Skip to main content

Posts

Showing posts from September 25, 2016



ধারাবাহিক পর্ব দুই - পুরুষ-নারী কেলেঙ্কারিঃ অধীশা সরকার

পুরুষ – নারী কেলেঙ্কারী দুই
**************
প্রয়োজন আছে?
একটা সময় ছিল যখন আমি নিজেই বলতাম, “নাঃ... আমি ফেমিনিস্ট নই”। এতে সঙ্গিসাথী ছেলেপুলের দল (কারণ আমার মেয়ে বন্ধু অনেক বড় বয়েস পর্য্যন্তুই খুব কম) অতি উল্লাসে ধুয়ো ধরত, “ঠিক ঠিক! ফেমিনিজম আবার কি? হিউম্যানিজম, বল?” কেন এই কথাটা আমরা বলতাম? কেন আমি বলতাম? কেন বলতাম যে আমি ফেমিনিস্ট নই? আজকের সমাজে একজন সচেতন নারীর ফেমিনিস্ট না হওয়ার ঠিক কি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকতে পারে? তার কি সত্যিই আর কোনো উপায় আছে ফেমিনিজমকে উপেক্ষা করার? না। তাহলে কেন বলতাম? মানেটা খুব সহজ। তখন আমি ‘ফেমিনিজম’ শব্দটা কথাবার্তায়, আড্ডায়-তর্কে খুব সাবলীলভাবে ব্যবহার করলেও শব্দটা নিয়ে আমি তত ভাবিনি। একটা ধোঁয়াটে আইডিয়া ছিল। তেমন জানতামও না। অতএব, ভাবিনি।

চারটি বারীন-চেতনা : বারীন ঘোষাল

বর্ফানি বাবা
বরফের মনে বরফ পড়ছে তখন সাদা কালোর যুগ পোড়া মন এসব কথার কথায় খুব রোমাঞ্চ হবে যা ক্যামেরা পারেনি ং     ং          ং কত কাল ধরে নির্জন মানুষের কানে উদ্বাস্তু গুঞ্জন তাদের গুম্ফা তাদের বর্ফানি বাবা # যেদিন তোমাতে আমাতে আলোতমা আলতামাশা আলতামিরা আলকায়দা খেলা চলছিল আর তোমাকে বলছিলাম বনসবুজের তৃণ নয় মধুকুপি ঘাস আমাকে দেখিও সোনা # কাচ ভেঙ্গে যাবার পরেও গেলাসের জলে নামছিল একটা দানারং-এর সবুজ # পরিচ্ছদে কলম গোঁজা আর কোটরে চোখ বন্যা আর অবন্যার দেশে এরকম দখল নিচ্ছো ওগো ধোঁয়াময়


চারটি লেখা : ভাস্করজ্যোতি দাস

আলাপ
প্রথম দেখায় আমি মানুষটার সবকিছুই দেখতে পাই – গায়ের রঙ, মুখের ব্রণ, চুলের খুসকি চামড়া কতোটা খসখসে, নখে কতোটা ময়লা, দাঁত কতো হলুদ, জামার রঙ –
দ্বিতীয় দেখায় আমি শুধু চোখ দুটো দেখতে পাই তার রঙ, মনি, ভাষা
এরপর থেকে দেখা হ’লে আমি আর কিছুই দেখতে পাই না একদম
ও হ্যাঁ ভুলে গিয়েছিলাম, হাসিটুকু দেখতে পাই হাসিটুকু ...
আলাপ হওয়ার পর এইভাবে আস্তে আস্তে আমি অন্ধ-হই – দু ফোঁটা চোখের জল ক্রমশ অন্ধ-বিশ্বাসী ক’রে তোলে আমায় ...
২০.০২.২০১২, দুপুর ১১টা ৩৮



একগুচ্ছ কবিতা : শান্তনু বেজ

মৃত্যু
জলের কাছে একটি পাতা ভুল বলেছি
জলের সঙ্গে একটি পাতা ভুল দেখেছি
জলের পিঠে একটি পাতা ভুল শিখেছি
জলের দোলনায় একটি পাতা ভুল খেলেছি
চলো  ভুল উত্তর ছেলেটি জোরসে গাছ নাড়াচ্ছে মেয়েটি শুকনো পাতা কুড়োচ্ছে
ওদের কে সঠিক প্রশ্নটা করি চলো, ভুল উত্তর ঠিক গাছের তলায় ঘুরে আসি


চারটি লেখা নিয়ে : সুদীপ গুপ্ত

অবগাহন ... তোর আজ ছুটি  নেই শকুন্তলা দুধে  জাল দিলি এতোক্ষণ তবু যে উপচে পড়েনি সর তুই কি ম্যাজিক জানিস


অন্তরালে  ... ভাবতে থাকো, তাড়াহুড়ো নেই দীপাবলী আসতে এখনো ঢের বাকি পুরী কিংবা দীঘা বেড়াতে যেতেই পারো আমি অবশ্য এসবের মধ্যে নেই সারাদিন ব্যস্ত থাকি রং তুলি নিয়ে অজন্তা ইলোরার গুহাচিত্র বড়ো টানে আমায় সময় করে এসো একদিন আমাদের ঘুপচি ঘরটাও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইবে

এখানে তিস্তা নেই : শাশ্বত মুখোপাধ্যায়

এখানে তিস্তা নেই
অদ্ভুত সেই তিস্তার স্রোত যেই যেই দিন আমি পাশে’র ফ্ল্যাট বানানো দেখি। কলিং বেলে’র কথা ছাড় আমাকে খুলেছে লুকোনো ওঁর চাবি। বর্ষার শেষ প্রায় তবু তিস্তার খোলা চুল। ঢেকে যেতে যেতে ডুবে যেতে যেতে চারজন প্রেমিকার কথা মনে পড়ে। ওঁরা যারা এখনও আমার সাথে ঘোরে কিংবা যাদের গন্ধ লেগে আছে। নিটোল শরীরে ছিল ঘাতক চোখে’র খেল্‌। জানলার কাছে বসে আছে মন রান্নার কথা পরে  বল। এইদিকে চুপ হয়ে থাকবে না তুমি কি অদ্ভুত অতৃপ্ত রসনা তোমার। তিস্তা এখুনি চলে যাবে কানে’র লতিতে দেবে জিভ। আর যারা এখনও আসেনি এই মৌসিনরামে তাদের ডাকাডাকি কর কেন এ’সব প্রহরে। ঘরে বসে বসে এই এই দিন এখনও ফ্ল্যাট বানানো দেখি। তিস্তা বেরিয়ে জানলা পেরিয়ে এই সবে রাস্তায় এল। উর্ণা এসেছে চমকে’র সাথে, বলে ফেলি, চা খাবে!









শাশ্বত মুখোপাধ্যায়
Shaswata Mukhopadhyay
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS