Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Bangladesh



নবান্নে - দীর্ঘ কবিতা ~ অতনু সিংহ

নবান্নে
(বাংলাদেশের নয়াকৃষি আন্দোলন ও নিখিল বাংলার ভাবান্দোলনের সাধু-গুরু-রসিক ও সহযোদ্ধাদের পদারবিন্দে) ১ ধরো এই অগ্রহায়ণে ভোরবেলা একটা শালিক ব’লে গেল তুমি ফিরে এসেছো পাড়ায় আর রেললাইন উঠোনের পাশ দিয়ে শিল্পবিপ্লবের দেমাক না রেখেই ধনধান্যে আগায়েছে, ধরো আমাদের হাটবাজার জুড়ে তোমার মতো নতুন চালের সুবাস, সোনাগুড়, রূপাচিঁড়ে, দুধের মাহাত্ম্য, আহা কাত্তিক ঠাকুরের নারিকেল বাতাসে ময়ূর নেই তাই অভিমান করে তুমি ফিরে গিয়েছিলে?
অথচ রাজহংসীর পাখা কাহার বাঁশির টানে বাতাসে মিলায় লবন হাওয়ায় ঘোরে হরিণেরা গরান গাছের কাছে লুকোচুরি খেলে চোখ চারুময় রোদ্দুর, ঢেউ আসে ঢেউ ফিরে যায় বাঘিনী শরীরে তার মেখে নেয় বুনোচাঁদ এখানে কবি ও ফকির চন্দ্রাহত আকাশে তাকায়, বাঁশি বাজে সারারাত
ধরো এই রাশপূর্ণিমা আমাদের ছায়ার ভিতরে যে নধরচাঁদের খেলা নিস্তব্ধ শিশিরের মতো, জেগে আছে, সে জানে ময়ূরপ্রাসাদ আর সাতটি সমুন্দর, তেরো নদী পার ক'রে

আংনি আপফা অকতিটি ~ একটি গারো ও আচিক ভাষায় লেখা কবিতা ও তার বাংলা অনুবাদ

মূল ভাষাঃ গারো ও আচিক লিখেছেনঃ পূর্ণিমা নকরেক| বাংলা অনুবাদঃ কবি পরাগ রিছিল
আংনি আপফা অকতিটি নাম্মিন দালনা জাকরা-গা খু-আগাননা-বা থাংরাগা বংগি দাকগো -বাদকমাননারিয়া। চ্রিকনাবা রাগগা-য়া।
আমা আমা ইন্নি গ্রাব জুগুদে আইয়াও আংনি গিসিক বা সাদিকবিয়া খাসিরগগারি আমা! উগামাখো নি-বা দংমাদজা খল্লামনাহা হাসিগারিয়া
আইয়াও আপফা নাংখোদে ফান্তি সকবা খোবা নিগমানজানাজক আংনিদে রিয়াংআনি সাল সকবারিজক আচ্চু আম্বিনি হা'সং চা-হা
দংবো নে আপফা দংবো আমানি চামানগিজাখো গিসিক রাআই মান্দিহংবো নে হবো নাংখো গালমাদিবা রিয়াংমাদজাংআমুংরো দংবো নে আপফা দংবো।

~ বাংলা ~ আমার ছোট্ট সোনা রে- বড় হচ্ছে তাড়াতাড়ি ফোটায় কথার ফুলঝুড়ি দুষ্টুমি করলে অজান্তে রাগ হতে চায় খুব সে পটু চিৎকারে...

মা মা বলে কান্না করলে হৃদয় ভেঙে যায় -ওরে; আদুরে গলায় মা ডাকলে চুপটি থাকতে পারি না কোলে তুলতে ইচ্ছে করে-
তোমার যৌবন দেখে যেতে পারবো না আমার চলে যাবার সময় উপস্থিত! তোমার দাদা-দাদীরা যেথায় দূর নক্ষত্র হয়ে আছে
থাকো সোনা থাকো... মায়ের শূন্যতা অনুভব করে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল না সোনা, ছোট্ট বাবু সোনা...

পূর্ণিমা নকরেক

তুসা কথক-এর কিছু ভাবনা

তুসা কথক-এর কিছু ভাবনা
তোমার ভেতর থেকে চুরি যাচ্ছে আলোকপ্রাপ্তির রোদ, বিকেল ভ্রমণে তোমার সম্ভ্রান্ত মগজ বেচে দিচ্ছে ধূর্ত বনিকেরা।
হে মানুষ, হে পুরাকীর্তির চুরি যাওয়া ইট, স্বপ্নের অপভ্রংশ, মায়াময় ভ্রান্তি, কিশোরের মৈথুন শেষের অনুশোচনা, হে পাপ, হে শাপ, হে আদমের নিরাশ উপাসনা, তোমারে অভিশাপ — তুমি বুড়িগঙ্গার মতো কিংবদন্তী হও, তোমার জীর্ণ শরীরে ছড়িয়ে পড়ুক অসুখের আরাধনা।
আমি তোমাকে ঘৃণা করি, শিষ দেই, হেসে ফেলি, হে শুয়োরের অপ্রকাশিত ক্রোধ, কিংবদন্তীর ভারবাহী গাধা, তুমি মরে যাও — পৃথিবীর হৃদপিণ্ডে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে থাকো তুমি অনন্ত বছর।
তোমার হৃদয় পৃথিবীর মাণচিত্রের মতো টুকরো টুকরো হয়ে গেছে, পাকস্থলী হজম করে নিয়েছে তোমার অনাগত সন্তান, তুমি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছো — মানুষের থেকে তুমি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছো, তোমার জন্য প্রেম নয়, তোমার জন্য মাতৃস্নেহ নয়, অভিশাপ — তুমি প্রেমিকার ঋতুস্রাবের মতো আটকে পড়ো সময়ের সুড়ঙ্গে, তুমি ব্যর্থবীর্যের মতো শুকিয়ে যাও মহাশূন্যের মলাট থেকে মলাটে।
হে মানুষ, হে বিপর্যয়ের কক্ষপথে আটকে পড়া প্রেতাত্মা, বহিষ্কৃতের বিলাপ, অপলাপ, সন্তাপ গোলকধাঁধার নির্জনতম সত্তা।
হে স্বর্গ থেকে নির্বাসিত যুদ্ধবন্দী হে ক্ষুধার্ত,…

পাঁচটি লেখা নিয়ে এলেন : দুখাই রাজ

প্রথম দিন
আহত হবার পর প্রথম মনে পড়ে — আমার ইপিল গাছটা কেমন আছে? হয়তো আমার মৃত্যু সংবাদ তার কাছে পৌঁছে দিয়েছে করাত। তাকে বলেছিলাম — আমার কফিনের কাঠ দেবে তুমি। যেন আটদিনে তৈরী হয় কফিন।
প্রথম দিনে — তোমাকে আহত করবে করাতকলের লোক।


বোধি
১ম দিন - অবসর নিয়েছিলাম লাগামহীন ঘোড়ার পিঠ থেকে ২য় দিন - তিন কেজি ওজনের পাথর মাথার নিচে এবং উপরে রেখে বন্ধ করে দিয়েছিলাম কান ৩য় দিন - শুকনো পাতার নিচে বন্ধক রেখেছিলাম চোখ
আমি তিনদিন ঘুমিয়ে ছিলাম

সাতটি টবিতা : দিদার মালেকী

লটকন যেভাবে ফল হয়ে ওঠে
নিউ মার্কেটের সামনাসামনি দাঁড়িয়ে আছি আপনাআপনি দেখি ফল হয়ে উঠছে লটকন
ছাতা মাথায় মেয়েটিও একলা ফোনে বলছে 'তো কী দ্যাখলা' হাতে ধরা ফোতা হওয়া পপকর্ন
অন্যজনের বেশর ঝুলছে নাকে ভ্রুর ভঙ্গিতে কারে যেন ডাকে আমায় ডাকছে থোকা লটকন
মানুষ ফল হয়ে ওঠে বাজারে চিনতে পারে কে আর কারে? কোথায় ফলেছিলে হে লটকন?


কয়েকটি সময়কে ধরলেন : শাহেদ আনোয়ার

১৯ডিসেম্বর ’১৫। ১১:৫৪টা রাত।
দুয়েকদিন ধরে মনে হচ্ছে আমি প্রেমে পড়ছি, ইদানিং কলেজ থেকে আশার সময় একটা মেয়ের সাথে ক্রস হচ্ছে। ব্যাপারটা প্রথম প্রথম আমলে না নিলেও এখন নিচ্ছি। বুঝতে পারছি না কেন এমন হচ্ছে। আমি কি আবার সর্বনাশের দিকে পা বাড়াচ্ছি? মেয়েটিকে দেখার জন্য সন্ধ্যায় নিয়মিত বের হই, আমার বাসার রাস্তা দিয়ে যায়। সাথে বান্ধবি থাকে। প্রতিদিন দেখতে পাই না বলে প্রচন্ড রাগ হয়।
আমি এখনো জানিনা মেয়েটি আমার জুনিয়র নাকি সিনিয়র। ধ্যাএএত, এটা মোটেই ঠিক হচ্ছে না। ঠিক একই ভাবে আমি ক্লাস এইটে পড়ার সময় টেনের এক আপুর প্রেমে পড়ছিলাম। তার মাশুল এখনো দিতে হচ্ছে। আমি কি আবার নতুন মাশুলের কর গুনছি? মনে হয় আমার উচিৎ শিক্ষা হয়নি, আরও কঠিন একটা শিক্ষা হওয়া দরকার।
কাল রাতে বেশিক্ষণ পড়তে হয়েছে। ঘুমালাম দেরি করে। অসহ্য মাথাব্যথা নিয়ে ঘুমাতে হল। বেশিক্ষণ হয়নি, ঘুমের মধ্যে কে যেন ডাকছিল, সকাল হয়েছে বোধহয়। নাহ, আরেকটু ঘুমাতে হবে। কম্বল দিয়ে মাথা জড়িয়ে নিলাম, কোন শব্দ যেন না শুনি।
কিছুক্ষণ পর আবার কে যেন ডাকছে নিম্নস্বরে। 'এই, এই আরেকটু সরে ঘুমাও না, আমি ঘুমাতে পারছিনা তো, এদিকে আমি খাট থ…

কিছু লেখা নিয়ে এলেন দুখাই রাজ

চেরাই
১. কখনো বালির বাধ, কখনো উড়ন্ত জয়ফল তুড়ির ভেতর নিয়ে হেটে গেছি পয়মন্ত সবুজ। এখনো দিক আসে, এখনো ফণা বেশে নিকেলের ঝলকে চোখ পুড়ে নেই। অন্ধত্ব আমার জন্মান্ধ মুখোশের আড়ালে হাপর বাজায়। কান পেতে থাকতে থাকতে এখন শুধু শুনি নৈঃশব্দের কোলাহল। ময়ালবৃক্ষের নিচে সে সহস্র শতাব্দী পার করে দ্যায় এক ঘুমে। জেগে উঠবে আমি ঘুমালে।
২. বোধির কঙ্কাল— সেও উড়ে গিয়ে রাস্তার পাশে একটি কুকুর হয়ে ছুটে আসে। সমুদ্রের তীরে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বলেছিলাম— 'তোমাকে গ্রহণ করতে এসেছি।'
সে আবার কঙ্কাল হয়ে ফিরে গিয়েছিলো। বলে গিয়েছিলো— নগ্ন প্রেত সাধকের পায়ের কাছে, মাটিতে চর্কা এঁকে ধূল পড়া ছড়িয়ে দেয়ার পর, বাতাসে কেন ঢেউ ওঠেনি?

ভেজিটেরিয়ান এবং গাছ ও গাড়ির কয়েকটি শাখা : খন্দকার নাহিদ হোসেন

ভেজিটেরিয়ান
তোমার সাহস নেই জানি
অপাত্রে সাহস থাকতেও নেই
আড়ে আড়ে যতিতে পেলাম
এইটুকু এখনো না হলে শেখা
ভুখা সমতলে
একা একা এতদূর কিভাবে এলাম?

ভালবাসবার বিলাসে মায়েরা ঢোকে না কখনো
তাড়া তখন-দুপুর চোয়ানোর ঘুম
এদিকে ফাৎনা মাছ গিলে নিলে
পৃথিবীর সকল পুরুষ জানে-গভীর মায়েরা
ঘুম দেবে চিলে-ঘুম ছোঁবে চিলে!

সংসারের থালাবাসন তোমারও হলে
দরজায় দিয়ো পুরু সুখ গাছেরই কাঠ
পিছনে থাকুক বড়ইতলা... অবেলা প্রেম,
মরা মাছে ঢালু-ডুবে যাওয়া বোবা ঘাট।

কৈফত কেনো? ভালোবেসে শীর্ণ জুড়ে থাকো
সে শেয়ানা পুরুষ বিয়ের মন্ত্রে এলে
স্বাদু ঝোলে নাছোড় মাছেই-সাদা ভাত মাখো?

দেখিনি কিছুই, লোভও নয়... শুধু তার চোখের প্রলাপ
মুছে দিয়ে বুঝি, দরিয়ায়-জলে ভালোবাসা শুধু ভেতো মাপ

হ্যাঁ, বেদনা জুড়ালে অন্নরা সাদা... মাছে পাপ-মাছে পাপ!

রহমতুল্লাহ আলমগীর'এর : পশ্চিমবঙ্গের ‘বাংলা’ নামগ্রহণে সংশয়গ্রস্থরা ছুপা-ফ্যাসিস্ট

পশ্চিমবঙ্গের ‘বাংলা’ নামগ্রহণে সংশয়গ্রস্থরা ছুপা-ফ্যাসিস্ট
নিপীড়িতদের ফ্যাসিস্ট ও মৌলবাদি সংস্কৃতি লালন করা অনাহুত কিছু নয়। সম্প্রতি হাতেনাতে ধরা-পরা এর একটা উদাহরণ পাওয়া গেল, পশ্চিমবঙ্গের 'বাংলা' নাম গ্রহণে বাংলাদেশের কিছু মানুষের সংশয় ও ব্যাঙ্গ প্রকাশের মধ্যে। তারা বলছেন, এতে আমাদের ‘জয়বাংলা’ বা ‘আমার সোনারবাংলা’- ইত্যাদি ধ্বনিমালাসমূহ নাকি আত্মসংকটে পড়লো। প্যাটেন্টগত বাণিজ্যিক বিপদের কথাও বলছেন কেউ কেউ।
এ ধরণের কূপমণ্ডুক চিন্তার ক্রিটিক করার রুচি আমার অল্প। তাই সেদিকে তেমন যাব না। ঐতিহাসিক সৌভাগ্যবশত পূর্ববাংলার লোকেরা বাংলার অর্ধেক ভূখণ্ড নিয়ে ‘বাংলাদেশ’ নামে রাষ্ট্র গঠন করেছে। এখন, পঞ্চাশ বছর পর বাকি অর্ধেক বাংলা যদি তাদের রাষ্ট্র বা প্রদেশের নাম 'বাংলা' বা 'বাংলাদেশ'ই রাখে- এতে আপত্তি, ভয়, সংকট বা দুরভিসন্ধি খোঁজা প্রকৃতপক্ষে একটা অগণতান্ত্রিক ইচ্ছা। অর্থাৎ, আপনার ‘বাংলাচিন্তা’ প্রকল্প থেকে আপনি পশ্চিমবঙ্গকে বাদ দেয়ার মতো কবিরা গুনা করছেন। পূর্ববঙ্গের লোকেরা পহেলা রাষ্ট্র গঠন করতে পেরেছে বলে বাকি অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে তারা এই খবরদারি করতে চাচ্ছে। মনে হয়, …

কতিপয় শরণার্থী মেঘ - দুখাই রাজ

মা ছুরি ঢুকিয়ে আকাশটাকে চিরে ফ্যালা হলে দু ফোঁটা রক্ত নেমে আসে বংশ পরম্পরায়
ক্ষয় একটি মোম পর্যন্ত জেগে থেকে আমরা ঘুমিয়ে পড়ি। তিনটি মোম পর্যন্ত জেগে থাকা যায়
চ্ছেদ দু মিনিটে ফুরিয়ে গেলে প্রেম থাকে। বিচ্ছেদের দেরাজে ঝুলে থাকা মৃত্যু যখন দিয়ে যায় জীবন আমরা গেয়ে উঠি মৃত্যু বিচ্ছেদের গান
দিনকাল কালোচোখা প্রবীণ বলে গ্যাছেন— ভ্রু কুঁচকে গেলে তল খুড়ে ওঠে আসে দুপেয়ে অবান্তর
বিষাদ পাড়ায় ঢুকলেই বিষাদের গন্ধ এসে লাগে নাকে কিছুটা উষ্ণতার দরে ওখানে বিষাদ বিক্রি হয়
সান্ধ্যকলা এই সান্ধ্যপালকের নিচে কিছুটা ঘোর হলে মন্দ হতো না কিছুটা উলম্বভাবে ঝুলে থাকা টায়ার পোড়া গন্ধের মতো
অভিযোজন আমরা মৃতজীবি হয়ে যাবার আগে আকাশ ভেঙে পড়ছিলো আর আমরা ভাবছিলাম আরো ক’দিন নিরো হয়ে বাঁশি বাজাই
হার একটি সুন্দর বারান্দা দেখে উঠে পড়ুন। খুন হবার পর লাফ দেবেন সেখান থেকে
দুখাই রাজ
Dukkhai Raj

সমাধিক্ষেত্রে গুন গুন প্যারেড - সায়ন ঘোষ

সমাধিক্ষেত্রে গুন গুন প্যারেড
১. গ্রীষ্মের উপাদানগুলি পায়ে করে নিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি পায়রার দল দু-একটি চিঠি মৃত ছেলের প্রতি পূর্ণত অন্তিম যাত্রা মর্গের বাতাস এতটাও আপেক্ষিক নয় ভীতচকিত হাওয়া ঝড়ের বেসিনে তোলপাড় বিস্কুট বমি হয়ে যাওয়া গতকালের রাতের খাবার তাতে মাথা নাড়াচ্ছে একটি আরশোলা
২. অদৃষ্ট ! আমার চোখ বন্ধ করে দিচ্ছেন ক্যানো ? সমস্ত দেখে ফেলছি বলে ?
৩. রাষ্ট্র আমার মাথার দাম ঘোষণা করবে নিলাম চড়বে এসকেলটরে যাবতীয় বক্তব্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা এখন না করাই ভালো
৪. সুতোয় ঝোলানো মাদুলি'টা ফেলে দিলেই পারতে অজস্র পাপবোধ একেবারে চলে যেত

সায়ন ঘোষ
Sayan Ghosh
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS