Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

Kriti Ghosh

মায়া

স্থান, স্থানু, জঙ্গা
তিন-মালা ভেদ করে ঋতু চলে আসবে সাবলীল পদ্ধতিতে
যতটা সাবলীল হলে তুমি প্রথমবার চিৎকার করবে না ভয় পেয়ে
যতটা সাবলীল হলে প্রতি মাসে নিজের হাতে পরিস্কার করতে পারবে অপরিপক্ক ভ্রূণ

-      এসব দুটাকা-তিনটাকার কথা বলে কি আর রাজ্যজয়ের স্বপ্ন দ্যাখা যায় ঈশ্বর? রাজ্যজয় বোঝ? কোন গ্রামের সবটা পাকাধানে মই দিয়ে দাও, কোনও গ্রামের সব কুমারী মেয়েকে সঙ্গমের সময় ফিসফিসিয়ে বলো তোমাদের আর দ্যাখা হবে না কখনও, হ্যাঁ- তারপর- তারপর সিংহাসনে বসলেই না তা সঠিক অর্থে রাজ্যজয়!


-      পরপর দৈনিক ভাবে কুমারী মেয়েগুলো অন্তঃসত্বা থেকে আত্মহত্যা করবে। তুমি খবর পাঠাবে বিনা খরচে সৎকারে জন্য। মৃতদেহে তোমার কি আর লোভ/ লোভ মৃত ভ্রূণের প্রতি। মৃত ভ্রূণ তোমার সন্তান। তাকে কেটে খণ্ড খণ্ড করে মাথায় তিলক তোল! আহ্‌ এরপর এরপরেও তো শরৎকাল আসবে, আসছে... তাকাও

-      দাওয়ায় সেজে উঠছে পুকুরের গা ঘেঁষে আনা পচা মাটির দুর্গা। মাটি কাটার আগে মুসলিম পাড়ার দশ-বারোর বাচ্চাগুলো রোজ এর উপর পেচ্ছাপ করত। বিকেলে খেলাধূলা করে হাঁপিয়ে যাওয়ার পেচ্ছাপ।

-      শরৎকাল মানে তোমার মাতৃত্ব, শীতল মাতৃত্ব দ্যাখানোর পর্যাপ্ত ঠেক। তুমি চুমু খেতে পারবে না পাশের বাড়ির সুচেতনাকে- তার দারুচিনি দ্বীপে এক মাস্‌লযুক্ত পুরুষ নির্বিকার ভাবে তার দুঁধের বোঁটা চেটে দ্যায়। জানলার আলগা ফাআঁক থেকে তো দেখতে পাও। তোমার বমি আসে। সে কি বুঝবে – সব দুর্গার মহাদেব নয়, কখনও কখনও মহামায়াকেও প্রয়োজন !?










   কৃতি ঘোষ

Kriti Ghosh

Popular Posts