Skip to main content

Posts

Showing posts from March 5, 2017



সায়ন ঘোষ-এর কিছু লেখা

সেখানে সকলেরই একটা কম্বলের প্রয়োজন ছিল। নিদ্রাজরিত দূষিত চোখে তারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে হাসছিল। একজনের একটি রূপোলি দাঁত রয়েছে লক্ষ্য করা যায়। এবং কিছু শিশির কারপেন্টারের ছায়ায় জলের দ্রাঘিমায় হুবহু দ্রিদিম একঘেয়ে করে তুলেছিল বাড়িটাকে। সেখানকার ঘর, আসবাব, প্রাণ কৌটোবন্দী অবস্থায় শব্দের কড়া নাড়া; কারা য্যানো গুঁড়িয়ে ফেলেছিল তাদের শৈশব। নিজস্ব খনিজ মুঠোয় করে নিয়ে গঙ্গায় অস্হি বিসর্জন এবং সূর্যদেবতার কাছে প্রার্থনা। সকলেরই প্রয়োজন ছিল এখান থেকে বেড়িয়ে আসার। মুক্ত উপত্যকায় চড়ে ব্যাড়ানোর অধিকার সকলেরই ছিল। কেউ কেউ চেয়েছিল, কেউ চায়নি। জীবনকে বিভিন্ন রূপে আবিষ্কার করতে করতে কেউ কেউ পাগল হয়ে গিয়েছিল। কেউ এখনও আবিষ্কারের পদ্ধতি নিয়ে গবেষণারত। সন্ধ্যের শাঁখ এবং ঘন্টাধ্বনি বাতাসে মিশে যেতে যেতে অলস দ্রাঘিমায় আমরা এখন একটু ঘুমিয়ে নিচ্ছি ধোঁয়ার বিছানায়।
-৬নভেম্বর,২০১৬


ফোলিয়েশন
ঝড়ো অভদ্রতা শরীরের মধ্যে ছুড়ি কাটার কারবার রেশম সমন্বয়ে তৈরী বস্তুর ছেদ, রূপক, গতি, তড়িত্ বিচ্যুতির লোমশ স্ক্যান্ডাল পরিপূর্ণতার ঐশানী সন্ধ্যেতে পাক খাওয়া বিকট পাগনেশাস্ তার ঝিল্লীর অন্তস্হলে চুক্তি ও করমর্দন প্রতিলিপির বৃহত্ পাঠ…

ঈশ্বরের জননতন্ত্রী, বিদেশি শব্দ এবং একটা রক্তখেকো ন্যাপলা : ডাকনামে সমুদ্র

ঈশ্বরের জননতন্ত্রী, বিদেশি শব্দ এবং একটা রক্তখেকো ন্যাপলা
১। এই বিশ্বাস হয় - ঈশ্বর আছেন কণায় কণায় আমাদের ক্লাস সিক্সের ব্যাকরণ বই সমস্ত সিগারেট কাউন্টার ভুখা পেট অফ্রিকা জলবায়ু নিভন্ত উনুন তীব্র বর্ণবিদ্বেষ অমৃতা গগণের টোলে ভেনিসের জল। ইরাকের যুদ্ধ। সংবিধান। ছাপাখানা। জিরো জিরো সেভেন। ভ্লাদিমি পুতিন। হীনস্কন্ধ সময়। এমনকি টুম্পা চাকির প্রথম খাওয়া ধর্ষণেও


২। “shouting ‘oh god!' at bed isn't equivalent to a prayer"
ক. হরেকৃষ্ণ বলতো একটি উত্তর কোলকাতার টিঁয়া
খ. তিনি ছেলের নাম রেখেছিলেন শ্যাম। শ্যাম চোদ্দবছর বয়সে বাথরুমের ফুটো দিয়ে ভিজে মাকে দেখে হাত মেরেছিলো।
গ. প্রত্যুষা ঋতুমতী হয়েও ঠাকুর ছুঁয়ে ফেলেছে
ঈশ্বর আমার বিশ্বাস পুড়ছে ওদিকে দৃশ্য তখনও কালো। পর্দা ওঠে নি। আমরা হাত চালান করে দিয়েছি পবিত্র বুকে বুকে। ঘেঁটেছি।

পলাতক : সায়ক দত্ত

পলাতক
১. আকস্মিক চাঁদ ধোয়া জলে কবিতা লিখতে বসে মালকানগিরিতে আম্বানিরা ফুলদানি সাজালো। এপাশে, ওপাশে- পাপোষে, ধপাসে- আমরা বরং শব্দ সাজাই।
টিলার ওপর মৃতদেহগুলো আসিমোভের নিয়ম মানে না- মরা ম্যাপলগাছের নস্টালজিয়ায় যেমন গোপালঠাকুর নেই। ডানে, বামে- পাঁচমাথায়, আওয়ামে- চার ওয়াক্ত ফ্যানের গন্ধ বরং ছড়াক।


Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS