Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

Bapi Gain

ছাতিমসমগ্র – ১৫

নীল রংয়ের একটা গরম জামার ভেতর ঢুকে তুমি কি প্রতিপক্ষের বরফকে গলে যাবার একটা সুযোগ করে দিয়েছিলে মানুষ। তোমার মেজাজ হারিয়ে ফেলা চীৎকার পাতালঘরের কোন আভিজাত্য থেকে  বেড়িয়ে এসে তার উপলক্ষ্য খুঁজছে এসব তুমি কিছুই  অনুভব করছো না।  কাচের ওপাশে বৃষ্টির শহর, শহরে আটকে পড়া জোনাকির শ্বাসকষ্ট কিছুই? মাঝে মাঝে অনিচ্ছার বরফ সরিয়ে ষড়রিপুর ব্লু -প্রিন্ট  দেখো
আর মনে মনে ঝরে যাওয়া একটা পাতাকেও দোষারোপ করো না
আর ব্যস্ত ভাবে ঢেকে দাও
যেভাবে বেড়াল তার রীতিমূলক গন্ধ ঢেকে ফেলে।






প্রথম গর্ভের স্মৃতি হারিয়ে যাবার পর
ভায়োলিন আর একা একা কতদূর বাজে
যতক্ষণ না কেউ তাকে ঘষে ঘষে ব্যথা করে দেয়


শুধু কি বহুভাষী ফুল?
আর কোনো কাঁটা না?
ক্ষত না কোনো?
ক্ষতকে জাগিয়ে রাখা কিছু না?
হাওয়া এলে দুলে ওঠা শুধু? 
হাওয়াকে ষড়যন্ত্র তারপর?
 
সৌজন্য প্রতিবেশী কেবল?
 
ফুল ,ফুলের অতিরিক্ত কিছু না


পাহাড়কে তার দৈর্ঘ্য ও প্রস্হ দিয়েই মানুষ চেনে 
তাই অপেক্ষাকৃত ছোটো পাহাড়ের কাছে
 
কেউ ভুল করেও বাঁশি ভুলে আসতে যায় না।
বাঁশি মূলতঃ সেইসব উচ্চতায় ভালো বাজে
যেখানে অবাধ্যতা হাওয়ার কলার উঁচু করে হাঁটছে।



মারো,  আমাকে  যেমন ইচ্ছে 
অন্ধকারে খন্ড খন্ড করো।
করেছ শালীন?
দাও দেখি তার অশ্রুটুকু
কপালে
  ছোঁয়াই।
তাও কি দেবে না?
মুক্তি দেবে না,
  জন্মকালীন?




এখানে জল ছিলো। 
এখানে ছিলো জলের উপযুক্ত খননকার্য।
 
খনন কার্য হেতু এখানে ছিলো মানুষের খুলে রাখা জামা।
 
খুলে রাখার জামার বাইরে
  এখানে ছিলো এক অস্ফুট শরীর। 
এক অস্ফুট শরীর যা পচনশীল ও মৃত্তিকার ধ্রুব আলিঙ্গনবিদ্ধ।
 
এখানে উপেক্ষিত
  ছিলো 
এখানে আন্তরিক ভ্রুক্ষেপ
  সাজিয়ে রাখা ছিলো সব...




বাপি গাইন এর কিছু লাইন, যারা লেখা হয়ে ওঠে

একটা আইসক্রিমের পাহাড়। পাহাড়ের মাথায় চেরি ঘুমিয়ে আছে।
একটা উলের বল। বল না। কারণ নিজেই দৌড়াচ্ছে। ভেড়া।
পাহাড় গলছে, উত্তুরে হাওয়া সত্ত্বেও।
ভেড়া গোল গোল দৌড়াচ্ছে পাহাড়কে নিকটবর্তী রেখে।
যাতে চেরির রং ফেটে সত্যিটা ছড়িয়ে না যায়।

~~~


যতক্ষণ তার ভিতর মদ আছে
বমি করার মতো বিষয়ও আছে
আর অন্ধকারে সাঁতারুর মতো একজোড়া বুক
যাদের চুল ও গোড়ালি পর্যন্ত সব কিছুর গবেষণা হয়
আর মধ্যবর্তী একটা পাঁচিল ও তার হাজারটা ফুটো
যেভাবে তাকিয়ে থাকে চব্বিশ ঘন্টা
যেভাবে হাঁটাচলা করে কুয়াশায়
ছিঁড়ে খায় যেভাবে
ঘরের ভেতর শুয়ে শুয়ে এখন আমার খুব নেশা পেয়ে যায়
কোনো বিশেষ মনে পড়ে না
কেবল একটা মাঠের অংশ এসে আজও কতগুলো শূন্যস্হান তৈরী করে
আমি আজও মনোযোগী ছাত্রের মতো
ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গুছিয়ে নিই
আর শূন্যস্হান নিয়ে বসি
দেখি প্রায় দলাপাকানো একটা মানুষ সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢুকে গেছে
আর বেরোতে পারছে না
শূন্যস্হানে লাগছে।

~~~

এইপথে, মহাশূণ্য ভরা এক পাগলের মৃতদেহ চড়ে
শোক আসে যুদ্ধভাঙা অবশিষ্ট দেহের ভেতরে
শিল্প হয় স্বাস্থ্য হয় জলসা হয় মেধার মলাট
ধানগাছে আমাদের মন নেই, মনে আছে শখের করাত
কষ্ট হয়, ডালভাঙা কষ্ট হয়, এইখানে সব কষ্ট ভুলে থাকি

মহাশূণ্য পাগলের, অভিমান, মৃতদেহ এখন জোনাকি।


বাপি গাইন
Bapi Gain




Popular Posts