Skip to main content



সে বাঁশিতে রসিক নাই, সুর নাই ~ সুমন সাধু


~ সে বাঁশিতে রসিক নাই, সুর নাই ~

একটা রাত দিনের আলোর মতো গভীর-
এগিয়ে যাচ্ছে ময়দান সংকেত।

তোমার ফটোজেনিক ফেস আর ইশারায় বারবার কেন্দ্র হারাচ্ছি। অথচ মাঠ গলছে না। শাপ-শাপান্ত শেষে খুঁজে নিচ্ছি করুণ বেহালা বাদক।
এবার ঘুমোতে যাও৷ তোমার ল্যান্ডস্কেপ স্বপ্নে কীর্তন হোক খুব ভোরে।

পাড়া ঘুরছি চায়ের দোকানে।
পাড়া ঘুরছি ফ্লিপকার্ট অর্ডারে।
পাড়া ঘুরছি কালীপুজো চাঁদায়।
অথচ এ পাড়ায় সন্ধে নামে না কোনোদিন। পাড়া এসে কড়া নাড়ে। ঘাতক শিকারীর আদর নজর কেড়েছিল দুই বছর আগে। আজ হঠাৎ দেখা হয়ে গেলে সমকামী সন্দেহে আমাদের খুন করবে সবাই। তখন এ পাড়ার কী হবে ভেবে দেখেছ?

সমকামী বলতেই মনে পড়ে ছোট্ট বন্ধুর কথা। বেচারা গোপনাঙ্গ চটকাতে চটকাতে একবার হাতের আঙুল ভেঙে গিয়েছিল।

তারপর একদিন হাত গেল। হাতের শিরা গেল। একমাস পেচ্ছাপ করতে পারল না৷
পাড়ায় রব উঠল- অলৌকিক। অথচ কেউ বুঝতে পারল না বন্ধুত্বের হাতের ব্যবধান। তার গোপনাঙ্গটি আসলে ধার করা। কচি হাতে সোনা মাখতে চেয়েছিল শুধু।

হিসেবের অঙ্ক বড়ই জটিল। সমীকরণে আটকে যাচ্ছে সূর্যোদয় সূর্যাস্তের লম্বা স্পেস৷ কে কাকে কখন গিলে নেবে, কেউ জানে না।
সম্পর্ক আসলে একটা কনসেপ্ট। তাকে গিলে নিলেই পেটের ভিতর আস্ত সূর্য আলো দেবে৷ আলো হয়ে উঠবে গাছ। গাছ বলতেই আলোকচিত্রী বন্ধুটির কথা মনে পড়ে৷ যাকে কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারলাম না৷ অথচ, প্রতিদিন একবার করে ছায়া দিয়ে যায়।

কে বলল আজ অমাবস্যা? বিছানা তোমার জন্য পাতাই আছে। যখন খুশি এসো৷ সম আর বিষমর ফারাক তুড়ি মেরে উড়িয়ে দাও। আমাদের স্বভাব থেকে ঝরে পড়ুক নেশারু আলো৷ ড্রিম সিকোয়েন্সে বন্ধুরা আসুক, আর নিন্দা করুক খুব। একটা রাঙা পাহাড় এলেই বুঝিয়ে দেব আমরাই সেই গোপন বাঁশির সুর। যেখান থেকে সূর্যাস্তের মিছিল দেখব৷ সবাই দেখবে সেই অমোঘ চুম্বনদৃশ্য। ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাব, ফুরিয়ে যাব।

একটা ল্যান্ডস্কেপ স্বপ্নের নেশা ধরিয়েছিলাম প্রথমে। হাওয়া আসতেই উড়িয়ে দিচ্ছে স্থূলকায় এফিমিনেট ঠোঁট। ধাক্কা লাগাও হে ছোকরা! হাওয়ার নিশান ওড়াও।

দাফনে মৃত্যু লেগে থাক।
দাফনে পুরুলিয়া লেগে থাক।
দাফনে পাপ লেগে থাক।
মেয়েলি হাওয়া লেগে থাক দাফনে।

সুমন সাধু
Suman Sadhu

Comments

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS