Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Thursday, February 16, 2017

ঋপন ফিও একটা গল্প ভেবেছে

ঋপন ফিও একটা গল্প ভেবেছে

তো এক দেশের মানুষ ভাত খেতে ভালবাসত আকাল পড়ার আগে। আকাল পড়ায় অগত্যা বাধ্য হয়ে মকাই। প্রথম প্রথম গলা দিয়ে নামতে না চাইলেও আস্তে আস্তে সয়ে গেল। তারপর এল সেই মোক্ষম দিন। খেতে বসা সন্তানের করুণ মুখের দিকে চেয়ে থাকা এক জর্জরে মা আনমনে বলে উঠল~ বালের ভাত, মকাই ঢের ভাল... আর কি, একজন একজন করে এবার সবাই গুণ গাইতে শুরু করল মকাই এর। ধীরে ধীরে দেশের মানুষ ভুলেই গেল ভাতের স্বাদ। শুধু একজন পারল না কিছুতেই। ডাইনী সন্দেহে তাকে পিটিয়ে মারার আগে অব্দি পাতে মকাই নিয়ে বসে সে শুধু ভাতের কথা ভাবত।
















ঋপন ফিও
Reepan Fio

Tuesday, January 10, 2017

एक विराट ब्राह्मणवादी - Utpal Pandey

एक विराट ब्राह्मणवादी


मै हूँ एक विराट ब्राह्मणवादी
हुआ है मेरा अवतार
रोकने के लिए
इस दुनिया की बर्बादी
लक्ष्य है मेरा
जांघ व पैर से पैदा होने वालों को
उनकी सही जगह दिखाने की
ताकि महक उठे एक बार फिर
ब्राह्मणों की प्रतिभा से
हर बाग-बगीचा; हर घाटी; और हर वादी
मै हूँ एक विराट ब्राह्मणवादी

बनाया है हमने ये पूरा समाज
लिखी हैं हमने धर्म की सारी किताबें
गढ़े हैं हमने पूरे के पूरे तैंतीस करोड़ देवता
गढ़ा है हमने ये सारा का सारा हिंदुस्थान
और अब कुछ लोग आए हैं
जो करते हैं बराबरी की बात
और कर रहे हैं
हमारे इस सुंदर समाज में
ईर्ष्या व द्वेष फैलाने का प्रयास
लेकिन नही बटने दूँगा
मै ये हमारा समाज
और रोकूँगा मै
ये आने वाली बर्बादी
क्योंकि मै हूँ एक विराट ब्राह्मणवादी

Sunday, December 4, 2016

বাংলা কবিতার প্রসঙ্গে, দলীয় আদর্শ আর একটি বিনীত প্রশ্ন : চান্দ্রেয়ী দে

বাংলা কবিতার প্রসঙ্গে, দলীয় আদর্শ আর একটি বিনীত প্রশ্ন

আজ। অর্থাৎ কাল বা পরশু নয়। একমাস আগের বা একমাস পরের কোনো দিন নয়। এই আজ সময়টা আজকের সময়েই একমাত্র অস্তিত্ববান। কিন্তু, আজ-এর মধ্যে আছে গতকালের ছায়া-র শীতলতা, গতকালের রোদের তাপ, আর আছে আগামীকালের আলোছায়া কে অনুভবের রসদ। আজ এর মধ্যেই আছে গতকাল নেওয়া শপথ, আছে আগামীকালের রুটম্যাপ - পথ চলার দিশা, পাথেয়। তাই আজ, বস্তুত কাল বা পরশু থেকে আমূল বিচ্ছিন্ন, আপাদমাথা যোগাযোগহীন নয়।

দল। ‘দ’ আর ‘ল’-এর একটিমাত্র বিশেষ বিন্যাসেই ‘দল’ শব্দটি তৈরি হয়। একটিমাত্র বিশেষ বিন্যাসেই তৈরি হয় এর ভাবটিও। সময় ও পরিপার্শ্ব অনুযায়ী তার ভাবনা ও তার প্রকাশ বদলে যেতে পারে। কিন্তু শপথ আর পাথেয় আমূল পরিবর্তনশীল হতে পারেনা। পারে, যদি সেই দল, দলের ব্যক্তিবর্গ, সময়ের দাবী মেনে নিয়ে, প্রয়োজনীয়ের অভাব বোধ ক’রে অন্য কোনো বিন্যাসে বিন্যস্ত হয়ে ওঠে, হয়ে ওঠে অন্য কোনো দল। দল যদি আধার হয়, তার আধেয় এক বা একাধিক ব্যক্তি। এখন, স্থান, কাল অনুযায়ী পাত্র তার অবস্থান পরিবর্তন করতে পারে, এমনকি আমূল পরিবর্তনও এক্ষেত্রে সম্ভব। কিন্তু, কোনো দলের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তির ব্যক্তিগত অবস্থানের চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ তাদের পারস্পরিক অবস্থান। কোনো দলের সদস্য-ব্যক্তিবর্গের পারস্পরিক অবস্থান সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে গেলে, সেই দলেরও সম্পূর্ণ পরিবর্তন অর্থাৎ অন্য কোনো দল হয়ে ওঠা স্বসিদ্ধ।

নাম। একটি বিশেষ স্থানিক-কালিক-সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে কোনো নাম, যেকোনো নাম কোনো বস্তুর সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়, যদিও নামের গঠনের সঙ্গে বস্তুর অস্তিত্বের যোগাযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক। সনাক্তকরণের, পারস্পরিক সংযোগের (কমিউনিকেশনের) প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে নিলে, কোনো একটি নামের মাধ্যমে কোনো বিশেষ বস্তু তথা কোনো বিশেষ ধর্ম এবং বৈশিষ্ট্য প্রকাশিত হয়। এখন, ‘দল’ এর প্রসঙ্গে, কোনো দল এর নামের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে যায় দলটির অস্তিত্ব অর্থাৎ তার দলীয় আদর্শ এবং সেই অনুযায়ী সম্ভাব্য কর্মপদ্ধতি। সেই কারণেই দলীয় অবস্থানের পরিবর্তনের সঙ্গে যেমন জড়িয়ে থাকে দলের পরিবর্তন, তেমনই তার সঙ্গে সঙ্গে নামেরও পরিবর্তন। দলভাবনা এমনকি দলভাবনার সার্বিক যৌথতা পরিবর্তিত হয়ে গেলে স্বতঃসিদ্ধভাবেই তার সনাক্তকরণ বৈশিষ্ট্য যায় বদলে, আর তা স্বীকৃতি পায় নাম-এর বদলের মধ্য দিয়ে। কেউ কেউ মনে করতে পারেন পরিবর্তনশীলতাই যেহেতু প্রকৃতি-র নিয়ম, তাই পরিবর্তনশীলতা স্বয়ং কোনো দলের দলীয় আদর্শ হতে পারে। অমোঘ পরিবর্তনশীলতার সামনে বদলে যেতে পারে স্থান-কাল, বদলে যেতে পারে ব্যক্তিক পরিস্থিতি, এমনকি বদলাতে পারে যৌথ অবস্থান। কিন্তু এই সার্বিক পরিবর্তনের জলপ্রপাত নাম-কেও ধুয়ে নিয়ে যাবে না কি? যদি পরিবর্তনশীলতাই ধারণ করতে হয়, নামবাচক ক্ষেত্রটিই বা ব্রাত্য থেকে যাবে কেন? তা কি কোনো ‘লিগ্যাসি’-র তাগিদে? কোনো ‘নস্টালজিয়া’র তাগিদে? অথবা কোনো ‘ব্রান্ডিং’ এর তাগিদে? কেননা সনাক্তকরণ বৈশিষ্ট্য যদি বদলে যায়, সনাক্তকরণের উপচার ‘নাম’ অপরিবর্তিত থাকবে কি করে? যে অতীত বর্তমানে ‘অতীত’, শুধু নামে তাকে বহন করব কেন? কাল আমি কি ছিলাম তা আজ বহন করবে কে, যদি সার্বিক পরিবর্তনে বদলে যায় এই ‘আমি’টাই? অন্তত অংশত। আমার অংশের বদলও আমাকে আর আমি রাখে না। গঙ্গায় যে তিনডুব দিল, সে তিন জন, একজন নয়। যে গঙ্গায় সে ডুব দিলো, তাও তিনটি গঙ্গা। একটি নয়।

ছড়িয়ে থাকা পরিচ্ছেদগুলোর মালা গাঁথতে গাঁথতে বলি, বাংলা কবিতার প্রথম দশকে দেখছি এক সর্বব্যাপী তাড়াহুড়া- কে কোথায় ছিল, কে কোথায় আছে, কেউ শূণ্য কেউ নব্বই কেউ বা অন্য কোন দশক থেকে – সময়ের পথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়া আমরা, আমরা যারা যৌথতা নিয়ে রূপকথা বেঁচেছি, যৌথতা নিয়ে স্বপ্ন দেখেছি, জীবন কেটেছি ছিঁড়েছি যৌথতার অভিমানে, তারা, আমরা টুকরো হয়ে যাওয়া সেই যৌথতার দোহাই দিয়ে, সেই যৌথতার কাল্পনিক দায় নিয়ে, সেই যৌথতার নাম ভাঁড়িয়ে প্রকাশ করতে চাইছি ‘অন্য’ এক যৌথতাকে, ‘অন্য’ এক ব্যক্তিক অস্তিত্ব-কে। মরা যৌথতা কে ‘আ’মরা করতে চাইছি। কেন??

বাংলা কবিতার পাঠক, লেখক, বিপ্লবী, আর বাংলা কবিতার আমরা-র পায়ে এই আমার বিনীত প্রশ্ন, এই আমার জিজ্ঞাসু আকুতি...


চান্দ্রেয়ী দে
Chandrayee Dey

Wednesday, November 9, 2016

ভারতীয় ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট নিষিদ্ধকরণ প্রসঙ্গে অতনু সিংহ যা ভাবছেন...

কালো টাকার পাওয়ার হাউজকে আড়াল করতে এবং মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করতেই ৫০০ ও হাজার টাকার নোট নিষিদ্ধ করেছে মোদীয় ভারত রাষ্ট্র, যা একটি ফ্যাসিবাদী পদক্ষেপ


মোদীভাই যা করেন, সেই ক্রিয়ায় দেশভক্তির দৈবভাবের গঙ্গাজল ছিটিয়ে দ্যান। আর জয় জগন্নাথ হ্যাঁ হ্যাঁ করা পাব্লিক গঙ্গা ফড়িং-এর মত মোদীয় কর্মসূচীর পিছন পিছন উড়তে থাকে। গণমানসে দেশভক্তি বা রাষ্ট্রীয় ইমোশনের আফিম মোদীর এক সাংস্কৃতিক অস্ত্র। এবং এই অস্ত্রকেই ভারতীয় অর্থনীতিতে ফ্যাসিবাদ কায়েম করার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছে মোদী।
এই অস্ত্র কী রকম?

১। কালো টাকার লেনদেন থামিয়ে দেশের অর্থনীতিকে শুদ্ধ ধারায় নিয়ে যাওয়া এবং দেশের আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা

২। টেরর ফিন্যান্স বা সন্ত্রাস লগ্নিতে আক্রমণ শানিয়ে সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক মেরুদণ্ডে আঘাত।

লক্ষ্যনীয়, এই দুটি ক্ষেত্রেই 'দেশভক্তি' বা রাষ্ট্রবাদের লজিকেই আবর্তিত হয়েছে মোদী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। আর তাতেই একাংশের আফিম খেকো অন্ধজন 'জ্বি হুজুর' রবে মোদীয় ফতোয়াকে স্বাগত জানাচ্ছে। ৫০০ ও হাজার টাকার নোট মাত্র ২-৩ ঘন্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করার সরকারি তথা রাষ্ট্রীয় ফতোয়াকে স্বাগত জানানো হচ্ছে।