Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

Rajarshi Kundu

উইশ ইউ উইল বি হেয়ার


আসবেন হয়তো একদিন; হাহুতাশ শব্দে শেষ হুহু হাওয়া দেখতে, র’ইতেও পারেন খানিক আরকি। আমি তো ফেরিওলা ন’ই, ওলিভ ওয়েল সন্ধানের পথ জানা নেই তো, খড়ি ওঠা চামড়া নিয়ে মাঘমাঝে হেঁটে বেড়াই। ধানকাটা মাঠের মাঝ দিয়ে কাশফুল হোয়ে মামাবাড়ি যেতাম ছোটোকালে, তারপর সেচ ক্যানাল পার হোয়ে বাঁকুড়ার হাওয়া মাঠে, ঠান্ডা বিকেল একরকম শেষ হবার আগেই ফিরে আসতাম সোয়াটার গায়ে দিতে, এগুলা আপনি জানেন না, ঘুরে দেখেটেখে আসতে পারেন। এ জীবনে কোনো নগর নাই, গ্রাম নাই; ফলত প্রেমও নাই, সেক্ষেত্রে আমিও না’ই থাকতে পারি। না থাকাই আমার স্বভাব ও সচেতনতা। কোথায় আর সেই মাংস, মাংস পোড়াবার কাঠ! ভাবনাচিন্তাযানে চড়ে কুয়াশা মেখে আসি, এসব করতে গিয়ে সাইকেল সম্মন্দিত কয়েকটা কারিগরী কথা আমি জেনে ফেলেছি, ধরতে পারা যাচ্ছে ঠিক কোন কোনাটায় এসে সে গতিবেগ হারিয়ে ফেলে! এসব জানাবোঝার আগেও ঘুমিয়ে পড়েছি বেশ কয়েকবার, রাতে অবশ্য বেশী খাওয়া হয় না, এতে ঘুম ভালো হয়। স্বপ্ন দেখার আগেই সকাল হোয়ে যাবার উত্তেজনায় তাড়াতাড়ি উঠে পড়ি, সাইকেল নিয়ে বেরোই। আমি তো কিছুই না, এরকম না হলেও সাইকেল দেখতে পারেন অনেক, খুব সরল ভাবেই আঙুলের গাঁটে শীত চেপে কুয়াশা কেটে হারিয়ে যাচ্ছে, অমায়িক ভাবেই বিশেষত্বহীন। আসতেই পারেন, কাঁচা আমের আচার খেতে খেতে ঘুরেটুরে দেখবেন, নাকের নথে লেগে থাকবে আধো শীতের রোদ!
ধরা যেতে পারে এভাবেই বসন্ত আসে; আসলে ধরে নেওয়াটা স্বয়ংসিদ্ধ ভাবেই কথার কথা, এভাবেই আসবেন, সে কথা দুয়েকজন সহ অনেকেই জানে!







2nd post

ভুবনেশ্বরের কুত্তামারা রোদে আমার চোখ অনেক বার ঝলসে গ্যাছে কিনা জানি না। ঝলসালো জানলে অল্প একটু নুন মাখিয়ে খেয়ে বুঝতাম গ্রীষ্মকাল কেমন খেতে! এরজন্যে একটা চা চামচ দরকার, আর দরকার আমাদের মা'কে, দেখে দেখে এক চামচে বের করবে চোখ, তারপর মাকে ছেড়ে একা একাই খাবো,চোখ। আস্তে আস্তে শেষ হতে হতে বুঝতে পারতাম ফুরিয়ে আসছে গ্রীষ্ম, জুতোর তলা থেকে গলা পিচ গুলো চেঁচে নেওয়া দরকার। হাল্কা জুতোয় সরলতম উপায়ে কাদা চটকে যাওয়াটাই বর্ষার টপকানোর দৃষ্টিপথ হয়ে যাবে তখন।
আমরা ও অনেকে গরমকালে লিচু খাই, বিকল্প নিয়ে আমাদের অমায়িক সব ভাবনা চিন্তা আছে, প্রায় সবাই বুঝছি চামচ ও মা অদরকারি, অথচ এদিকে সূর্য্য আস্তে আস্তে নিভে যাচ্ছে! লিচু খাওয়া শেষ হলে আমরা বর্ষাতির দোকানে দরদাম করবো। যারা এত ভেবে লিচু খাওয়া শিখলো না তারা সূর্য্যের দিকে তাকিয়ে বসে আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে, অন্ধকার দেখবার প্রয়োজনীয়তা সম্মন্দে জানবার আগেই চোখ বুজে ফেলছে নাকি, তারা! না দেখেই বুঝবে এরা যে বৃষ্টি নামলো, সে হিসেবে শুয়ে পড়বে, মাঠে-বনে-বাদাড়ে।
খাওয়াখাওয়ি সম্মন্দে আমরা কেউই খুব একটা জানি না, তবে কয়েকটা বিষয় মুখস্ত রেখেছি য্যামন নুন মাখিয়ে খাওয়ার মজা গুলো, এই ব্যাপারটা আমরা গ্রীষ্মের থেকে জেনেছি, ওই সময়ে আমরা অন্তত বার দুয়েক স্নান করি দিনে, স্নান করবার মরসুম শেষেও মনে রাখছি নুন মাখানোর কাজ ও তরিকা।
পাশাপাশি পৃথিবীর মানুষজন ঘাম শুকানোর জন্যে একাধিক পদ্ধতি আবিষ্কার করতে চেষ্টা করছে এখনও।


