Skip to main content

Posts

Showing posts from November 5, 2017



দ্বারকা : সর্বজিৎ ঘোষ

দ্বারকা
দেখলাম বিশাল এক ফ্ল্যাটবাড়ির নীচে হা হা করছে শূন্য।
বার্তা আসিল, জল বাড়ছে। সমুদ্র এগিয়ে আসবে এবার। আগাইতে গেলে অনেকটা পিছাইতে হয়। বার্তা আসিল, অজীর্ণ বালিয়াড়ি জেগে উঠেছে দিগন্তবিস্তৃত। মানুষ ছুটে ছুটে যাচ্ছে ঝিনুক কোড়াবে বলে। ঝিনুক কোড়াতে কোড়াতে অঘোরীপনা করে উঠল একদল খলখলে প্রেমিক। মৃতমাংসে ভোজ দেবে, ঝিনুকের খোলে ধার থাকে বড়জোর দেড়জনের গলার নলি কাটার মতো। অথচ ততক্ষণে মৃতদের প্রাণ পুনস্থাপিত হইবারে আসে ঝিনুকগর্ভে। গজাইতে চায় মাংসল পদ, কিছু মৃতদেহ বালিয়াড়িতে পড়ে থাকে ফিরতি সমুদ্রের আশায়। লোনাজলে মৃতদেহ দীর্ঘকাল সতেজ থাকে। লোনাজল ঢুঁড়িয়া সতেজ দ্বারকানগরী আবিষ্কারে মত্ত যাদবকুল। অখিল ভারত নলখাগড়া কোম্পানী উহাদের স্পনসর করিয়াছে। যাদবকুলের অজস্র শাখা আছে। তথাপি দোকানের গায়ে বড় বড় করে লেখা, 'আমাদের কোনো শাখা নেই।' এমত মিথ্যাচারে অবশ্য পরমায়ু বাড়ে, যেমন বাড়ে ঝিনুকের সুরুয়া খেলে। কচি কচি ঘাস কিছু এতদিন নেতিয়ে ছিল লোনাজলে, হাওয়া পেয়ে তারা বাড়িতেছে, ফনফন করিতেছে, অথচ ঘাড়ের কাছে মৃত্যু আসিয়া পড়িল যে --- ঘাসেদের সতর্ক করিয়া দিবার মতো কেহ নাই ত্রিভুবনে। যাবৎ পশুপাখি জারোয়া সেন্টিনেলিজ …

মেঘপারা মেয়ে ১১, ১২ ও ১৩ : মনোজ দে

মেঘপারা মেয়ে ১১
স্পর্শ রাখো। তবু ছোঁয়াচে হ'লে না
যে ফুল বিকেলে ফোটে উড়তে শিখেনি যে চিঠি এত অক্টোপাস। আয়োজন
কিশোর দৃষ্টির পাশে কারা যেন                 তোমার অক্ষর রেখে যায়




মেঘপারা মেয়ে ১২
অনুপস্থিত।  উদগ্রীব হয়েছ তাই
ভুলে যাওয়া নয় মুছে যাওয়া নয়
ও মেঘপারা মেয়ে অহেতুক, কতবার আর ডাকা যায়




মেঘপারা মেয়ে ১৩
কেউ আর কথা বলি না, এখন
রিসাইকেল পেপারব্যাক কভার ভেতরে সভ্যতা। পাতার রোদন ছিঁড়ে                                            আঙুলে বসাই
ও মেঘপারা মেয়ে আমরা এভাবেই পরস্পরের কবিতা লিখি


(মেঘপারা মেয়ে ১-৩) | (মেঘপারা মেয়ে ৫-৬) | (মেঘপারা মেয়ে ৭-৮) | (মেঘপারা মেয়ে ৯-১০)











তিনকাল : সুপ্রিয় মিত্র

তিনকাল ১. মাঝেমাঝে চিঠি আসে... কী বলো? কেমন আছো? চেনা বন্ধুর সাথে কথা হয়? নানাবিধ প্রশ্নের পরে শব্দের স্ফীতগাঁট শিথিল হয়ে আসে, আমাদের উত্তর ক্রমশ এ পাড়া থেকে জেলা হয়ে জেলা থেকে অন্য এক জেলার নদীর এপাড়ে এসে ওপারে আলাদা হয়ে যায়...
সাপের জিভের মতো যে রাস্তা সোজা হয়ে দুই পাশে চিরে আরও সোজা হয়ে দূরে চলে গেছে যতটুকু চোখ যায়, সেখানেও নদীভাব... ফুটপাত পৃথক হয়ে নুড়ি ধুলো চালাচালি করে, দ্বিমাত্রিক ব্রীজ হয়ে জেব্রা ক্রসিং আসে পারাপারে কথাটুকু বলে....
এসবও তো ভাগাভাগি... শব্দ, পায়ের ধুলো, কামাশ্রু, বেদনা বিপাক
ওদের কপালজুড়ে ব্যথার সড়ক খোলা থাক!

২. পাগল ছেলেটি এর কিছুই বোঝেনা প্রভু চিঠির কাগজ মুখে ঘষে নিয়ে নাক মোছে পারাপারও ভুলেছে স্বভাবে 'স্বজন' শব্দ শুনে আকাশের দিকে পাতে কান দু চোখ চেঁচিয়ে দ্যাখে পা... আমরা তো - যা গেছে তা যাক
সমস্ত ধারা ভেঙে, পাগল লোকটি এক নিরাকার পাগলিনী পাক....

৩. পত্রপাঠের শেষে তোমায় সম্বোধনে নিজেকেও ডেকে ফেলি প্রিয়... সে ভুলের ক্ষমা হউক, চিঠি পেলে উত্তর দিও, প্রভু চিঠি পেলে উত্তর দিও....










সুপ্রিয় মিত্র

সুমন সাধু'র কবিতা

সুমন সাধু'র কবিতা
১ আলুসেদ্ধ, পোস্ত বাটা আর ভাত করে রেখেছে মা
আরামে খাই, স্নান সারি।
তারপর স্কুল, অফিস আর রান্নাঘর- এই আমাদের অসম্ভব থাকা।
কিছুবা ছাপোষা কিছু মধ্যবিত্ত
রাতে সবার দেখা হলে বাড়ি ভর্তি উঠোনে আমাদের পায়ের ছাপ পড়ে থাকে।
আমরা জানি, আমাদের কোন ছাতা নেই, একটা বিশাল আকাশ আছে।
২ আমরা যদি দিয়ে শুরু করলে আহাম্মকের দল রেললাইন দেখতে ছুটে যায়। তার পাশেই তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। প্রতিমায় চোখ বসাই, সাজ দিই। মা আজ পুরনো হিসেব নিকেশ নিয়ে বসবে, আমায় থাকতে বলেছে। পুজো মিটলেই এ বাড়িতে বিয়ে। বাবা দাগিয়ে রাখছে ক্যালেন্ডার আর আমার চোখ যাচ্ছে দূরের কোন এক ভাদ্রে। জেনে গিয়েছি মলমাসে নাকি বিয়ে হয়না।
৩ ছাদ আসলে কেমন জেনেছিলাম ইমরানদের বাড়ি গিয়ে। ওদের ছাদ বহু বহু পুরনো ধুলো জমিয়ে রাখে, ইমরান সেসব দেখে প্রতিদিন। দূরে একটা মালগাড়ি হুশ করে চলে গেলে ধুলো উড়ে যায়। আমাদের বর্ষাতিগাছ ক্রমশ মরে যাচ্ছে ; আবহাওয়া দপ্তর বলেছে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। এই বাড়িতে প্রতিমা গড়ার মধ্যে আধখানা চাঁদ ঢুকে পড়ে। আবহাওয়া বলতে ইমরান বোঝে শুধু ঈদ, আমি তার অংশ হয়ে সিমুই খাই। ইমরান বলতে আমি শুধু বুঝি আস্ত একটা ছাদ; যে ছাদে আশ্বিন মাসে …

মনখারাপ, তোমাকে : সোহম পাল

মনখারাপ, তোমাকে
১. বাসের জানলার বাইরে গা এলিয়ে দিয়েছে যে হলুদ আলো অনেকদিন আগে, তার ডাকনাম ছিল কলেজ।
২. মেঘেরা দল বেঁধে নিচে নেমে আসে একেকদিন
গাছ, ডিঙি মেরে বাড়িয়ে দেয় আঙুল আরেকটু
মানুষ একলা হয়, আর মাথা, ঢুকিয়ে দেয় ল্যাপটপের ভিতর।
৩. জানলার পাশে বসে অপেক্ষা করতে করতে মনে হয় আজ আর কেউ আসবে না।
কপাটে হাত ছোঁয়াই তারপর লগ আউট করে দিই চুপচাপ।
৪. চুলে আছড়ে পড়া সেই হাওয়াটির নাম দেব তুমি একদিন, আজ নয়, আজকে সে নিজে ইচ্ছামতো ধুলোবালি ছেঁড়াপাতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দূরে উড়ে যাক।
৫. কখন সকাল হবে স্বপ্ন ভেঙে, জোনাকিপ্রয়াণ ভুলে যাও।

এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না | Girish Manch | 6.30PM | 6th November, 2017

Our country takes pride for being the largest democracy in the world. Words and phrases like secular, socialist, liberty, fraternity, freedom of speech, equality, fundamental rights, appear every now and then in our constitution. However when we look beyond the testimonials, life of the common people face consequences which are poles apart from the flowery picture. 
Our government which is supposedly made of the people, by the people, for the people, takes up arms to mutilate the voice of the people whenever they face criticism. Dalits, Adivasis, and people from other lower castes don't often receive basic human dignity. The common mass is manipulated by divide & rule policy where they fight with each other over lame issues like religion, caste, political preference, and don't get enough time to question the authority. Distribution of wealth is made uneven, consciously, where the rich becomes richer, and the poor poorer; where the funds flow into the corporate sector streng…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS