Skip to main content

Posts

Showing posts from October 23, 2016



ধারাবাহিক পর্ব তিন - পুরুষ-নারী কেলেঙ্কারিঃ অধীশা সরকার

পুরুষ – নারী কেলেঙ্কারী তিন
**************
হয়ে ওঠার কথা
একজন নারী নারী হয়ে জন্মায় না, সে নারী হয়ে ওঠে। মানে কি এই কথাটার? মানে হল, এই ধরুন চার-পাঁচ বছর বয়েস পর্য্যন্ত যে কোনো বাচ্চা বাচ্চাই। তার যৌনাঙ্গ যে প্রকৃতিরই হোক না কেন। ‘স্বাভাবিক’ বা ‘সাধারণ’ নিয়মে, এটাই। কিন্তু তারপর সেই বাচ্চাটিকে সমাজ মনে করিয়ে দিতে থাকে যে তার জেন্ডার কি। সে নারী, না পুরুষ। এক্ষেত্রে একটা কথা যোগ করা ভালো। একজন পুরুষও কিন্তু পুরুষ হয়ে জন্মায় না। সেও হয়ে ওঠে। সিমোন ডি ব্যুভিওর থেকে শুরু করে যে আনুক্রমিক দেখা, তাতে আমরা নারীর ‘other’ হয়ে ওঠার প্রসেসটার দিকেই তাকাই বেশী। সেটা গুরুত্বপূর্ণ বলেই। কিন্তু পুরুষের ‘central’ হয়ে ওঠাও একটা সামাজিক স্ট্রাকচারের অন্তর্গত প্রসেস। পুরুষতান্ত্রিকতার শিকড় বুঝতে গেলে এবং নারীবাদের কন্টেক্সট বুঝতে গেলে সেদিকে তাকানোটাও প্রয়োজন।


দ্বাত্রিংশৎ থেকে ত্রিচত্বারিংশৎ চর্যাগীতিকোষবৃত্তি : অভিজিৎ পাল

দ্বাত্রিংশৎ চর্যাগীতিকোষবৃত্তি
অবধূতি মার্গানুশংসা চর্যার নবপাঠ নিতে বসি। স্থিত হই আমার সিদ্ধাসনে। বহুমাত্রিক আমার সহজ চিত্তে কোনো ধ্বনিবিন্দু নেই। কোনো চাঁদ নেই। সূর্য নেই। অপার শূন্যতা জাগে। মনপথ মুক্ত হয়ে আসছে গুরুমুখী পন্থায়। বাঁকহীন ঋজুপথে পা বাড়াই। প্রতি পদক্ষেপ শান্ত সমাহিত ধীর। নিকটবর্তী উজ্জ্বল আদি বোধিচিত্তের আলো দেখা যায়। হাতে কাঁকন চেয়ে দেখি। দর্পণের চেয়েও স্পষ্টগম্য আমার চোখ। আত্মসন্ধানের আসন সাজাই। বুঝে নিতে থাকি মনের গড়ন। আমার আত্মবিষয়ক পাঠবিশ্ব। দুর্জনের সহযাত্রায় যে পথ আমার এতকাল ভ্রষ্ট হয়েছিল, ক্রমশ তা ম্লান হয়ে আসে। কবি সরহপাদ পথ নির্দেশ করেন। প্রদর্শিত পথে হাঁটতে শুরু করি সহজযানে। দ্বিপার্শ্বিক প্রতিবন্ধকদের পার হয়ে আসি প্রদর্শিত ঋজু পথে। অসীমের দিকে তাকিয়ে আছি...

'আমরা একটা সিনেমা বানাবো' : হিয়া মুখার্জী

'আমরা একটা সিনেমা বানাবো'
১। চারজন নদীতে নামলে সাধারণত তিনজন নদী থেকে উঠে আসতে পারে আর গোটা সময়টা জুড়ে পারে পঞ্চম একজন পাকদন্ডী বেয়ে বাড়িফিরে যাওয়ার কথা ভাবে সেনাছাউনির গায়ে ঘুমের চটচটে আঠা চেটে চেটে খায় একটা লোমশ কুকুর এদিকে বাঘের উপদ্রবে গ্রামের পর গ্রাম শুনশান হয়ে এল পাহাড়ের টঙে বসে একজন শিস্‌দিতে দিতে ভীষণ যত্ন নিয়ে রাইফেলগুলোকে শান্ত আরো শান্ত করে আনছে


যে শুরুগুলো গল্প হয়ে যেতে পারত : রঙ্গন রায়

যে শুরুগুলো গল্প হয়ে যেতে পারত
সবাই বের হচ্ছে। সবাই ঢুকছে। রজত ঢুকছেনা। দাঁড়িয়ে আছে। অনেক্ষন। সে কোথায় যাবে? এমন কোন জায়গা আছে যেখানে সে তার দিনের কয়েকটা মূহুর্ত সুন্দর ভাবে কাটাতে পারে? নাহ! হঠাৎ দূরে মিছিল দেখা গেলো একটা। সিপিএম বন্ধ ডেকেছে। রজত দিশেহারা হয়ে পড়ছে। ভীড়ের স্রোতে মিশে যাওয়া যেতে পারে - এইসব ভাবতে ভাবতে তার মাথায় ভয়ানক ব্যথা শুরু হলো। অজস্র শুয়োপোকা তার দিকে যেন অগ্রসর হচ্ছে। বাবা শুয়োপোকা কে ছ্যাঙা বলে।
বিক্রমের মন ভালো নেই। বিক্রমের কিচ্ছু ভাল্লাগছে না। কেউ তাকে বুঝছেনা। সে কোথায় যাবে? মাথাটা পাগল পাগল, ওহ্!

কিছু লেখা নিয়ে এলেন দুখাই রাজ

চেরাই
১. কখনো বালির বাধ, কখনো উড়ন্ত জয়ফল তুড়ির ভেতর নিয়ে হেটে গেছি পয়মন্ত সবুজ। এখনো দিক আসে, এখনো ফণা বেশে নিকেলের ঝলকে চোখ পুড়ে নেই। অন্ধত্ব আমার জন্মান্ধ মুখোশের আড়ালে হাপর বাজায়। কান পেতে থাকতে থাকতে এখন শুধু শুনি নৈঃশব্দের কোলাহল। ময়ালবৃক্ষের নিচে সে সহস্র শতাব্দী পার করে দ্যায় এক ঘুমে। জেগে উঠবে আমি ঘুমালে।
২. বোধির কঙ্কাল— সেও উড়ে গিয়ে রাস্তার পাশে একটি কুকুর হয়ে ছুটে আসে। সমুদ্রের তীরে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বলেছিলাম— 'তোমাকে গ্রহণ করতে এসেছি।'
সে আবার কঙ্কাল হয়ে ফিরে গিয়েছিলো। বলে গিয়েছিলো— নগ্ন প্রেত সাধকের পায়ের কাছে, মাটিতে চর্কা এঁকে ধূল পড়া ছড়িয়ে দেয়ার পর, বাতাসে কেন ঢেউ ওঠেনি?
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS