Rangan Roy

আনপ্লাগড লেখা – ১

নব ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এখনও রেডিও থেকে বের হয়ে আসেন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। সস্প্যানে বসানো দুধ উথলে উঠলেই কলমের মুটকি খুলে বের হয়ে আসে স্টেশন মাস্টার... আমরা কিছু স্টেশনের সমীক্ষায় পার করেছি পুলিশ, রেল, রেডিও। অনেক স্টেশন মাস্টার কে মাস্টারদা বলে ডাকলেই আমার দাঁত ব্যাথা করে ওঠে... আমি আরো একবার কুজোর জলে মুখ ধুয়ে বুকসেলফ গড়িয়ে তুলে ফেলি তীব্র সন্মোহন, কিউবাকৃতি বরফ চিমটে করে ফেলে দিই তোবড়ানো ডেকচি... কাঁচের বোতল ভেঙ্গে চুড়ে ঘোর কেটে যেতে চায়, জ্বর ভেঙে লেখার টেবিল থেকে সব ফেলে দিলে আরো একবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা মনে আসে। সেলুলয়েড ফ্রেমের চশমার কাঁচ ঝলসে ওঠে যা কিছু দৃশ্যমান, অকপট স্বীকারোক্তির মত আবেগ ঘন গাম্ভীর্যে... লোডশেডিং লোডশেডিং খেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট গন্ডারের শৃঙ্গ কেটে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে পোচার... প্রতিদিন যারা ডুয়ার্সে চলে যায় আর লিখতে বসে চিলাপাতার অন্ধকার নেমে আসে কলমে, এভাবে চলতে থাকলে টাঙ্গিয়ে দাও হ্যাঙ্গার জীবন যেভাবে টাঙ্গিয়ে রেখেছো অনেকটা। তরবারির জং খুলে খুজে নাও পথ চলা, আবারো রাস্তা বিষয়ক হলে ক্ষতি নেই, অথচ রাস্তার অপর নাম ও জলের অপর নাম যদি এক হয় তাহলে আমি প্রেমোমিটার আবিষ্কারের নেশায় বুঁদ হয়ে যেতে পারি... নাহলে যে মা চিৎকার করে উঠছেন গর্ভবেদনায় এবং অজস্র মা মা গন্ধের ভিতর রক্তের ধাতব গন্ধ, শিবির ছিড়ে ব্লাডগ্রুপ জেনে নাও... দাতাকর্ন নয় তোমার আমার হিমোগ্লোবিন বদল হয়ে যাচ্ছে।
  এরপর লিখিত কিছু সেলফির অবশিষ্টাংশ ফেলে শোনা যাক “বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্চাগ্র মেদিনী”। টাকার জন্যই আজকাল আমার অশোকস্তম্ভের দরকার পড়ে যায়, অশোক স্তম্ভের দিকে তাকিয়ে অজস্র থ্যালাসেমিয়ার শিশু কেঁদে উঠছে... আলোকের ঝলসানি সামলে টিউব শিশুর পিতারা রক্ত খুজে চলেছেন... রক্তের সন্ধানে পুস্তিকা মালা ঘেঁটে অবশেষে ধৃতরাষ্ট্রের ডায়েরী খুলে বসলাম।





খেজুরে লেখা

"খেতে পারি কিন্তু কেন খাবো" এই স্লোগান তুলে কেউ কেউ যদি আমরন অনশনে বসে পড়ে তবে সে বিষয়ে আমাদের কিছু বলবার নেই। পানু শেষ হয়ে গেলে যেমন চটি গল্পে কাজ চালিয়ে দিতে পারি সেই দৃষ্টি তে তোমার দিকে তাকাতে পারিনা বলেই তুমি আমার মন খারাপ করে দিতে জানো। আমি আন্দোলন টান্দোলন করিনা কোনদিন। সেরম ভাবনা বারবার বিপ্লবের কথা মনে পড়ায়। এই যেমন এই লেখাটাই ধরা যাক, মানে কথা "লিখবো লিখবো করছি কিন্তু লিখতে পারছিনা" গোছের এক জগাখিচুড়ির জন্ম দিচ্ছে। তো খেঁজুরে আলাপ ব্যাতিরেকে এবার যদি 'ফেবুর' দেওয়ালে একটা গরম গরম স্ট্যাটাস জুড়ি তো বেশ হয়। রস বোধ কে দুরে ঠেলে কট্টর ভাবে যদি লিখে দিই, "অনেক হয়েছে ধর্মনিরপেক্ষতা, এবার একটু হিন্দু রাষ্ট্র হওয়া যাক।" তবে প্রথমেই তথাকথিত হিন্দুরা চরম খিস্তি খেউর শুনিয়ে আমাকে আনফ্রেন্ড করবেন। মুসলিম দের তুলনায় লক্ষণীয় ভাবে হিন্দুরা আমাকে দুষবে শিবসেনার খোঁচড় বা আর.এস.এস এর চ্যালা বলে। আহাহা "আমি কোন পথে যে চলি কোন কথা যে বলি" -  কিছুই বলবার নেই বলেই এতকথা শুনিয়ে দিচ্ছি, তাহলে ভাবুন তো বলবার থাকলে কি কেলেঙ্কারিই না বেঁধে যেতো!!!
আবার এই কথাটাও আমি ভেবে পাইনি যে কেউ কেউ বলছেন "অর্থই অনর্থের মূল" আবার কেউবা "একমাত্র অর্থেরই অর্থ রয়েছে বাকি সব অর্থ হীন" নাকি রামকৃষ্ণ দেবের বাঙ্গাল সংস্করণ টাই মেনে নেবো "ট্যাহা মাটি মাটি ট্যাহা।" 'নাহ! সত্য সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ'!
আরও একটা বিষয় আমার কাছে গোলমেলে ঠেকে যায় তা হলো 'তেন ত্যাক্তেন ভুঞ্জিথা'।শঙ্করাচার্য্য ও ম্যাক্সমূলার এর সমাধান করে যাননি। মানে যেতে পারেননি। সন্ন্যাসী রা যেমন বলেন 'নি:স্বার্থ ভাবে ভালোবাসো।'আমি যদি কোন মেয়ে কে ভালোবাসি আলবাত নি:স্বার্থ ভাবেই বাসবো তবে সন্ন্যাসী দের কথা বাবদ আমি ভোগ করতে পারবো না, অর্থাৎ প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ সারায় আমি উত্তর দিতে পারবোনা। জোরজবরদস্তি নিজেকে অবদমিত করবো, প্রকৃতির সাথে বেইমানি করবো। প্রসঙ্গক্রমে আমি যদি সেইসব সন্ন্যাসী দের বেইমান বলি তবে আমি যে রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সে কথা কেউ বিশ্বাস করবেনা। আমি সন্ন্যাসী বেষ্টনে মানুষ হয়ে এখন তাদের বিরুদ্ধে কথা বললাম অর্থাৎ বিদ্রোহ ঘোষণা, এতবড় বিশ্বাসঘাতকতা ওনারা মানবেন কেন? জুলিয়াস সিজারের মতো ওনারা নিশ্চয়ই বলবেন না, "ইউ টু... ব্রুটাস!!!" আমি আবার পালিয়ে বেড়াবো মুখ লুকিয়ে - জলশহর থেকে তিলোত্তমা।
আহা, নীলাব্জ কি লাইন শুনিয়ে গেলো এইমাত্র - "আমি ভিজলে কেউ ভেজেনা, তুমি ভিজলে পুরো শহর ভিজে যায়।"
কদ্দিন নাটকের রিহার্সালে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি,
কবিতা লেখা ছেড়ে দিয়েছি

জলপাইগুড়ি শহরে থাকা ছেড়ে দিয়েছি... দূর মফস্বলে হোস্টেলের ঘরে-দেওয়ালে দেওয়াল লিখন হয়ে উঠছে আমার একমাত্র জীবন যাপন। এখন আর কিছু বলবার অবকাশ নেই, তুমিও শোনবার অবকাশ হারিয়েছো কিছুদিন। কিছু দিনেই কিরম পাল্টে যাচ্ছে ডিয়ার, "হাইলি সাসপিশাস"!!!




যে শুরুগুলো গল্প হয়ে যেতে পারত

সবাই বের হচ্ছে। সবাই ঢুকছে। রজত ঢুকছেনা। দাঁড়িয়ে আছে। অনেক্ষন। সে কোথায় যাবে? এমন কোন জায়গা আছে যেখানে সে তার দিনের কয়েকটা মূহুর্ত সুন্দর ভাবে কাটাতে পারে? নাহ! হঠাৎ দূরে মিছিল দেখা গেলো একটা। সিপিএম বন্ধ ডেকেছে। রজত দিশেহারা হয়ে পড়ছে। ভীড়ের স্রোতে মিশে যাওয়া যেতে পারে - এইসব ভাবতে ভাবতে তার মাথায় ভয়ানক ব্যথা শুরু হলো। অজস্র শুয়োপোকা তার দিকে যেন অগ্রসর হচ্ছে। বাবা শুয়োপোকা কে ছ্যাঙা বলে।

বিক্রমের মন ভালো নেই। বিক্রমের কিচ্ছু ভাল্লাগছে না। কেউ তাকে বুঝছেনা। সে কোথায় যাবে? মাথাটা পাগল পাগল, ওহ্!


আমাকে যখন কেউ সিগারেট অফার করে আমি তৎক্ষণাৎ তা প্রত্যাক্ষান করি। যদি কেউ কারণ জিজ্ঞেস করে যে আমি কেন ধুমপান করিনা, তাহলে আমি বেশ চাঁচাছোলা ভাষায় জবাব দিই - " বাবার কষ্ট করে উপার্জন করা পয়সা সিগারেটের মত অতিবাজে অপ্রয়োজনীয় বস্তুর পিছনে ধ্বংস করার মানসিকতা আমার নেই।" (হুবহু এই কথাটাই যে বলি তা নয়। তবে মূল বিষয় বস্তু এই থাকে) তো আমার এমন ঝাল বা টক বা তেতো কথা শুনলেই আমার এক বান্ধবী বলে ওঠে, "তোর সবতাতেই বাড়াবাড়ি, নিজের গরীবিয়ানা ইচ্ছে করে জাহির করা বা প্রতিক্ষেত্রে ডুকরে ডুকরে বলার কি মানে?"

গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট। এই নামটা যখন খুজে বেড়াচ্ছিলাম তখন বাম জমানার পতন হয়েছে, এবং তখন ভারতীয় সময় রাত সাড়ে আটটা। গ্রীনিচ সময় ধরে বলতে বল্লে তা হবে আমার ওপর রীতিমতো জুলুমবাজী। কেননা ভূগোল আমার প্রিয় বিষয় গুলির একটি হলেও ভূগোলের অঙ্ক কষতে আমি একফোঁটাও মজবুত না। তবে ভূগোলেরই একটা অংশ খুঁজতে আমি জলশহরে ঘুরে ঘুরে ছায়াপথ হয়ে যাচ্ছি।


রাত্রিকালীন এসএমএস এর প্রত্যুত্তর হিসাবে প্রথমেই কি প্রত্যাখ্যাত হবে? আই লাভ ইউ? বরং কিছুক্ষণ আগে মুখোশ খুলে শুধু আমি এসে দাঁড়িয়েছি তোমার সম্মুখে। কোন রণক্লান্ত ঘোড়া নয়, যুদ্ধের প্রস্তুতি পর্ব। সমুদ্রের সফেন মাখানো বালুচর থেকে ফিরে যাওয়া সোলেমানের ঘোড়া নয়, আমি মোজেসের ঘোড়া হয়ে পার হতে চাই ভূমধ্যসাগর্। 'তোমার সম্মুখে সমস্ত সমুদ্র মিথ্যা হয়ে যায়' এমন আবেগ জর্জরিত কথার পূর্বাপ্রেক্ষিতে হেঁটে হেঁটে ফিরে যেতে পারি চারু মজুমদারের বাড়ি -
এটা কি গল্প হচ্ছে?  নাকি কবিতা?  নাকি নেহাতই একটা বিষয় বস্তু হীন বাংলা লেখা? ধুস! তাগাদা খেয়েও গল্প এগুচ্ছেনা মাইরি!

দুর্ধর্ষ সময়ে বৃষ্টি নামলো। মা একটু আগেই খিচুড়ি বসিয়েছে। ওহ্ এবার অন্তত বৃষ্টির মধ্যে গরম খিচুড়ি ও পাঁপরভাজা খাওয়ার সৌভাগ্য মিলবে। জানালায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছি। আমগাছের ডাল বেয়ে চুয়ে চুয়ে জল পড়ছে আর পিঁপড়েগুলো সদ্য ঘর ভেঙ্গে যাওয়ায় মহাতঙ্কে ছটফট করছে। গর্ত থেকে বেড়িয়ে ওরা সবাই বোধহয় ছোটাছুটি করতে করতে গালমন্দ পাড়ছে ওপরওয়ালাকে। ওদের নিজস্ব ভাষাটা কেমন? আমি কেমন ভাবপ্রবণ হয়ে পড়লাম। সন্ধ্যায় একবার অঞ্জলির বাড়ি যেতে হবে। ও আজ সন্ধ্যায় একা বাড়িতে আমার জন্য অপেক্ষা করবে বলেছে। ওহ্! বৃষ্টিটা কমলে দুটো সুবিধা হবে, পিঁপড়ের ঘর বাঁচবে - আমি অঞ্জলির ঘর যেতে পারবো। কিন্তু বৃষ্টি কমলে কি নিজের ঘরে বসে খিচুড়ি -পাঁপড়ভাজা খাওয়ার আনন্দটা পাবো? বাস্তবিকই কোন ঘর আমার চাই? কোন বাসায় আমি আনন্দ পাবো? 'ভালো'বাসাটা অ্যাপ্রুপিয়েট কোথায়?

এরপরের স্টপেজেই নামতে হবে। প্রচন্ড ভীড় বাস। আমার গায়ের উপর প্রায় হুমড়ি খেয়ে সব দাঁড়িয়ে আছে। ঘেমে নেয়ে একসা অবস্থা। আমার পাশেই একজন প্রেগন্যান্ট মহিলা দাঁড়িয়ে… বসার জন্য ছটফট করছেন। বোঝাই যাচ্ছে খুব কষ্ট হচ্ছে ওনার্। উঠে দাঁড়ালাম।
-      বসুন এখানে দিদি।
মহিলাটি একবার আমার দিকে তাকালো ,তারপর পাশে দাঁড়ানো লোকটির দিকে। পাশের লোকটির চোখে অসম্ভব খুশির ঝিলিক। মহিলা বসলেন। আমি দাঁড়ালাম।
-      ইয়াংম্যান, তোমার মত ছেলে আজকাল দেখা যায়না। মানুষের কষ্টটা অনুভব করতে জানো। খুব ভাল্লাগলো। কি নাম তোমার ভাই?
ভীড় বাসের সবাই আমার দিকে জুলজুল চোখে তাকিয়ে।যেন চিড়িয়াখানার কোন আজব জন্তু দেখছে। নাম বল্লাম। আসলে আমি ওনাকে ঠিক বসতে দেওয়ার উদ্দেশ্যে উঠে দাঁড়াইনি। সামনেই স্টপেজ। এই গরমে ভীড়ের চাপে বসে থাকতেই বেশী কষ্ট হচ্ছিলো। ফাঁকতালে পরোপোকারীর শিরোনাম জুটে গেলো।




গোপনে কবিতা ছাড়ান

OLX এ কবিতা বিক্রি করলে নাকি ভালো টাকা পাওয়া যায়! আমার কবিতার কোন দাম নির্ধারণ হয়নি। যা পাবো তাতেই বেচে দেবো। এরপর একদিন একটা লোক চলে এলো, কবিতা কিনে নিলো। টাকা পেলাম। আমি ও জোকার মানে আমার দ্বিতীয় চরিত্র খুব খুশি। তারপর কিছুদিন কাটলো - খবর পেলাম একটা লোক নতুন কবি হয়েছে, তার কবিতায় নাকি আমার সিগ্নেচার, সুপ্রিমকোর্ট রায় দিলো - এত দিন নাকি আমিই ওনার কবিতা চুরি করে নিজের নামে চালিয়েছিলাম। বলুন ধর্মাবতার, আমি গরু খাইনি শুয়োর খাইনি - কবিতা লিখেই বিচার পেয়ে গেলাম। তারপর দেখা গেলো জোকারের মাথার মধ্যে রোদ পড়েছে মাথার ছায়ায় ঢেকে যাচ্ছে আমার ধড়... কেউ যেন কানে কানে বলে গেলো 

'গোপনে কবিতা ছাড়ান', এরপর থেকে প্রায়ই এরকম স্বপ্ন 

"গোপনে কবিতা ছাড়ান।
আপনি কি কবিতা লেখেন? যার জন্য সমাজ কি আপনাকে কবি না বলে "কোবি" বলে খিস্তি করে? তাহলে চলে আসুন আমাদের এখানে। আমরা অত্যন্ত যত্নের সাথে কবিতা ছাড়িয়ে দি। মনে রাখবেন এই চিকিৎসার কোন সাইডএফেক্ট নেই।"

সত্যিই এরপর থেকে প্রায়ই এরকম স্বপ্ন। হাত - পা - মাথাওয়ালা স্বপ্ন, ভীষণ লোডশেডিং হওয়া স্বপ্ন - আমার শরীরে সূর্যের এফেক্ট সাইড হয়ে যেতে লাগলো। একটু ফিসফাস, একটু যৌনতা, একটু তছরূপী... অ্যাসাইলাম গুলো ভারী ভরপুর হয়ে উঠছে, দুপুরে যেসব হরিতকী পাতা ছড়ানো রাস্তা - স্লিভলেস মেয়েদের বগলের চুল - ক্লিভেজ... রিফিলের মত খালি হয়ে আসছে মাথা, রিলিফ ফান্ড গুলো জোকার কে তুলে নিয়ে গেছে হঠাৎ! এভাবে বাঁচা যায় বলুন?

জোকার হারিয়ে গেলো, নভেম্বর চলে এলো। এখন সময় বিপ্লবকে কবিতার মোড়কে পুরে ডায়েরি তে ফেলে রাখবার। চেল্লামেল্লি করবো না, কবিতা লিখবো না, স্বপ্নও দেখবো না আর – শুধু রোদ্দুর দেখবো, রোদ্দুর বেয়ে লেনিনের 'হাসমুখ' আমার জানালায় এসে পড়বে, আমি কার্ল মার্ক্সের সাথে লকআউট চাবাগানের পথে হাঁটবো। 










 রঙ্গন রায়

Rangan Roy