Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

Somtirtha Nandi

Bরহ
বিরহ
রেহ রেহ কর তোমার কুকুরছানা
হয়ে ওঠেজিভে যেন তার
নিরালা পাপোষলীলাময় রু ঝরে
আমার ব্রিজের এই আলাপন,ছায়ারা ঘুমায়ছায়ারা তোমার মতো
ঘাঁটি গেড়ে বসেসোহাগ ভরিয়ে তোলো
প্রিয়েভেজা সব রক্তেরা লাল মদে
ধুয়ে রাখাধুয়ে রাখি রসুলপেয়্যারা সা ভোর
ভোরেরা সকাল হয়শব্দেরা হয়ে ওঠে
তোমার ত্বকের থেকে ভারী
July 8. 2015


Coবিতা
গাছের মত বুলি আসছে
তোমার মশাল জুড়ে। নরমেরা
মরে টরে ওঠে। দুটি জিভ এমন ভিখারি
হয়ে জাগেখরমুখে জেগে ওঠে ট্রমা,তোমার আঁচলপানে দেখা দেয় নিবিড় ত্বরণ
এই পথে ডিলিরিয়ামেরা হাঁটে,শ্যামো সমান আঁখিডোরসেই হাঁটা।
সরু চাকলি বাঁধা তার পিঠে,পরিজ মাখানো ক্ষণলেহরে যায় লাল লাল
সারাদিন মেঘে মেঘে কাটেমেঘেরা
প্রাচীন হয়প্রাচীন পেয়ালা জমে তরুমূলে
July 9. 2015


কাজল ভ্রমরা
পরম নরম এলোএলো হয়ে
আসিলো নিরিখেকত সে
বাঁধন। ধ্বনি হল কাগজের ক্ষতবকেয়া যোগসাজশ
তোমাকে ছোঁবার ঘ্রাণ ভেসে যায়
সকল বিকাল জুড়ে। এই দেহে জল জেগে
ওঠেসেই যে রসুলমাখাড়া করে ধরেছে
তোমার ছবিতার চোখঅলীক
ভ্রমর আনেআনে সেই ভ্রমগোপন যোগাযোগ
স্রোতের বালিশ হয়ে ভ্রমেরা ঘুমায়তোমার
চরাচরকত প্রেম এভাবে পেছল হয়ে
বাঁচেঘর বাঁধে এলোচুলতোমার
চিরাগময় খাটে
July 10. 2015




Love will keep us alive

ঠিক তলপেটের কাছে একটা চাপা চাপা স্পার্ক এলে বাবু বুঝতে পারে তার প্রায় হয়ে এসেছেএমনিতে এখানে এসি তে খুব গরম টরম এর ব্যাপার নেই (চললে পরেনা চললে এঘরে ঢোকার কোন সিন নেই) কিন্তু তাও বাবু ঘামছিল।
এরকম কেস রেয়ার। বছরে একটা কি দুটো। ডকুমেন্টে ফিমেল ২৪ দেখেই বাবুর ছোটভাই সাড়া দিতে শুরু করেছিলতারপর যখন দেখল যে কেস মাত্র দু ঘন্টা আগে এক্সপায়ার্ডতখন তো উত্তেজনায় বাবুর গায়ে কাঁটা দিচ্ছেবডি এখনো স্টিফ হয়নি খুব একটা।
সই সাবুদ করে লোকজনদের ভাগালো বাবু যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। কাল অটোপ্সি হবে। আজ এই একটা রাতই আছে বাবুর হাতে। অটোপ্সির পর আর কিছু করা সম্ভব হবেনা বাবুর পক্ষে। ইদানিং হোলনাইট ডিউটিগুলো রেগুলার পাওয়ায় বাবুর আগের মত অসুবিধা হয়না।
হাসপাতালে ফোন করে নিল বাবু একবারআর কোন কেস আছে কিনা শুনতে। নেই। নিশ্চিন্ত হয়ে বাবু দরজা খুলে ঘরে ঢুকল এবার। এখনো ড্রয়ারে ঢোকানো হয়নি বডিমুখের ওপর থেকে ঢাকাটা সরিয়ে বিস্ময়ে স্তম্ভিত হয়ে গেল বাবুএতো শুধু সুন্দরী নয় রীতিমতো রূপসী বলা চলে এঁকেএকটু ফ্যাকাশে রক্তহীন লাগছে। মেয়েটির ঠিক গলার নীচে ছুরি বা চপার ঢুকিয়ে কেউ ঠিক মাই-এর শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে। একবার। কোন ঘষাঘষির দাগ নেই। একটাই। নিখুঁত। প্রচন্ড শক্তিশালী টান। হাসপাতাল থেকে কোনরকমে একটা কাপড় জড়িয়ে দিয়েছেসেটাও সরালো বাবুবেশ ছোটখাট বাতাবিলেবুর মত মাইএকটু ঝুলে পড়েছে দুদিকেকাটা জায়গার মধ্যে দিয়ে চিরে যাওয়া শ্বাসনালীহৃৎপিন্ডফুসফুসের খানিকটা দেখা যাচ্ছে। সন্তপর্ণে ক্ষতের ধার বরাবর চেটে দিল বাবুনীচ থেকে শুরু করেগলা অবধি পৌঁছেএকটু মাথা তুলে ঠোঁটে চুমু খেল, ‘কষ্ট হয়েছে না’ ফিসফিসিয়ে বলল বাবুমেয়েটির কানে। এভাবে কেউ মারেকষ্ট হয়েছে না খুব?’ মাথায় হাত বুলিয়ে ঠান্ডা কপালে চুমু খেল আবারও বাবু। এই তো সোনাদেখবে আমি তোমার কত আরাম করে দিই’ বাবু মেয়েটির স্তনবৃন্তে দাঁত দিয়ে আস্তে আস্তে কুরে দিতে দিতে বলল। দু ঘন্টা আগে এক্সপায়ার্ডএখনো মেয়েটির হাত পা নাড়ানো যাচ্ছে। পা দুটো ফাঁক করে নিল বাবুআঙুল দিয়ে পরখ করে নিল একবার।
ঠিক তলপেটের কাছে একটা চাপা চাপা স্পার্ক আসার পরকেমন যেন অস্বস্তি হতে থাকে বাবুরঅন্য দিনের মত নয় ব্যাপারটাযেন অনেকটা কিছু বেরতে চাইছে বাবুর ভেতর থেকেঅনেক পরিমান কিছুঅস্বস্তিটা পাশে সরিয়ে রাখল বাবুআরও কয়েকবার কোমর নাচিয়ে উঠে দাঁড়াল। মেয়েটির বুকের ক্ষতটার কাছে হাত ধরে চেপে নিয়ে গেল নিজের লিঙ্গকয়েকবার নেড়ে নিতে অন্যান্য দিনের মত চিড়িক চিড়িক নয়আজ যেন গবগব করে বাবুর ফ্যাদা বেরতে শুরু করলক্রমে পুরো ক্ষতটা বাবুর ফ্যাদায় ভরে গেলে বাবুর ছোট ভাই শান্ত হয়।
মাথা ঠান্ডা হলে পুরো দৃশ্যটা দেখতে দেখতে আতঙ্কে মাথার চুল খাড়া হয়ে যায় বাবুরএত বেরোল কী করেআগের কোনবারই এত মাল বেরয়নি বাবুরএবার যেন এক কলস। এই অলৌকিক সুন্দরী মেয়েটিএবং তার বুকের গভীর ক্ষত ভর্তি বীর্য্য বাবুকে আস্তে আস্তে ঘরের কোনে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে ফেলেথেবড়েপা ছড়িয়েতার অন্ডকোষ মর্গের ঠান্ডা মেঝের সংস্পর্শে গুটিয়ে শক্ত হয়ে অপেক্ষা করতে থাকে কিছু একটা ঘটার।
প্রচন্ড কাশি ও টানের শব্দে ঘন্টা খানেক পরে চটকা ভাঙে বাবুর। মেয়েটি। আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ায় বাবুঘরের কোন থেকেই দেখতে পায়মেয়েটির বুকের ক্ষতটা ভরাটআর নেই। কোন শব্দ না করে প্যান্ট পরে নেয় বাবু। ঘরের দরজা খুলে বাইরে এসে বসেঅন্যান্যবারের মতই দরজা খোলা রেখে দেয়।


অক্টোবর 162012











সোমতীর্থ নন্দী

Somtirtha Nandi

Popular Posts