Skip to main content



Nilabja Chakrabarty

আপনার বার্গার আরও মজাদার বানিয়ে তুলুন

এই যে মনে মনে
জুনের ভেতর
হাত দিয়ে
দলাদলা অনুবাদ তুলে আনছি আর নাম রাখছি
বিজ্ঞাপন বরাবর
ছুঁড়ে দিচ্ছি
একটাই লম্বা পার্পল সরলরেখা...

#  *  #  *  #

জল এক স্থানীয় সংবাদ বানানসর্বস্ব শরীরের ভেতর দিয়ে ফিরে যাওয়া ইশারার অর্ধেক ও রঙমহল যমজ শব্দেরা কালো কালো শিবির জুড়ে একটার পর একটা বর্জনমূলক ইশতেহার তখন ভাষাও আসলে একটা ব্যবহার...

#  *  #  *  #

দেখছি
আঙুলের ভেতর বড়ো হচ্ছে যে দস্তানা
তাদের সম্পর্ক বলি
লং সেকশন থেকে একটা-দুটো
              হলদে ঘণ্টা
সঙ্গীত
দ্রুতির পাশে
অর্ডার দেওয়া আছে তোমার ভাষার
একটা প্রান্তিক দিন
গাছের কোটর থেকে
অনর্গল পাইপতাক থেকে
ক্ষয়ে যাওয়া আর ফুলে ওঠা সময়...

#  *  #  *  #

শীত শীত খেলছি বুঝতে পারছি না ওটা রিয়া সেনের পাছা না পোস্টার বেঁকে গ্যাছে মাঝে মাঝে স্কোর দেখে আসুন দেখতে পাচ্ছি ক্রয়ক্ষমতা শব্দটার ভার ও সাম্যের মধ্যে কেউ হেঁটে যায় এভাবে, আঙুল ভাবতে ভাবতে ফিরে যাচ্ছে সামাজিকতা নামের নোটবুক সুখী মানুষেরা প্রোটোকলের বদলে বারবার বিকেল ভেঙে ফেলছে...

#  *  #  *  #

ভাষার একক থেকে দূরে
শুধু ছায়াগুলো রাস্তা পার হচ্ছে
অথচ
কে ফিরিয়ে দিচ্ছে অনিশ্চিত শব্দগুলো
আর
আমাকে মুছতে গিয়ে বারবার
কবিতার আঁশ লেগে যাচ্ছে ন্যারেটিভের দুহাতে...

#  *  #  *  #

সেই ভাষাটাই আমি দূরের পর্দা ও কাছের ডাকটিকিট ভুলের কথা লিখতে গিয়ে শুধু নরম স্প্রিং দেওয়া সাপোর্ট রিঅ্যাকশন ছাপিয়ে যাচ্ছি আর ইন্টারভ্যাল অবধি ঝরে পড়ছে লোড ক্যালকুলেশনের স্বীকারোক্তি এইভাবে কুলিং টাওয়ার অবধি লম্বা হচ্ছে বিজ্ঞাপন ও আপনার মনের মতো প্রশ্নমালা...





সঙ্কেত

সেতুর দুপাশে অসমাপ্ত হচ্ছে হরফসভ্যতা বোকা বোকা বাক্স আর তাদের রূপটান অনস্তিত্বটুকুই শুধু থেকে গ্যাছে অবস্থানহীনতাটুকু তার আয়নায় রেশম রেশম বলে ডাকতে জেনিফার একটা রঙ হয় এরও পর আঙুল বিনিময় করবে কেউ ভাষায় ফিরবে কেউ যোনিতে ফিরবে অথচ ব্যবহারকে ভাষা করতে করতে ফসিল পুড়িয়ে এই অ্যাতোদূর এভাবে শহর জুড়তে জুড়তে ঘর শব্দকে বন্ধ ভাবছো আর চিমনীর ভেতর দিয়ে নেমে যাচ্ছে গাঢ় হতে চাওয়া সঙ্কেত...



বাই বাই সার্কাস

তুরুপের ম থেকে ম-কার থেকে একটা ফিনফিন উড়িয়ে দেওয়ার কথা ঘন হয়ে আসা পরবর্তী মিডশট আপনি আর আপনারা আয়না ভাবছিলেন ডাবল রোল অনুষ্কার গায়ে ছুঁড়ে মারা বালিশ চতুর্থ দৃশ্যে ফিরে আসছে অনুষ্কার অ্যান্টিম্যাটারের গায়ে ম্যাজেন্টা বাউন্স অত স্বাদু ছিলো? পারদ সরে যাওয়ার পর খুলে পড়ছে গল্পের বিজ্ঞাপনী লুপ আর দ্যাখা যায় নভেম্বরের করিডোর জুড়ে একটার পর একটা বাই বাই সার্কাসের আস্তিন থেকে গড়িয়ে যাওয়া হাফ-ডে রাস্তা পার হচ্ছে...



অভ্যাস

ঝুঁকে আসা একটা কমলা অভ্যাসের নাম মনীষা লুপ্ত একটা তন্তুদাগ আর আমাদের সারা বিকেল ম ম লেখার পাতায় মিশে যাওয়া গুঁড়ো গুঁড়ো চাসনালা হ্যালো লক্ষ করুন রোদে ভেজানো পঙক্তিগুলো অন্য পাতায় চলে যাচ্ছে কীভাবে ক্রিয়াপদ দেখতে গিয়ে হাত ফসকে পড়ে যাওয়া জানলা আলো কেটে কেটে একেকটা শীৎকার ফিরে আসার কথা হাওয়াকলের ভেতর ঘাসের ভেতর কোথাও কিস্তিভাঙা অক্ষর নতুন গুম্ফার গায়ে হাতে পায়ে সিলেবাস জড়িয়ে সমস্ত শহর আজ এইখানে বর্ণমালা হোলো...




কথারূপ


অলীক একটা চতুর্ভুজ টম্যাটোবাগানের ভেতর একটা রূপকথা শুয়ে ডুবে যাওয়া ঊরুঅমনিবাস ফুলে ওঠা সশব্দে ফেটে পড়া একটা ঋতুর নাম আবারও জেনিফার যেকোনো জ্যামিতির গায়ে ঐ ফিকে রঙ অথচ ঐ স্কার্ফের আলো ঐ ব্রাস প্লেট নামের ধাতুরূপ তোমার ছিলোই না কখনও আর যা ঝরে পড়ছে তার জন্য আতস আতস জড়ানো  হোলো খুব প্রাইমারি কী বড় বড় ফোঁটায় ডানলপ আসছে স্ক্রিনটাচ রীল কেটে যাচ্ছে... রীল কেটে যাচ্ছে... হাত নাড়তে নাড়তে আয়নায় ঢুকে যাচ্ছে বিহাইন্ড দ্য সীনস আর টম্যাটোবাগানের সবটা নিয়ে সাড়ে তিন হাত রোববার...


স্বীকৃতি
সংবেদনশীলতা নামের একটা বাক্সের ভেতর বসে আমরা লক্ষ করছি দিন কীভাবে ছোট হয়ে আসছে। হাতে ধরে রাখা চ্যাপ্টা, চৌকো, ধাতব খণ্ডটা, যার নাম সময়, গলে পড়ছে বাঁকানো লরেল পাতার ফাঁকে ফাঁকে। স্বীকৃতি শব্দটার গায়ে কিছু শীত জমে থাকছে এভাবে। নীল ভাঙতে ভাঙতে দীর্ঘ বাক্য হয়ে যাচ্ছে কেউ। এরকম দিনে নিষ্ঠুরতা পেয়ে বসে। চেইন রিঅ্যাকশন। জটিলতার মধ্যে ওইটুকুই সিমেট্রি রেখে দেওয়া হয়েছে। ফলে, মরশুম জুড়ে দ্রুত হয় এক-একটা অক্ষর। বালিশে চাপা পড়ে থাকলো যে দুপুর, তার স্পর্ধা, একটা রঙ হয়ে। জল সরে যাওয়া লবণপ্রণালীর কথা ভাবো। মনে তার যেটুকু রেখেছো মাংসক্ষেতের ভেতর কুচো কুচো কবিতাভাবনা রেখেছো...



আপনার কবিতাকে জীবাণুমুক্ত রাখুন
এখন দ্বিধা বলতে টানেলের ভেতর যেটুকু রোদ। অন্য কারো ডুয়াল সিমে আপনার বেলা পড়ে আসছে কোথাও। পছন্দ করছে বুনো পাথরের গায়ে পার্পল ছোপ ধরতে থাকা কম্যুনিকেশন। পছন্দ করছে আলগা যৌনতা। ভাষার সবটায় তখন কাঁচ ছড়ানো। স্থিতির ভেতর খুব ছুটতে ছুটতে ভাবছি প্রাপ্তি শব্দটার মানেটা ঠিক কী। লক্ষ করুন, কেমন ফুলে উঠছে রাস্তাটার গ্রীষ্মকালীন নাম। আপনার কবিতাকে জীবাণুমুক্ত রাখুন। ভাবুন, উদ্ভিন্ন একটি বিশেষ অঞ্চলের নাম। তার ছোটবড়ো ছায়ারা শব্দ করে ‘তদনুরূপ, তদনুরূপ’। এভাবে স্তনকে দুপুর লিখি আর খুলে রাখি স্নায়ুদের জলপথ। সিনট্যাক্স ছিঁড়ে ফ্যালাও আরেকটা সিনট্যাক্স…



নীলাব্জ চক্রবর্তী
Nilabja Chakrabarty


Comments

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS