Skip to main content

Posts

Showing posts with the label ছবি



কাগজের নৌকা : The Story behind an Independent Film (Part 2)

~কাগজের নৌকা~ The Story behind an Independent Film. (প্রথম পর্ব)...
২ …তারপর কেটে গেছে বছর দেড়েক। এর মধ্যে কাজের সূত্রে প্রায় রোজ দিনই কাটত নতুন মানুষ এবং জায়গার অন্বেষণে। ওই এক এক করে অডিশন নিয়ে বা ছবি দেখে যে নন্দিনী পাওয়া যাবে না তত দিনে বুঝে গেছি। “মে ফারস পে সাজদা কারাতা…” – ওরকম এমনি এমনি হয় না। নতুন একটাও ফিল্ম শুট করিনি, তবে পুরনো ভাবনা চিন্তাগুলো মাথাচারা দিয়ে উঠছিল মাঝে মধ্যেই। এর মধ্যেই একাদশ শ্রেণী তে আলাপ এক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা- রাজশ্রী। প্রথম দিন দেখেই, হুট করে একটা উরদু শব্দ মাথায় এসেছিল- আকিদাত। ওই নিয়ে একটা সিনেমা করার কথা ছিল, তাই ব্যাপারটা থেকে যায় আমার মধ্যে। প্রেমে পড়লাম কি? না সে প্রসঙ্গ এখানে থাক, তা অন্য যায়গায় লেখা হছে, আগামী কোন ছবি তে নিশ্চয়ই দেখা যাবে, এই লেখাটায় ওটা ঢুকিয়ে, কেন নির্দেশক পেস্ট্রির প্যাকেট হাতে , অভিনেত্রীর অফিসের সামনে দাড়িয়ে থাকে, সে কথা থাক। তবে ওই আকিদাতের রেফেরেন্সটা প্রয়োজনীয়। বার বার আলাপের ফলে, ওকে দেখে, ওই ভাবটা যে যেকোনো প্রেমিকের মধ্যে আসবে, সে বিষয় সন্দেহ কাটছিল। শুধু আমি ভাবলেই তো হল না, সবার মানশপটে তা না এলে, সিনেমার প্রয়োজনীয়তা থ…

কাগজের নৌকা : The Story behind an Independent Film.

~কাগজের নৌকা~
The Story behind an Independent Film.
কাগজের নৌকো-র ভাবনা আসে একদিন রকের আড্ডা থেকে, আমি তখন সদ্য দিল্লীর চাকরি ছেড়ে কলকাতায়, আর শুভ্র এমবিএ পাশ করে, ব্যাঙ্গালোর থেকে ফিরে জয়েনিং ডেটের অপেক্ষায়। দুজনেরি হাত খালি, তাই পুরোনো রকের আড্ডা বেশ জমে উঠেছিল। আমি যে সিনেমা করব, বা এটাই করতে চাই, তারও পাঁচবছর আগে, সেটা আমার আর ওর প্রায় একি সঙ্গে মাথায় ঢোকে।কয়েকটা বিদেশি ভালো শর্ট ফিল্ম দেখে, এবং দেশিয় কিছু জঘন্য কাজ দেখে। প্রথম ছবির গল্প অপেক্ষা নিয়ে, শুভ্রর ভাবনা, গল্পটা আমাকে, বলার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই স্ক্রিপ্টটা লিখে ফেলি। কয়েকদিন ধরে, কিভাবে কি দেখানো হবে, এই নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে, আমার আর শুভায়নের মধ্যে, প্রায় গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমাকে নির্দেশক মনোনীত করা হয়। এদিক ওদিক ফিল্মের বই জোগার করে পড়া, টেকনিক গুলো শেখা, দু রাতে এডিটিং সফটওয়্যার শিখে নেওয়া ওই সময়টাতেই। নায়িকা যোগার করে, দু মাসে পড়াশোনা ইত্যাদি ভুলে শুটিং হল প্রথম ছবির, “তুমি আসবে বলে”। তা সে ছবি আর এল না, ভিডিও কাটের সময় খুব ভরসা ছিল পরে ডাব করে নেওয়া যাবে, কিন্তু সেইটা আর হয়ে উঠল না। পাতি এক্সপিরিয়ন্স এবং স্কিলের অভাবে …

রোহিণীর সাথে, এই ত্রিশ বত্রিশ বছরে... : দীপ শেখর

রোহিণীর সাথে, এই ত্রিশ বত্রিশ বছরে... 




১ কাল রাতে লম্পট বৃষ্টিটা পড়লে বুঝলাম প্রেমের দালালটা আবার ধরবে ধরবে করছে, টাকা চাইবে চাঁদের জ্বর প্রায় একশো এক, জ্যোৎস্নার ঘরে বাবু নেই আমি কাল রাতের ঐ নীল শাড়ি পড়া মেয়েটির কাছে আশ্রয় চাইবো, ডাকবো রোহিণী, বেঁচে যাবো।

২ ভালোবাসা নয়, ভালোবাসার আত্মারাই সবথেকে সহজে ভালোবাসে এসব বুঝে আমি প্রেমিকের আত্মাটা নিয়ে খানিক নাড়াচাড়া করেছি কাল দুপুরে আমার পুরনো জীবনকে এখন ট্রাঙ্ক থেকে বার করে নিয়ে আসতে হবে হৃদয়কে বৃষ্টি ভেজানোর কোনও উপায় জানা আছে কি এ দেশের আইন-ব্যবস্থার?

A few moments. Captured. : Rik Rudra Mandal

A few moments. Captured. 
ছবি সাজিয়ে সাজিয়ে গল্প বানাবো, এমন কোনো ভাবনা আমার মাথায় কখনো আসেনা। প্রতি ছবির মধ্যে থেকেই গল্পের খোঁজ করি। প্রত্যেক ছবি একটি অনাবিল গল্পের সন্ধান দেয়। সময়ের ভাবনার উপর দিয়ে যা বয়ে যায়, তাই ছবির আধার হয় ও আকার ধারণ করে। ছবিগুলো বাছাই করার ‘সময়’, গল্পের রৈখিকতা বজায় রেখেছি। মানব-মানবী সম্পর্কটা, ধ্রুবপদ বেঁধে দেওয়ার মতন। চরিত্রগুলো পাল্টে যায়ে। হয়তো বদলে বদলে যায় ডাকনামগুলো। অথচ উড্ডীন কোনো ড্রোন থেকে দেখলে চরিত্রের ছায়াগুলি চেনা এক বহুভুজ রচনা করে যায়। এই আজানুলম্বিত প্রজেকশনের অপরিবর্তনীয়তা অথবা আমৃত্যু কোনো অবাধ্য তরঙ্গের টানাপোড়েনের ইতিহাস । দেওয়ালের আঁকা, ত্রিপল এ আঁকা, মেঝেতে আঁকা, ছায়া-প্রছায়া, জড়-জীব,সর্বোপরি মানব-মানবী মিলে এই ছবিগুলির শুরু থেকে শেষ রেখেছি। কোনো মিলনান্তক ছায়াবাজি অথবা বিয়োগান্তক সাপসিঁড়ির ভেতর দিয়ে বইতে থাকা একটি আবহমান প্রলম্বিত চেতনার কথা বলতে চেয়েছি।




Paintings by Arka Alam

অর্ক আলমের আঁকা ছবি

Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS