Jyotirmoy Shishu

Jyotirmoy Shishu
Showing posts with label Cinema. Show all posts
Showing posts with label Cinema. Show all posts

Tuesday, February 28, 2017

“Everything I told you before is a lie” - একটি দেবীপক্ষের Travelogue : রাজর্ষি মজুমদার

“Everything I told you before is a lie” - একটি দেবীপক্ষের Travelogue


যে মেয়েটি কাফকা অন দ্য শোর পড়ছিল সে ধানবাদে নেমে গেছে আমাদের কামরার প্রত্যেকের ব্যক্তিগত চাউনিগুলো আমি ঢুকিয়ে রাখছি একটা বাক্সে চিন্তা হচ্ছে জামাকাপড়ের জন্যআশ্বিন শেষের ভরা একটা রোদ এখন রেলের জানালায়। এই আলো, এই জানালা, নীল রঙ মাখানো হাত সব রেলের। একটা একটা করে দৃশ্যকল্প, একটা একটা করে কথা সরে যাচ্ছে , সরে যাচ্ছে আমার Dissertation শুখা মাঠ, ছিরিছাঁদহীন বাড়ি ঘর দোর পেরোতে পেরোতে প্রশ্ন জাগছেএরা কি সমকামকে স্বীকৃতি দেবে?

একটু পরে সূর্যাস্ত দেখব – কোডারমার ধাপে ধাপে নেমে আসা জঙ্গল, ধূসর পাথুরে খাদের ওপর জেগে থাকা বৌদ্ধ বিহারের ছবি তুলে রাখতেই হবে আমায়। এসব ছবি কাজে লাগবে লেখার সময়, দিন এগারো পরে এ বিকেল পড়ে আসার ঘটনা নিয়ে লিখতে বসে।
মাঝে মাঝে স্বপ্ন আর সিনেমা ছাড়া লেখাতেও আমরা সময়কে সম্প্রসারিত করতে পারি বোধ হয়? এই পারাটা আসলে পাঠকনির্ভর। স্বপ্ন আমরাই তৈরী করি , আমরা সিনেমাও তৈরী করতে পারি। কিন্তু পাঠক ছাড়া বোধহয় লেখা তৈরী হয়না।  
এই যেমন এ লেখা লিখতে লিখে আমার কাছে সময় অনেকগুলি অস্তিত্ব হয়ে ঘোরাফেরা করছে। হয়ত পাঠক বেছে নেবেন তার মধ্যে একটা – লেখাটার একটা নতুন সময় তৈরী করবেন তিনি। এসব ভাবতে লিখতে একটা ফ্লেক ধরাচ্ছি আমি, ধোঁওয়াটুকু ছাড়ছি দশদিন আগের সময়ে  – যেখানে আমি আদিত্য আর শ্রীরাগ টিনের টেবিলটার ওপর পা তুলে দিয়ে সিগারেট টানছি চেয়ারগুলো পেছনের দিকে ঝুঁকে গেছে, বাইরে একটা পাতাও নড়ছেনা এমন গরম। আদিত্য ওর Dissertation এর কাজটা নিয়ে বলছিল – cinema তে  time and space এর ব্যবহার স্বভাবতই আমার কথায় তারকোভস্কি চলে এলেন ... তার ওই হালকা নীল টোনের আকাশে মিশে যাওয়া জনারের ক্ষেত , বেড়ার ওপর সিগারেট ফুঁকতে থাকা মারিয়াকে নিয়েজঙ্গলের সেই গাছগুলোর জ্যামিতি বা বরফের ওপর ডাঁই করে রাখা কাঠের ভিস্যুয়াল থেকে একটা পাপিয়ার ডাক ছুটে চলে এল নদীতীরে। সেখানে নগ্ন প্যাগান মেয়েটি চোখ দিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছে – “ What sin? Tonight is for lovemaking; is love a sin? ”  
তাকে নিয়ে আমার আজ নদীতে যাবার কথা  

সিগারেটটা ঘুরছিল টেবিলের চারদিকে – হাতে হাতে। ঠিক এইসময়ই আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে শ্রীরাগ বলে ওঠে – “ He was a magician. By his works he just said all the Soviet montage movement filmmakers that – “You guys just … just fuck of! Film is not all about theories, technicality, cutting. It’s about playing with time and space.”

Thursday, August 18, 2016

The Making of 'Fading Clouds' : রঙিন মেঘের গান - ৩

‘Fading Clouds’

একটি ইন্ডি-ফিল্মের গল্প


ঙিন মেঘের গানঃ ৩

ফেডিং ক্লাউডস সিনেমাটির নেপথ্যে এমন অনেক মানুষ জড়িয়ে আছেন যাদের নিস্বার্থ পরিশ্রম ছাড়া এ ছবি সম্ভব হতনা। যেমন অনকুর। অনকুরের সাথে আমার আলাপ বহুবছর আগে। কিন্তু আবার নতুন করে বন্ধুত্ত্ব হল ফেডিং ক্লাউডস এর এক বছর আগে। আমি তখন পাই -এর সাথে ইন্সটলেশন আর্ট বোঝার চেষ্টা করি, এবং পাই একটি পার্ফর্মেন্স আর্ট ফেস্টিভ্যাল করে kipaf সেটি অরগানাইজে সাহায্য করি। ততদিনে আমি বুঝে গেছি যে, খুচরো ফ্রিলান্স করে খরচপাতি বেশ দিব্য চলে যাচ্ছে, কিন্তু কোনও ভবিতব্য দেখছি না। আমি ঠিক করলাম যেভাবেই হোক একটা সিনেমা বানাতে হবে, প্রোডিউসারের জন্য অপেক্ষার কোনও মানে হয়না। কোনও প্রোডিউসার একদিন সকালে ঘুম ভেংে আমাকে ফোন করে এক কোটি টাকা দেবেন না। অনকুরের সাথে এইসব আলোচনা চলছিল, তারপর ২০১৫র ভ্যালেন্টাইন্স ডে, অনকুর আমাকে বলল যে ওর পরিচিত এক ভদ্রলোক ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি নিয়ে উতসাহী তার সাথে দেখা করার জন্য। সেইমতো আমি আর অনকুর সাউথ সিটিতে গেলাম সৌম্য দার সংে দেখা করতে। সেদিন সাউথ সিটি জুড়ে নবযুগলদের সেলফির হিডিক। খিল্লি করে আমি আর অনকুরও একটা সেলফি তুলে পোস্ট দিলাম। সৌম্যদার সাথে মিটিং হল, সৌম্যদা উতসাহিত করলেন প্রচুর।

Monday, August 15, 2016

The Making of 'Fading Clouds' : রঙিন মেঘের গান - ২

‘Fading Clouds’

একটি ইন্ডি-ফিল্মের গল্প



রঙিন মেঘের গান - ২

পাসিং শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ কি আমি জানিনা। ইংরাজিতে পাসিং ক্রাউড বলে একটা শব্দ আছে, সিনেমাতেও আছে, ধরুন নায়ক নায়িকা রাস্তায় একটি দৃশ্য, সেখানে তাদের পিছনে আউট অফ ফোকাসে হেটে যাবেন পাসিং ক্রাউড।

রাস্তাঘাটেও রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়া অগুন্তি মানুষের মদ্ধে ভাল করে দেখলে এমন কিছু মুহুর্ত দেখা যায় যা সিনেমার চেয়েও দামী। লেখা বা সিনেমা চিরকাল এই অলক্ষে ভীড়ে মিশে থাকা মানুষের জীবনযাপন থেকেই উপাদান নিয়ে এসেছে। তাই একজন লোকের নামের চেয়ে, সে কিভাবে ভাত খায় কিংবা বাসে গুতোয় তা আমার কাছে অনেক বেশি গুরুত্ত্বপুর্ণ।

ফেডিং ক্লাউডস নামটি ঠিক করা গেল, এর আগে নাম ঠিক করেছিলাম পাসিং ক্লাউডস। আমাদের জীবনে এমন অনেক চরিত্র থাকে, যারা আসে, আবার চলেও যায়, শুধু রেখে যায় কিছু স্মৃতি। এমনই কিছু চরিত্রের দেখা হওয়া আবার নিজেদের পথে মিলিয়ে যাওয়ার গল্প নিয়েই এই ছবি। তারপর মনে হল এই চরিত্ররা শুধু চলে যায় এমনটাও নয়, ক্রমে ঝাপসা হয়ে আসে আমাদের জীবন থেকে। নাম ঠিক হল ফেডিং ক্লাউডস। যারা যেন এসেছিল একদিন ঝাপসা হয়ে যাবে বলেই।