Skip to main content

Posts

Showing posts from June 25, 2017



এক অন্ধকার বিষণ্ণতার বোধ: একটি দেশদ্রোহী গদ্য - অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়

এক অন্ধকার বিষণ্ণতার বোধ: একটি দেশদ্রোহী গদ্য
এইসব উপজাতি [?] শুধু যে অটল সংকল্প নিয়ে নিজেদের রক্ষা করে তাই নয়, তারা শত্রুদেরও অত্যন্ত বেপরোয়া সাহসিকতা নিয়ে আক্রমণ করে। তাদের মনের এমন একটা শক্তি আছে যা বিপদের আশঙ্কা কিংবা মৃত্যুভয়ের থেকে জোরালো। নাগা জাতি সম্বন্ধে একজন ব্রিটিশ কর্মকর্তার মন্তব্য, আনুমানিক ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দ 
রিশাং জেগে আছে—শীত, ১৯৫২  রিশাং সাখরি’র বয়স হইয়াছে। নয়-নয় করিয়াও নব্বুই তো হইবে। রিশাং যদিও বলিতে পারে না তাঁহার বয়স কত। কানে শোনে না। চোখে দেখে না। জলের নীচে তাকাইয়া দেখা জগতের মতো ঝাপসা আর ঘোলাটে তাহার জগৎ। কখনও পেচ্ছাপ-পায়খানা বিছানাতেই করিয়া ফ্যালে। শরীর ও জীবনের অসহায়ত্বের নিকট সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করিয়া মল ও মূত্রের কর্দমাক্ত মাখামাখির ভিতর চুপচাপ শুইয়া থাকে। ভাষাহীন চোখে ফ্যালফ্যাল করিয়া চায়। নষ্ট মার্বেলের মতো রিশাং-এর চোখের মণি তখন যেন এই জগতের নয়, অন্য কোনও জগৎ হইতে তাহা আসিয়াছে। তবু নাতনির বকবক শুনিবার ভয়ে কখনও দেয়াল ধরিয়া ধরিয়াও যায়। একাই যায়। কাহাকেও ডাকে না। কিন্তু শৌচাগার অবধি পৌঁছাইবার পূর্বেই যাহা হইবার হইয়া যায়। তখন আর পথ চিনিয়া বিছানায় ফিরিতেও পারে …

শরণাগত : শুভ আঢ্য

শরণাগত ১ বাণ ই তোমার, আমি শান্তি পাই নি অথচ তোমার থেকে দূরে আমি মদের কাছে বসি, সুজাতা, তোমার স্তনদু'টো পাক্কা হেডলাইট আমি অন্ধকারে যখন, রাস্তা দেখাচ্ছে তোমার সা, লোয়ারে জমে উঠছে লেয়ার হ্যাঁ, ওই কোমল সা'য়ের কথাই বলছি এখন আমার বুকপকেটে খেলছে সাপ আর সিঁড়ি ভেঙে কবে উঠবে বুকে সু................
তোমার বাণ'ই শান্তি পাই নি আমি... অথচ তুমি কি করে কেকের ওপর আইসিং করো! এই অন্ধকার জ্বলে ওঠে এবং আমি প্রতিটা সত্যের কাছে হাত ও পোঁদ পাতি... তোমার স্তনদু'টো পুরো কামরাঙা রঙ হয়ে আসে, আর তুমি কোথায় চলে যাও সু........


দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন এবং “ভালো থেকো” [শেষ পর্ব] - বহ্নিশিখা সরকার

দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন এবং “ভালো থেকো” সাগর আর ঝিনুকের মধ্যে ভালোবাসা নেই। মন্দবাসাও নেই। সাগরের ঝিনুককে ভুলে যাবার দায় নেই, আর ঝিনুকের সাগরকে মনে রাখবার অধিকার নেই। ওরা কেবল জড়িয়ে আছে। বন্ধন নেই আবার মুক্তিও নেই। সাগর ছেলেটি বড্ড কেজো, আমি জানি না যদিও কিন্তু সে এমনটা দাবি করে। ঝিনুক মেয়েটা পাগল, আমি জানি না, সে এমনটা দাবি করে। সাগর কোনও এক কর্পোরেট জঙ্গলে বন্দী আর ঝিনুকের ঠিকানা নেই কোনও।

সাগর আর ঝিনুকের কবে দেখা হয়েছিল জানি না, এই টেকনোলজির যুগেও হুজুগে ওরা চিঠি লেখে। চিঠিতে কেবল কবিতা লেখে, যেগুলো  আমার হাতে পরেছে এসে কোনও ভাবে। তাই দিয়ে দিলাম...
ঘাট ছুঁয়ে জলের গান সাগর, খেয়া বেয়ে যায় মেঘ-মল্লার সারা দেয় কেউ, কেউ দেয় না
এঁটো হাত ধুয়ে মুছতে পারা যায় যার শাড়িতে, তাকে ভালবেসো
অনভ্যাসে বিদ্যা হ্রাস, শেয়ার বাজারে প্রেমের দাম কমলে গড়িয়ে নিয়ো প্রেম, শরীরে মেঘ ঘনিয়ে এলে উত্তাল যৌনতায় মেতো খানিক- ঝড়িয়ে নিয়ো বৃষ্টি ভালোবাসা বাতিল কিউরও
আমি একে শীতকাতুরে তাতে আহাম্মক, তাই চিঠি লিখি, যেদিন অমল বাইরে বেরোনোর ছাড়পত্র পাবে ঠিক সেদিন থেকে আর লিখব না।
ইতি, ঝিনুক ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫, কলকাতা

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS