Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Artist



নো বাজেট, লো বাজেট, টেলিফিল্ম, ন্যাশনাল অস্কার, ইত্যাদি - পুরোটাই ব্যক্তিগত : অনমিত্র রায়

নো বাজেট, লো বাজেট, টেলিফিল্ম, ন্যাশনাল অস্কার, ইত্যাদি - পুরোটাই ব্যক্তিগত
পুনরায় উপন্যাস। যাই লিখতে যাচ্ছি আজকাল উপন্যাসের মাপে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। আসলে আমি লেজেন্ড কিনা ! লেজেন্ডদের মাঝে মাঝে এরকমটা হয়। আমি যে লেজেন্ড সেটা কালকে জেনেছিলাম। আজ শিওর হলাম। এর আগেও আমি কয়েকবার লেজেন্ডের সম্মান পেয়েছিলাম। এই নিয়ে বোধহয় ৫-৬ বার হলো।
ঘটনাটার শুরু গতকাল। অথবা গতকাল ঠিক নয়, ২০১৩ সালে। অথবা ২০১০ সালও হতে পারে। কে কিভাবে দেখছে তার ওপর। আপাতত গতকালের ঘটনাটা থেকে শুরু করি।
সোম চক্রবর্তী একটা একজোট হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে দেখলাম ফেসবুকে। সেখানে গিয়ে জানালাম যে আমিও উদ্যোগটারসাথে থাকতে চাই।কিছু পূর্বপরিচিত লোকজনের সাথে কথাবার্তা হচ্ছিলো সেই নিয়ে ওখানে তারপর। ইতিমধ্যে দেখলাম প্রদীপ্তদাও উদ্যোগটার সাথে থাকতে চান জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। অন্যান্য কে কি বলছে দেখতে গিয়ে দেখলাম এক মহিলা লিখেছেন এমনিতে সাথেই আছেন কিন্তু নো বাজেট হলে সাথে নেই। আরেক ব্যক্তি সেখানে লিখেছেন দেখলাম যে একদিকে ইউনিয়নের ধান্দাবাজি আরেকদিকে নো বাজেট ধান্দাওয়ালা। আমি গত চারবছর একেবারেই কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত নেই। ফলে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম ন…

পোঁদ ও প্রজাপতি হে : দুটি লেখা - শুভঙ্কর দাশ

পোঁদ পোঁদ শব্দটিকে নিতম্ব বলে খাটো না করাই ভালো। শুনেই দেখছি ভুরু কুঁচকে গেল আপনার। আপনারা তো আবার উচ্চ ঘর কংস রাজার বংশধর। আপনাদের বংশে কেউ কোনদিন পোঁদকে পোঁদ বলেনি। বলেছে পেছন, পাছা, নিতম্ব, বাম আরো অনেক কিছুই।
অথচ অজন্তা ইলোরার যাবতীয় নয়নাভিরাম নারী মূর্তির ভারী পোঁদ দেখে আপনারা আপনাদের ইস্থেটিক্স বাড়িয়েছেন।
আজও ক্যাট ওয়াকে ভারী পোঁদ দুলিয়ে না হাঁটলে পয়সা পাবে না ওই বেচারা মেয়েগুলো।
আমায় যে ছেলেটা মাসাজ করতো সে বলেছিলো শরীরের যাবতীয় নার্ভ সেন্টার পোঁদে। অতএব পোঁদের মাসাজ জরুরি খুব। এ কথার সঠিক বেঠিক আমার জানা নেই। জানা নেই ছেলেটা আসলে হোমোসেক্সুয়াল ছিল কিনা।
শুধু জানি মেদিনীপুরে কিছু মানুষের জাত চন্দ্রবিন্দু হারানো সেই পোঁদ। এবং তারা অনেকেই সুশিক্ষিত প্রফেসর, কবি ইত্যাদি।
তাদের নিশ্চয়ই আপনি নিতম্ব জাত বলে অপমান করবেন না।


এক অন্ধকার বিষণ্ণতার বোধ: একটি দেশদ্রোহী গদ্য - অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়

এক অন্ধকার বিষণ্ণতার বোধ: একটি দেশদ্রোহী গদ্য
এইসব উপজাতি [?] শুধু যে অটল সংকল্প নিয়ে নিজেদের রক্ষা করে তাই নয়, তারা শত্রুদেরও অত্যন্ত বেপরোয়া সাহসিকতা নিয়ে আক্রমণ করে। তাদের মনের এমন একটা শক্তি আছে যা বিপদের আশঙ্কা কিংবা মৃত্যুভয়ের থেকে জোরালো। নাগা জাতি সম্বন্ধে একজন ব্রিটিশ কর্মকর্তার মন্তব্য, আনুমানিক ১৮৪০ খ্রীষ্টাব্দ 
রিশাং জেগে আছে—শীত, ১৯৫২  রিশাং সাখরি’র বয়স হইয়াছে। নয়-নয় করিয়াও নব্বুই তো হইবে। রিশাং যদিও বলিতে পারে না তাঁহার বয়স কত। কানে শোনে না। চোখে দেখে না। জলের নীচে তাকাইয়া দেখা জগতের মতো ঝাপসা আর ঘোলাটে তাহার জগৎ। কখনও পেচ্ছাপ-পায়খানা বিছানাতেই করিয়া ফ্যালে। শরীর ও জীবনের অসহায়ত্বের নিকট সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করিয়া মল ও মূত্রের কর্দমাক্ত মাখামাখির ভিতর চুপচাপ শুইয়া থাকে। ভাষাহীন চোখে ফ্যালফ্যাল করিয়া চায়। নষ্ট মার্বেলের মতো রিশাং-এর চোখের মণি তখন যেন এই জগতের নয়, অন্য কোনও জগৎ হইতে তাহা আসিয়াছে। তবু নাতনির বকবক শুনিবার ভয়ে কখনও দেয়াল ধরিয়া ধরিয়াও যায়। একাই যায়। কাহাকেও ডাকে না। কিন্তু শৌচাগার অবধি পৌঁছাইবার পূর্বেই যাহা হইবার হইয়া যায়। তখন আর পথ চিনিয়া বিছানায় ফিরিতেও পারে …

রোহিণীর সাথে, এই ত্রিশ বত্রিশ বছরে... : দীপ শেখর

রোহিণীর সাথে, এই ত্রিশ বত্রিশ বছরে... 




১ কাল রাতে লম্পট বৃষ্টিটা পড়লে বুঝলাম প্রেমের দালালটা আবার ধরবে ধরবে করছে, টাকা চাইবে চাঁদের জ্বর প্রায় একশো এক, জ্যোৎস্নার ঘরে বাবু নেই আমি কাল রাতের ঐ নীল শাড়ি পড়া মেয়েটির কাছে আশ্রয় চাইবো, ডাকবো রোহিণী, বেঁচে যাবো।

২ ভালোবাসা নয়, ভালোবাসার আত্মারাই সবথেকে সহজে ভালোবাসে এসব বুঝে আমি প্রেমিকের আত্মাটা নিয়ে খানিক নাড়াচাড়া করেছি কাল দুপুরে আমার পুরনো জীবনকে এখন ট্রাঙ্ক থেকে বার করে নিয়ে আসতে হবে হৃদয়কে বৃষ্টি ভেজানোর কোনও উপায় জানা আছে কি এ দেশের আইন-ব্যবস্থার?

দ্রিম দ্রিম ৪ | ম্যাগনোলিয়া, রেড ওয়াইন অ্যান্ড চীজ : দোয়েলপাখি দাশগুপ্ত

দ্রিম দ্রিম ৪ - ম্যাগনোলিয়া, রেড ওয়াইন অ্যান্ড চীজ আস্তাবলের দিকটা না। ম্যাগনোলিয়া ছিল এদিকটায়। গ্লেনারিজ, কেভেন্টারস ছাড়িয়ে আরও একটু এগিয়ে বাঁ দিকে। জামাকাপড়... ডেনিম জ্যাকেট, জেগিংস-এর দোকান... সেগুলো পেরিয়ে কুংগা যাওয়ার রাস্তাটায়। সাদা সবুজ লাল মেশানো কাঠের বাড়ি। ছবির বইয়ের মতো জানালা। আইভিলতাও ঝোলে বোধ হয়। আমি আইভি দেখিনি যদিও কখনও। নীচে ডানদিকে বাজারে নেমে যাওয়ার সিঁড়ি। হিল কার্ট রোডের দিকে। আমি ঠেলেঠুলে একটা সরু গলির মধ্যে দিয়ে উঠতে থাকি। ম্যাগনোলিয়া একবার দেখে আসা দরকার। সরু গলি। কিন্তু অন্ধকার নয়। ওপর দিকের বাড়িগুলোর টিনের চাল আর কার্নিসের ফাঁকফোকর দিয়ে আলো আসছে অনেক। দুপাশে লোক দাঁড়িয়ে। কেউ বিরক্ত করছে না। যে যার মতো ব্যস্ত। সিগারেট খাচ্ছে। গল্প করছে। ওয়াই ওয়াই খাচ্ছে। পাশ দিয়ে সরিয়ে সরিয়ে এগোতে হচ্ছে। ম্যাগনোলিয়ার সামনে এসে পড়লাম। এটা তো বেশ বড় একটা হামাম! হোটেল ভেবে এদিকে বুক করে ফেলল মৈত্রেয়। ওই তো... জাপানি বাড়ির মতো, চাল দিয়ে ধোঁয়া বেরোচ্ছে অল্প। ‘স্পিরিটেড অ্যাওয়ে’-র বাড়িটার মতো। আমি ভেতরে ঢুকি। ঘন বোতল সবুজ অন্ধকার। তার মাঝখান থেকে চাপা রক্তের মতো লাল রঙের দেওয়াল দেখা যা…

চারটি লেখা নিয়ে এলেন : সীমিতা মুখোপাধ্যায়

আমারপ্রথমকবিতারবই
আমার প্রথম কবিতার বইটি হয়ত এখনও
তোমার ঘরে –
চুপচাপ লক্ষ্য রাখছে তোমার পালতোলা যাপনচিত্রে,
মিলিয়ে নিচ্ছে সরলের বেজন্মা নিয়ম-কানুন,
তোমার সময়নদী বয়ে যাচ্ছে অন্যখাতে...
তুমি খেয়াল করছো না।
আমার বইটি, একদিন দেখো, ধুলো ঝেড়ে উঠে পড়বে ঠিক;
ভোরবেলা তোমায় ঘুম থেকে তুলে বলবে - চলি!
আমি ওর কাছ থেকে শুনে নেবো তোমার
গুহাজীবনের আদিম রহস্য,
তারপর ইতিহাসের পাতা থেকে ছিঁড়ে নেবো
পৌরাণিক কিছু প্রতিশোধ -
কিছু খুদকুঁড়ো ভালোবাসার লোভ,
আদরের মতো মিষ্টি কিছু শব্দবন্ধ...
বন্ধু, ভালো থেকো!


একটিঅস্থিরবিড়াল
ওইযে বেড়াল,
সারাদিন এবাড়ি, ওবাড়ি, সেবাড়ি;
তোমরা দেখছো -
মাছের কাঁটা,
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS