Skip to main content

Posts

Showing posts from July 3, 2016



দেবদত্ত ব্যানার্জীর আঁকা

দেবদত্ত ব্যানার্জী

Debdutta Banerjee

নাম - নামের গানগুলিঃ রাজর্ষি মজুমদার

নাম - নামের গানগুলি ১. অভাব এক মামুলি প্রাচুর্য হতে বসেছে এইখানে, তুমি আঙুল থেকে নিয়ে চলেছ মালাবার মশলার ঘ্রাণ। নিবৃত্তির সাথে অবশিষ্টের যে সম্পর্ক,সেই জল বেয়ে বেয়ে আমরা আলেপ্পি চলে যাব। সেখানে মানুষকে তোমার দৃশ্যত সবুজ মনে হতে পারে। নতুন ছাতার প্রয়োজনে বৃষ্টিকে মনে হবে বেলাশেষ। ছাতাটিকে বৃষ্টি থেকে সরিয়ে আনা অজুহাত হয়ে উঠছে - আমরা সময় থেকে সরে আসছি আসলে। এরপর প্রতিটি বিচ্ছেদের প্রয়োজনে চলে আসবে মালিকানা ও স্মৃতির স্থায়িত্ব বিষয়ক নানা কথা।

২. পাহাড় একটি করুণ উপত্যকা হয়ে এসেছে,বাস পেরিয়ে গেলে সন্ধ্যেও নেমে আসে। জানালার থেকে আমরা বুঝি - নীচু হওয়া মেঘ, দৃষ্টিসুখ দেয়। শুধু কি সেইজন্য দক্ষিণে এলাম? নাকি কোথাও মনে হয়েছিল এই সুদূরপ্রসারী,এই মিস্টিক কফিক্ষেত সাফল করে দেবে অনুভূতিগুলো। ঢাল বেয়ে বেয়ে পাতার মত কৌতূহল হবে আমাদের। যেই সুরগুলো চেনা হয়নি - তাদের জন্য আলোর সুইচ অফ করা মনে হবে যুক্তিসংগত।  আমরা দুদিন হোটেলে থেকে নান্দনিক হতে চেয়েছি। চেয়েছি আমাদের পেরিয়ে যাক মালয়ালী শব্দের সারি ...

৩. মানুষের সঙ্গে সঙ্গে গান আনন্দ হয়ে উঠছে। মদ সম্বন্ধে সংশয় জমতে শুরু করেছে মনে - দেখছি, ক্রমেই তুমি শব্দগুলি ধীর…

আমি ও স্বরূপঃ সুপ্রকাশ প্রামাণিক

আমি ও স্বরূপ
এক আমার জানালায় যে সুপারিগাছটার ছায়া এসে পড়ে সেটা স্বরূপের। সোজা তাকালে বন্ধ জানালায় ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসে চোখ। মাঝেমাঝে জানালার ফাঁক গলে আলো অন্ধকার কাটাকুটি খেলে। সাবধানী চোখ রেখে দেখি স্বরূপের পায়চারি। একদিন কী একটা লিখছে দেখে জানালাটা খুলতেই আমাকে অবাক করে বলল, "বেরোব তো, তাই ঠিকানাটা লিখে রাখছি। বলা তো যায়না, কখন কী হয়ে যায়!" ছেলেটা আমারই মতো বেঁটেখাটো, আর ইদানীং খুব চুপচাপ হয়ে গেছে।

দুই এমনিতে স্বরূপ বেশ মিশুকে ছেলে। দুইজনে জানালা খুলে দেদার আড্ডা চলে, তুমুল টানাটানি করে কত ভোর এনেছি। অভিমানী শিশিরের সাথে সব ফিরে গেছে। আজকাল স্বরূপের থেকে দূরে দূরে থাকি, আঁকিবুকি কেটে কোনোমতে পার করি দিন। ও!  সে এক রাত ছিল, হালকা হাওয়ায় কাঁপছিল মোমবাতি। দেয়ালের পোয়াতি ছায়ায় পাশফিরে দেখি, চেয়ে আছে জ্বলজ্বলে  চোখ — “কী কবি, কি লেখ? জানো কী! আমিও গোপনে লিখছি তোমাকে।"    

তিন জানালায় ক্রমশ বেড়ে চলে বোলতার বাসা, পাশাপাশি ভেসে যায় অঞ্জলির ফুল, ঘাম শুষে ভারী হয় বাজারের থলে। বিপরীতে আরাম খুঁজি পেরেক মারা পুরনো চেয়ারে, খুঁজি তোশকের নরম ওম। ধীরে ধীরে ঘর জুড়ে শীত নামে ঘোর। কুয়াশা সরিয়ে শি…

অনিবার্য যৌন শালপাতাঃ প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়

অনিবার্য যৌন শালপাতা
(প্রজিত-কে )
১) ভাঁড়ুদাস, পথে চলো
শ’য়ে শ’য়ে ফুটে আছে পাছার বিপণী

তুমি আর কারও কথা শুনোনাকো
জাঙিয়ার কথা শোন
কেন সে অযথা ভিড়ে
একা কষ্ট পায়

আস্ফালন নাই তার
নাই তার স্ফুরিত সময়

তুমিও তো দল পিছু
পিছু পিছু
হেঁটেছো সরণী
ন্যুব্জ পিঠের ঘাম ভিজিয়েছে কক্‌সিক্স

তুমিও তো বাঁকা চোখে দেখেছো ভার্জিন
কিভাবে ফুঁকছে সিগারেট
তোমাকে দেয়নি ভাগ
তাই কি তোমার রাগ
পোশাকের মেধা থেকে ঝরেছে বাজার

রোদ ছিলো --সরে গেছে
আভা ছিলো -- মরে গেছে
সানস্ক্রিন ছাতামাথা
ছাঁট সম্বল


ভাঁড়ুদাস, পথে এসো
মাইরি তোমার থেকে বড়ো কোন
চারপেয়ে নেই

কি কথা আলোর সাথে ? আলেয়ার ? সময়ের থেকে বিষ  
গড়িয়ার ঠেকে হিসি
ছড়িয়েছে

ব্লার্ব ও কভার ড্রিবলিং

দেখোযেন গোল করোনাকও,
থ্রু-পাস এমন দাও
যে ধরবে সে অফ্‌-সাইড খাবে

প্রকাশিত অন্ধকার আর শিকড়ঃ সুপ্রভাত রায়

প্রকাশিত অন্ধকার আর শিকড়
১ ভুলভ্রান্তি নেমে আসে গায়ে সহজ রোদের অক্ষরে হাঁটুজলের স্মৃতি
ছায়াদের স্বপ্নে তখন ছুটিছুটির সাদাকালো ভাতঘুম
নেমে আসে, উঠে যায়; সংখ্যাকে কথায় লিখে বানান করতে করতে...
২ স্বপ্নের গ্যালারিতে খাতাপেন অথবা কীপ্যাড নিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে করে। দৃশ্য জন্মালেই... তাদের মাতৃভাষা দিয়ে রং করব। আর সেই সুখ চোখে চেখে দেখতে গিয়ে শুনি গ্যালারি উল্লাস আঁকছে কালারব্লাইন্ডকালারব্লাইন্ড শব্দে...
৩ একটা সহজসরলতরল কথাকে খুঁড়তে খুঁড়তে ধাতব শব্দ চিৎকার করে ওঠে আচমকা প্রস্তুতি না নিয়েই...
গ্রহদের পৃথিবী আর মানুষের ইন্দ্রিয় জেগে জেগে বসে থাকে সদর দরজা খুলে দিতে হবে বলে…






সুপ্রভাত রায়
Suprabhat Roy
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS