Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

দুটি লেখা নিয়ে এসেছেন : নীলাব্জ চক্রবর্তী

স্বীকৃতি
সংবেদনশীলতা নামের একটা বাক্সের ভেতর বসে আমরা লক্ষ করছি দিন কীভাবে ছোট হয়ে আসছে। হাতে ধরে রাখা চ্যাপ্টা, চৌকো, ধাতব খণ্ডটা, যার নাম সময়, গলে পড়ছে বাঁকানো লরেল পাতার ফাঁকে ফাঁকে। স্বীকৃতি শব্দটার গায়ে কিছু শীত জমে থাকছে এভাবে। নীল ভাঙতে ভাঙতে দীর্ঘ বাক্য হয়ে যাচ্ছে কেউ। এরকম দিনে নিষ্ঠুরতা পেয়ে বসে। চেইন রিঅ্যাকশন। জটিলতার মধ্যে ওইটুকুই সিমেট্রি রেখে দেওয়া হয়েছে। ফলে, মরশুম জুড়ে দ্রুত হয় এক-একটা অক্ষর। বালিশে চাপা পড়ে থাকলো যে দুপুর, তার স্পর্ধা, একটা রঙ হয়ে। জল সরে যাওয়া লবণপ্রণালীর কথা ভাবো। মনে তার যেটুকু রেখেছো মাংসক্ষেতের ভেতর কুচো কুচো কবিতাভাবনা রেখেছো...



আপনার কবিতাকে জীবাণুমুক্ত রাখুন
এখন দ্বিধা বলতে টানেলের ভেতর যেটুকু রোদ। অন্য কারো ডুয়াল সিমে আপনার বেলা পড়ে আসছে কোথাও। পছন্দ করছে বুনো পাথরের গায়ে পার্পল ছোপ ধরতে থাকা কম্যুনিকেশন। পছন্দ করছে আলগা যৌনতা। ভাষার সবটায় তখন কাঁচ ছড়ানো। স্থিতির ভেতর খুব ছুটতে ছুটতে ভাবছি প্রাপ্তি শব্দটার মানেটা ঠিক কী। লক্ষ করুন, কেমন ফুলে উঠছে রাস্তাটার গ্রীষ্মকালীন নাম। আপনার কবিতাকে জীবাণুমুক্ত রাখুন। ভাবুন, উদ্ভিন্ন একটি বিশেষ অঞ্চলের নাম। তার ছোটবড়ো ছায়ারা শব্দ করে ‘তদনুরূপ, তদনুরূপ’। এভাবে স্তনকে দুপুর লিখি আর খুলে রাখি স্নায়ুদের জলপথ। সিনট্যাক্স ছিঁড়ে ফ্যালাও আরেকটা সিনট্যাক্স…













নীলাব্জ চক্রবর্তী

Nilabja Chakrabarti

Popular Posts