Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS

Supriya Kr. Roy

কাঁচের মতো আর কী !

আঁচ কেটে যাচ্ছ
ঘুমিয়ে পড়ছি
গত শীতে আসা পাখির সাথে শুধু
একদিনের জন্য তো কিছু শেখানো
হয়নি সারা জীবন কিছু একটা বেশি
নিয়ে থেকেছে কে কে আমি ফুল
এসব লিখে সাহস বাড়ছে
তবু পৃথিবী অফিস হয়ে যায় কাঁচ শেষ
হয়না
ক্লান্ত পাথর মারতে মারতে পরে
দেখি
স্বপ্ন গুলো অন্য কিছু দিয়ে তৈরি ছিল



অসুখ নিভে যা

অল্প মাটি তো কি হল
পুঁতলাম চারা, মা হয়ে গেলে। পাতার
দোলা লোমে লোমে খবর পাঠায়
নাচতে পারো !


পূজা

কবিতায় বলা হয়েছে সেসব কথা
পাওনি তুমি খুঁজে তার কাছ থেকে
যাকে সমাজ তোমার প্রিয় বলে
পাকা বাড়ি জুড়ে
যখন একটু মাটি বেঁচেছে ওখানেই
বসাও
তুলসী হয়ে যাই




বিকার সারান

যতই থাকুক চাঁদ আকাশে
দেখতে নিজেকে জলেই নেমে আসে... 
উঁচু থেকে নিচুতে এমনি ভাবে হয় যোগাযোগ
এভাবেই হাছি আজকাল
জানতে পারছি
কিছু আছে অভিনয় ছাড়া!!
যারা আমার কাছে মুখোশ বিক্রি করে খাচ্ছিল আমায়, রোজ ভয় দেখায়, বলে, শালা মরবি, রাতে ঘুম হবেনা, বুঝবি কেমন হয় আমি গীটারের তার গুলো ঝ্রাং করে মারি, চোখের নিচের কালোয় ওরা ডুবে মরে
এইচ. আই. ভি, ক্যান্সার, আরও কিছু  রোগ আছে
যাদের ওষুধ এখনো নেই, এরমই একটা অসুখ কি সম্পর্ক?
না মানে কিছু দিন ধরে শুনছি একটি আঠা নাকি বের হতে চলেছে যা সম্পর্ক জোড়া লাগায়
ইতিমধ্যে ছাড়াছাড়ি হওয়া সম্পর্ক থেকে শুরু করে সম্পর্ক গড়বার ইচ্ছে রাখা লোকেরা এমনকি ২৫ বছর সম্পর্কে থাকা লোকেরাও
নাকি আগাম বুকিং করেছে সেই আঠা
কে জানে!
সেদিন টিভি তে দেখছিলাম একজন সাংবাদিক শরমি নামে এক বেশ্যা কে জিজ্ঞেস করছে আপনি কিনবেন না সেই আঠা?
সে হেসে বলে আমরাই আঠা!!
তো যাই হোক এই অভিনয় আর সম্পর্ক একটি রেললাইনের দুটি পাত!
মানুষের সাথে দেশের দেশের সাথে বিদেশের হতে পারে
এতো লাগালাগি হচ্ছে একটি বাচ্চা জন্ম নেবেনা হতে পারে!
খাছুর খুছুর স্লাপ প্লাপ আওয়াজ করতে করতে জন্ম নিল অর্থ
(ছেলেটি ভালবাসে মেয়েটি বাসেনা
ছেলেটি ব্যাংকে চাকরি পেল
মেয়েটি ভালবাসলো)
উলটো টাও হতে পারে
যাইই হোক খুব পাতি ফরমুলা এটা! এতে অংক মেলে, রেজাল্ট ভাল হয়, তবে চাকরি হয় না। হলেও ভোগকারীদের কে একজন মারা যায়, শরীরে, মনে যেভাবে হোক।
একজন এই কথা শুনে আমায় মনে মনে বাল ভেবে মুখে বলছে এমন হবেই?
আমার পাশের ঘরের ছেলেটি আমারই একটি গান গুন গুন করতে করতে চলে গ্যালো -
"স্বপ্নের পাখি উড়ে যায় আর দেখা টুকু আমার পাওয়া
আধ ঘণ্টা সুখ আধ ঘণ্টা দুখে
জীবনটা ভাগ করেছি
এরপর এমন কিছু দিওনা যাতে মরে মরে বাঁচি"
এই লেখাটি লিখতে লিখতে আমি ঘরে ঢুকে বিছানায় শুয়ে পড়েছি, আমার এক বন্ধু ফোন করেছে
বলছে, আমি ঈশ্বর হতে চাই

পেছন ফেটে গু বেরিয়ে যাবে, তাও রক্তওয়ালা
কেন? সে বলল
কারণ সে তার বানানো জিনি এর কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি খিস্তি খায়!
তাহলে কি করব? সে বলল
চ্যালেঞ্জ কর ঈশ্বর কে
কিভাবে?

সেদিন দেখি একটি কাক গাছের একটি পেয়ারা আধঘণ্টা ধরে ঠুকে গর্ত করে দিয়েছে
আমি তাকে পারলাম
কাকের খাওয়া অংশটা বাদ দিলাম
বাদ দেওয়ার পর বাকি আংশটি খেয়ে দেখি যথেষ্ট স্বাদ আছে
শ্বর কে বললাম বা সময় কে
আমি ঝাঁঝরা হয়েছি এই পেয়ারার মত
কিন্তু ঝাঁঝরাটা বাদ দিলে এখনো স্বাদ আছে এই পেয়ারার মত
আমায় দেখ
স্বপ্ন কিনা জানিনা
সেদিন চোখ বুজে দেখি
এই নিয়ে ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর
মিটিং এ বসেছে!!



সুখ

যেদিন গানের পারফরম্যান্স ভালো হয় তারপর অনেক কঠিন কাজও খুব সহজে করা যায়
সেদিন বোলপুর এ এমনি এক গানের আখড়া সেরে আমি আর আমার এক বন্ধু ঠিক করলাম আজ সারারাত রাস্তায় ঘুরবো!!! তো যাই হোক আমার বন্ধু অনেকটাই মাল খেয়েছে আমারও অদ্ভুত আবহাওয়ায় ঘুরে নেশা নেশা লেগেছে!!! ঘুরতে ঘুরতে কটা বাজে জানিনা দুটো রাস্তার মাঝ খানে এসেছি
মাঝখানে লেখা কোথায় যাবেন
ডানদিকে না বাঁদিকে?
ডানদিকে লেখা পৃথিবীর বাইরে ^
বাম দিকে লেখা পৃথিবীর ভেতরে ^
আমরা একে অপরকে দেখে
পৃথিবীর ভেতরে ঢুকে পরেছি ~~
কিছু দূর এগোতেই দেখি একটি ছেলে একটি রশির ওপর দিয়ে এক পায়ে হেঁটে হেঁটে ব্যালান্স এর খেলা দেখাচ্ছে আর বলছে আমি বিশ্বাস, হয়তো কোনো দিনও পড়বো না কিন্তু যেদিন পরবো তারপর যতই ভালো খেলা দেখাই তোমরা বলবে "এর বিশ্বাস নেই" এবং এটা হওয়াও উচিত
কিছু দূর এগোলাম শুনি
এক নেতা ভাষণ দিচ্ছে, বলছে,
দেশটা প্রেম করতে করতে গেল
না মনে পুরুষের নারীর প্রতি প্রেম আর কি! কত দেশের কাজে এরা এরজন্য হস্তক্ষেপ করতে পারেনা জানেন!!!
আমার বন্ধু আমার দিকে তাকিয়ে বলে, কি বলেরে??
এরপর
দেখি একটি গাছের নিচে এক জ্যোতিষী,
এক বেটা গিয়ে বলছে,
আমার বউ সুন্দর হবে তো?
জ্যোতিষী বলছে,
"সুন্দরী বউ স্বামীকে ভালোবাসতে পারে না নিজের সুন্দর হওয়ার অহংকারে সে মরে"
আমি বললাম এই ঠিক বলেছে!
বন্ধু কে গিয়ে বললাম
চল আমরাও কিছু জানতে চাই
এই জ্যোতিষী হাত না দেখেই অনেক কিছু বলে
আমার বন্ধু গিয়ে বললো
কাকু?
এই ছেলে ভদ্র ভাবে কথা বল আমি কাকু?
তাহলে কি বলবো কাকু
আমি জ্যোতিষী
আমার কাজের নামেই আমায় ডাক,
আমি সিনেমা বানাতে পারবো?
কি হবে সিনেমা বানিয়ে?
লোকে তো কিছু শেখে না
শুধু এন্টারটেইনমেন্ট ভাবে!!!
মানুষ শোধরায়?
না তবু...
এরপর অদ্ভুত সুন্দর একটা মেয়ে অমাদের দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে চলে গেল
আমি বরাবরই সুন্দরীদের প্রতি আকর্ষিত
তাই এখান থেকে মুখ সরিয়ে
রওনা হলাম ওর পেছন পেছন
চারিদিকে যেরকম পরিবেশ, মানে কোনো লেখায় সিনেমায় বর্ণিত হয়নি সেরকম সুন্দর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আমি সেই সুন্দরীর পেছন পেছন একটি হাড়ির মতো ঘরে ঢুকে পড়লাম
তোমার নাম কি,
সে বললো ওরে বাংলা সিনেমা
দেখে কি মনে হয়?
আমি বললাম সুন্দরী,
ও হেসে বললো হে ওটাই, এর ভেতরে বাইরে কিছু নেই
আমি ওর ঠোঁটে কিস করলাম ,
ও বললো
আমি এটা কে কেন গ্রহণ করবো?
আমি,
"When I kiss your lip I kiss your soul"
বলে তো দিলাম
কি হবে জানিনা
কারণ এরা প্রত্যেকেই এক কাঠি ওপরে
সুন্দরী বললো,
তুমি তো এখানকারই লোক
ওখানে কি করো?
গান গাই
একটা শোনাও
"শোনো আমি না তোমায় চিনিনা
চিনতেও চাই না
এখানেই কোথাও আছো জানি
দেখতে চাই না
নামে অক্ষরে জীবনে মরণে আনতে চাইনা
সবার মতো আমার গানে তুমি থাকো চাই না
এভাবেই অমর হয়েযাও তুমি
এভাবে অমর করে যাই আমি"
আমার বন্ধু এসে বললো এই চল
বের হই
সুন্দরী প্রনাম করলো, কেন জানিনা
বেরিয়ে দেখি একটি মিছিল যাচ্ছে
স্লোগান ~ "শান্তি চাই শান্তি দাও" বাঃ ইউনিক দাবি তো
এই দাবির মিছিল এ হাঁটি
হাঁটছি এখনও হাঁটছি


মুখে কখনো কখনো মনে বলছি









   সুপ্রিয় কুমার রায়

Supriya Kr. Roy

Popular Posts