Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

দু'টো ও দুমুঠো - একটি সিরিজ : সুমন সাধু

দু'টো ও দুমুঠো (১)
বিপরীত আদেখলা সব জমি ছেড়ে দিচ্ছে
অবাক দূরন্ত রাস্তায় দাগ কাটছে আদর আদর মাস
আমাদের সবটুকু নিয়ে এই সা রে গা মা,
দিন শেষের ব্যথার কিনার,
যথোপযুক্ত আছে সবই।
সবই নতুন চাদরের আবেশ,
ঠাসা ঠাসা বই সব, উপসর্গহীন সাদা।
সেইখানে শব্দের মলিন জমা হয়;
আমরা বুঝি দু'টো ও দুমুঠো

আমরা এখন অবোধ শিশু
যাপন করি ধুলো।



দু'টো ও দুমুঠো (২)
এই মন্থর গতি আমাদের চিনতে শিখিয়েছে-
টানা টানা লিখে চলা সুদীর্ঘ গদ্য কলম।
সেভাবে রেখো না হাত
এভাবে মেখো না রোদ
 কবিতার হেমন্তগুচ্ছ নিয়ে এসো আমাদের ঘরে
খাদ্য শষ্য বীজ নিয়ে এসো

ঘরোয়া জ্বর বুঝে নিক কোন এক আট বছর।
অথবা আট বছর আগের একদিন
দিনান্তে বাড়ি ফিরব সবাই
অঘ্রাণের ধান ফুটবে আসমানি কোটরে

চলতি পথ ফিরতি ধুলোয়
একে অপরের পরিপূরক হচ্ছে এ যাত্রা।




দু'টো ও দুমুঠো (৩)
ভুল ব্যস্ততা সম্পর্কিত উদাস ইশারা নিদেনপক্ষে তোমার ঘর, গওহরজান;
ত্রুটি মকুব করে পালানো এক একটা হেরে যাওয়া অথবা ভবঘুরে।

মরুভূমির শুন্যের ভিতর নিয়ম করে পাহাড় বসাই, পাহাড়ে শুষ্ক দেখা
এ দেখার চোখ মেহেরবান না-কে ঘিরে

ঘেরার যে টোপ তাকে উপলক্ষ করে হেঁজিয়ে যাওয়া সানাই ও শঙখে ফুঁ দিয়ে ভাবি,
গত ও আগামীর মরসুমে আমরা এক হয়ে দেখিয়েছি

আজ শুধু দিক্বিদিকের ব্যস্ততা উপুর হয়ে রয়েছে
মুহূর্ত ভেবে ভুল ভাবছি যাকে



দু'টো ও দুমুঠো (৪)
এ জল কখনও কিনারা ছোঁবে। দূরন্ত শ্বাসগন্ধ তরঙ্গে কেঁপে উঠলে কক্ষপথে হেঁটে চলে বেড়ানো সম্ভব। এমতাবস্থায় বন্ধু আড়াল খোঁজে। কেজো আর অকেজোর ফারাক আমাদের এক করে দেয়। ওপারের বন্দিশকে ক্রমশ দেখি শাহাজাদা হয়ে উঠতে। এপারে হয়ে ওঠার নিথর স্বভাব দুজনকেই আক্রান্ত করছে। অফুরান সানাই নিয়ে আমরা কি ভেসে যাচ্ছি? অনেকদিনের জমানো নমুনায়? সকালের দরদিয়া আজও আমাদের ডেকে দেয়।

দু'টো ও দুমুঠো (শেষ)
দিন আনতে পান্তা ফুরোবার আগেই তোমার অমোঘ চাওনি ও ঢিলাজামা কীভাবে আমার হয়ে গেল। অমোঘ ও তার এই একলা বাঁশি তোমায় কখনও ছেড়ে যাবেনা।

তুমি পাখি ওড়া খেলছ। তোমার ধুমজ্বর পান্তাভাত ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে। আমাদের দু'টো ও দুমুঠো... দুমুঠো ও দু'টো... অথবা ঊর্ধ্বগামী কোন রঙের খোলস














সুমন সাধু

Suman Sadhu

Popular Posts