Skip to main content

Posts

Showing posts from July 31, 2016



ইমরান ফিরদাউস-এর ভাবনা বুদবুদ

১. মানুষের বাগানে তুমি এক ভীত ফুল নাম-গুমের বাগানে আর কতকাল তুমি দিয়ে যাবা ভয়ের চারা গাছে জল। সেই গাছের ডালে ডালে এখন ঝোলে 'ভয়'নামক অদৃশ্য টশটশে ফল... এই ফলটি তুমি পারো খেতে একা একা দরজা বন্ধ করে। কিন্তু,'ভয়'যে আজ তোমায় খাচ্ছে- চলতে-ফিরতে-উঠতে-বসতে-প্রেমে-অপ্রেমে-বিশ্বাসে-নিঃশ্বাসে... সত্যি,তোমার ইচ্ছে করে না- সুন্দরবন বা রুপপুর বা লাউয়াছড়ার গাছগুলো না কেটে ওই 'ভয়' নামক বটবৃক্ষের সমূল উৎপাটন করতে!? বিদেশি প্রেসক্রিপশনের লিডারশীপ ওয়ার্কশপ করা তোমার মন কেন কুঁকড়ে যায় না সংখ্যাতাত্ত্বিক উন্নয়ন সন্ত্রাসে!? জঙ্গীবাদ/মৌলবাদ/জাতীয়তাবাদের বাণিজ্যে‘দেশপ্রেম’ কী শুধুই জাদুঘরে দেখা প্রাগৈতিহাসিক ফুল!? নিজেরে জিজ্ঞাসিও বন্ধু আজ এই দাহকালে।।



২. আধেক ঘুমে নয়ন চুমে মেমোরি বেকারীতে সকাল সকাল মৌতাত ছড়াচ্ছে হট বেকড উদাসীনতা হায়! মনোরমা চেয়েছিলে প্রেমের দাস হতে আর গিফট দিয়ে গেলে আর্বান উদাসীনতা



৩.আমার হিয়া কাঁপে হায় কি অদ্ভুত এই প্লাস্টিক জীবন! সেমতি কি নিষ্করুণ এই প্লাস্টিক এই জীবন! সিন্থেটিক এই নগরীতে কেউ কারো নয় যতক্ষণ না কারো ঘাড়ে রোঁ পড়ে।

The Making of 'Fading Clouds'

‘Fading Clouds’ একটি ইন্ডি-ফিল্মের গল্প - সুমন মজুমদার
রঙিনমেঘের গান গল্পটা শুরু হয়েছিল এক বছর আগে, স্ক্রিপ্ট মাথায় চললেও খাতায় নামছিল না পুরোপুরি, তারপর একদিন ববির বাড়ি খুঁজেপাওয়া, বাড়িটায় একসময় অনেক লোক থাকতেন, তারপর এখন দীর্ঘদিন জলের লাইন কাটা। দেওয়ালে ছবি, ময়লা সোফা আর একা একা একাকীত্ব।
এঘটনা আমার আগেও ঘটেছে, একটা জায়গা চরিত্র আর গল্পের মাঝের ব্যাবধানটুকু সরিয়ে দিয়েছে অন্য সিনেমার ক্ষেত্রেও। যোধপুর পার্কে ববির বাড়িতে রাত কাটানোর পর বাড়ি ফিরে আগামী সাতদিনে প্রথম খসড়া রেডি। কিন্তু ফিল্ম করার টাকা কই? ক্যামেরাম্যান আমার সহপাঠী মৃণ্ময়,সম্পাদক অঙ্কুর।অঙ্কুরেরসুবাদে আলাপ সৌম্য মুখোপাধ্যায়ের সাথে। তিনি চেরিপিক্স নামক একটি প্রোডাকশন হাউসের কর্তা। বলা ভালো পোস্ট প্রোডাকশন হাউসের কর্তা। প্রথম আলাপ, স্ক্রিপ্ট পড়া হয়নি, আমি অসম্পুর্ণ শব্দে/বাক্যে ছবির গল্পটা বোঝাবার চেষ্টায়, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন
-কত টাকায় ছবি বানাতে পারবে ভেবেছ? - আমার টাকা চাইনা, ছবি বানাবার টাকা পেলেই চলবে। - তাও কত? - ৫০-৬০হাজার - পারবে? - হ্যা। - শোন তোমাকে টাকা আমি দিতে পারব না, কিন্তু আমার কাছে একটি 7D ক্যামেরা আছে সেটি …

স্মাইলিঃ জয়শীলা গুহ বাগচী

স্মাইলি রবিবারের রঙএ আমি হতে চাওয়া একনিষ্ঠ ফুলকপিরা আটখানা দেওয়ালের পকেট থেকে উঠছে শুভেচ্ছা বার্তা ঘড়িও আদর পেতে দেয় ঘুমে পর্দা দুলিয়ে সারাত্সার হতে ভাপা অবিশ্বাস "আমি" লেখে এই আমি রবিবার গুছোয়না সিঁড়িটা উলটে  থাকে কড়াই এর ভেতর বজবজ করে আকাশ এলোমেলোরা দঙ্গল বেঁধে উজানি ভাসায় ক্ষেত্র খুলে খুলে পাট শাক ধনে পাতা লাউ অথবা একটা চাঁদের গেলাসে হামি আঁকে

(২) সোমবার এই ছবি দেখছি এইসব ছবিদের নকল করি ওরাও ছাপ তুলে নেয় আমার ওদের শব্দকল্পের স্লাইড রোজ ভুতগ্রস্ত হাভেলি পেছনে গুটিয়ে হ্যাঁচকা টানে ছুঁড়ে দেয় বালিহাঁস আর হিন্দিছবির মাঝবরাবর কোনটাই এক সিপের শপথ হয় না পা থেকে ছাড়াতে পারি না জড় নকলে বাঁধা বিছানা যত দূরে যাব এককাপ ধোঁয়া ওঠা দারুচিনি চুমুকে চুমু হবে হয়তো








জয়শীলা গুহ বাগচী
Joyshila Guha Bagchi

কৌস্তভ চক্রবর্তীর, মুখ [তৃতীয় অধ্যায়]

মুখ [তৃতীয় অধ্যায়]

মুখ - ১১



মুখ - ১২



মুখ - ১৩



মুখ - ১৪



মুখ - ১৫












কৌস্তভ চক্রবর্তী
Koustabh Chakrabarty

Hello Darkness My Ol’ Friend: Dipanjan Das

Hello Darkness My Ol’ Friend
Gradually the emptiness creeps back out of nowhere. It fills up to the beam, living no room free for movement. The distractions, escapes designed by the mind do not help. The night is inevitable in the end. “Hello darkness, my old friend I've come to talk with you again” There is nothing to be afraid of the dark. It is an old acquaintance turned friend at times. So much time spent in its company, so many years getting to know the alleys and dungeons spreading all over the town. It felt like taking a walk around the broken concrete footpath on a grim evening in a city dying from its own dreams.
Sometimes it was like the dreamy nights with star filled skies. It would have been quite all right if not the air was filled with the melancholic tune of a violin weeping through the dry winds from a far off cottage. Unknowingly you walk towards the tune with your heart filled with memories and all that had to be. If only we were content like this all the time! Darkne…

কৌস্তভ চক্রবর্তীর, মুখ [দ্বিতীয় অধ্যায়]

মুখ [দ্বিতীয় অধ্যায়]


মুখ - ৬



মুখ - ৭



মুখ - ৮



মুখ - ৯



মুখ - ১০














কৌস্তভ চক্রবর্তী
Koustabh Chakrabarty

পোষ্টমর্টেম, বিষমবাহু ও একটি জ্যোতির্ময় শিশু আসেঃ অর্ঘ্যদীপ রায়

(১) পোষ্টমর্টেম একটা গতিহীন মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি আমি। কেউ নড়তে চাইছেনা। বাসগুলো স্থির দাঁড়িয়ে আছে। স্থবির হয়ে আছে গতজন্মের রুমাল। ইলেকট্রিকের তারে ধ্যানস্থ হওয়া কাক কোনো মেনকার প্রতীক্ষারত নয়। কোনো ক্যাফের ভেতরে বসে থাকা মানবীর প্রতিবিম্বতেও উপচে পরছেনা মেয়োনিস। যেন মনে হচ্ছে দূরে কোনো আততায়ী টার্গেট সেট করেছে। সবাই মর্তুকাম। সবাই সেই আততায়ীর সহজ শিকার হতে চায়। সবাই চায় হাসপাতালে কান্নার রোল উঠুক। অগুনতি আত্মীয় প্রজাতি কেঁদে উঠুক হাসপাতালের লোহার বিছানার নিচে বসে, কেউ মাথা ঠুকুক তার পাশে মলিন হওয়া হলুদ দেয়ালে যেখানে নাইট শিফটের নার্স শেফালির জন্য ভালবাসার কথা লেখা থাকে অথচসেই চিঠি শেফালি পড়ার আগের প্রহরেই মৃত্যু ঘটে লেখকের। শেফালিগুলে রাখা হরলিক্স কমোডের অন্ধকারে ফেলে দেয়। আর ফেলে দেয় স্বচ্ছ শাড়ির আড়ালে ভাস্মর হয়ে থাকা অন্তর্বাস। সেটার আর কোনো উপযোগিতা ছিলনা তার কাছে। হাসপাতালের আশেপাশের বাড়িগুলো হতাশার প্যাসিভ স্মোকিংএ বেঁচে থাকে। মানিপ্ল্যান্টগুলোকে দেখে মনে হয় উদ্বায়ী। ওরা এখুনি বাষ্পীভূত হয়ে যেতে চায় অথচ ওদের প্রেসার কুকারের সিটি শুনিয়ে ভুলিয়ে রাখা হয়। সিটি শুনতে পেলে ওদের নেশা জাগে। কো…

কৌস্তভ চক্রবর্তীর, মুখ [প্রথম অধ্যায়]

মুখ [প্রথম অধ্যায়]



মুখ - ১




মুখ - ২



মুখ - ৩



মুখ - ৪



মুখ - ৫











কৌস্তভ চক্রবর্তী
Koustabh Chakrabarty

সাবান 1, 2 ও 3ঃ সুকান্ত ঘোষাল

সাবান 1 সচিত্র প্রমানপত্রে যতটা আমি তার চেয়েও বেশি বৃষ্টিতে             ভেস্তে যাওয়া খেলা যবনিকার ওপারে কিছু কি ছিল ঘুঙুরের সুর - তাহলে নীচুতলা বলতে শার্টের            রঙটিকে বোঝাচ্ছে কেন?
পা টিপে টিপে সমাপিকা দুপুর
সাবান এবং শরীর- মাঝখানে    পিছলে যাওয়া গণিতের যাবতীয় ব্র্যাকেট।


সাবান 2 সাবান গলে গেলে জিভে লেগে থাকে খানিকটা চিনি
টাইপমেশিন গড়িয়ে যায় চোরাস্রোতে শহরের সুগন্ধে
সেই সব ঝুঁকিপূর্ণ গাছ- আনুষ্ঠানিক ভাবে আমরা উড়ে যাওয়া পাখি গুনছিলাম ।
আর বন্ধ আকাশের সূচিপত্র।


সাবান 3 সাবানের রাত্রিগুলো দাঁড়িয়ে থাকে ঘড়ির কাঁটারা কখনো হাঁটেনা যেদিকে-
দ্রবণের ঢেউটুকু উড়ালপুল
পরীক্ষা শেষে গজিয়ে উঠলে ঘন্টাঘর-সুস্থতা দেখে যেতে চেয়েছি     এই পেরেক বেরিয়ে পড়া জুতোর।
বুঝতে পারি কি ভীষন ব্যাকুলতা বাঁধানো ঘাটের।

দুজনঃ ঋপন ফিও

দুজন
১ শিকারায় শিকারে বেরোয় মেয়ে প্রিয় তাঁর আঁধারিয়া কায়ূরের বনে বরফের বাঁশি কাঁধে মিলিয়ে গিয়েছে ঘোর কোনও এমনই রাতের পথ চেয়ে

২ ঝোরা দিয়ে লাশ বয়ে যায় না চেয়ে রয় সারারাত, যেন মহাকাশ হিমনীর সন্তর্পণে শোণিত সুরেলা রাখে তাঁর স্বাধীনতা সিলি সিলি বয় নিকশ নিমীলিত উপত্যকায় দিকে দিকে কোজাগর ভাবী শহীদেরা শততারে কোটি কোটি জোনাই ছড়ায়








ঋপন ফিও
Reepan Fio
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS