Jyotirmoy Shishu

Jyotirmoy Shishu

Atri Bhattacharya

বাক্স  

যে কোন এস এম এসের প্রান্তে একটি ক্লান্তি থাকে।
কালো, রাতের গর্তে দিনজাগা ক্লান্তি
আপাদমস্তক খরগোশ। জনগণের গাঢ়তমা
প্রতিমা ভেঙে সংখ্যা-সংখ্যা খেলা তার কান
কিডনির দুইপাশ থেকে বেরনো পা, বেড়ি, এইখানে
পরিচিত সবার জ্ঞাতাবস্থায় শুন্য হয়ে যাবার
অকিঞ্চিৎমাত্র সম্বল এক খরগোশ।
আপোষের ঘরবাড়ি সোনার করে শুয়ে থাকে।
একরত্তি মোবাইলের কেন্দ্রে রাত হয়।
পোষা মানুষটি ফুরিয়ে ফেলে ঘর ও ঘরের রাস্তা।


ঢেউগাছ, শিরায় মানুষ, মাংসপিন্ড সুতো দিয়ে বাঁধা
অনেকের ইচ্ছে অথচ অনিচ্ছেও ঝুলে আছে
ওর এবড়োখেবড়ো তলায়, বাড়ি-বারান্দা-নিশ্চিহ্ন দোকানে। বদল মানে
আমাদের যে অনির্বচনীয় অস্বস্তি, তা নেই, তা নেই,
লোফালুফি হবে অথচ সৎ নেই কারোর মুঠোতে।
বিনিময়ে এই যে আসন্ন হত্যাটি চেয়ে
পিপাসা পাতলাম, ভয় থাকলেও
ঘুরে ঘুরে ওসবের বিক্রি নেই। মুখোমুখি
ফাঁদ পেতে বসে গেছে বাজার ও তার বেনামী।


আমার সৌভাগ্য বলে, তার আপাদ আর আগের মত নয়,
রণন আসে না। বসন্ত কখনোও নামতে গিয়ে ছাত বদলায়,
পাড়া-কে-পাড়া ভুলে যায় লুঠ হওয়া শাড়ি।
এই ভাড়ার স্বচ্ছাচার ভুরুর গায়ে ভু্রু হেলিয়ে
বন্ধুর ট্রান্সফার অনুসরণ করে।
যদিও মাসান্ত ছিল। বোকা গোবর চালাক পায়ের
অ আ ক খ
এড়াতে না পেরে একতাল আখাম্বা মন;
এড়ানো কৌশল নয়, দেওয়াল তা জানে।
পুরসভার ফাতনা ড্রেনগুলিও জানে, কিন্তু ঘনিষ্ঠতমা
জানে না, জানেনি এখনো।
কৌশলের বাবার বুকে টানা রাস্তা খোঁড়ার কাজ জ্বলজ্বল করে।

তিনি আজও সংবাদবিহারে পাড়া আলো ক’রে বসেছেন।

অত্রি ভট্টাচার্য্য
Atri Bhattacharya