Jyotirmoy Shishu

Jyotirmoy Shishu
Showing posts with label Performance. Show all posts
Showing posts with label Performance. Show all posts

Thursday, February 16, 2017

বুকঝিম এক ভালবাসা | ১৯শে ফেব্রুয়ারি | তপন থিয়েটার | সন্ধ্যে সাড়ে ছটা

বুকঝিম এক ভালবাসা
১৯শে ফেব্রুয়ারি | তপন থিয়েটার | সন্ধ্যে সাড়ে ছটা

আমাদের যত যুদ্ধপরিস্থিতি, আমাদের যত হিংসা আর অন্ধত্ব, আমাদের যত হত্যা, সবকিছুই আমাদের বিশ্বাসে ঘা দেয়। আমাদের মনে হতে থাকে বিশ্বাস এক দুর্মূল্য শব্দ এই সময়ে, মনে হয় আমাদের যাবতীয় ভালবাসা বিলাসিতা। কাজেই, কবিকে বারবার বলতে হয়, মুখ ফিরিও না। ব্যারিকেডে বারবার চুম্বনের উচ্চারণ শোনা যায়।
'বুকঝিম এক ভালবাসা' আমাদের নিয়ে যেতে চায় পাঁচশো বছর আগে, অথচ একইসাথে নিয়ে যায় সেই আগুনের মধ্যেও, যেখানে ধর্ম দেখে শীলমোহর পড়ে ভালবাসায়। মনসুর-চাঁদের সঙ্গে আমাদের সামনে আসে নূরজাহান, আসে সেইসব প্রজারা --- যারা "বুক টান করে সামনে এসে দাঁড়ায়। বলে, 'কিসের খাজনা! কিসের বাজনা! শ্মশানযাত্রার বাজনা বাজায়ে দিবাম আবার যদি এইখানে আইসেন।" যে মনসুর বয়াতি "গরীব কৃষকের এতিম সন্তান, নাই তার জমি, আছে কর্জ পাহাড়প্রমাণ", তার সাহস দেখে চমকে উঠতে হয় মহব্বত জঙ্গকে, চিরকাল চমকে উঠতে হবে শাসককে এভাবেই; যখনই আমাদের ভালবাসায়, আমাদের বাঁচবার প্রাথমিক স্ফূরণেও বাধা আসবে, আমাদের হাতে কীই বা থাকবে আগামীকে দেওয়ার মতো, আমরা যদি ভালবাসাতেও অন্তত পাশাপাশি না দাঁড়াতে শিখি!




‘বুকঝিম এক ভালবাসা’
সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস

নির্দেশনা ও অভিনয় : শ্রমণ চট্টোপাধ্যায়
সঙ্গীত : শুভদীপ গুহ

সঙ্গতে : সুশ্রুত গোস্বামী, চক্রপাণি দেব, জয়ন্ত সাহা, সুহানিশি চক্রবর্তী, সর্বজিৎ ঘোষ


একুশ শতক                            ছবি : কৌস্তভ চক্রবর্তী 

Wednesday, January 4, 2017

বাতিল চিঠিঃ ৭ জানুয়ারি, প্রসেনিয়াম আর্ট সেন্টার, সন্ধ্যে ৭টা

বাতিল চিঠিঃ কিছু না-পাঠানো সংবাদ


চিঠি লিখি না বহুদিন। কেন? লেখার ফুরসৎ নেই তাই। ছোট্ট ফোনের পিং বা লাইভ ভিডিও চ্যাটের সময়ে, মরচে পড়া পোস্ট-অফিসটাই তো বাতিলের খাতায়। সেখানে চিঠি পৌছবেই বা কি উপায়ে? অথচ প্রিয় মানুষের হাতের গন্ধ মাখা চিঠি, শীতের রোদ্দুর পিঠে মেখে, কথায়-ভালবাসায় ভেসে যাওয়ার মেদুরতা কি আর কিছুর সঙ্গে মেলে? তবু দ্রুত গতির পাল্লাছুট সময়ে চিঠি, হলুদ খাম আর ইনল্যান্ড লেটার হয়ে গেছে ব্রাত্য, বাতিল।




এমন কিছু না পাঠানো চিঠি, কিছু কথা আর স্মৃতি গা-মেখে নেওয়ার ভাবনা থেকে গড়ে উঠল আমাদের কাজ ‘বাতিল চিঠি’। একটি মেয়ের তার প্রেমিককে না-পাঠানো কিছু ইমেল হাতে এল। কাজ শুরু হল। অতীত আর বাস্তবকে বাধল সংবাদ। ছবির ফ্রেমে সুরের সংগত। বাকি কথা অনুষ্ঠানের জন্য তোলা থাক।




আগামি ৭ জানুয়ারি প্রসেনিয়াম আর্ট সেন্টারে ‘বাতিল চিঠি’- এর প্রথম শো। অন্তরঙ্গ থিয়েটার ফর্মের এই কাজ মিশ্র-মাধ্যমে প্রাণ পেতে চলেছে। অভিনয়ে অংকিতা মিত্র, গুলশনারা। সঙ্গীত পরিকল্পনা ও পরিবেশনা নীল সরকার। দৃশ্যসজ্জা পার্থ দাস, সাদিক হোসেন ও শমীক দাস। ফ্রেম বন্দীর ভার স্বাতী রায়ের। সামগ্রিক সহায়তায় সুজয়প্রসাদ চ্যাটার্জি। একটি ৪৫ মিনিটের প্রযোজনা। শুরু সন্ধ্যে ৭টা থেকে।


Friday, December 2, 2016

অপুর সংসারের লেখা : রঙ্গন রায়, পূজা নন্দী ও অদ্রিজা পাল

অপুর সংসারের লেখা


অনেকক্ষন হাঁটার পর বসতে ইচ্ছে করতেই পারে তা বলে... ডিভাইডার? ভাবছি কি লেখা যায় করলার ধারে, ল্যাম্পপোস্ট এর আলো ছিল শুধু আর আমরা... বাওয়ালিলেখাই যেতো এভাবে চুল ছাড়া রাতের সাথে তবে বেইমানি হয়ে যাবে... আমরা একটা শব্দ শুনছি। তুমি কি শুনতে পাচ্ছো? না না করলার হাওয়ার কথা বলবো না গো, এ কুলকুল শব্দও নয়। বরং অনেকদিন পর দেখা কচুপাতার ফাঁকে যে জোনাকি বসে আছে তার ডানার শব্দ। আমি কি ভুল শুনছি? নাহ! এ হতে পারেনা, তুমি কি আমায় জোনাকির আলোটুকু এনে দিতে পারবে?... দেখাটা বাড়াতে পারছি না। আটকে গেছে কোন অজানা বেড়া জালে... করলা শান্ত, ঝড় তো আমাদের মাঝে কিন্তু কিসের? রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা এক যুগল ঠিক যেন তোমার ছোঁয়া পেলাম... এই ছোঁয়া পেয়েই নির্ঘাৎ রবীন্দ্রনাথ গেয়েছিলেন "একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু কথা শুনি", এভাবেই কত কত কথা কত তুমি বারবার প্রিয় হয়ে উঠতে জানো... তোমার এপার ওপার সবটাই যেন তোলপা, আমার ভাঙন যেন কিছুতেই ছুঁতে পারেনি তোমায়… সবটাই কেন তুমি পর্যন্ত এসে থেমে যায়? তোমার বাইরে বেড়োতে চাইলে হাঁপিয়ে ওঠে এই ব্রীজ এই রাস্তা পুরনো স্কুল - পুরনো স্মৃতি। আমাদের গল্প তোমার থেকে শুরু হয় আর তুমি পর্যন্ত এসে থেমে যায়... কখনো একটু পৃথিবী হারিয়ে যাবে আমার মস্তিষ্কে, কখনো তুমি আরো বাঁশি বাজিয়ে উঠতে পারো। হে তুমি, তোমার কি কোন তুমি নেই?... কিছু পুরনো গন্ধ মনে পড়ে গেলো, স্কুলের ঘন্টা আর তোমার সাইকেলের চাকার ছন্দ মন্দ ছিলনা বইকি, আবারো থমকে গেলাম তোমায়, তুমি কে?... তোমায় খুঁজতে খুঁজতে একদিন নিজেকেই হারিয়ে ফেলবো বোধহয়, শব্দের ফাঁকে একদিন গলে গিয়ে মুছে দিতে চাইবো সমস্ত অন্ধকার, দেখবে আমি কেমন হারিয়ে যেতে পারি অন্ধকারের নাগপাশে, এই যে স্ট্রীট লাইট গুলো আলো দেবে বলে দাঁড়িয়ে আছে তাদের দেওয়া বোধহয় কোনদিন ফুরোবে না... আমরা তো রাস্তার বাইরে বসে, এটা কি টাইমলাইন না ট্রাম লাইন? গুলিয়ে ফেললে চলবেনা এ জলশহরে, দৃশ্যত অন্ধকার আর ধ্রুবতারা সন্ধিক্ষণে তুমি চুল খুলে হেঁটে গেলে একা, এখনো গন্ধ ছড়িয়ে আছে বিলাসবহুল শ্যাম্পু, এত রাত্রেও...

রঙ্গন রায় (Rangan Roy)
পূজা নন্দী (Puja Nandi)
অদ্রিজা পাল (Adrija Paul)

Tuesday, November 22, 2016

উত্তম থেকে মধ্যম পুরুষ: সুমনের গানে রাজনীতি আর ভালবাসার কামনাপাঠ - অর্ক চট্টোপাধ্যায়

উত্তম থেকে মধ্যম পুরুষ: সুমনের গানে রাজনীতি আর ভালবাসার কামনাপাঠ

সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে কবীর সুমন – সময়ের অনুক্রমে দুদশক পর ওঁকে নিয়ে লিখতে বসে প্রত্যেকবারের মত এবারও বাধ সাধছে দূরত্বহীনতা, বাধ সাধছে আমার বেড়ে ওঠার লতায় পাতায় ওঁর গানের সরব এবং অরব উপস্থিতি। আর যা বাধ সাধছে তা হলো আমার সাঙ্গীতিক প্রশিক্ষণের অভাব। আমি সাহিত্য এবং দর্শনের ছাত্র; তাই এই লেখার শুরুতেই আমার সাঙ্গীতিক অপারগতা স্বীকার করে নিয়ে সুমনের গানের এক বিষয়ভিত্তিক এবং সাহিত্য ও দর্শন লালিত আলোচানা করার চেষ্টা করব। চেষ্টা করব কারণ লিখতে তো হবেই। লেখার যে দায় আছে আমাদের। আমাদের সময়ের অন্ধকারে সুমনের যদি অহর্নিশ গান বানানোর দায় থাকে তবে আমার তথা আমাদের দায় হলো সেই সময়ের শরিক হয়ে সুমনের গানকে প্রতি-প্রতর্কের আলোয় তুলে ধরা। সুমনের গানের অভিসন্ধি এমন এক প্রতর্ক যা তার প্রত্যুত্তরে আরো প্রতর্ক, আরো অভিসন্ধি দাবি করে। এভাবেই তাঁর গান রাজনৈতিক সংলাপ তৈরী করে। সুমন নিজেই লিখেছেন 'দেখাতে পারিনি আমি কোনো উপমায়/ যে আমিকে তুমি তার সময়ে দেখোনি'। সুমনের উত্তরকালে আমরা কি সুমনের সমসময়ের এই আমি'কে তুলে ধরতে পারবো? উত্তরকালের কাছে সমকাল নিজেই অতীত! সে কি বুঝে নিতে পারে আমির জটিল চলন, তার বর্তমান থেকে তার অতীতে যা নির্মাণ করে তার ভবিষ্যৎ। হয়ত তখন আর সমকাল সেখানে এসে একা চ্যাপলিন হয়ে বসবে না, হয়ত তখন আমরা এক অন্য সুমনকে পাবো, এই সুমনকে নয়। সেই কারণেও বর্তমানের এই ঘটমানতার কাছে আমার বা আমাদের দায় থেকে যায়: সুমনকে নিয়ে প্রতর্ক নির্মাণের দায়।

Friday, October 21, 2016

24th October, 2016 | Minerva Theatre | 6.30pm : An evening of অ্যাKto



দমবন্ধ হয়ে আসছে!
যেটুকু নিঃশ্বাস নিতে পারছি শুধু মর্গের গন্ধ… নর্দমার গন্ধ... পোড়া ডিজেলের গন্ধ... বারুদের গন্ধ!

এত মারছে কেন?
এত মরছে কেন?
ঘরে বাইরে, এখানে সেখানে, দেশ দেশান্তরে!!! টিভি খুললে, কাগজ খুললে শুধু মরা আর মারার খবর!

নাকে পচাগলা মৃতদেহের গন্ধ আসে...
ঠান্ডা একটা দমবন্ধ করা অন্ধকার!!!

পৃথিবীটা যেন মর্গে পরিত হয়েছে। কিন্তু আমরা তো চাই না এই মর্গের পৃথিবী। সাধারণ মানুষ মারতে চায় না, মরতে চায় না! মানুষ চায় এক শান্তির পৃথিবী, যেখানে থাকবে না কোনো কাঁটাতার।

আমরা চাই পৃথিবীতে মর্গের গন্ধ নয়, থাকবে শুধু ফুলের সুবাস।

Saturday, September 24, 2016

'I rise in flames' cried the Phoenix by Tennessee Williams, Sisir Manch, 29th September


'I rise in flames' cried the Phoenix
at Sisir Manch on 29th September, 6.00pm.

Life is a magnificent form of celebration with all its glory, pain, hope, pathos and dreams. It is a picture etched in contrasting shades, where every twinge has a deep seated alleviation within it, and every desolation lead to a pursuit.

“I Rise In Flames”, Cried The Phoenix, by noted author Tennessee Williams - The play emanates the message of relinquishing the obstructions, imposed upon us by the society, in the name of habits, practices, norms, values etc. and amble towards the light of knowledge, hope and living life to the heart’s content.