Skip to main content

Posts

Showing posts from September 11, 2016



রহমতুল্লাহ আলমগীর'এর : পশ্চিমবঙ্গের ‘বাংলা’ নামগ্রহণে সংশয়গ্রস্থরা ছুপা-ফ্যাসিস্ট

পশ্চিমবঙ্গের ‘বাংলা’ নামগ্রহণে সংশয়গ্রস্থরা ছুপা-ফ্যাসিস্ট
নিপীড়িতদের ফ্যাসিস্ট ও মৌলবাদি সংস্কৃতি লালন করা অনাহুত কিছু নয়। সম্প্রতি হাতেনাতে ধরা-পরা এর একটা উদাহরণ পাওয়া গেল, পশ্চিমবঙ্গের 'বাংলা' নাম গ্রহণে বাংলাদেশের কিছু মানুষের সংশয় ও ব্যাঙ্গ প্রকাশের মধ্যে। তারা বলছেন, এতে আমাদের ‘জয়বাংলা’ বা ‘আমার সোনারবাংলা’- ইত্যাদি ধ্বনিমালাসমূহ নাকি আত্মসংকটে পড়লো। প্যাটেন্টগত বাণিজ্যিক বিপদের কথাও বলছেন কেউ কেউ।
এ ধরণের কূপমণ্ডুক চিন্তার ক্রিটিক করার রুচি আমার অল্প। তাই সেদিকে তেমন যাব না। ঐতিহাসিক সৌভাগ্যবশত পূর্ববাংলার লোকেরা বাংলার অর্ধেক ভূখণ্ড নিয়ে ‘বাংলাদেশ’ নামে রাষ্ট্র গঠন করেছে। এখন, পঞ্চাশ বছর পর বাকি অর্ধেক বাংলা যদি তাদের রাষ্ট্র বা প্রদেশের নাম 'বাংলা' বা 'বাংলাদেশ'ই রাখে- এতে আপত্তি, ভয়, সংকট বা দুরভিসন্ধি খোঁজা প্রকৃতপক্ষে একটা অগণতান্ত্রিক ইচ্ছা। অর্থাৎ, আপনার ‘বাংলাচিন্তা’ প্রকল্প থেকে আপনি পশ্চিমবঙ্গকে বাদ দেয়ার মতো কবিরা গুনা করছেন। পূর্ববঙ্গের লোকেরা পহেলা রাষ্ট্র গঠন করতে পেরেছে বলে বাকি অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তারা এই খবরদারি করতে চাচ্ছে। মনে হয়, …

সুপ্রিয় কুমার রায়'এর তিনটি কবিতা

কাঁচের মতো আর কী!
আঁচড়কেটে যাচ্ছ ঘুমিয়ে পড়ছি গত শীতে আসা পাখির সাথে।শুধু একদিনের জন্য তো কিছু শেখানো হয়নি সারা জীবন কিছু একটা বেশি নিয়ে থেকেছে কেউকেউআমি ফুল। এসব লিখে সাহস বাড়ছে তবু পৃথিবী অফিস হয়ে যায়।কাঁচ শেষ হয়না ক্লান্ত পাথর মারতে মারতে পরে দেখি স্বপ্ন গুলো অন্য কিছু দিয়ে তৈরি ছিল।

বিসর্গ. : শুভজিৎ “মেহরিন আলফাজ্‌” ঘোষাল

বিসর্গ.
(১) হে ঈশ্বর, এ বালক সুচের মতো তীক্ষ্ণ অতীব লাস্য ইহার মুখে ন্যায় মায়া তাহার ললাটে ইহা প্রেম চায়,ইহা শুধু জল চায়। এ বালক গৌড়, বাম স্তনের নীচে তিল, নাসারন্ধ্রের ব্যাস পৃথিবীর মতো এ বালক প্রেম চায় প্রভু প্রাণীবিদ্যা থাকে যা দেয়নি।

সেই সারারাত অসংলগ্ন বৃষ্টি যাপনের পর... : শুভদীপ চক্রবর্ত্তী

সেই সারারাত অসংলগ্ন বৃষ্টি যাপনের পর...
দেওয়াল জুড়ে একটা আয়না দেখা গেল। আয়না জুড়ে নিজেকে খুঁজতে গিয়ে ফুলগাছ খুঁজে পেলাম। আয়নার পিছন থেকে একটা টিকটিকি ডেকে উঠলো, “টিক, টিক, টিক।” .... সেই ডাক শুনে এগোনো যায়। আাঁধারে, অন্ধকারে, অমাবস্যায়।
জিজ্ঞেস করলাম, এই পথে মৃত্যু আসে কিনা? উত্তর এলো, “ঠিক, ঠিক, ঠিক”। অগত্যা, যেই পথে মৃত্যু আসে, সেই পথ জুড়ে অমাবস্যা রাতে আমি প্রদীপ জ্বালতে থাকি। নিজের নাম ধরে ডাক দিই, “দীপ! দীপ! শুনতে পাচ্ছো তুমি?”... ভিতর থেকে সাড়া আসে, ঠিক পাঁচ মিনিটের দূরত্বে, “অন্ধকারে শ্রবণ ক্ষমতা বেড়ে যায়, বলো”... আমি বলতে পারিনা কিছু। শুধু নিজের অস্তিত্বের উপলব্ধি স্বস্তি দিয়ে যায় খানিক। সেই স্বস্তিতে, প্রদীপ জ্বালতে থাকি।

মূর্তিপুজো : অংশুমান

মূর্তিপুজো
১ শান্তিনিকেতন গুঁড়ো হচ্ছে অদৃশ্য বিকিনি ফাঁদে চঞ্চল মোরাম কোনো কিছুর কোনো মানে নেই যেমন জলীয় বাষ্পের রূপান্তর দোহাই তেহাই। চারহাত এক হলে শ্লীল রাজনীতি‌ বলছে আমার দুঃখে তোমার দুঃখ তোমার দুঃখে আমার অথচ বাদামি ভিখিরির চোখে আজো আমি দেখছি নিঃসঙ্গ টেলিভিশন।

Night Walks With Me by Dipanjan Das

Night Walks With Me
“Night walks with me And the moon leaves me Just enough light to see, And the shadow My only company And it moves, Just like me And it walks Just like me”
The day draws to an end. I consider taking to bed for the best relief offered by life without the refuge of any intoxicants. Sleep, the ultimate escape from reality easily available without any effort. My bed mourns there waiting for me. So long it has not felt the touch of anybody else other than me. Years and years of endless smoke filled night passed in a frenzy of thoughts which are mostly unproductive, often tipping the balance on the side of darkness.
Today it is raining outside. “A bit of weed would make things more pleasant!” The thought sets in a chain of events necessary to reward myself with a joint.
Would it be okay to leave the door open and just walk out?
It has been a long time since those late night walks around the town with no one but few street dogs challenging my existence. The lulling yellow lights of th…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS