Skip to main content



Souvik De Sarkar


খাঁড়ি

এও এক শ্রাবণের আবাদ। বিস্মরণের আগে নতুন একটি পীত চাদর। চিহ্নিত ব্রণদাগ, মুখের সজল কিনারা। সন্তদের চিরাগের মত নেমে আসছে মেঘ। অপসারণের নির্মিতি, স্তনের ভার। ফুলে উঠছে বিছানার তলদেশ। খননচিহ্ন বিহীন একটি লোকযান পাড়ি দিচ্ছে ধৈবতের দিকে।






অনিদ্রার দশটি দিক, চিহ্ন

উত্তর
শ্রাবণের দ্রাঘিমা, যোগ্য চুম্বনক্ষতটি পার হয়ে গেল ফুলে ওঠা মশারি

পূর্ব
মাটি, মৃত্তিকা আর ডানার ভারী দাগ, মূঢ় পৃথিবী

দক্ষিন
শয্যার বিভঙ্গ ছুঁয়ে উঠে দাঁড়ালো পূর্বমেঘ, স্তনের অটুট স্মৃতি

পশ্চিম
কালো একটি দেওয়াল, শাদা একটি ছায়া আর আঙ্গুলে জড়ানো আঁশ

ঈশান
আরও দাহ্য হয়ে উঠল তোমার স্বর, কন্ঠার মৃদু হাড়

নৈঋত
ভোর, এই চিহ্নটিই বারবার বহন করে পূর্বজন্মের স্মৃতি, বিস্মৃতির অতল

বায়ু
একটি হৃৎপিণ্ড তোমার, অন্যটি প্রাণসর্বস্ব ঘাতকের

অগ্নিকোণ
আলো আরও আলো, পায়ের নখ অবধি কাঙ্খিত স্বেদবিন্দুর প্রপাত

ঊর্দ্ধ
ঐ দিকেই ভোরের স্ফীতি, শয্যাস্পর্শমুদ্রা

অধঃ 

তোমার ঘুম, নিঃস্ব বসতির দিকে এগিয়ে এল রসাতল


শৌভিক দে সরকার
Souvik De Sarkar

Comments

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS