Skip to main content



Sashwata Mukhopadhyay

শেফালি

দূর্গের নীচের তলায় বসিয়ে রেখেছিলাম সমস্ত আবাদ জমিন পরবর্তী বর্ষার পূর্বাভাসে। দড়িতে শুকোচ্ছে  পাহারার অগুন্তি মোড়। দোতলায় সাজানো দাবার বোর্ডে মোক্ষম চাল দিয়েছে জানলা ডিঙোনো শেফালির রোদ।  




চাঁদ যখনও পুরো না

নৌকোর মধ্যেই উড়ে যাচ্ছিল অ্যাল্‌বাম। পাতার আওয়াজে বাজনা। জঙ্গল থেকে জঙ্গলে এগিয়ে গেছে দেওয়াল।  বয়েছে নদী, জলপ্রপাত, সুন্দরী গাছেদের ছায়া। এভাবেই বারান্দার গল্পে মজেছে বয়স। 




কমিউনাল

আয়েশা চিরকালই ইসলাম নিয়ে থেকে যাবে এ’কথা বলে উঠবে ভেবেছিলাম কিংবা নিদেন পক্ষে যদি খ্রীষ্টান হয়ে যায় সে’সবও। আয়েশা আমাকে ধর্ম বিষয়ে যে’সব বলেছিল তাও জানিয়ে ফেলি, ওরাও জানত আমি ধর্মান্তরিত হয়ে যেতে পারি। ততদিনে  কয়েকবার মসজিদে গেছি, রকমারি ভালো লেগে গেছে।



এখানে তিস্তা নেই



অদ্ভুত সেই তিস্তার স্রোত যেই যেই দিন আমি পাশে’র ফ্ল্যাট বানানো দেখি। কলিং বেলে’র কথা ছাড় আমাকে খুলেছে লুকোনো ওঁর চাবি। বর্ষার শেষ প্রায় তবু তিস্তার খোলা চুল। ঢেকে যেতে যেতে ডুবে যেতে যেতে চারজন প্রেমিকার কথা মনে পড়ে। ওঁরা যারা এখনও আমার সাথে ঘোরে কিংবা যাদের গন্ধ লেগে আছে। নিটোল শরীরে ছিল ঘাতক চোখে’র খেল্‌। জানলার কাছে বসে আছে মন রান্নার কথা পরে  বল। এইদিকে চুপ হয়ে থাকবে না তুমি কি অদ্ভুত অতৃপ্ত রসনা তোমার। তিস্তা এখুনি চলে যাবে কানে’র লতিতে দেবে জিভ। আর যারা এখনও আসেনি এই মৌসিনরামে তাদের ডাকাডাকি কর কেন এ’সব প্রহরে। ঘরে বসে বসে এই এই দিন এখনও ফ্ল্যাট বানানো দেখি। তিস্তা বেরিয়ে জানলা পেরিয়ে এই সবে রাস্তায় এল। উর্ণা এসেছে চমকে’র সাথে, বলে ফেলি, চা খাবে!






    শাশ্বত মুখোপাধ্যায়
Sashwata Mukhopadhyay
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS