রাতসুখ ও যা কখনো ভাবিনি : পৌলমী গুহ

রাতসুখ

এক.
পায়ের ওপর পা অথবা
টায়ের ওপর টা
কিংবা কোনোটিই নয়!
এখন ঘিলুতে সেঁধোলাম।
রাত বাড়লে জানান দেবো,
যেমন করে গেঁটে বাত
মনে করায় পুরনো পাপ?
কবে দেখেছিলাম এক তিলফুল
কার বুকের খাঁজ বেয়ে
ঘামেভেজা চকচকে জোড়া পাপ।
হিসেব লিখব বিছানা-বালিশে
সকালে সব ভুলে যাবো!

দুই.
গতরাতে আমার ঘরে আষাঢ় ছিলো।
আরও পূর্বে... পূর্বে... পূর্বরাতে
সেবন করলাম ফোঁটা ফোঁটা।
কল্যবর্তে গোটা মেঘখানা গিলে নিলাম।
আজ রাতে ঊরু বেয়ে টপটপিয়ে
আষাঢ় নামবে…

তিন.
মেলোডি মাহ্ সুইট! এট্টু আস্তে
অল্প করে, একবারে অতটা নয়।
গিলো না। গিলো নাসোনা আমার!
নোওও! দাঁত নয়! ছিঁড়েকুটে যাবে।
বোঝো এ প্রেম, নট্ যুদ্ধ।
শোষণ নয় প্রেম, এ স্রেফ বিগলিত
চোষণ!!



যা কখনো ভাবিনি
আমাকে দু'এক পিস গান দিও।
তাতে সুর বসিয়ে আমি
নিজের বলে চালাবো।
এঅব্দি যা যা বলেছ তাই করিনি
অথচ করতেও পারতাম!
এটা বিশ্বাস করেই মেঘ মেঘ ক্ষত ঢেকেছ।
গান থেকে সুর সুর থেকে শব্দ
তার পর কবিতা, সেখানে জ্বর
দুধের বোতল, কলপাড়ের ঘটাং ঘটাং,
সিম্ফোনি হয়ে ক্যাকোফোনি।
তুমি কি ভেবেছিলে
স্টেশনবাজারের সব্জিওলা আদতে এক কবি?















পৌলমী গুহ
Poulami Guha