Skip to main content



Suman Sadhu

যা কিছু সামলে রাখছি

ব্যাগে ব্যাগে রঙীন দাগগুলো পুরনো কত শুকিয়ে যাওয়া চারা গাছের গল্প বলে দিচ্ছে। অথচ ব্যাগের মধ্যে শুকিয়ে যাওয়া চরিত্ররা তো সাদা কাগজে স্ক্রিন প্লে'র মধ্যে বন্দী। ক্যামেরা-লেন্সের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে, একের পর এক চরিত্র দূষণ আর ফুরিয়ে আসা সন্ধেবেলা ছাড়া অন্য কিছুর জন্ম দিচ্ছে কই! যদি চোখ রাখো লেন্সে, যদি চোখ রাখো লেন্সের দাগে, দেখবে ট্রাম, ট্রাফিক আর সিগন্যাল ছাড়া কিছুই বলার নেই।

পাঁচমাথার মোড়টায় লাল শাড়ি পড়ে দাঁড়িয়ে থাকার সন্ধ্যে আজ। পচা পচা গন্ধ নিয়ে আঁচল লুটিয়ে ইশারার সন্ধ্যে আজ। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ক্যামেরা, যেকোন একটা ধরো, চোখ মেলে ধরো লেন্সে, এরপর এসো একসাথে দুজনে তলপেটের যন্ত্রণা ভোগ করি। মানুষ দেখি আর মানুষের মধ্যে চিনে নিই নিজেদের।

একটু রাত বাড়লে আমি চলে যাব। তুমি হয়ত একা পড়ে থাকবে। মাছি এসে তোমার গায়ে বসবে, গন্ধ শুঁকবে। রক্ত তোমায় চিনিয়ে দেবে রেলপথের পাশে সেই চেনা গলিটা। ফেরার পথে আমি দোকানে দোকানে ব্যাগের দাগ দেখব, হলুদ হলুদ দাগ। রোজকার মতো বাড়ি ফিরে শুকিয়ে যাওয়া চারাগাছটায় জল দেব। রোজকার মতো আমিও নিজেকে সুমন হয়ে যেতে দেখব।




নামহীন বেঁচেথাকারা...

(১)
কিছুটা সংকেত গুছিয়ে রাখা হচ্ছে এই হলুদ শহরে। যেখানে ট্রামের লাইন বরাবর ছুটে যাওয়া হচ্ছে, অথচ ব্যস্ততা আমায় ঘিরে ধরছে ক্রমশ। ছুটে যাচ্ছি! নাকি ছুটে চলার ভঙ্গি!

(২)
সংকেত জনিত ঘর্ষণ পুরনো বইয়ের দোকানে থমকে আছে। পাশেই একটা স্টেশন, মিনিট দুয়েক লাগবে। আমি হয়ত দেখতে পাব কীভাবে চোখের সামনে দিয়ে একটা ট্রেন ছুটে চলেছে। তুমিও এইভাবে ছুটে চলো লক্ষ্মীটি, থেমো না। আমিই তো দেরী করে পৌঁছেছি।

(৩)
কাঠপোকাদের শব্দ প্রতি রাতে আমার ঘুম ভাঙায়, আর আমি জল খেতে উঠি। পাশে বন্ধুটিও হয়ত জেগে ওঠে; দুজনের ঘুমই তো পাতলা।

(৪)
স্বরবর্ণের গোটা 'আ' জুড়ে পড়ে আছি। অবিশ্বাস্য এই জুড়ে থাকা। জুড়ে থাকাদের আজ প্রেস, কাল প্রুফ দেখা, পরশু রিহার্সাল। আঃ বেঁচে থাকা! অটোর লাইনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মনে পড়ে যাচ্ছে কত কথা।

(৫)
আমার এক নতুন বান্ধবী হয়েছে। বেখেয়ালে বলে ফেলি কত কথা; বান্ধবীটি আমায় গান পাঠায়, অন্ধকারের গান। কত কথা বলার ছিল আজ, পারলাম কই!

(৬)
প্রতিটা বছর এইভাবে পার হয় জন্মদিনের মতো। জন্মদিনের শুভেচ্ছারা জ্বলজ্বল করে মুহূর্তে মুহূর্তে। বড় হয়ে যাচ্ছি! নাঃ কিচ্ছু লিখতে পারছি না। চলো একটা সিনেমা দেখে আসি। কিছুটা সাংকেতিক... কিছুটা সম্ভাবনাময়। আস্ত একটা ম্যানহোল ভর্তি জার্নি শুরু হোক।



ক্যানভাস

পালিয়ে যাওয়ার মধ্যে আমি কোন রঙ খুঁজিনা। ওই যে কুয়াশাবৃত্ত এঁকে দিয়েছে যারা ওরাই পালানো পথে রঙ ছিটিয়ে দেবে। ভাসতে ভাসতে আমিও কত কত ছাদকে আকাশ হয়ে যেতে দেখব। এইভাবে এক আকাশ ব্যবধান নিয়ে আমি উড়ে বেড়াবো ছাদ থেকে ছাদে... গাছ থেকে গাছে... মেঘ থেকে মেঘে। দড়িতে টাঙানো একটা লাল রঙা শাড়ি আর একফালি ব্রেসিয়ারের অংশ। আর তখনই কুয়াশাবৃত্তে লাল রঙের জন্ম হবে বারবার।

এক ছাদ থেকে আরেক ছাদে পালিয়ে যাচ্ছি ক্রমশ। শীত করছে। আমাকে একটা কালো চাদর দাও।



অক্ষর পদাবলী

১)
"
বিজয় নাম বেলাতে ভাদর মাসে। নিশি আন্ধকার ঘন বারি বরিষে।।"

আমরা দু'জন এক এবং অন্ধ-কার। যেভাবে লিপিকরের মুঠোয় গোটা জানালা অবশিষ্ট পড়ে আছে। তবে জানালা নিয়ে বিশেষ চিন্তিত নই আমরাআমরা জানি একেকটা ইচ্ছের গায়ে ধুলো লেগে আছে। বেশ আনন্দ করেই উপভোগ করি সেই ধুলোকিছুটা যৌনসুখ পাই। এ ভরা ভাদ্রে তুমি কাশমেঘ হয়ে ঝরে পড়ছ। পড়শিরা বৃষ্টি ভেবে প্রতিদিন ভুল ভাবছে যাকে। কিছুটা সংশোধন আর বিশ্বাসের জন্ম পার করে এই তো আমাদের ডুবসাঁতার।


২)
"
নীল কুটিল ঘন মৃদু দীর্ঘ কেশ। তাত ময়ূরের পুছ দিল সুবেশ।।"

মফস্বলে সন্ধে নামতে দেখি রোজ। সন্ধের গা ঘেঁষে বান্ধবীমহল রোজ আমায় পুড়তে দ্যাখে। আমরা সেই পোড়া গন্ধ মেখে নিছক আতর বেশে ফ্ল্যাটের দরজায় হানা দিই। আমি তখন মহান হইআমরা তখন চুল বাঁধার স্বপ্ন দেখি। খোঁপায় খোঁপায় একটা যুগ শেষ হয়ে আসে।



৩)
"
বিরহে বিকল গোসাঞিঁ তোম্ভে বনমালী। যবেঁ আছিলাহোঁ আম্ভে আতিশয় বালী।।"

পরজনমের রাধা বেশে কত বিরহ-সকাল পার করে এলে বলোতো! এই আলো এই ছায়া... এই তো ভালো। দশটা পাঁচের লোকাল খানিক ভিড় হয়ে আসে। দাঁড়িয়ে থাকার বিরহ জন্মায়। এক একটা মাথা আমাদের কাছে ছাদ হয়ে ছুটে বেড়ায় বাঁ দিক ঘেঁষে। প্রেমিকদের বয়ে চলা ওই তো শাড়ির ভাঁজ হয়ে খানিক কাজল ছুঁয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে। এই মফস্বলে বড্ড বেমানান তুমি।


৪)
"
এবেঁ বড় নয়নে না দেখোঁ সুন্দরী। কথাঁ গেলে পায়িব আম্ভে শ্রীকৃষ্ণ হরি।।"


বারোমাসের পর পার্বনজনিত ফুল ফুটছে আনখগতরে। এই বেলায় মনে পড়বে কথা-ঠাকুমাদের। আমার অক্ষরে প্রবল আওয়াজ করে যিনি এখন প্রায় শয্যাশায়ী। বুঁদ হয়ে শুয়ে থাকা একাদশী ক্রমশ আমার ফ্রেমে ধরা পড়ছে রোজ। সেই যে অন্ধ-কারসেই যে আলো আলো ছায়া ছায়া ছুটে চলাসেই লোকাল ট্রেনের চলে যাওয়া আজ পদাবলী হয়ে মরমে প্রবেশ করছে। আমরা নিছক শিক্ষিত... আমরা নিছক গালভরা দু'টি মানুষ।


কাল, কালের গর্ভ

তাকে খুঁজেছি আরামকেদারার ছাদে। খুঁজেছি আরামে বেশ। দশকনামার ফাল্গুনে আঁজলা ভরে স্নান দিয়েছি কয়েক। আমি কি ভুলেছি হিংস্র স্তাবকতা! ভুলেছি কি শিশুমঙ্গল ঘ্রাণ! জীবদ্দশায় আমরা পেলাম শক্তি, ঊর্দ্ধে গাইলেন রামপ্রসাদ।

বিশ্বাসের আঁকাপথে তর্ক করছি রোজ। সংক্ষেপে কথোপকথন সারি। শাড়ি গায়ে রোজ আলতার আলতো ছাপ দেখে ভেবে নিই জোয়ার এল বুঝি। হারতে থাকা তর্কের নিম্নে এসে মধ্যভাগ খুঁজি। একপাশে থেকে যান আবিষ্কর্তা, সন্তান স্নেহে ঘুমোন ভারতচন্দ্র।

নদীর মতোন একটা নদী উপহার দেব বলে কেন্দ্রের ওংকার জুড়ে ঘেমে উঠি। ত্রিলোককর্তা ছদ্দবেশে বেশ আসা যাওয়া করেন। ঘামজলে দুটো নৌকো ছাড়ি। একান্তে উঠে আসে কঠোপণিষদ স্তোত্র। স্তোত্রের আবহ জুড়ে শাঁখ বাজিয়ে প্রমাণ করি নদীর মতো তীব্র হওয়া একটা বিশ্বাস। বিশ্বাসের সীমান্তে এসে নারদ রূপে মজা পাই, আড়ালে নীলকণ্ঠ মুচকি হাসেন।




শোনো...
ধূসর যদি চাও সহজেই হাত রাখতে পারো। এ জ্বালা মেটাবো সহজেই। দু'দিনের এই অপরাহ্নে এসে ভাতঘুম পাড়ে বিছিয়েছিলে বান্ধবনগর। তবু তো চলে যাও এলোমেলো একাটি ফেলে।

ক্রমশ ফুরিয়ে আসছি। কাণ্ড থেকে শেকড় অবদি বৃত্তের জালে ঘুরপাক খাচ্ছি কতটা বছর। আছো কেমন? খেয়েছ? এসব কুড়োনো ক্ষয় অনন্ত বৃক্ষজালে পুড়ে যাচ্ছে রোজ। নিজের ঘরেই আছি। একাটি পুড়ছ সাজানো শ্মশানে।

সেই তো বিকেল, শুধু স্টেশনের ধার। অনন্ত চুল্লির গায়ে জড়িয়ে যাচ্ছো পারস্পরিক ব্যথার মতোন। পুরোনো গাছের গায়ে আমি এঁকেছি করুণ। সব সাজানো কি ঘনত্ব পায়! ভিতরর স্বভাব জুড়ে শৈশব কাঁদে।


আজ শুধু দিঘিজল। নোয়ানো ডালপালা শিয়রে তোমার। শিয়রে কদম্ব গাছ, ছায়া চায়… ছায়া। প্রাণনাথ, দূরদেশের ক্ষতটি নিয়ে ফিরলে, অথচ দেখা করলে না। চলো সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠি, হাতছানি দিয়ে বলি দু'জনের কথা।



দু'টো ও দুমুঠো (১)
বিপরীত আদেখলা সব জমি ছেড়ে দিচ্ছে
অবাক দূরন্ত রাস্তায় দাগ কাটছে আদর আদর মাস
আমাদের সবটুকু নিয়ে এই সা রে গা মা,
দিন শেষের ব্যথার কিনার,
যথোপযুক্ত আছে সবই।
সবই নতুন চাদরের আবেশ,
ঠাসা ঠাসা বই সব, উপসর্গহীন সাদা।
সেইখানে শব্দের মলিন জমা হয়;
আমরা বুঝি দু'টো ও দুমুঠো

আমরা এখন অবোধ শিশু
যাপন করি ধুলো।



দু'টো ও দুমুঠো (২)
এই মন্থর গতি আমাদের চিনতে শিখিয়েছে-
টানা টানা লিখে চলা সুদীর্ঘ গদ্য কলম।
সেভাবে রেখো না হাত
এভাবে মেখো না রোদ
 কবিতার হেমন্তগুচ্ছ নিয়ে এসো আমাদের ঘরে
খাদ্য শষ্য বীজ নিয়ে এসো

ঘরোয়া জ্বর বুঝে নিক কোন এক আট বছর।
অথবা আট বছর আগের একদিন
দিনান্তে বাড়ি ফিরব সবাই
অঘ্রাণের ধান ফুটবে আসমানি কোটরে

চলতি পথ ফিরতি ধুলোয়
একে অপরের পরিপূরক হচ্ছে এ যাত্রা।




দু'টো ও দুমুঠো (৩)
ভুল ব্যস্ততা সম্পর্কিত উদাস ইশারা নিদেনপক্ষে তোমার ঘর, গওহরজান;
ত্রুটি মকুব করে পালানো এক একটা হেরে যাওয়া অথবা ভবঘুরে।

মরুভূমির শুন্যের ভিতর নিয়ম করে পাহাড় বসাই, পাহাড়ে শুষ্ক দেখা
এ দেখার চোখ মেহেরবান না-কে ঘিরে

ঘেরার যে টোপ তাকে উপলক্ষ করে হেঁজিয়ে যাওয়া সানাই ও শঙখে ফুঁ দিয়ে ভাবি,
গত ও আগামীর মরসুমে আমরা এক হয়ে দেখিয়েছি

আজ শুধু দিক্বিদিকের ব্যস্ততা উপুর হয়ে রয়েছে
মুহূর্ত ভেবে ভুল ভাবছি যাকে



দু'টো ও দুমুঠো (৪)
এ জল কখনও কিনারা ছোঁবে। দূরন্ত শ্বাসগন্ধ তরঙ্গে কেঁপে উঠলে কক্ষপথে হেঁটে চলে বেড়ানো সম্ভব। এমতাবস্থায় বন্ধু আড়াল খোঁজে। কেজো আর অকেজোর ফারাক আমাদের এক করে দেয়। ওপারের বন্দিশকে ক্রমশ দেখি শাহাজাদা হয়ে উঠতে। এপারে হয়ে ওঠার নিথর স্বভাব দুজনকেই আক্রান্ত করছে। অফুরান সানাই নিয়ে আমরা কি ভেসে যাচ্ছি? অনেকদিনের জমানো নমুনায়? সকালের দরদিয়া আজও আমাদের ডেকে দেয়।

দু'টো ও দুমুঠো (শেষ)
দিন আনতে পান্তা ফুরোবার আগেই তোমার অমোঘ চাওনি ও ঢিলাজামা কীভাবে আমার হয়ে গেল। অমোঘ ও তার এই একলা বাঁশি তোমায় কখনও ছেড়ে যাবেনা।



তুমি পাখি ওড়া খেলছ। তোমার ধুমজ্বর পান্তাভাত ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে। আমাদের দু'টো ও দুমুঠো... দুমুঠো ও দু'টো... অথবা ঊর্ধ্বগামী কোন রঙের খোলস


সুমন সাধু'র কবিতা

আলুসেদ্ধ, পোস্ত বাটা আর ভাত করে রেখেছে মা
আরামে খাই, স্নান সারি।
তারপর স্কুল, অফিস আর রান্নাঘর- এই আমাদের অসম্ভব থাকা।
কিছুবা ছাপোষা কিছু মধ্যবিত্ত
রাতে সবার দেখা হলে বাড়ি ভর্তি উঠোনে আমাদের পায়ের ছাপ পড়ে থাকে।

আমরা জানি, আমাদের কোন ছাতা নেই, একটা বিশাল আকাশ আছে।

আমরা যদি দিয়ে শুরু করলে আহাম্মকের দল রেললাইন দেখতে ছুটে যায়। তার পাশেই তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। প্রতিমায় চোখ বসাই, সাজ দিই। মা আজ পুরনো হিসেব নিকেশ নিয়ে বসবে, আমায় থাকতে বলেছে। পুজো মিটলেই এ বাড়িতে বিয়ে। বাবা দাগিয়ে রাখছে ক্যালেন্ডার আর আমার চোখ যাচ্ছে দূরের কোন এক ভাদ্রে। জেনে গিয়েছি মলমাসে নাকি বিয়ে হয়না।

ছাদ আসলে কেমন জেনেছিলাম ইমরানদের বাড়ি গিয়ে। ওদের ছাদ বহু বহু পুরনো ধুলো জমিয়ে রাখে, ইমরান সেসব দেখে প্রতিদিন। দূরে একটা মালগাড়ি হুশ করে চলে গেলে ধুলো উড়ে যায়। আমাদের বর্ষাতিগাছ ক্রমশ মরে যাচ্ছে ; আবহাওয়া দপ্তর বলেছে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। এই বাড়িতে প্রতিমা গড়ার মধ্যে আধখানা চাঁদ ঢুকে পড়ে। আবহাওয়া বলতে ইমরান বোঝে শুধু ঈদ, আমি তার অংশ হয়ে সিমুই খাই। ইমরান বলতে আমি শুধু বুঝি আস্ত একটা ছাদ; যে ছাদে আশ্বিন মাসে ভোগ রান্না হয়।


বইয়ের পাতার মত সাদা সাদা আবহাওয়া। আতরের শিশি ঢালা হয় পোশাকি নামে। মা আলতা পরছে, আমি আয়না ধরে আছি নিশ্চিন্তে। আজ নাকি চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে চলে আসবে। আমাদের উঠোনে আলো এসে শিখিয়ে দেবে মন্ত্র। এমনসময় অকারণ নিম্নচাপ ধুয়ে দিচ্ছে দ্বিপ্রহর। যেখানে ইমরান এসেছে নাড়ু খেতে আর আমি অনেকটা দূরে সরে যাচ্ছি, ঝড়ের দাপট উড়িয়ে দিচ্ছে আমাদের পাড়াতুতো পায়রা যাপন। আমি হাঁটছি...























সুমন সাধু
Suman Sadhu

Comments

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS