Skip to main content

Posts

Showing posts from November 27, 2016



সাতটি টবিতা : দিদার মালেকী

লটকন যেভাবে ফল হয়ে ওঠে
নিউ মার্কেটের সামনাসামনি দাঁড়িয়ে আছি আপনাআপনি দেখি ফল হয়ে উঠছে লটকন
ছাতা মাথায় মেয়েটিও একলা ফোনে বলছে 'তো কী দ্যাখলা' হাতে ধরা ফোতা হওয়া পপকর্ন
অন্যজনের বেশর ঝুলছে নাকে ভ্রুর ভঙ্গিতে কারে যেন ডাকে আমায় ডাকছে থোকা লটকন
মানুষ ফল হয়ে ওঠে বাজারে চিনতে পারে কে আর কারে? কোথায় ফলেছিলে হে লটকন?


অপুর সংসারের লেখা : রঙ্গন রায়, পূজা নন্দী ও অদ্রিজা পাল

অপুর সংসারের লেখা

অনেকক্ষন হাঁটার পর বসতে ইচ্ছে করতেই পারে তা বলে... ডিভাইডার? ভাবছি কি লেখা যায় করলার ধারে, ল্যাম্পপোস্ট এর আলো ছিল শুধু আর আমরা...বাওয়ালিও লেখাই যেতো এভাবে চুল ছাড়া রাতের সাথে তবে বেইমানি হয়ে যাবে... আমরা একটা শব্দ শুনছি। তুমি কি শুনতে পাচ্ছো? না না করলার হাওয়ার কথা বলবো না গো, এ কুলকুল শব্দও নয়। বরং অনেকদিন পর দেখা কচুপাতার ফাঁকে যে জোনাকি বসে আছে তার ডানার শব্দ। আমি কি ভুল শুনছি? নাহ! এ হতে পারেনা, তুমি কি আমায় জোনাকির আলোটুকু এনে দিতে পারবে?...দেখাটা বাড়াতে পারছি না। আটকে গেছে কোন অজানা বেড়া জালে... করলা শান্ত, ঝড় তো আমাদের মাঝে কিন্তু কিসের? রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা এক যুগল ঠিক যেন তোমার ছোঁয়া পেলাম... এই ছোঁয়া পেয়েই নির্ঘাৎ রবীন্দ্রনাথ গেয়েছিলেন "একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু কথা শুনি",এভাবেই কত কত কথা কত তুমি বারবার প্রিয় হয়ে উঠতে জানো... তোমার এপার ওপার সবটাই যেন তোলপাড়, আমার ভাঙন যেন কিছুতেই ছুঁতে পারেনি তোমায়… সবটাই কেন তুমি পর্যন্ত এসে থেমে যায়? তোমার বাইরে বেড়োতে চাইলে হাঁপিয়ে ওঠে এই ব্রীজ এই রাস্তা পুরনো স্কুল - পুরনো স্মৃতি। আমাদের গল্প তোমার থেকে…

A few moments. Captured. : Rik Rudra Mandal

A few moments. Captured. 
ছবি সাজিয়ে সাজিয়ে গল্প বানাবো, এমন কোনো ভাবনা আমার মাথায় কখনো আসেনা। প্রতি ছবির মধ্যে থেকেই গল্পের খোঁজ করি। প্রত্যেক ছবি একটি অনাবিল গল্পের সন্ধান দেয়। সময়ের ভাবনার উপর দিয়ে যা বয়ে যায়, তাই ছবির আধার হয় ও আকার ধারণ করে। ছবিগুলো বাছাই করার ‘সময়’, গল্পের রৈখিকতা বজায় রেখেছি। মানব-মানবী সম্পর্কটা, ধ্রুবপদ বেঁধে দেওয়ার মতন। চরিত্রগুলো পাল্টে যায়ে। হয়তো বদলে বদলে যায় ডাকনামগুলো। অথচ উড্ডীন কোনো ড্রোন থেকে দেখলে চরিত্রের ছায়াগুলি চেনা এক বহুভুজ রচনা করে যায়। এই আজানুলম্বিত প্রজেকশনের অপরিবর্তনীয়তা অথবা আমৃত্যু কোনো অবাধ্য তরঙ্গের টানাপোড়েনের ইতিহাস । দেওয়ালের আঁকা, ত্রিপল এ আঁকা, মেঝেতে আঁকা, ছায়া-প্রছায়া, জড়-জীব,সর্বোপরি মানব-মানবী মিলে এই ছবিগুলির শুরু থেকে শেষ রেখেছি। কোনো মিলনান্তক ছায়াবাজি অথবা বিয়োগান্তক সাপসিঁড়ির ভেতর দিয়ে বইতে থাকা একটি আবহমান প্রলম্বিত চেতনার কথা বলতে চেয়েছি।




হরকরাকে লেখা চিঠি : সর্বজিৎ ঘোষ

হরকরাকে লেখা চিঠি
রাস্তা পেরোতে গিয়ে শ্যামলালের হঠাৎ মনে হল, তাকে নিয়ে কেউ কোনোদিন কবিতা লিখবে না। অথচ ছোট্টো সবুজ বিন্দুজীব যে মানুষটি দপদপ করে বলতে থাকে আর কতক্ষণ, সে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছিলো লালে। শ্যামলালের মনে হল সে তাকে বলছে, ওহে শ্যামলাল, এই যে কুড়ি লক্ষ ত্রিশ হাজার পাঁচশো সাতাশিতম বার তুমি সফলভাবে রাস্তা পেরোলে, এবং প্রত্যেক মৌলিক সংখ্যকবারে পেরোতে গিয়ে যে তুমি গাড়ি চাপা পড়তে পড়তে বেঁচে যাও, (আহা সে বাঁচা তুমি জানবে না; অঙ্কে কাঁচা)... শ্যামলাল শুনতে পেলোনা বাকিটা। হয়তো সে বলতো শ্যামলাল জানে না রাস্তা পেরিয়ে আসলে সে কোথায় যাচ্ছে, বা রাস্তা সে আদৌ পেরোতে পেরেছে কিনা, যেভাবে শ্যামলাল জানে না এখন সে কোথা থেকে ফিরছে। শ্যামলালের মনে হয়েছিল সে বেরচ্ছে তার ইউনিভার্সিটি থেকে, শেষ ক্লাস ফাঁকি দিয়ে সে খুঁজতে গিয়েছিল এক জলে ভেজা দাঁড়কাক, যে আসলে ভেজার ভান করে পালক ঝাড়ছিল। কিন্তু, এও তো সমানভাবে সত্যি, শ্যামলাল যে রাস্তা পেরোচ্ছিল তার এপারে ছিল প্রাচীন লাল এক সরকারি অফিস, যার লিফটের দড়ি দিয়ে খুব ভালো ফাঁসি হয়, শ্যামলাল ভেবেছিল। যেমন শ্যামলাল এও জেনেছিল, নীলদর্পণ নাটকে এক কুখ্যাত চাবুকের নাম শ্…

কয়েকটি সময়কে ধরলেন : শাহেদ আনোয়ার

১৯ডিসেম্বর ’১৫। ১১:৫৪টা রাত।
দুয়েকদিন ধরে মনে হচ্ছে আমি প্রেমে পড়ছি, ইদানিং কলেজ থেকে আশার সময় একটা মেয়ের সাথে ক্রস হচ্ছে। ব্যাপারটা প্রথম প্রথম আমলে না নিলেও এখন নিচ্ছি। বুঝতে পারছি না কেন এমন হচ্ছে। আমি কি আবার সর্বনাশের দিকে পা বাড়াচ্ছি? মেয়েটিকে দেখার জন্য সন্ধ্যায় নিয়মিত বের হই, আমার বাসার রাস্তা দিয়ে যায়। সাথে বান্ধবি থাকে। প্রতিদিন দেখতে পাই না বলে প্রচন্ড রাগ হয়।
আমি এখনো জানিনা মেয়েটি আমার জুনিয়র নাকি সিনিয়র। ধ্যাএএত, এটা মোটেই ঠিক হচ্ছে না। ঠিক একই ভাবে আমি ক্লাস এইটে পড়ার সময় টেনের এক আপুর প্রেমে পড়ছিলাম। তার মাশুল এখনো দিতে হচ্ছে। আমি কি আবার নতুন মাশুলের কর গুনছি? মনে হয় আমার উচিৎ শিক্ষা হয়নি, আরও কঠিন একটা শিক্ষা হওয়া দরকার।
কাল রাতে বেশিক্ষণ পড়তে হয়েছে। ঘুমালাম দেরি করে। অসহ্য মাথাব্যথা নিয়ে ঘুমাতে হল। বেশিক্ষণ হয়নি, ঘুমের মধ্যে কে যেন ডাকছিল, সকাল হয়েছে বোধহয়। নাহ, আরেকটু ঘুমাতে হবে। কম্বল দিয়ে মাথা জড়িয়ে নিলাম, কোন শব্দ যেন না শুনি।
কিছুক্ষণ পর আবার কে যেন ডাকছে নিম্নস্বরে। 'এই, এই আরেকটু সরে ঘুমাও না, আমি ঘুমাতে পারছিনা তো, এদিকে আমি খাট থ…

পাঁচটি লেখা নিয়ে এলেন : অরুণিমা চৌধুরী

প্রেম
খুব ইচ্ছে করে তোমার কথাগুলো কুড়োই কথায় কথায় ফেলাছড়া কবিতাগুলো যত্ন করে গুছিয়ে তুলি ইচ্ছে করে ডেকে বলি তোমার শব্দগুলো আমাকে দাও আমার বেডসাইড টেবলঘড়ির পাশে সাজিয়ে রাখবো ঘুমভাঙা মাঝরাতে ওরা আমাকে দেখবে দেখবে ফোলাফোলা গাল,লাল চোখে কেমন জেগে আছি
অযত্নে কপালে এসে পড়া চুল আরো একটু ঘেঁটে ইচ্ছে করে একফুঁয়ে নিভিয়ে দিই জ্বলন্ত সিগারেট ও কেন এতোবার তোমার ঠোঁট ছোঁবে
তোমার পেন ফোল্ডার, কম্পিউটার... কতো কাছে থাকে..কতো সহজে ছুঁয়ে দেয় আঙুল খুব হিংসে হয়
আজকাল খুব ইচ্ছে করে ডেকে বলি শুনছো!  নিষিদ্ধ ইচ্ছেগুলো এভাবেই খুব জ্বালায় আমায় ২০১৫



Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS