবাইকে সুরেলা মনে হয় আমার। তুমি টিপ পরবে যেদিন আবার, আমি দক্ষিনী বেড়াল সেজে যাবো পা টিপে টিপে
ভূমিকা (এক) আমি চাই বিরক্ত করতে। ডান চোখের মণিতে জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি ঠেকালাম
ভুমিকা (দুই) জন্মদিনে একুশটা ঘড়ি পেলাম। সবকটা একরকম দেখতে। প্রত্যেকটাকে আলাদা ক’রে চেনার জন্য একুশ রকম সময় ক’রে রাখলাম
প্রথম দৃশ্য (সন্ধ্যে / গলি) -এখানে একা একা ব’সে কি করছ ? -আপনি? -আমাকে চিনবে না। আমি ভুবন বৈরাগী। আমি তোমায় খুন করতে এসেছি...
আগে যা ঘটেছে আমি কুসুমের লোভে যেতাম ওদের বাড়ি। শুকনো সুস্বাদু আঁশের মতো খসখসে করে দ্যায় জিভ টাগরা ইত্যাদি। জল খাই না। অনেকক্ষণ লেগে থাকবে ব’লে। জল ছাড়া মানুষতো মরে যায়, তাই তুমি ভালো মেয়ে, আমার জন্যে জলের কুসুম আনতে চ’লে গেলে কোথায় একটা।

একটা ক’রে বিচ্ছেদ একটু ক’রে সৎ করে দ্যায়

“রহস্য ত…

উজান, প্রথম ক্যান্টোঃ কৌস্তভ চক্রবর্তী

উজান ১





উজান ২



উজান ৩









কৌস্তভ চক্রবর্তী Koustav Chakrabarty

চারটি কবিতাঃ পিয়াল রায়

টেলিফোনিক কোনও কোনও মুখ টেলিফোনেই সুন্দর।
ব্যঙ্গমা-ব্যঙ্গমি-আর্ট-কালচার-রাজপুত্র শহরের রাস্তায় জাস্ট ক্যাবলা দি গ্রেট ...
কিছু কিছু মুখ টেলিফোনেই সুরেলা।
পাহাড়ের বিরাট দৈত্যপুরী আয়নায় বয়স ধ্বসিয়ে জোরা পা আলতার দেওয়াল...
কিছু কিছু মুখ টেলিফোনেই সুস্বাদু।
জমায়েত ভেঙ্গে গেলে জামাসর্বস্ব দেহ মিলিয়ে যায় ধাপার মাঠে
টেলিফোনের বাইরে কিছু কিছু মুখ                                       সুবিধাবাদী                                                    শুয়োরের মতো


সরে দাঁড়াবেন প্লিজ এত অহঙ্কার নিয়ে এখনও বেঁচে আছেন আপনি ! এখনও পঞ্চভুতে মিলিয়ে যায়নি আপনার নির্বোধ নাম !
অসংখ্য বলিরেখাগ্রস্ত কথোপকথন যেন সবুজ ঘাসে চকচকে বিকৃত সাপ ক্রমাগত জিভ দিয়ে চেটে নিচ্ছে ঘাসের পেট আর ধোঁয়া মগজের দূরত্ব
এবার ঝাণ্ডা তোলার সময় হয়েছে একটু সরে দাঁড়াবেন প্লিজ মানুষের মিছিল যাবে এই পথে -
একুশের আলোয়


একটি জটিল কবিতা মাথায় কিছু আসছে না... রাত গভীর ... থমথমে আকাশ তারাদের আলো পরিপাকে ব্যস্ত ... আঙুলগুলো জট পাকিয়ে থেমে ... পার্থিব বোধশূন্য মগজ শীত ঘুমন্ত ... এমনকি তোমাকে আদরের ভাবনাও তেমনভাবে উদ্দীপিত করতে পারছে না ... যা থেকে জন্ম নিতে পা…

অক্ষর লিপিঃ দেবাশিস মুখোপাধ্যায়

১. শহরের গাছ। ঘুম পাড়িয়ে রাখছে ভবঘুরেদের। পলিথিনে ভাত। চটকে গ্রাস তুলছে ভিখিরি মেয়ে।
ডোরাকাটা রাস্তা। পেরোলেই খাবার আর খাবারের মানুষ। গাড়ি আর মোবাইল। কেউ থামতে না পেরে বিগড়ে গেলে দেরি হয়ে যায়।
ঘোড়া চলে আসে। খাকি উর্দি সওয়ার। থমকে যায় বাজার জনতা। ভুলে যায় আবদার টেডি পাখির
পাখি বেরোতে না পারলে ঘরের অস্বস্তি আর ডানারা আকাশ পেলে হারিয়ে যায় আস্ত শহর...


২. ইচ্ছে। থাক তাকে। নামিয়ে আনব না ডানা লাগিয়ে উড়িয়ে দেব।  না আকাশে কাশের মেঘ অনুর্বর জমিকে সুন্দর চেষ্টায়
টান। তুলিতে পড়লেই। তুলি ফোটায় ফোটো ছবি। বিনা ক্যামেরায় রায় ঘোষণা হয়ে যায় সাদা এজলাসে
লাশ। বিড়ালের। রক্ত নিয়ে শুয়ে। শু রাখার বাক্সের পাশে। পাশবালিশ নেই। ইতি শব্দ নিয়ে না পাঠানো চিঠি ঠিকানা না পেয়ে পড়ে সেখানেই
নেই নেই করেও দেখি কিছু রয়ে গেছে অ্যালবামে বাম হয়ে...


৩. শ্লেট শরীরে। শূন্য স্থানে স্বরবর্ণ নামাই। অপূর্ব ব্যঞ্জনে তুমি ফোটো। বনলতা বনফুল পায়। নুপূর বাজনায় কুচযুগ শোভিত যে এলো সে হাতেখড়ির সরস্বতী
ছেলেবেলার প্রথম কম্পন। ঠোঁটের ভাষার। কাপড়ের মন্ডপে ঝড়। নতুন পৃথিবী। শিখিয়ে নেয় লাবণ্যের পাঠ। বয়ঃসন্ধির সন্ধি বিচ্ছেদ
প্রাণের আকাশে । এতো বর্ষণ মুখর দিন। …

পাহাড়ের কয়েকটা দিনঃ স্বদেশ মিশ্র

দেখো যেন অতিক্রান্ত চাঁদের আকাশ দেখে ভোর ভেবে ভুল না হয়, যদি হিম এসে পরাপর বিদ্যার মতো, জ্বেলে দেয় তার সন্ধ্যেধূপ, দূরের শ্রীমঙ্গল, আরো নদী পার হয়ে গেলে ঝুলে থাকা ব্রিজের লহমা,
শুনেছি সেইখানে 'তুমি' বলে তার মনে হাওয়া এলো এঁকে দিয়ে চলে গেলো, এক একটা দুর্দান্ত বিকেল, পাইনবনের ছায়া, ফার্ণের প্রগাঢ় বিজ্ঞান...
যেন ঘুম হয়ে গেলে মেঘেরাও কফির ধোঁওয়ায় হৃদয়ের মেঘ সব হু হু হয়ে ওড়ে






স্বদেশ মিশ্র
Swadesh Misra

পাখিদের অ্যাসাইলামঃ সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

ঋণঃ রজার বেলেন


তোমার জ্বর সারবে না কোনোদিন ছত্রিশবছর ধরে যে থ্রিলারের ভেতর হাঁটাচলা করলে, মৃত পাখিদের জন্য ছুঁড়েদিলে সন্ধের প্রণাম
সেইসব মেঘলা চিহ্নের ক্রমাগত বয়স বাড়ছে এক একটা ধারাবাহিকের ক্লান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে আরও কয়েকটা ট্যুরিস্টস্পট                                                                    বোতামের কারুকার্যসহ খসে পড়ছে বাদামি প্যাস্টেল
তোমার জ্বর সারবে না কোনোদিন যদিও তোমার এই বিচ্ছিন্ন উত্তাপ আসলে খুলে দিচ্ছে আরও একটা দরজা
যদিও তোমার এই বসে থাকা আসলে সেইসব চেয়ারের কোনো কোনো অংশ যারা ক্রমশ ফোটোগ্রাফের বিষয়বস্তু হয়ে উঠছে



পরিত্যক্ত স্ট্রেচার মৃদু শোক ও শয্যা ফেলে গড়িয়ে এসেছ ঈষৎ পাশ ফিরে ঘুমের মেধাবী গড়ন
তোমার আরোগ্যবোধ এখনো শীতল নয় ক্ষীণ সান্ত্বনার ছায়া আর ওষুধের কিশলয় ছিঁড়ে তুমি কি উঠে দাঁড়াবে দুর্বল ছায়াছবির দেশে সাদা পোশাকের স্তব্ধতা সরিয়ে খুঁজে নেবে সান্ধ্য রেস্তোরাঁ, প্রাচীন শীলমোহর?
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS