Skip to main content



চাষাড়ে অস্হিকল্প / হিমশীতল মাংসমজ্জা ও গর্ত : সায়ন ঘোষ

চাষাড়ে অস্হিকল্প / হিমশীতল মাংসমজ্জা
যে ছাদে আমি রোজ উঠি তার স্হাপত্য ভেঙে গড়িয়ে যাচ্ছে সূর্যের ন্যাড়া মাথা আমার পায়ের কাছে একটি কালো পিঁপড়ে ধূসর ছাইয়ের মধ্যে পথ হারিয়ে ফেলছে ধরে তার অনৈতিক পথ অবরোধে আমার মুখের ভেতর থেকে থুতুর দলাটা ঝুলছিল ক্যামন সেই সেতুর চারমিনারে আটকে পড়ে আছে চতুর শব্দের লকআউট কারখানায় শব্দপিষ্ট শ্রমিকের হাতের চেটোকে আমি বড় ভালোবাসি বাদামী পিয়াসী ত্বক খেজুর আলোয় উপবাসী মৃগরাজ তার শীলাভূত অস্তিত্বের নরকঙ্কাল কবিতার জঠরে শুকনো নৈশাহার আর আলোর অভ্যন্তরে নির্বাসিত বাতিল ছায়াগুলোই আমার পছন্দ। আমার ঘণ্টা বেজে গ্যাছে কোনো সন্দেহ নেই আজ দ্বিপ্রহর এখন চিত্রকর আমার ছাদের দেওয়ালে কতগুলি ছবি এঁকে চলে গ্যাছে ধাতুপাতে মুদ্রায় নিহিত ঋজু ও শিলমোহরে, ছায়াতাপ নক্ষত্রে, শাশ্বত ও আত্মস্থ ব্রহ্মজ্ঞানে - কোনো অসুস্থ নারীকে আমি আমার কোলের কেন্দ্রে রেখে শুশ্রুষায় সারিয়ে তুলবো তার বিকেন্দ্রীত শরীর আলোর ঝালিমায় উদ্বেলিত তরঙ্গ নেপথ্যে ফেলে রেখেছে মানুষের পূণর্বিকাশ ও ইন্দ্রিয়ের যথার্থ ব্যবহার আর প্রজ্ঞানযান প্রজননমালা থেকেই আমি হেঁটে চলে যাই ওয়েলিংটনে বন্ধুরা দাঁড়িয়ে আছে অনেকক্ষণ খিস্তি করছে আমাকে; নিস্ক্রিয়তার দারুণ আঙুল হাড়পাঁজর পরিদর্শিত জলবায়ু আমার শরীরের আয়ূ নেই আত্মার আছে একটি বৃহৎ রেফ্রিজারেটরের ভেতর তার শীতল অনুভূতিগুলো এবার দ্যাখার সময় হয়েছে তাই হাট করে তার সফেদ দরজা খুলে দিয়েছি নিস্ক্রমণের ঘাঘু পাখি আকাশের পথ বেঁকে গ্যাছে মৈথুনে তীক্ষ্ণ দাঁতালো ঈশ্বরকামী স্হিতির গ্যারাজে আমি ফোকোটে ভাড়া থাকি বেশ তো এই সাপের খোলস; উন্মোচনে সাড়া দিয়ে দিব্যি বিভিন্ন কোণ থেকে বারবার নিজেকে দেখি স্হূল ইতিহাসে আপাত বিচ্ছুরিত আমার অঞ্চলের আলোর শরীর ডানপিটে খুব মাংসাশী জিভে তার জন্মের বিদীর্ণ মহাকাল ও উৎসের সিনেমাটিক চিত্রল গ্রন্থি।


গর্ত
বৈরাগ্যে ধরেছিল যেদিন অধুনান্ত কি বিকট হাসি আমার দাঁতে মানে ঈশ্বর ও মনীষী অকস্মাৎ হুল্লোড়ে পাচারকারী লুল্লু দেবদূতের টাটকা শব বস্তুত বিশ্বাস ও মানুষ, মানুষ ও কুকুর, চামচিকে ও দেশলাই, ভাড়াবাড়ি ও পিস্তলের বাঁটে জ্যান্ত রূপরেখায় শরীরের যে নৈসর্গিক উপস্থিতি দ্রুত দ্যাখা যাচ্ছে সামনের হোর্ডিং-এ; মেঘের র‍্যাপাড়ে মোড়া ঘোলাটে চাঁদের ঠোঙার কাছে পুরোনো শব্দ কিছু শুনি আর পিছমোড়া করে মারছো না ক্যানো আমাকে কিছু রেখে দিয়েছি ভাতে ও আগুনে; সংসার ও সন্ন্যাসে আত্মভূত এক যুবক সিঁড়ি দিয়ে উঠে গ্যালো মেয়েছেলে নিয়ে আর কিই বা করবে যখন উপাসনা অর্ঘ্যের সমার্থক শব্দ কিনা বিকল পারিপার্শ্বিক চতুর্লেনে একাই দাঁড়িয়ে থাকি বিমানের আসা যাওয়া দেখি ন'জোড়া জুতো আমার বাবার।















সায়ন ঘোষ
Sayan Ghosh

Comments

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS