Skip to main content

Posts

Showing posts from September 18, 2016



জঙ্গলের পাগল : তানিয়া চক্রবর্তী

জঙ্গলের পাগল

আগুন আমার শিখণ্ডীরা গুঁড়ের সঙ্গে পিঁপড়ে যেমন আগুন আর বাতাস তেমন আসো, আমার মারো ভীষণ করে দাগ লাগিয়ে নাচাতে এসো নাচিয়ে যখন দেখবে কাঁপন ভীষণ জোয়ান পাগল করে পাগল হয়ে লাগিয়ে দিও বিষ, আসক্তি আর আসক্তি আরাধ্য হয়ে থাকবে কে! আমিই সবার মাংস নেব পালক যখন ফেলেই দেব উড়ান নিয়ে কিসের এত হাসি! এসো, সোহাগ করো দেবী এসো, সোহাগ করো রানি তোমার চাকের ভেতর এত মধু আমি আশায় আশায় নষ্ট হই রোজ নষ্ট করো আমায় নষ্ট হতেও সুখ লাগে যে আমার

'I rise in flames' cried the Phoenix by Tennessee Williams, Sisir Manch, 29th September

'I rise in flames' cried the Phoenix at Sisir Manch on 29th September, 6.00pm.
Life is a magnificent form of celebration with all its glory, pain, hope, pathos and dreams. It is a picture etched in contrasting shades, where every twinge has a deep seated alleviation within it, and every desolation lead to a pursuit.
“I Rise In Flames”, Cried The Phoenix, by noted author Tennessee Williams - The play emanates the message of relinquishing the obstructions, imposed upon us by the society, in the name of habits, practices, norms, values etc. and amble towards the light of knowledge, hope and living life to the heart’s content.

বালিকাওয়ালা সিরিজ - দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়

বালিকাওয়ালা ১
কৃষ্ণপাথরের মত শান্ত হয়ে আছি গো
থাবার ঘন থেকে একটু ইচ্ছে
পাঁজর অবধি
জবরদস্ত ঝকঝকে
টাঙাও
লালারস ও রিদম
বালিকাওয়ালা খাড়াই চলে গেল
যেদিকে রুমাল লাগোয়া মন্দির
আসলে ক্রেতা হিসাবে যা সব বলেছিলাম
জাগো ভর্তি
শিরা পেরোচ্ছে বাদামপাহাড়
এই মে'র রাতে তুলো পাঠাও
দৃষ্টি ছড়াতে ছড়াতে সাধারণ পরিবার ওড়ে
ম্যাজিক ওড়ে তিনতলা থেকে
জখম সূচনা ও গমরঙ নিয়ে ফিরে আসি
অপেরা কিনবা
ঘাপটানো হৃদযন্ত্র
খোলাচুলের ক্যাওস গড়িয়ে যায় জলযানে
ফোঁপানো বাঁশির সম্বোধন
ডাকখানা
বোতাম চুঁইয়ে অল্প পীত
ঔঁ ভাসিয়ে দি
একদল ওড়না ও বন্দর
পরিসর চাবকিয়ে
ম্যাজিক ওড়াতে ওড়াতে
আমরা দরজার লাথি মারবো

ভেজিটেরিয়ান এবং গাছ ও গাড়ির কয়েকটি শাখা : খন্দকার নাহিদ হোসেন

ভেজিটেরিয়ান
তোমার সাহস নেই জানি
অপাত্রে সাহস থাকতেও নেই
আড়ে আড়ে যতিতে পেলাম
এইটুকু এখনো না হলে শেখা
ভুখা সমতলে
একা একা এতদূর কিভাবে এলাম?

ভালবাসবার বিলাসে মায়েরা ঢোকে না কখনো
তাড়া তখন-দুপুর চোয়ানোর ঘুম
এদিকে ফাৎনা মাছ গিলে নিলে
পৃথিবীর সকল পুরুষ জানে-গভীর মায়েরা
ঘুম দেবে চিলে-ঘুম ছোঁবে চিলে!

সংসারের থালাবাসন তোমারও হলে
দরজায় দিয়ো পুরু সুখ গাছেরই কাঠ
পিছনে থাকুক বড়ইতলা... অবেলা প্রেম,
মরা মাছে ঢালু-ডুবে যাওয়া বোবা ঘাট।

কৈফত কেনো? ভালোবেসে শীর্ণ জুড়ে থাকো
সে শেয়ানা পুরুষ বিয়ের মন্ত্রে এলে
স্বাদু ঝোলে নাছোড় মাছেই-সাদা ভাত মাখো?

দেখিনি কিছুই, লোভও নয়... শুধু তার চোখের প্রলাপ
মুছে দিয়ে বুঝি, দরিয়ায়-জলে ভালোবাসা শুধু ভেতো মাপ

হ্যাঁ, বেদনা জুড়ালে অন্নরা সাদা... মাছে পাপ-মাছে পাপ!

মেঘপারা মেয়ে ৭ ও ৮ : মনোজ দে

মেঘপারা মেয়ে ৭
... দু'মাস দেখা হয়নি একসাথে ট্রেন। যাতায়াত। ফেরিওয়ালা
কী ভীষণ ব্যস্ত শহর ও মেঘপারা মেয়ে আলো নিভে গেলে আমাদের কান্না ডিজিটাল হয়ে ওঠে

খেজুরে লেখা : রঙ্গন রায়

খেজুরে লেখা
"খেতে পারি কিন্তু কেন খাবো" এই স্লোগান তুলে কেউ কেউ যদি আমরন অনশনে বসে পড়ে তবে সে বিষয়ে আমাদের কিছু বলবার নেই। পানু শেষ হয়ে গেলে যেমন চটি গল্পে কাজ চালিয়ে দিতে পারি সেই দৃষ্টি তে তোমার দিকে তাকাতে পারিনা বলেই তুমি আমার মন খারাপ করে দিতে জানো। আমি আন্দোলন টান্দোলন করিনা কোনদিন। সেরম ভাবনা বারবার বিপ্লবের কথা মনে পড়ায়। এই যেমন এই লেখাটাই ধরা যাক, মানে কথা "লিখবো লিখবো করছি কিন্তু লিখতে পারছিনা" গোছের এক জগাখিচুড়ির জন্ম দিচ্ছে। তো খেঁজুরে আলাপ ব্যাতিরেকে এবার যদি 'ফেবুর' দেওয়ালে একটা গরম গরম স্ট্যাটাস জুড়ি তো বেশ হয়। রস বোধ কে দুরে ঠেলে কট্টর ভাবে যদি লিখে দিই, "অনেক হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতা, এবার একটু হিন্দু রাষ্ট্র হওয়া যাক।" তবে প্রথমেই তথাকথিত হিন্দুরা চরম খিস্তি খেউর শুনিয়ে আমাকে আনফ্রেন্ড করবেন। মুসলিম দের তুলনায় লক্ষণীয় ভাবে হিন্দুরা আমাকে দুষবে শিবসেনার খোঁচড় বা আর.এস.এস এর চ্যালা বলে। আহাহা "আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি" -  কিছুই বলবার নেই বলেই এতকথা শুনিয়ে দিচ্ছি, তাহলে ভাবুন তো বলবার থাকলে কি কেলেঙ্কারিই না বেঁধে যেতো…

একে একে যা যা হারিয়ে... : জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

একে একে যা যা হারিয়ে...
সেলাই এর দাগ একটা রেললাইন ভাবো। ভাবো দীর্ঘ, ভাবো সমস্ত, ভাবো সন্ধ্যাগুলো নেই, ভাবো জড়িয়ে ধরা ভাবো সুখ ভাবো প্রস্তাব ভাবো সত্যি ভাবো মিথ্যে ভাবো ভুল জল জ্যোতির্ময়... এবার শোনো,কেন রেললাইন টা ভেবেছিলে-
যে মহাপ্রেম আমরা করেছি এতকাল যে নিরুপম মহাক্ষত বুকে বুকে করেছি সৃজন পৃথিবীর সমস্ত রেললাইন যেন আমাদের সেই মহাছিন্ন প্রেমের ওপর সেলাইএর দাগের মতন।

চর্যাগীতিকোষবৃত্তি দ্বাবিংশতি থেকে একত্রিংশৎ : অভিজিৎ পাল

দ্বাবিংশতি চর্যাগীতিকোষবৃত্তি নিজেই নিজের সমস্ত ভব-নির্বাণ সাজিয়ে চলেছি। পূর্ণাবয়ব জ্ঞাতসারে। অনাত্মীয় কেউ ভ্রান্ত হতে হতে পুনশ্চ এক শাখাসারির প্রেমে আবদ্ধ হয়। আদিম অচিন্ত্য যোগিকে অগ্রাহ্য করি। উৎপাদ স্থিতি আর ভঙ্গের পুরাধুনিক বিন্যাস অনধীগত রয়ে যায়। আমি তো আমার জন্মকে জানি না, মৃত্যুকেও না। জন্ম-মৃত্যুর আপাত প্রভেদগুলো মিলে মিশে দলা পাকিয়ে আসে রোজ। বাঁচার মধ্যে মরা, মরার মধ্যে দিয়ে বাঁচার হেঁয়ালি সাজিয়ে বসে সময়। মৃত্যুকে এখন শুধু মৃত্যু বলতেই শিখে নিয়েছি। বুঝেছি চরাচরাত্মক ত্রিদশবিলাসীরা কোনদিনই অজর-অমর ছিল না। সরহপাদ আবার একটি ধাঁধা মেলে ধরেন। জন্মহেতু কর্ম, না কর্মহেতু জন্ম – অজানা উত্তরের জন্য এখনও অদূরে দাঁড়িয়ে আছি। অচিন্ত্যতত্ত্ব খোলস ছাড়ছে...


ত্রয়োবিংশতি চর্যাগীতিকোষবৃত্তি ব্যাধের সহযাত্রায় ভুসুকুপাদ শিকারে যায়। হত্যা করে আনতে চায় পাঁচ ইন্দ্রিয়ের এতদিন যত টানাপোড়েন মজুত করা ছিল। কুবলয় নলিনী বনে ঢুকে হয়ে ওঠে অনন্যমনা। একটা হেঁয়ালি জমতে শুরু করে। জীবন্তকে হত্যা করতে জমে অজানা ভয়। হেতু ভয়ে মৃতও হয়ে ওঠে অস্পর্শিত অগম্য। এক তাল মাংসের প্রতি জমে ভুসুকুর স্বেদ। অভেদ্য এক মায়া যেন ক…

গুলশনারা খাতুন : ব্যবহারিক চিত্রনাট্য

ব্যবহারিক চিত্রনাট্য
টিস্যু পেপারের বাণ্ডিলটা মা লুকিয়ে রাখবেই। সূর্য বহুবার চুরি করে পড়ার টেবলের ড্রয়ারে রাখে। মা ঠিক ফাঁক বুঝে বের করে নেবে। ধুত্তেরি। আবার সেই খবরের কাগজ দিয়ে মোছো। কী  যে খড়খড় করে। নাহ। পাওয়া গেছে। বাবার কেস ডায়েরির পাতা ছিঁড়ে অন্তত চাদরটা পরিষ্কার করে দেওয়া যাক। উম্মম, অ্যাই অ্যাই হয়ে গেছে। সূর্য মাঝেমধ্যে ভাবে ইজাকুলেশনের পর স্পার্ম জমিয়ে বোতলে পুরে রাখবে। তারপর শক্ত হয়ে গেলে চিনি ছড়িয়ে বাবাকে খেতে দেবে। নে বাল। তোর পয়সাই খাই, তোর মুখেই মুতি। না মানে, ওই আর কি। এখন শালা লালবাজারের কেস ডায়েরি লেখার পাতায় ল্যাটপ্যাট করছে মাল। রুম্পিদি থাকলে ওটাই চেটে চেটে খেত। বাবার কথা ভেবে হেব্বি হাসি পায় সূর্যর। বুড়ো ভাম, ঠিক করে দাঁড়ায় না। ধরে এনেছে ডবকা মাগি। সূর্যরই লাভ। দিনে রুম্পি, আর রাতে মা। হিহি। বেচারা সূর্যর বাবা।
সূর্যদের বাড়িটা একদম ঈশাণ কোন ঘেঁষে বানানো। দাদাই নাকি কোন এক ফ্রেঞ্চ আর্কিটেক্টকে দিয়ে বানিয়েছিল সাধ করে। বুড়ো শেষ বয়সে বীর্য মাথায় উঠে মরে গেছিল। মরার আগে অবধি রান্নার কাজের লোকের সঙ্গে ফস্টিনস্টি। বুড়োর হাত-পা বাতে অকেজো ছিল নাকি। মালতীদি দিনে রান্নাঘরে খুন্…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS