Skip to main content

Posts

Showing posts with the label New Age Poet



ভোর ~ মহম্মদ ওয়াহিদার হোসেন

ভোর
১ একলা ভোরের মতো হারানো গুনগুনের বাইরে ভোর হচ্ছে আমার সবচেয়ে প্রিয় ভোর যে পাখিটি ভীষণ, নীলপাড়।
২ এখনো পাখিডাক শুনি ভোর হলে ভোর হলে, সত্যি ভোর হয়?









মহম্মদ ওয়াহিদার হোসেন MD Wahidar Hossain

তিনটি লেখা ~ রণদেব বল

(১) ঈর্ষা বরং মধুরভাষী, প্রণয় সে তো উন্মাদ, একঘেয়ে আমিই শুধু ঘুমচোখে তাঁর জ্যোৎস্না দেখি। আমিই কেবল ক্লান্ত চোখে চেয়ে

আমিই দেখি জলঝরা দিন, ছাদের চাতাল বাধনবিহীন, অন্ধকারে

সিড়িঁর ওপর জলের রেখা, যেদিক খুশি বইতে শেখা, এ সংসারে।

যেমন করে নদীও বয়, নিজের স্রোতে নিজের ধারায়, ঘর ভেসে যায় পাড়ায় পাড়ায় কাকতালীয়।

ভালোই আছি পান্তাভাতে, বিরুদ্ধতা পাইনি ধাতে, সুযোগ বুঝে দু চার কথা বলতে দিও

সব চরিত্র পাল্টেছে সুর মেঘলা দুপুর, পোশাক-আশাক সব সাবেকী

সবই আমার খেয়ালখুশি কাউকে বাঁচাই, কাউকে আবার আগলে রাখি।



(২)

অবসর চাই শুধু, আর কিছু নাও পেলে রাজি যেটুকু নিয়ম ছিল, যেটুকু রাজ্যপাট হাতে সবই তো অধঃগামী, চোরা সময়ের কারসাজি কেবল দূরত্ব বাড়ে সময়ের ব্যস্তানুপাতে।

চারটি মুহূর্ত - পৌলমী গুহ

সাম্য, মৈত্রী ও প্রেম আমি সাম্যের গান গাহি নাই। অর্থাৎ, চায়ের দোকানি বাসের কনডাক্টর ও রিক্সাচালক বলে, ব্যর্থ কাউকে টিজ্ করি। নিজেকে আদর্শবাদী ভাবি, বাকি সব গোরুচোর। ছিক্ করে রাস্তায় থুতু ফেলি, আর নিজের চেয়ে যারা ওপরে থাকে- সর্বনাশ কামনা করি। অনেকটা প্রেমেরই মতো!


নিশীথে বেদনা জাগে ধড় খুলে ফেলি প্রতিরাতে। সান্ত্বনা দিই আর স্রেফ ক’টা দিন, অথবা মাস। বছরও। প্রেমজ বিষাদ নাভিতে চুমু খায়। এতোদিনে মনে পড়ে, তোমার স্খলনে আমার জিত মিশেছিল।


কারা যেন ফিরে এলো টেবিলে খাম খোলা। চিঠিদের গায়ে পুরনো ঠিকানা। ধুলো জমেছে স্মৃতিতে। একটা মস্ত প্রজাপতি বারবার, বারবার উড়ে এসে বসে। মনে পড়ে গেলো, সানাইয়ের ব্যথা তুমি আজও বোঝোনা!


শেষ থেকে আরেকবার ডার্লিং! তোমার সাথে আজ নাহয় কাল, দেখা তো হবেই। ঘোরানো সিঁড়ি বুক চিরে নেমে গেলে, তোমার চিবুক থেকে বিষাদতরল মুছিয়ে দেবো তো?

ম্যাড মঙ্ক ~ শুভ আঢ্য

ম্যাড মঙ্ক ২১ সে বেরাদর, আমার দ্বিতীয় সত্তা, আমি বিম্ব আধার সে, এইভাবে যৌনতা ছাড়িয়ে, নেশা ছাড়িয়ে সে আমায় বাঁচিয়ে রাখতে চায়, ঈশ্বরের অধীনে আমাদের কথা হয়, ঈশ্বরের অনুশাসন আমায় শেখায় ব্রাদার ম্যাকারি বলে - ওই যে মাছ, তার প্রাণটুকু দেখো, তার চলাচল জলকে ঘিরে ওঠা, তার কানকোর তলাটুকু দেখো, তার দেহ অলীক, তার নিষ্পলক চাওয়া মিথ্যা, শুধু সে তোমাকেই দেখে না, এ বিশ্বকে দেখে, মৃত্যুর পরও সে তার চোখ খুলে রেখেছে, মিথ্যা সে, শুধু দেখো তার ঝাঁক থেকে সে বেরিয়ে এলো, তার বন্ধন থেকে, অথচ তার তো বন্ধন ছিল, ছিল তো মায়া... সে আমাকে ঘিরে এই গোলগোল কথা শোনায়, আর ভাবে আমার বোধ তা ধরে ফেলছে, আমার বুদ্ধি তা নিলয়ে নিচ্ছে
কথা শুনি ম্যাকারির, তার হাতে ফলের মাঝে দেখি এক বন থেকে আসা অসংখ্য রসস্ফীত ফল আমাদের সামনে, দেখি কারও রঙ কমলা কিছু বা সবুজ, কিছু বেগুনী আর সব আমার চোখে

নবান্নে - দীর্ঘ কবিতা ~ অতনু সিংহ

নবান্নে
(বাংলাদেশের নয়াকৃষি আন্দোলন ও নিখিল বাংলার ভাবান্দোলনের সাধু-গুরু-রসিক ও সহযোদ্ধাদের পদারবিন্দে) ১ ধরো এই অগ্রহায়ণে ভোরবেলা একটা শালিক ব’লে গেল তুমি ফিরে এসেছো পাড়ায় আর রেললাইন উঠোনের পাশ দিয়ে শিল্পবিপ্লবের দেমাক না রেখেই ধনধান্যে আগায়েছে, ধরো আমাদের হাটবাজার জুড়ে তোমার মতো নতুন চালের সুবাস, সোনাগুড়, রূপাচিঁড়ে, দুধের মাহাত্ম্য, আহা কাত্তিক ঠাকুরের নারিকেল বাতাসে ময়ূর নেই তাই অভিমান করে তুমি ফিরে গিয়েছিলে?
অথচ রাজহংসীর পাখা কাহার বাঁশির টানে বাতাসে মিলায় লবন হাওয়ায় ঘোরে হরিণেরা গরান গাছের কাছে লুকোচুরি খেলে চোখ চারুময় রোদ্দুর, ঢেউ আসে ঢেউ ফিরে যায় বাঘিনী শরীরে তার মেখে নেয় বুনোচাঁদ এখানে কবি ও ফকির চন্দ্রাহত আকাশে তাকায়, বাঁশি বাজে সারারাত
ধরো এই রাশপূর্ণিমা আমাদের ছায়ার ভিতরে যে নধরচাঁদের খেলা নিস্তব্ধ শিশিরের মতো, জেগে আছে, সে জানে ময়ূরপ্রাসাদ আর সাতটি সমুন্দর, তেরো নদী পার ক'রে
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS