Skip to main content

Posts

Showing posts from April 16, 2017



তুসা কথক-এর কিছু ভাবনা

তুসা কথক-এর কিছু ভাবনা
তোমার ভেতর থেকে চুরি যাচ্ছে আলোকপ্রাপ্তির রোদ, বিকেল ভ্রমণে তোমার সম্ভ্রান্ত মগজ বেচে দিচ্ছে ধূর্ত বনিকেরা।
হে মানুষ, হে পুরাকীর্তির চুরি যাওয়া ইট, স্বপ্নের অপভ্রংশ, মায়াময় ভ্রান্তি, কিশোরের মৈথুন শেষের অনুশোচনা, হে পাপ, হে শাপ, হে আদমের নিরাশ উপাসনা, তোমারে অভিশাপ — তুমি বুড়িগঙ্গার মতো কিংবদন্তী হও, তোমার জীর্ণ শরীরে ছড়িয়ে পড়ুক অসুখের আরাধনা।
আমি তোমাকে ঘৃণা করি, শিষ দেই, হেসে ফেলি, হে শুয়োরের অপ্রকাশিত ক্রোধ, কিংবদন্তীর ভারবাহী গাধা, তুমি মরে যাও — পৃথিবীর হৃদপিণ্ডে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে থাকো তুমি অনন্ত বছর।
তোমার হৃদয় পৃথিবীর মাণচিত্রের মতো টুকরো টুকরো হয়ে গেছে, পাকস্থলী হজম করে নিয়েছে তোমার অনাগত সন্তান, তুমি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছো — মানুষের থেকে তুমি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছো, তোমার জন্য প্রেম নয়, তোমার জন্য মাতৃস্নেহ নয়, অভিশাপ — তুমি প্রেমিকার ঋতুস্রাবের মতো আটকে পড়ো সময়ের সুড়ঙ্গে, তুমি ব্যর্থবীর্যের মতো শুকিয়ে যাও মহাশূন্যের মলাট থেকে মলাটে।
হে মানুষ, হে বিপর্যয়ের কক্ষপথে আটকে পড়া প্রেতাত্মা, বহিষ্কৃতের বিলাপ, অপলাপ, সন্তাপ গোলকধাঁধার নির্জনতম সত্তা।
হে স্বর্গ থেকে নির্বাসিত যুদ্ধবন্দী হে ক্ষুধার্ত,…

দুটি লেখা নিয়ে এসেছেন : নীলাব্জ চক্রবর্তী

স্বীকৃতি সংবেদনশীলতা নামের একটা বাক্সের ভেতর বসে আমরা লক্ষ করছি দিন কীভাবে ছোট হয়ে আসছে। হাতে ধরে রাখা চ্যাপ্টা, চৌকো, ধাতব খণ্ডটা, যার নাম সময়, গলে পড়ছে বাঁকানো লরেল পাতার ফাঁকে ফাঁকে। স্বীকৃতি শব্দটার গায়ে কিছু শীত জমে থাকছে এভাবে। নীল ভাঙতে ভাঙতে দীর্ঘ বাক্য হয়ে যাচ্ছে কেউ। এরকম দিনে নিষ্ঠুরতা পেয়ে বসে। চেইন রিঅ্যাকশন। জটিলতার মধ্যে ওইটুকুই সিমেট্রি রেখে দেওয়া হয়েছে। ফলে, মরশুম জুড়ে দ্রুত হয় এক-একটা অক্ষর। বালিশে চাপা পড়ে থাকলো যে দুপুর, তার স্পর্ধা, একটা রঙ হয়ে। জল সরে যাওয়া লবণপ্রণালীর কথা ভাবো। মনে তার যেটুকু রেখেছো মাংসক্ষেতের ভেতর কুচো কুচো কবিতাভাবনা রেখেছো...


আপনার কবিতাকে জীবাণুমুক্ত রাখুন এখন দ্বিধা বলতে টানেলের ভেতর যেটুকু রোদ। অন্য কারো ডুয়াল সিমে আপনার বেলা পড়ে আসছে কোথাও। পছন্দ করছে বুনো পাথরের গায়ে পার্পল ছোপ ধরতে থাকা কম্যুনিকেশন। পছন্দ করছে আলগা যৌনতা। ভাষার সবটায় তখন কাঁচ ছড়ানো। স্থিতির ভেতর খুব ছুটতে ছুটতে ভাবছি প্রাপ্তি শব্দটার মানেটা ঠিক কী। লক্ষ করুন, কেমন ফুলে উঠছে রাস্তাটার গ্রীষ্মকালীন নাম। আপনার কবিতাকে জীবাণুমুক্ত রাখুন। ভাবুন, উদ্ভিন্ন একটি বিশেষ অঞ্চলের নাম…

বাপি গাইন-এর : দু এক পশলা চিন্তাসূত্র

দু এক পশলা চিন্তাসূত্র

১ কতরকম বিষই তো এই দেহ গ্রহন করেছে এই একটুকরো মেঘ আর কতটাই বা মরুভূমি নেবে

২ অনিশ্চিত এই জীবনের একমাত্র নিশ্চয়তা মৃত্যু।এমন এক বিশ্বস্ত বুক, এমন এক আলিঙ্গন যা একমুহুর্তের জন্যও স্পর্শ ত্যাগ করবে না। এই চরিত্রকেই আমরা খুঁজি প্রেমিকার ভেতরে, প্রেমিকের ভেতরে অর্থাৎ আমরা তোমার ভেতরে মৃত্যুকে খুঁজি প্রতিমুহুর্তে, জীবন খুঁজি না কখনও।

৩ অর্ধমৃত ফুল দিয়ে ঘর সাজাবার আগে, আমি চাই ফুলগুলো গাছেই শুকিয়ে যাক। অন্ধকার হয়ে আছে এমন অনেক গাছ দেখেছি দিনের বেলায়। যেন কেউ শুভেচ্ছা অনুবাদ করতে পারেনি আর শুধু শুধু সাদা পৃষ্ঠা নষ্ট করে গেছে। তোমাকে ভালোবাসা বোঝাতে গিয়ে তাই গাছ ছাড়া আর কোনো প্রতিনিধি পাইনা। হাঁটাপথে সে বহুদিন থেকে তোমাকে মুগ্ধ করেছে। এতো এতো মুগ্ধতা সামলাতে না পেরে তুমি তার ছোটো একটা হাত ভেঙে টেবিলে রেখেছ। টেবিলের ওপর হাতভর্তি ফুল, মৃত্যুর দিকে দৌড়ে যাওয়া ফুল। ঘর আলো হয়ে আছে, পবিত্র এক গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে মৃত্যুর শরীর থেকে তোমার স্নায়ু পর্যন্ত। তুমি এককাপ চা নিয়ে এই সৌন্দর্য্য সহ্য করছো বিকেলের আলোয়। ওদিকে যার গেছে তার বেদনা ফোঁটা ফোঁটা ঝরে পড়ছে রাস্তার ধুলোয়। এইপথে কাল আবার তুমি ট…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS