Skip to main content

Posts

Showing posts from April 2, 2017



জোকারের বালের যুগ্যি নয় ওরা : পুরন্দর ভাট

জোকারের বালের যুগ্যি নয় ওরা
বাঁকুড়া মিমস পেজটা বোধয় ফেসবুক বন্ধ করে দেবে। এই পেজটি বহুবার বিতর্কে জড়িয়েছে। পিডোফিলিয়া নিয়ে একবার বিতর্কে পড়েছিল, বর্ণবিদ্বেষী, নারীবিদ্বেষী পোস্ট করে বিতর্কে জড়িয়েছে, এবার ক্যান্সার পেশেন্টদের কেমোথেরাপির ফলে টাক পড়ে যাওয়া নিয়ে রসিকতা করে বিতর্কে জড়িয়েছে। বহু লোকে রিপোর্ট করেছেন পেজ। সিগনেচার ক্যাম্পেন হয়েছে পেজটাকে সরাবার জন্যে। অনেকেই এমন বলছেন যে যাঁরা ওই পেজটাকে লাইক করেছে তারা যদি আনলাইক না করে তাহলে আনফ্রেন্ড করে দেবে। অর্থাৎ এই রামনবমী আর ভোঁতা তলোয়ার নিয়ে লম্ফ ঝম্পর বাজারেও খানিকটা ফুটেজ খেয়েছে পেজটা। এবার আসা যাক বিতর্কর প্রসঙ্গে।
প্রথমেই যেটা পরিষ্কার করে দেওয়া দরকার যে "ইয়ার্কি মারবার একটা লিমিট আছে, ক্যান্সার পেশেন্ট নিয়ে ইয়ার্কি বা মেয়েদের মাসিক হওয়া নিয়ে ইয়ার্কি মারা প্রচন্ড ইনসেন্সিটিভ" - এই যুক্তির একটা অংশ সঠিক কিন্তু অন্য অংশটা গরুর গোবর। সঠিক হলো "ইনসেন্সিটিভি" আর গোবর হলো "লিমিট আছে।" লিমিট যদি টানেন সেটা কোথায় টানবেন? কেউ ক্যান্সার পেশেন্ট নিয়ে ইয়ার্কি মারাকে লিমিট অতিক্রম করা বলবেন আর কেউ বলবেন গরুকে নি…

কাঞ্চনজঙ্ঘার ছায়া : শোভন ভট্টাচার্য

কাঞ্চনজঙ্ঘার ছায়া
তুষার বাহিত হাওয়া এখন শাসন করছে রাত্তিরের ম্যাল। সমস্ত টুরিস্ট প্রায় ফিরে গেছে হোটেলের ঘরে। লামা সাধুদের মতো জেগে আছে সারিবদ্ধ পাইন। কাছে দূরে উঁচুনিচু সমস্ত পাহাড় প্রাণের প্রদীপ যত জ্বেলেছিল মোহিনী সন্ধ্যায় একে একে নিভে আসছে সব। দার্জিলিং ম্যালও তার বাণিজ্যিক বাহু গুটিয়ে নির্বাণ মন্ত্রে ধ্যানস্থ এখন।
# ব্রিটিশের ভূত আছে এই দার্জিলিং-এ; ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’-র ছবি বিশ্বাসসুলভ বাঙালিরা এখনও সপরিবার ছেলেমেয়েজামাইশ্যালক সমেত প্রতিবছর এখানে আসেন। থাকেন ব্রিটিশ-ধাঁচে বানানো বাংলোয়। খাদের রেলিং-ঘেরা সবুজ লবিতে টি-টেবিল তাদের মহৎ-জন্ম-যাপনের সেরা অবকাশ।
# আর আসেন নিতান্তই মধ্যবিত্ত শ্রেণি। সারাদিন এই ম্যাল তাদের কেনাকাটায়, ক্যাচোরম্যাচোরে চেনা যায়না পাহাড়ের কোনও শীর্ষ ব’লে।
# আমি নিজে এর আগে দু’বার দার্জিলিং জেলার সবচেয়ে উঁচু যে পাহাড়ে থাকে মানুষ, সেখানে পাঁচদিনের পায়ে হাঁটা পথ ঘুরে ফেরার সময় শহরে নেমেছিলাম। কেভেন্টার্সে কফি, গ্লেনারিজে ব্রেকফাস্ট খেয়েও আমার মন ভরেনি ততটা। মায়ের চাদর আর বাবার জাম্পার কিনে ফিরে গেছি অসহায়। কিন্তু আমি সতত নিশ্চিত এবারে যে সৌভাগ্যের অধিকার নিয়ে আমি এখানে এসেছি কাঞ্চনজঙ্ঘার মুখ না…

সোনালি আপেল ও প্রিয়তম : কৃতি ঘোষ

সোনালি আপেল ও প্রিয়তম
মানুষ চিরকাল অন্ধকূপের মধ্যে কাটাতে ভালোবাসে। এদিকে যাব না, ওদিকে যাব না- আমি বসে থাকবো শুধু। এমনটা বললে কোনও ছায়াছবির মত পথ আগলে রাখা যায় ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত প্রকৃতিতে বাঁচা যায় না। বাঁচার কোনও অর্থ নেই মানে অর্থের বেঁচে থাকার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। না, আমি গুলিয়ে দিচ্ছি না, প্রস্তর ভেঙে কারুর মূর্তিও তৈরি করছিনা আপাতত। এই যে সাময়িক প্রয়াস –তার অর্থ আমার প্রত্যয় ঘটেছে। আমি উচ্চস্থানে বাস করছি আপাতত। এখানে কবিতার প্রয়োজন নেই, মৃত্যুর প্রয়োজন নেই। এখানে সমুদ্রের ফেনা আরেকটা অ্যাফ্রোদিতির জন্ম দিতে পারবেনা। সূর্যের দেবতা এখন অকর্মণ্য হয়ে শিস দিচ্ছে খানিক।
নদীতটে বসে কার কথা মনে পড়ে? কার ভ্রু উঁচিয়ে তাকানোয় বাষ্পীভূত হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে বেশি? কে সেই দীন-দরিদ্র ও কবির মাধ্যমে অমর হওয়া প্রেমিক? এসো প্রেমিক, জল ভেঙে জরায়ুতে এসো। তোমাকে জন্ম দিই একবার। এখানে তরল অনুভূতিরা গাছে গাছে হেলান দিয়ে বসে থাকে। সোনালি আপেলের মত লোভ আছে বিস্তর। তবে দেখানোর শখ নেই। বালি বালি রোদ আছে। বিনে পয়সার চাবুক আছে। চাবুক কথা বললেই ছোটে। পিঠ বেয়ে সাপের মত হিসহিস করে চাবুক। দেখোনি?
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS