Skip to main content



Sanghamitra Halder


একা এধারে
সুরটি সন্দেহ করে
যথেষ্ট ভুতুম কিনা
ঘরবাড়ি ভেংচি কাটে
তর্কটি জুড়ে দিই গাছে

ফল আসে




জাতিস্মর ও যৌনতা
এইসব পাহাড়ের বহুবিধ আস্কারা
রিবনে মোড়া টুকিটাকি তৈজস
এখানে এমনকি জুতোও নকল করে হাঁটা
ব’লে বোঝানো যাবে না এতখানি জাতিস্মর 

শুরু হবে হবে ক’রে বহুজাগতিক এক কাঠচেরাই-এর শব্দ
যেন রা কাড়ছে যৌনতার শিরা
ভেতরে ওঠানো- নামানো কপিকল
মানুষেরও বহু আগে ফেলে আসা ঘর
বর্ষাতি হাতে খুঁজতে বেরিয়েছে পরিজন কেউ

বলে বোঝানো যাবে না এতখানি জাতিস্মর




দূরে ইশারা আসে
গীটারে স্ট্রাম করছে কেউ
মানে কারো অপেক্ষায় আছে গান
বাজো পায়েল। পায়ে এলে বাজো

এই সতর্কীকরণের ভেতর আমরা আছি কিন্নরে অভিবাদনে
কিছু বা না-বোঝায়
ধরো মৈথিলে তুমি ঘাম লিখেছ তোমার
অপেক্ষা করছি আমি আমার ভাষার
রা-য়ে রা ঝলসানোর

স্বরের উৎক্ষেপণ বিন্দু তো আসলে এক পাখির বেদনা
যার পালক খসানো থেকে শুরু হল কবির মন




পাশের বাড়ি

পাশের বাড়ির রেওয়াজে গাঢ় বয়সের ওসমান লন্ঠন এগিয়ে দেয়
আমাদের চোখ সে আবছায়া পেতে ঘুলিয়ে তোলে সুর।

দেখি সরাইখানা বসে যাচ্ছে। সেতু আটকা পড়ছে
এমত দীর্ঘ ও আরও কত কী পারঙ্গম তোলে সব।
ভালোমানুষ কৌটো থেকে আমাদের স্মৃতির কাঠঠোকরা
সেধে সেধে তোলে তাহাদের
ঘন যামিনীর আড়ালে যে সুর ছিল না কোথাও
আমরা খুঁজতে খুঁজতে আড়ালে আসি তার




কী
আলো স্পষ্ট হলে এমনকি তোমার মুখও গলে যায়
নিষ্ঠুরতা বলতে বুঝি এই সর্বক্ষণের ব্যক্ততা, মাসকাবারি 
রোদের বানানে একটা ‘দ’ রেখে কী বিপুল করেছ ভাঁজ
এমন জড়িয়েছ যে পায়ে পায়ে ফেলে আসা যায়

কী এমন প্রতিশোধ যে তাকানোর মতো মৃদু হলে না
হরফ আগাগোড়া ঝকঝকে ধারালো, কাটা
জিভে নেওয়ার মতো একবারও সঙ্গোপন হলে না যথেষ্ট
কী আর বলার থাকতে পারে ওই প্রকান্ড আলস্যে যাওয়া ছাড়া









        সঙ্ঘমিত্রা হালদার

Sanghamitra Halder
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS