Skip to main content

Posts

Showing posts from May 14, 2017



দু'টো ও দুমুঠো - একটি সিরিজ : সুমন সাধু

দু'টো ও দুমুঠো (১) বিপরীত আদেখলা সব জমি ছেড়ে দিচ্ছে অবাক দূরন্ত রাস্তায় দাগ কাটছে আদর আদর মাস আমাদের সবটুকু নিয়ে এই সা রে গা মা, দিন শেষের ব্যথার কিনার, যথোপযুক্ত আছে সবই। সবই নতুন চাদরের আবেশ, ঠাসা ঠাসা বই সব, উপসর্গহীন সাদা। সেইখানে শব্দের মলিন জমা হয়; আমরা বুঝি দু'টো ও দুমুঠো
আমরা এখন অবোধ শিশু যাপন করি ধুলো।


দু'টো ও দুমুঠো (২) এই মন্থর গতি আমাদের চিনতে শিখিয়েছে- টানা টানা লিখে চলা সুদীর্ঘ গদ্য কলম। সেভাবে রেখো না হাত এভাবে মেখো না রোদ  কবিতার হেমন্তগুচ্ছ নিয়ে এসো আমাদের ঘরে খাদ্য শষ্য বীজ নিয়ে এসো
ঘরোয়া জ্বর বুঝে নিক কোন এক আট বছর। অথবা আট বছর আগের একদিন দিনান্তে বাড়ি ফিরব সবাই অঘ্রাণের ধান ফুটবে আসমানি কোটরে
চলতি পথ ফিরতি ধুলোয় একে অপরের পরিপূরক হচ্ছে এ যাত্রা।

কাশ্মীর হামারে হ্যায় : অদ্বয় চৌধুরী

কাশ্মীর হামারে হ্যায়
কাঠের এই বাড়িটা আমাদের খুব পছন্দ। তার অনেক কারণ আছে। আমাদের দু’জনের পক্ষে বেশ বড় আকারের হওয়ার পাশাপাশি বাড়িটা বহু পুরনো হওয়ায় বাপঠাকুরদাদের স্মৃতি বহন করে। আমাদের ছেলেবেলার সমস্ত স্মৃতিও জড়িয়ে আছে এর সঙ্গে। বোন আর আমি এই বাড়িটায় একা একাই থাকি। বাবা, মা, কাকা, ঠাকুরদা, ঠাকুরমা আর নেই। ওরা এসে নিয়ে গেছে ওদের। আমাদের নেয়নি ওরা, কারণ আমরা তখন ছোটো ছিলাম। সেই সমস্ত স্মৃতি এই বাড়িটা ঘিরেই রয়েছে। ওদের আসা, বাবা-মা-কাকাদের চলে যাওয়া, আমাদের থেকে যাওয়া— সব। আমরা বেশ সকাল সকাল উঠে পড়ি ঘুম থেকে। তারপর ন’টার মধ্যে অল্প খেয়ে আমি বাজারে যাই বোনের বোনা শীতের পোষাক পুঁটলি বেঁধে। সারাদিন সেখানে রাস্তার ধারে পসরা সাজিয়ে সেগুলো বিক্রি করি। দুটো ম্যানিক্যিনকে— একটা ছেলে আর একটা মেয়ে— বিভিন্ন সোয়েটার বা জ্যাকেট পরিয়ে সাজিয়ে রাখি রাস্তার ধারে। লোকের চোখ পড়ে বেশি। যদিও বিক্রি খুব কমই হয় তারপরেও। আমার মতো হাজার হাজার বিক্রেতা রয়েছে ওখানে। তারপর অন্ধকার ও শীত জাঁকিয়ে পড়লে পোষাকের পুঁটলি আর দুটো ম্যানিক্যিনকে ভ্যানে চাপিয়ে বাড়ি ফিরে আসি। বাড়িটা ঝারপোঁছ করে পরিষ্কার রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় ন…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS