Showing posts with label ছবি. Show all posts
Showing posts with label ছবি. Show all posts

Saturday, August 5, 2017

কাগজের নৌকা : The Story behind an Independent Film (Part 2)

~কাগজের নৌকা~
The Story behind an Independent Film.

…তারপর কেটে গেছে বছর দেড়েক। এর মধ্যে কাজের সূত্রে প্রায় রোজ দিনই কাটত নতুন মানুষ এবং জায়গার অন্বেষণে। ওই এক এক করে অডিশন নিয়ে বা ছবি দেখে যে নন্দিনী পাওয়া যাবে না তত দিনে বুঝে গেছি। “মে ফারস পে সাজদা কারাতা…” – ওরকম এমনি এমনি হয় না। নতুন একটাও ফিল্ম শুট করিনি, তবে পুরনো ভাবনা চিন্তাগুলো মাথাচারা দিয়ে উঠছিল মাঝে মধ্যেই। এর মধ্যেই একাদশ শ্রেণী তে আলাপ এক বান্ধবীর সঙ্গে দেখা- রাজশ্রী। প্রথম দিন দেখেই, হুট করে একটা উরদু শব্দ মাথায় এসেছিল- আকিদাত। ওই নিয়ে একটা সিনেমা করার কথা ছিল, তাই ব্যাপারটা থেকে যায় আমার মধ্যে। প্রেমে পড়লাম কি? না সে প্রসঙ্গ এখানে থাক, তা অন্য যায়গায় লেখা হছে, আগামী কোন ছবি তে নিশ্চয়ই দেখা যাবে, এই লেখাটায় ওটা ঢুকিয়ে, কেন নির্দেশক পেস্ট্রির প্যাকেট হাতে , অভিনেত্রীর অফিসের সামনে দাড়িয়ে থাকে, সে কথা থাক। তবে ওই আকিদাতের রেফেরেন্সটা প্রয়োজনীয়। বার বার আলাপের ফলে, ওকে দেখে, ওই ভাবটা যে যেকোনো প্রেমিকের মধ্যে আসবে, সে বিষয় সন্দেহ কাটছিল। শুধু আমি ভাবলেই তো হল না, সবার মানশপটে তা না এলে, সিনেমার প্রয়োজনীয়তা থাকে না। ওর সব ছবি দেখে খানিকটা সংশয় হল, একটা ছবিতেও ওরকম লাগছে না, অথচ আমি যখনি ওর সাইড ফেসটা ৭০ ডিগ্রিতে দেখি, ওকে নন্দিনীই লাগে। সুতরাং আনুরোধ, এবং মুখের ওপর না। দু বছরের অপেক্ষার বাদে পেয়েছি, রণে ভঙ্গ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমার করুণ মুখ এবং পাগলামির ব্যাপ্তি দেখেই বোধহয় অবশেষে রাজি হলেন। অগত্যা শুট সুরু, কিন্তু বেশ ধীর গতিতে।
আগের লেখাতেই লিখেছিলাম, সেই আগেকার মত নিঃস্বার্থ বন্ধুর আশা এখন আর করি না শুটের সময়। তবে পৃথিবী বড়ই অদ্ভুত, মাত্র দু তিন ঘন্টার আলাপে, রাজশ্রীর দুই বন্ধু মুমুল এবং সঞ্জয় দা, তাদের বাড়িতে নন্দিনীর অন্তঃদৃশ্য শুট করার অনুমতি দিল। এই অন্তপুরটা না পেলে নন্দিনীর চিত্রগ্রহণের ছন্দই বাঁধা পড়ত না। ক্যামারার মোশনের সঙ্গে রাজশ্রী থেকে বিছুরিত নন্দিনীর আলো আঁধারের মোশনের ছন্দ না মিললে, সম্বভই নয়। বহু নিঃস্বার্থ নাম এই সিনেমাটার সঙ্গে আস্তে আস্তে জুড়ে গেছে- অর্ণব, সায়ন, রোহিত, মুমুল, সঞ্জয় দা এবং স্নেহা। তথাকথিত প্রফিট বা লাভ্যংস ছাড়া যে মানুষ এখন পাগলামো সহ্য করে, আর সেই সহনশীলতার ফলে তৈরি হয় অজস্র কাগজের নৌকো- সত্যি মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ।


বেনারস পর্ব
নন্দিনীকে আমি প্রথম থেকেই তথাগতর থেকে দূরে ঠেলেতে চাইছিলাম, যাতে সংশয়টা দৃঢ় হয়, বেনারস নামটা তাই মাথার মধ্যে মাঝে মধ্যেই ঘুরত। হুট করে, এক ভোরবেলায় রাজশ্রী নিজেই যখন শহরটার নাম নিল, ঠিক দু সেকন্ড-এ ঠিক করি বেনারসে শুট করব। নো বাজেট ইন্ডি ফিল্ম, কম মাইনের চাকরি নিয়ে দুটো শহরে শুট করা দুঃসাহসই বটে, কিন্তু রাজশ্রী পাশে থাকায় সে দুঃসাহস নিতে দু’বার ভাবতে হয়নি। তোর জোর করে বেনারসের টিকিট কাটা, থাকার যায়গা বন্দবস্ত ইত্যাদি করে, স্লিপার কোচে চলল আমাদের শুটিং টিম- আমি, রাজশ্রী আর স্নেহা।
অমন মৃত্যু উপতক্যায় পৌঁছেই আমি খানিকটা থমকে গেছিলাম। শুট তো হবে, কিন্তু বেনারসের নিজের যা গুণ, সেসব সব গুণ আমার সিনেমার মধ্যে এসে পড়লেই বিপদ। ওত ক্ষমতা নেই যে ওই আদি অকৃত্তিম শহরের আত্মা কে ফিল্ম বন্দি করে নিয়ে ফিরব। তাও, নদীর এপার, অপার, নৌকোয় সব নিয়ে শুরু হল শুটিং। এমনিতে আমি পাব্লিক স্পেসে শুট করে অভ্যস্ত, তাই অই ভিড়ে এমনিতেই সাবলীল। অবাক করার মত সাবলীলতা আমার সঙ্গী দুজনের। এক জন নির্দ্বিধায়ে একটার পর একটা শট দিয়ে চলেছে, আরেক জন, বৃষ্টি পড়লে ক্যামেরায় ওপর ছাতা ধরা থেকে শুরু করে কাগজের নৌকো পর্যন্ত বানানো -সবেতেই আছেন। নতুন লোকেশানে, এত কম সময় এতটা শুট করে ফেলা সম্ভব হয়েছিল , ওদের জন্যেই। আমাকে ক্যামেরা ছাড়া অন্য কোনোদিকে মন দিতে হয়নি। দ্রুত গতিতে মাত্র চারটে শিডিউলে শেষ চিত্রগ্রহণ পর্ব।
পুরো দু বছর শুটিং জুড়ে অজস্র মুহূর্ত এসেছে যা নিয়ে লিখলে, অবশ্যই “ শুটিঙের গল্প” তৈরি হয়ে যাবে। কিন্তু সে সব লিখলাম না, কারণ এই ফিল্ম করে ঐগুলোই প্রাপ্তি। প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে শুরু করে, শেষ করতে করতে আরেকজন প্রিয় বন্ধু খুঁজে পাওয়ার অদ্ভুত এই সমাপতন টাই বিশেষ হয় থাকবে। তবে শেষ করার আগে, কিছু জরুরী কথা বলে রাখা দরকার। ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম বানাতে যেরকম প্রচুর উৎসাহ, আত্মবিশ্বাস এবং স্বপ্নের প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন যুক্তিবাদী রাজনীতি, প্রাকটিস এবং স্কিলের। এই স্কিল প্রপনেন্টটা যত দিন না শান দেওয়া হচ্ছে, সে যতই পাসের মুমূর্ষু মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার ইচ্ছা বা স্বপ্নে থাক, শল্য চিকিৎসা না জানলে, মৃত্যু অবধারিত। আর এই পতন ব্যাক্তিগত নয়, তা প্রভাব পারিপার্শ্বিক-এ পড়তে বাধ্য। মিডিয়ামটার রাজনীতি এবং প্রযুক্তি যদি পরিস্কার না হয়, তাহলে যাদের জন্যে করা, অর্থাৎ মানুষ, তারাও এটাকে হাস্যস্পদ ভাববে। মানুষ সাড়া না দিলে, বুঝতে হবে, গন্ডগলটা আমাদেরই। আর এই স্বেচ্ছা মৃত্যুর ফাঁদে, আমারই আস্তে আস্তে মিলিয়ে যাব।
বেঁচে থাকার কথাতেই লেখা শেষ করি, তথাগত আর নন্দিনীর কাগজের নৌকোর চিঠি একে ওপরের কাছে পৌঁছেছে কি না, তা নিয়ে সত্যি সংশয় হতে পারে, তবে আমার বিশ্বাস, সব চিঠিই এক দিন না একদিন ঠিক পৌঁছোয়, শেষ অবধি, তাই তার প্রত্যুত্তরের আশায় মানুষ বাঁচে, ভালোবাসা বাঁচে। আরও একটা ছবি তৈরি হয়...

(ক্রমশ)















অনির্বান সরকার

Anirban Sarkar

Sunday, July 30, 2017

কাগজের নৌকা : The Story behind an Independent Film.

~কাগজের নৌকা~
The Story behind an Independent Film.

কাগজের নৌকো-র ভাবনা আসে একদিন রকের আড্ডা থেকে, আমি তখন সদ্য দিল্লীর চাকরি ছেড়ে কলকাতায়, আর শুভ্র এমবিএ পাশ করে, ব্যাঙ্গালোর থেকে ফিরে জয়েনিং ডেটের অপেক্ষায়। দুজনেরি হাত খালি, তাই পুরোনো রকের আড্ডা বেশ জমে উঠেছিল।
আমি যে সিনেমা করব, বা এটাই করতে চাই, তারও পাঁচবছর আগে, সেটা আমার আর ওর প্রায় একি সঙ্গে মাথায় ঢোকে।কয়েকটা বিদেশি ভালো শর্ট ফিল্ম দেখে, এবং দেশিয় কিছু জঘন্য কাজ দেখে। প্রথম ছবির গল্প অপেক্ষা নিয়ে, শুভ্রর ভাবনা, গল্পটা আমাকে, বলার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই স্ক্রিপ্টটা লিখে ফেলি। কয়েকদিন ধরে, কিভাবে কি দেখানো হবে, এই নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে, আমার আর শুভায়নের মধ্যে, প্রায় গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমাকে নির্দেশক মনোনীত করা হয়। এদিক ওদিক ফিল্মের বই জোগার করে পড়া, টেকনিক গুলো শেখা, দু রাতে এডিটিং সফটওয়্যার শিখে নেওয়া ওই সময়টাতেই। নায়িকা যোগার করে, দু মাসে পড়াশোনা ইত্যাদি ভুলে শুটিং হল প্রথম ছবির, “তুমি আসবে বলে”। তা সে ছবি আর এল না, ভিডিও কাটের সময় খুব ভরসা ছিল পরে ডাব করে নেওয়া যাবে, কিন্তু সেইটা আর হয়ে উঠল না। পাতি এক্সপিরিয়ন্স এবং স্কিলের অভাবে ছবিটা শেষ হল না। তার পরে ও উৎসাহের কমতি নেই, পরের স্ক্রিপ্ট রেডি করল শুভ্র। এবার যদিও প্রথম ভাবনাটা আমার মাথায় আসে, এক সুন্দরী মহিলার সঙ্গে তার কিছু দিন আগেই, শুভ্র সাকুল্যে কুড়ি ফিট মতন হেঁটেছিল, আর বাকি পুরোটাই খাপছাড়া আলাপ চারিতা। সেই ভাবনা নিয়েই “টোয়েন্টি ফিট অফ টুগেদার নেস”, ও গল্প লিখল, স্ক্রিন প্লে তৈরি হল। আগেরবার আমি বিস্তর ছড়িয়েছি, এবার ওই নির্দেশক।


এর মধ্যে বলে রাখা ভালো, প্রথম বার আমি সিনেমাটোগ্রাফি করিনি, ভয়, পারবনা বলে। কিন্তু সিনেমাটোগ্রাফার নায়িকার মাথা কেটে দেওয়ার কারণে (অদ্ভুত ভাবে সেই ব্যাক্তি রাজশ্রীর একটি ছবি সেই সময় তুলেছিল, সেই ছবিটাতেও মাথাকাটা), শেষ কয়েকটা দৃশ্য আমি আর দিপু ডুয়াল ক্যামেরায় তুলেছিলাম। এবার তাই আমিই করব সিনেমাটোগ্রাফি। বিনা পয়সায় সিনেমা বানানো, কিন্তু আয়োজনের কমতি নেই। বৃষ্টির দরকারে রেনমেসিন বানানো হয়েছে, অরিজিৎ, অর্ঘ্য, শুভায়ন, শোভন, ত্রিজিত এবং দীপু প্রায় সবকিছু জোগাড় করে দিত। বাল্ব দিয়ে থ্রিপয়েন্ট লাইট সেট-আপ, ঘর পরিস্কার, সেট সাজানো, থারমোকল ধরা, লাইট ধরা, সব! আজ এদের কারুর সঙ্গেই সিনেমার সম্পর্ক নেই, তবে আজ কাল যাদের কাজ করতে দেখি, এই উৎসাহ এবং ডেডিকেসন কোনটাই বিশেষ দেখিনা। আমি বা শুভ্র বারবার ধ্যারাবার সত্বেও, প্রত্যেকবার একি উৎসাহে কাজ করে গেছে। দিপুর সঙ্গে প্রচুর সময় কেটেছে ফ্রেম শেখায় একসঙ্গে, রেফেরেন্স ফ্রেম দেখা, ভোরে উঠে নিখাদ ঘন্টার পর ঘন্টা ক্যামেরা নিয়ে প্রাকটিস। মনে পরে অরিজিত একবার বিনাপয়সায় গাড়ি পর্যন্ত জোগাড় করে দিয়েছিল।

এরপরে এই সিনেমা তৈরি মুলপদ্ধতি এবং ভাবনা নিয়েই, আমার আর শুভ্রর প্রায় অনেকদিন বাক্যালাপ এবং মুখ দেখাদেখি দুই বন্ধ ছিল। এর মধ্যে দুজনেই আলাদা আলাদা কাজ রিলিজ করেছি, তা সে ঝামেলা মেটার কিছুদিনের মধ্যেই ও ব্যাঙ্গালোর আর আমি দিল্লি। তাই দুবছর আগের ওই রকের আড্ডার সময়টাতেই দাবী উঠে আসা বাধ্য যে একসঙ্গে অন্তত একটা কাজ শেষ করতেই হবে। এতদিনে আমি বেশ কিছু ডকুমেন্টারি আর অ্যাড ফিল্মএর কাজ করে ফেলেছি, আর শুভ্র সিনেমা বানানো থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নিয়েছে। হুট করে একদিন প্রশ্ন করল কম্যুনিকেসন কি কি ভাবে হতে পারে, বিস্তারিত আলোচনার পর বাড়ি ফিরতেই, আমার মাথায় কাগজের নৌকোর ভাবনাটা এল। খুব তাড়াতাড়ি তথাগতর চিঠিগুলো লিখে ফেলা হয়, এবং তারপরেই নন্দিনীর। তথাগতর শুট খুব তাড়াতাড়ি চারদিনের কাজেই শেষ, রোজদিনই বৃষ্টি, কোমর জলে নদীতে নেমে শুট। তারপর কিছুদিন চলল নন্দিনীর খোঁজ। কাউকেই আমার পছন্দ হয়না, আসলে সে এমন হবে, যাকে দেখে আমি প্রথমেই থমকে যাব, আর যারা ছবিতে দেখবে, অন্তত একটু প্রেম থাকলে মনে ভাববে “মে ফারস পে সাজদা কারতা হু কুছ হোশমে কুছ বেহোশি মে”। এমন দাবি দিলে, কঠিন হয়ে, অতএব পাওয়া গেলনা নন্দিনী।
আমি শুধু ঠিক করলাম, এটা না শেষ করে, আর নিজের অন্য ফিল্মের একসেকন্ডও শুট করবনা।

(ক্রমশ)















অনির্বান সরকার

Anirban Sarkar

Tuesday, June 6, 2017

রোহিণীর সাথে, এই ত্রিশ বত্রিশ বছরে... : দীপ শেখর

রোহিণীর সাথে, এই ত্রিশ বত্রিশ বছরে... 





কাল রাতে লম্পট বৃষ্টিটা পড়লে বুঝলাম
প্রেমের দালালটা আবার ধরবে ধরবে করছে, টাকা চাইবে
চাঁদের জ্বর প্রায় একশো এক, জ্যোৎস্নার ঘরে বাবু নেই
আমি কাল রাতের ঐ নীল শাড়ি পড়া মেয়েটির কাছে আশ্রয় চাইবো, ডাকবো রোহিণী, বেঁচে যাবো।


ভালোবাসা নয়, ভালোবাসার আত্মারাই সবথেকে সহজে ভালোবাসে
এসব বুঝে আমি প্রেমিকের আত্মাটা নিয়ে খানিক নাড়াচাড়া করেছি কাল দুপুরে
আমার পুরনো জীবনকে এখন ট্রাঙ্ক থেকে বার করে নিয়ে আসতে হবে
হৃদয়কে বৃষ্টি ভেজানোর কোনও উপায় জানা আছে কি এ দেশের আইন-ব্যবস্থার?

Thursday, December 1, 2016

A few moments. Captured. : Rik Rudra Mandal

A few moments. Captured. 

ছবি সাজিয়ে সাজিয়ে গল্প বানাবো, এমন কোনো ভাবনা আমার মাথায় কখনো আসেনা। প্রতি ছবির মধ্যে থেকেই গল্পের খোঁজ করি। প্রত্যেক ছবি একটি অনাবিল গল্পের সন্ধান দেয়। সময়ের ভাবনার উপর দিয়ে যা বয়ে যায়, তাই ছবির আধার হয় ও আকার ধারণ করে। ছবিগুলো বাছাই করার সময়’, গল্পের রৈখিকতা বজায় রেখেছি।
মানব-মানবী সম্পর্কটা, ধ্রুবপদ বেঁধে দেওয়ার মতন। চরিত্রগুলো পাল্টে যায়ে। হয়তো বদলে বদলে যায় ডাকনামগুলো। অথচ উড্ডীন কোনো ড্রোন থেকে দেখলে চরিত্রের ছায়াগুলি চেনা এক বহুভুজ রচনা করে যায়। এই আজানুলম্বিত প্রজেকশনের অপরিবর্তনীয়তা অথবা আমৃত্যু কোনো অবাধ্য তরঙ্গের টানাপোড়েনের ইতিহাস । দেওয়ালের আঁকা, ত্রিপল এ আঁকা, মেঝেতে আঁকা, ছায়া-প্রছায়া, জড়-জীব,সর্বোপরি মানব-মানবী মিলে এই ছবিগুলির শুরু থেকে শেষ রেখেছি। কোনো মিলনান্তক ছায়াবাজি অথবা বিয়োগান্তক সাপসিঁড়ির ভেতর দিয়ে বইতে থাকা একটি আবহমান প্রলম্বিত চেতনার কথা বলতে চেয়েছি।