#গ্রীষ্মকালে আমরা লিচু খাই;






আমাদের দেশে বৃষ্টি হয় কই!
তবে বন্যা হয় ফি বছর;

বন্ধুদের জানার দরকার নেই যে মারা গেছি। আপনি জানাজানি ব্যাপারটা ধরে নিয়ে মারা যাওয়ারটা অনুমান ক’রে নেবেন; মাঝেসাঝেই য্যামন হয়, মনে করুন যে আজ বৃষ্টি হোয়েছে, বাড়ির সামনেটায় জল জমেছে, জল মরলে কাদা বোঝা যাবে, সাইকেল একটা উপায় বটে কাদা এড়ানোর, যোগাযোগের সমস্যা গুলো এভাবে ছোটখাট বুদ্ধি না লাগিয়েই অ্যাভয়েড ক’রা যায়। মারা যাওয়ার খবরটা ওভারলুক করুন, প্লীজ! প্লীজের পেটে ঢুকে আছে অ্যাভয়েড আর ওভারলুকের সিমিলারিটি গুলো!

অথচ এই বেঁচে না থাকার ব্যাপারটা দিব্য এপ্রুভ হচ্ছে দেখছি, ভালো-মন্দ কিছুই লাগছে না বাল! আজ বৃষ্টির পরেও একটা ভ্যাপসা গরম জারি রয়েছে, ঘন্টা খানেক লোডশেডিং ছিল, ছাদে নারকেল পাতার অন্ধকারে বসে মশার কামড় খাচ্ছি। এই মরে যাওয়ার পেছনের কারণ না যে গুলো তা মরে যাওয়াকে অ্যাপ্রুভ না ক’রে পারছে না। এদিকে দেখবেন বন্যার মরসুম বাদ দিলে রাঢ় বাংলার দামোদর নিস্তরঙ্গ, নৌকা চলার স্রোতও বালি হোয়ে রোদ হচ্ছে, বালির ওপর দিয়ে রাস্তা আছে, এর ওপর দিয়ে খালি পা’য়ে হাঁটলে পায়ে ফোসকা নিশ্চিত। এটা দেখুন জানিই না যে না জানা গুলো মরে না যাওয়াতে কিছুই করতে পারেনি। আপাতত এ প্রখর রোদের ভেতর অতি নির্মল ভাবে ঘামতে ঘামতে পৃথিবীর সব ব্যাপারই নির্মোহ ভাবে উঠে আসছে! এদিকে রেললাইন বসছে, হু হু ক’রে ট্রেন যাবে, পাশাপাশি  মারা যাওয়ার পর মৃত্যু সংক্রান্ত টুকটাক কিছু ঘোষনা পাওয়া যায়, এগুলোর থেকে মৃত্যু কম আশ্চর্য্যের। বরং ব্যাপারটা এতই সরল যে এর থেকে হাজার গুন জটিলতায় ভেজা নারকেল পাতা চুঁইয়ে জল পড়ে মাটিতে! ঘটনা গুলোকে এনলিস্ট করছি অক্রমানুযায়ী - মরে যাওয়া, জানাজানি, বন্ধু, আপনি এবং ইত্যাদির অন্ধকার গুলোকে স্থানাঙ্কে বসিয়ে এদের পারস্পরিক আলাদাবাচক একটা(?) সরলরেখা(?) কল্পনা ক’রা যায়।আসন্ন কেয়ামতের সম্ভাবনার সাথে রিস্তা খোঁজা জারি রয়েছে! এই  ছাদ থেকে মোটামুটি যেকোনো দিকের জঙ্গলই চেনা, আলাদা ক’রা যায় গাছ গুলোকে, লাবণ্য  গন্ধের আঁধার আঁধার আকাশ! প্রেডিকশানের অপ্রয়োজনীয়তার ওপর পা তুলে দাঁড়িয়ে আছি। না, খুব ধারে না, ভার্টিগো আছে সামান্য।

হঠাৎ হঠাৎ বিদ্যুৎ চমকে রাতকে দিন ক’রে দিচ্ছে, তথাপি বিদ্যুতের এই ঝলকানিকে এ মুহুর্তের জাস্ট একটা অ্যাম্বিগুয়াশ ক্যারেকটার লাগছে, তবুও থাকুক সে, না থাকার অপ্রয়োজনীয়তার মধ্যে দিয়ে বোঝা যাচ্ছে মাঠে সেরকম জল জমেনি, দিনের ফ্যাকাশে থেকে মুখ লুকিয়ে আছে বাড়ি-ঘর গুলো, বিদ্যুতের আলোয় সাদা হচ্ছে, অথচ চেনা যাচ্ছে না কোনটা জামরুল গাছ; বৃষ্টি হলে হোক, আপনি কাঁদবেন না, দামোদর অনেককাল আগেই শুকিয়ে গ্যাছে। আমাদের দেশে বৃষ্টি হয় কই, তবে বন্যা হয় ফি বছর!









   রাজর্ষি কুন্ডু


Rajarshi Kundu

Popular Posts