Skip to main content

Posts

Showing posts from August 7, 2016



Paintings by Arka Alam

অর্ক আলমের আঁকা ছবি

ইস্কুল এবং টুকিটাকি বেড়ে ওঠা : কিশোরী নাম নিয়ে লিখতে চাওয়া একটি মেয়ে

ইস্কুল এবং টুকিটাকি বেড়ে ওঠা ১ “লাল্লা লাল্লা লোরী, দুধ কি কটোরি..." এই গানটা আমার ছোটবেলায় শোনা নয়। বেশ বড় অবস্থাতেই গানটা শুনেছিলাম কোনো একটা নাটকে। আমার বয়স এখন পঁচিশ। এই পঁচিশটা বছর চোখ কান বন্ধ করে বেশ কাটিয়ে দিয়েছি। এখনো যে খুব চোখ খুলতে ইচ্ছে করে এমনটাও নয়। তবে মাঝে মাঝে কিছু কিছু 'পাল্টে যাওয়া' চোখে পড়ে যায়। আজ সকালে আমি বাবার সাথে বাবার ইস্কুল যাচ্ছিলাম। এই স্কুলে আমিও একসময় পড়েছি। পাঁচ বছর। না। তবু আমার স্কুল নয়। বাড়ি, স্কুল, কলেজ, পাড়া, প্রেমিক, বন্ধু এদের আমি কোনোদিনই খুব জোর গলায় নিজের বলে দাবী করিনা। ব্যাপারটা বাবা মা এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য তবে কিছু বায়োলজিক্যাল প্রমাণ এর চোটে মুখ খুলিনা এই বিষয়ে।
আমাদের বাড়ি পেরোলেই ছিল রবি সাহুর বাড়ি। জঙ্গলের মতো বিশাল জায়গা, এখানে আগে বিস্কুট ফুল ফুটতো। মধ্যিখানে একটা বাড়ি। দুএকবার ঢুকেছিলাম। বেশ অন্ধকার। গা ছমছমে। রবিকাকু ছোটবেলায় আমার মুখোশধারী দৈত্য ছিলো। আর ওর ঘরের ছাদ থেকে ঝুলে থাকতো একগাদা প্লাস্টিকের টিয়াপাখি, লাল পালক লাগানো। আমার ধারণা ছিল রবিকাকু নির্ঘাত আমার মতো বাচ্চাদের ধরে টিয়াপাখি বানিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। রবিকাকুর সে…

অ্যাসাইলাম : অরুণিমা চৌধুরী

অ্যাসাইলাম
তোমাকে কক্ষনো বলিনি সাতটা বছরে বহু টর্চ ছাতা জুতো ও বাসনের সাথে, নিজেকে টুকরো টুকরো করে আবার জুড়েছি। কতো বার কতো লোকে মন্ত্রণা দিলো, "ডাক্তার দেখিও ওকে"...
টেবিলের ওপ্রান্তে বসা, মৃত্যুর মতো শীতল মহিলাটি, কেউকেটা নয়... তবু বড় বড় কথা বলে, শেষতক কয়েকটা স্লিপিং পিল ছাড়া তেমন বিশেষ কিছু করতে পারেনি জানেন!
আসলে জলের ভিতর বসে, কুমীরের সাথে দোস্তি রাখাই শ্রেয়, আসলে মৃত্যুকে ভালবেসে আর যাই হোক, রাই! সংসারে শান্তি আসেনা,
অথবা, উন্মাদনা, প্রবল প্রেমিকের মতো নিবিড় চুম্বনে জাগিয়ে রাখতে চায়... তাই নির্জন কালোর ভিতর মৃত্যুকে ছুঁয়ে সাতটা বছর অন্ধ  ছিলাম।











অরুণিমা চৌধুরী
Arunima Chowdhury

এই আলো, আলফাজ্‌ ... 10, 11, 12 - প্রশান্ত সরকার

এই আলো, আলফাজ্‌ ... 10
যেখানে স্বর্ণকমল, সেখানেই রুহ্-বা-রুহ্
থেমে থাকছে ফরিয়াদ...
এই সমস্ত উপবন, এই পারাবত, শিকার
এই পিরপাঞ্জাল, শান্ত গমখেত...
আর ক্রমশ আঙুলের ব্যবহার তারও, আরও
সহজ করে দিচ্ছে হারেমের গতিপথ...
এখানে সন্ধের পর, যেভাবে লুটে নিচ্ছে কোক
বাক-রুদ্ধ আলোর বিসমিল-
অথচ যেখানে স্বর্ণকমল,
যেখানে খুঁটে নিচ্ছে ত্বক, ফুলের বুনিয়াদ...


তিনটি লেখা নিয়ে - তন্ময় চক্রবর্তী

দো-ফসলী এভাবে আলপথ অপেক্ষায় থাকে কৃষক রমনী সারা বোঁটা জুড়ে নবান্ন আউষ গন্ধ ব্লাউজ ঘাম শরীর বর্ষা খায় আর রোদে ডিম আনে ঋতুর পর
এরপর মেয়ে সতেরো অঘ্রানের সদ্য সন্ধ্যে কুটুম্ব তৈরী করে লাল টকটকে শাড়ী জমাঠ জমি ভরা কাজ
ফিনফিনে বই গন্ধ ব্লাউজ

দুটি মেঘপারা মেয়েঃ মনোজ দে

মেঘপারা মেয়ে ৫ ... একটা ওয়েটিংরুম অথচ, জনৈকা প্রতীক্ষাও নেই
আফিম তোমার চোখ ডুবে যাচ্ছে সমস্ত
আমি ভাষাহীন বসে
ও মেঘপারা মেয়ে, ওয়েটিংরুম আগে বন্ধু হয়নি কখনো


কৌস্তভ চক্রবর্তীর, মুখ [চতুর্থ অধ্যায়]

মুখ [চতুর্থ অধ্যায়]


মুখ - ১৬



মুখ - ১৭



মুখ - ১৮


মুখ - ১৯



মুখ - ২০












কৌস্তভ চক্রবর্তী
Koustabh Chakrabarty

তিনটি লেখাঃ সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

ঘুম-নগর
আয়ু খেয়ে বসে আছ বিপন্ন ঘড়ি শোনালে কথকপুর— গালিব সকাল
ভেবেছি তোমার পথে ঠিকানা বদলে নেবো একদিন সময় আসেনি। এসেছে দেহাতি সুর। নদীর নিখুঁত বাঁক সাপের খোলস। কিছু-বা অজীর্ণ ফল, গর্ভের ঋতু
আজও তাই পাথরে পাথর ঠুকে আঁধার শেখাও ঝিঁঝিঁর প্রাচীন স্তবে জল জেগে ওঠে। দিক পালটায় তখনও আকাশ জ্বলে— ঝরে পড়ে হাড় রঙা চাঁদ
পাখিদের অপুষ্ট স্তনে আমাদের জন্মের সিঁড়ি নেমে যায়



কোকিলের ঘর ঋণ— সর্বজিৎ সরকার
পুকুরের মন ভাসে। ভাসে তার রোদেলা দুপুর
বিকেলের কৈশোর আজ বুঝি মাঠের একলা মেখে যুবক হয়েছ। আকাশ অশীতিপর, তুমি তার ঘুম লিখে রাখ জলের যুবতি ত্বক চাঁদসন্ধানী। তুমি তাকে ইশারা মাখাও
এখন শরীরকাল— কোকিল সময় নিকট অদূরে এসে চুপিসারে এইখানে নামে ডানার উড়াল তাই যন্ত্রণা শেখে। দিন শেষে ঠোঁটের নিপাট ভাঁজে জ্বর এনে কপাল ছোঁয়ায়




ঝড়প্রতিম ঋণ— হুয়ান রামোন হিমেনেথ
ঝড়ের উচ্চারণে পরম ফুটেছে
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS