Skip to main content

Posts

Showing posts from November 6, 2016



আত্ম-ওঁ : দেবজিৎ অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়

আত্ম-ওঁ
তারপর চলে যেয়ো সমস্ত উলুধোঁয়ার দিকে আটকাবো না তোমার জ্যামিতি আর কাঁচের চাঁদ নিয়ে
চিরুনী দিয়ে উট খুঁজে আনবে আমাদের মরুভূমি থেকে? গাদা গাদা সাদা কঙ্কাল পাবে কঙ্কাল আসলে মানুষের পলি, মানুষের জলকুচি
পারবে? আমাদের খুঁটিনাটি খুড় থেকে তুলে আনতে? খুড়ের নিচে রোদ পড়লে সমস্ত কাঁটার নার্সিংগলি আমাদের অন্তর্বাসকলোনী যা বয়ে রাখছে প্রাপ্তদাগ-জলবোঁটার পাপড়ি-নীলনীল কুসুম
যতক্ষন না থেঁতলে কাদা হচ্ছ, সেই কাদা কারোর জন্মদিনের কেটের ওপর ক্রিম পারবে ততক্ষণ এই শ্রম জুড়ে উপাচার আর উদযাপনের আয়োজন তোমার উপোষ আর সমস্ত জাদুঘরের মাথা থেকে চেরী তুলে আনতে চাই বিলিয়ে দেবো বিকিয়ে যেয়ো যাতায়াতে ঢাকনা খুলে সঞ্চয় মেপে নেবো আমরা তো জানি সঞ্চয় ফুরোলে আমরাও ফুরোবো শার্সির কাঁচে
এটা আমার কোন পুরুষ কে লেখা একমাত্র কবিতা
শ্রী থেকে সমুদ্র আর তার কড়িকাঠ যা সব দাহ্য আমাদের পেন না উঠিয়ে আঁকা মহাবিশ্বের অবয়ব এই যে একঘর অক্সিজেন এটা কি যথেষ্ট? যদি কম পড়ে? মোক্ষের মত দীর্ঘ মাখন রুটি

বীজাঙ্কুর (quotient / ratio of a synoptic cleavage) : শ্রেয়সী গঙ্গোপাধ্যায়

বীজাঙ্কুর
(quotient /ratio of a synoptic cleavage)
১। জলের কলের নীচে পেতে দিচ্ছি সমকোণে চোখ ধোঁয়া ওঠা দিঘীর অশ্লীল সেচ্ছ্বা মৃত্যুর ভিতর পা গুছিয়ে জড়োসড়ো বসে আছে ফুসফুস, সরু ফ্রেমের ধ্বংসস্তূপ জলের লম্বা ধারা কানের ভিতর ঢূকে যাচ্ছে নিরবিচ্ছিন্ন, একটা সাউন্ড ট্র্যাকের চোখ রাঙিয়ে ওঠা; কেন্দ্রচ্যুত বস্তিবাড়ি ভাতের মাড়, সাবানের জলে পিছল উঠোন বললে ভুল হবে আসলে বারান্দা    এখানেই কলের জল এখানেই কুয়োর পাড় শুকিয়ে গেলে দিব্যি মাদুরে লেপ্টে যাবে ঘুম।

ভারতীয় ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট নিষিদ্ধকরণ প্রসঙ্গে অতনু সিংহ যা ভাবছেন...

কালো টাকার পাওয়ার হাউজকে আড়াল করতে এবং মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করতেই ৫০০ ও হাজার টাকার নোট নিষিদ্ধ করেছে মোদীয় ভারত রাষ্ট্র, যা একটি ফ্যাসিবাদী পদক্ষেপ

মোদীভাই যা করেন, সেই ক্রিয়ায় দেশভক্তির দৈবভাবের গঙ্গাজল ছিটিয়ে দ্যান। আর জয় জগন্নাথ হ্যাঁ হ্যাঁ করা পাব্লিক গঙ্গা ফড়িং-এর মত মোদীয় কর্মসূচীর পিছন পিছন উড়তে থাকে। গণমানসে দেশভক্তি বা রাষ্ট্রীয় ইমোশনের আফিম মোদীর এক সাংস্কৃতিক অস্ত্র। এবং এই অস্ত্রকেই ভারতীয় অর্থনীতিতে ফ্যাসিবাদ কায়েম করার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছে মোদী। এই অস্ত্র কী রকম?
১। কালো টাকার লেনদেন থামিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শুদ্ধ ধারায় নিয়ে যাওয়া এবং দেশের আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা
২। টেরর ফিন্যান্স বা সন্ত্রাস লগ্নিতে আক্রমণ শানিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক মেরুদণ্ডে আঘাত।
লক্ষ্যনীয়, এই দুটি ক্ষেত্রেই 'দেশভক্তি' বা রাষ্ট্রবাদের লজিকেই আবর্তিত হয়েছে মোদী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। আর তাতেই একাংশের আফিম খেকো অন্ধজন 'জ্বি হুজুর' রবে মোদীয় ফতোয়াকে স্বাগত জানাচ্ছে। ৫০০ ও হাজার টাকার নোট মাত্র ২-৩ ঘন্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করার সরকারি তথা রাষ্ট্রীয় ফতোয়াকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।

তিনটি লেখা নিয়ে : সোহম

স্বীকারোক্তি
চেনারাস্তা দিয়ে ভিড় ঠেলতে ঠেলতে, সারাদিন। সবাইকে আড়চোখে মেপে নেওয়া আর আস্তিনে ছুরি নিয়ে ঘোরার সারাদিন। হ্যাঁ-র সাথে হ্যাঁ আর না-র সাথে না মেলাতে মেলাতে, ক্লান্ত, এইবার তুমিছেড়ে এসো ব্যূহ। দ্যাখো, বেলাশেষের রোদ্দুর এসে ছুঁয়ে গেছে একলা বাড়ির চিবুক। সন্ধে হবে এরপরই। হুল্লোড় আর হাততালির মোহনা ছেড়ে, শান্ত দুয়েকটি নৌকো রওনা দেবে গাঢ় সমুদ্রের দিকে। তাদের মিলিয়ে যাওয়া আলোর দিকে তাকিয়ে, মনে পড়বে, আসলে অন্য কোথাও যাওয়ার ছিল তোমার। একেবারেই পথভুল করে কবে যেন এসে পড়লে তুমি এইখানে, আর খরচ হয়ে গেল গোটা একটা জীবন।



তিনটি লেখা নিয়ে এলেন : অর্ঘ্যদীপ রায়

কত বিমর্ষ লোহা
অনেকদিন লেখায় না থাকাটা অনেকটা শীতের না-স্নান বিলাসের মত। অথবা সদ্য বাবা হবার পর পৌরুষত্ব প্রমাণের প্রয়োজনহীনতার মত।সমস্যাটা হয় আকস্মিক লিফট বন্ধ হয়ে যাওয়াতে। তার না থাকে মাথার উপর মানুষের আনাগোনা, না থাকে ফানুসের ত্বরণ ও মন্দনের স্বয়ম্বর সভা। আকাশের কোনো এক মন্দাকিনী উচ্চতায় অলকনন্দা সেনাবাহিনী অস্তমিত হয়। ভিসুভিয়াসের পাদদেশে পিঁচুটি চোখে আসে স্নেহের মিসিসিপি। মহম্মদের আদেশনামা নিয়ে উপস্থিত হয় সবুজ সোনাব্যাঙ। বর্ষা আসবে এমন জনশ্রুতি শোনা যায় বীজাণুদের রোয়াকে। কেউ কেউ অতিরিক্ত চোখ ধার দেয় অন্য বীজাণুদের। শ্যাওলা পড়ে প্রকৃতিতে। কত বিমর্ষ লোহা তরল হবার ভয়ে শীতঘুমে যাবার প্রস্তুতি নেয়। কোনো বিপরীতধর্মী ঋতু উছলে ওঠে আর কেউ তাকে বন্দী করে ফেলে আগুনের ব্যবহার না জানা মানুষের টেস্ট টিউবে। এভাবে এক তেজস্ক্রিয়তা ছেয়ে যায় ঘোমটা জুড়ে। প্রত্যেকসকালে সিঁদুরের জন্ম হয়। প্রত্যেক রাতে কোনো নারী মাথা পেতে বসে থাকে নিচু হ্রদের পাদপ্রান্তে। একটি মাছ এসে সিঁদুর খেয়ে যায়। একটি নারী ও একটি মাছের এহেন সম্পর্কের কথা রাষ্ট্র হয়ে যায় জলপথে। ভারত মহাসাগরের মৎস্যকন্যা প্রজাতি ভাবতে পারেনি দীর্ঘদিনের…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS