Elomelo Aditi


ভানেরা বা ভামেরা
সব নাশের চাতাল দেখি
বাসী পাতায় গড়ানো ভানোর ভনভন
পায়ের দানাপানি নস্যাৎ করে
খুব তলায় ঘোঁট পাকে নিরুপায়ের
তার চেপাথর অনেক তরুয়াল
ঘষা খাওয়ার ভরসাতে কাচ হয়
ছাদের মরসুমে টিপ মারে চাঁদ আরণ্যক রজনী জননী তাকায়
একদিন সমস্ত ঠুঁটামো ভাঙে জটিলতর চাপে
পিপাসা ফলে গাছ  আগাছায়
লোনা সমুদ্রের সুনামি যেমন আহামরি গেলে ভামেদের নষ্টামি ঘটানো বহুতর গলির কষ্ট

পেছলা
অপদার্থতার সাথে ভালো আড্ডা হয়। বিনি-চায়ের কাপে ময়লা হাওয়ার হুহু। নিভন্ত ঠোঁট পোড়ে। এক নিরুচির বিস্বাদ দমাক করে জাগিয়ে তোলে চারপাশ। ঠমকে উঠে দাঁড়াই। উতপাতিয়ে হাঁটি যেদিকে সব ঝাঁপিহীন বরবাদের মতো। তেতো আতিথ্যের চাক ভেঙে হুল ঘিঁটি।
#
পাড়াটির নাম পেছলা। সব বছরই ডাকে আর পেছনোর উল্লাসে এগোই। এখানেঠিক এখানেই আগে দুগ্গা ছিল। এখন নেই। সেইইই যে-বছর হন্তারক এল হিঁচড়ে থেঁতলে খেতে আর আমরা দর্শনপ্রেত হলাম অভ্যাসমতিক।
#
আরো টেনে নামাও। হারানো-প্রাপ্তি-নিরুদ্দেশের কলামে খোঁজে না এমন। অবৃত্তান্ত ফুলস্টপের চালে ফোটাও দৃশ্যমান নেই। ঢ্যাঁটার মতো ক্যামেরায় মন্ত্রের ধ্যাঁতাল তোলে পুরুতোরা
ভঙ্গিবিমারে ক্লান্ত,অলক্ষুনেরা পুলের ওপারে ভয়ঙ্কর পাকে

কে গো !
কে গো !
ছেঁড়া কাপড়ের পুঁটুলি। খাঁ খাঁ পড়েছিল ফাটা পিচের তলায়। শিকড় খোয়ানো কোনো একা এক ল্যাংটো ছেলের বগল খুলে বা ভয় খেদানো এক আধ-বয়েসি বউয়ের জড়ানো আঁচল ফসকে পড়েছে এই পুঁটুলি
কী বিস্ময় এতেবুড়ো গাছের রোগা ছায়ার নিচেখটখটে কাঁকর জাপ্টে থাকা পুঁটুলি। ধুলোকালির এট্টুনি সরিয়ে পুঁটুলিটা ভীরু ভীরু তাকায় আমার দিকে
অসহায় তাকাই। শুকনো আলজিভ নাড়িয়ে অস্ফুটে বলি - কে গো !

এলোমেলো অদিতি
Elomelo Aditi