Skip to main content

Posts

Showing posts from December 9, 2018



সে বাঁশিতে রসিক নাই, সুর নাই ~ সুমন সাধু

~ সে বাঁশিতেরসিকনাই, সুর নাই ~
একটা রাত দিনের আলোর মতো গভীর- এগিয়ে যাচ্ছে ময়দান সংকেত।
তোমার ফটোজেনিক ফেস আর ইশারায় বারবার কেন্দ্র হারাচ্ছি। অথচ মাঠ গলছে না। শাপ-শাপান্ত শেষে খুঁজে নিচ্ছি করুণ বেহালা বাদক। এবার ঘুমোতে যাও৷ তোমার ল্যান্ডস্কেপ স্বপ্নে কীর্তন হোক খুব ভোরে।
পাড়া ঘুরছি চায়ের দোকানে। পাড়া ঘুরছি ফ্লিপকার্ট অর্ডারে। পাড়া ঘুরছি কালীপুজো চাঁদায়। অথচ এ পাড়ায় সন্ধে নামে না কোনোদিন। পাড়া এসে কড়া নাড়ে। ঘাতক শিকারীর আদর নজর কেড়েছিল দুই বছর আগে। আজ হঠাৎ দেখা হয়ে গেলে সমকামী সন্দেহে আমাদের খুন করবে সবাই। তখন এ পাড়ার কী হবে ভেবে দেখেছ?
সমকামী বলতেই মনে পড়ে ছোট্ট বন্ধুর কথা। বেচারা গোপনাঙ্গ চটকাতে চটকাতে একবার হাতের আঙুল ভেঙে গিয়েছিল।
তারপর একদিন হাত গেল। হাতের শিরা গেল। একমাস পেচ্ছাপ করতে পারল না৷ পাড়ায় রব উঠল- অলৌকিক। অথচ কেউ বুঝতে পারল না বন্ধুত্বের হাতের ব্যবধান। তার গোপনাঙ্গটি আসলে ধার করা। কচি হাতে সোনা মাখতে চেয়েছিল শুধু।
হিসেবের অঙ্ক বড়ই জটিল। সমীকরণে আটকে যাচ্ছে সূর্যোদয় সূর্যাস্তের লম্বা স্পেস৷ কে কাকে কখন গিলে নেবে, কেউ জানে না। সম্পর্ক আসলে একটা কনসেপ্ট। তাকে গিলে নিলেই পেটের ভিতর আস…

একদা এক সময়; চীনদেশে : অভিষেক মুখোপাধ্যায়

একদা এক সময়; চীনদেশে

ভ্রমণের ক্ষেত্রে আমি সর্বদা আমার তিন গুরুকে স্মরণে রাখি। চে, সৈয়দ মুজতবা আলী আর রাহুল সাংকৃত্যায়ন। চে আমার ভ্রমণের হৃদয়ে বাস করে। প্রথমবার যখন আমি কন্যাকুমারী যাই, সেই সময় চে আমায় বাঁচিয়ে দিয়েছিল। ভ্রমণ দর্শনগতভাবে আকস্মিক। আমার ঘোরাগুলোও তার ব্যতিক্রম নয়। ফলে বেড়িয়েছিলাম দেখতে মহাবলিপুরম, সেখানে সারা সকাল থেকে পৌঁছলাম চেন্নাই সেন্ট্রাল স্টেশন পন্ডিচেরীতে আমার বাসায় ফিরবো বলে আর সেই স্টেশনে ঢুকে দেখি দাঁড়িয়ে রয়েছে কন্যাকুমারী যাবার ট্রেন! বেশি ভাবনাচিন্তা করতে হয়নি তারপর। কিন্তু সমস্যা হল ট্রেনের ভেতরে ঢুকে। জেনেরেল কামরায় আগেও ভ্রমণ করেছি আমি, কিন্তু এ যে জনসমুদ্র! দাঁড়ানোরও জায়গা নেই! অন্যদিকে সবে আমার পায়ের ফিমার বোনটি জোড়া লেগেছেন। দশ-বারো ঘন্টা দাঁড়িয়ে গেলে তার স্বাস্থ্যের কি হবে ভেবে আমার রীতিমত কালঘাম ছুটতে শুরু করেছে! এমতাবস্থায় দেখি লোকজন উপচে যেতে যেতে অবশেষে ধীরে ধীরে বাথরুমের দিকে ধাবমান হচ্ছে। ফলে আশা নিয়ে আমিও সেইদিকে চললাম। গোটা রাস্তা এরপর আমার কেটেছে সেই টয়লেটের প্যানের ওপর জানলার কাচের টুকরো রেখে বসে। কান্না পেয়েছে; মনে হয়েছে এভাবে পারবোনা; সামনের…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS