Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Text



অলভ্য ঘোষের একটি বাংলা অডিও বুক

তাঁবুঘর.কম সবসময়ই চেয়ে এসেছে, নতুন যারা ভাবছেন, তাঁদের কাজ পাঠক, শ্রোতা বা দর্শকদের সামনে তুলে আনতে, ওয়েবসাইটেও এ জন্যেই এ কথাটাই লেখা আছে, আপনাদের নিজস্ব ভাবনা কোনরকম দ্বিধা না রেখে পাঠিয়ে দিন। সে ওপেন কল-এ সাড়া দিয়ে অনেকেই লেখা পাঠিয়েছেন এর আগে, ছবি পাঠিয়েছেন, নিজেদের ভালো কাজগুলি পাঠিয়েছেন, সেরকমই তাঁবুঘর তুলে ধরছে এই কাজটি। এটি একটি অডিও বুক, এবং, শুধু গড়গড় করে পড়ে যাওয়া অডিও বুকে এই কাজটি আটকে থাকেনি। অলভ্য ঘোষ কে আমি চিনিনা তিনি হয়ত দেখেছেন কোথাও তাঁবুঘর। তাঁবুঘরের ওপেন কল-এ সাড়া দিয়েছেন। তাঁর পাঠানো প্রথম গল্পটি পেয়ে আমি চমকে উঠি। অদ্ভুত এক ভাষায় লেখা সে গল্প। যেন বাংলা ভাষায় লেখা হচ্ছে একটা ডাচ গল্প। অনুবাদ নয় কিন্তু। সে লেখাটি অন্য এক ওয়েব ম্যাগাজিনে আছে। তাই এখানে সে গল্প থাকল না আর কিন্তু আমি এই ভদ্রলোকের কাজ নিয়ে খুবই চমকে ওঠায় খোঁজ করতে শুরু করি। এবং পেয়ে যাই তাঁর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল। সে চ্যানেলে তিনি অজস্র গল্প পাঠ করছেন। চমক ততক্ষণে ভালোলাগায় পরিণত হয়েছে। তারই মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে পেয়ে যাই এই কাজটি। ভালোলাগা ট্রান্সফর্ম হয় ভালোবাসায়। বাংলা ভাষায় শুধু নয়, বিশ্বের নিরিখেও এর…

কবির গদ্য ~ দীপ শেখর চক্রবর্তী

বালকের ডুবন্ত নীল জাহাজ
বালকের জীবনের সবথেকে গভীরতম ব্যথা হয়ত এই যে সে মায়ের হাতের গরসের মাপে যে পৃথিবী চিনেছিল সেই পৃথিবী দিনদিন এত বড়,এত জটিল হয়ে উঠছে যে দুগালে আটছে না। মায়ের সুতির শাড়ি মেলা দুপুরের রোদে বসতবাড়ির সিড়িটায় বসে আসন্ন শীতের হাল্কা নীল রঙের আকাশটা দেখে বালকের মনে হত এ জীবন পোষা বেড়ালের থাবার মতোই নরম। থাবা চেটে চেটে সে বেড়াল যেমন উপযুক্ত এক কার্নিশ খুঁজে নিয়ে পার করে দেয় এক একটি দুপুরজন্ম তেমনই বালক ছেলেবেলার দীঘির পাশে বসে কেবল জলের চিকচিক দেখতে দেখতেই পার করে দিতে পারে এ জীবন। বালকের খুব ভয় হয় একদিন এই দীঘির পাশের পথে পায়ের দাগ,দুপুর ঘুমোনো পুরনো আমলের বাড়ির মেটে রঙ, কাজিপাড়ায় চপের দোকানের ফুলুরি ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যেতে হয় তবে কী হবে ওর জীবনে? অথচ কোন বালকই কি বোঝে কবে সে বড় হয়ে গেছে? বিকেলবেলা ঘন রঙের সালোয়ার পড়ে যে মেয়েটা ওর মাঠ থেকে ঘরে ফেরার পথে উল্টোদিক থেকে পড়তে যেত, বালক কি জানে সেই মেয়েটি আজ কোন দূর দেশে চলে গেছে ঘর করতে। মেয়েটির ঐ পড়তে যাওয়ার ব্যাগের ছবিটি খালি দুলতে থাকে বালকের সামনে।এ সময় কেমন হিংস্র পশুর মতো খুঁজে চলে বালককে আর ও লুকিয়ে লুকিয়ে বাঁচে। পুরনো …

সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ভয়েস রেকর্ডিং ~ একটি টগবগে সাক্ষাৎকার

~ সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের সর্বশেষ ভয়েস রেকর্ডিং বিষয়ক গৌরচন্দ্রিকা ~
এই অডিও ফাইলগুলো কোথা থেকে কিভাবে এলো তার ভূমিকা খুব অল্প কথায় লিখতে গেলেও দুটো গল্প বলতে হয়। প্রথম গল্প 'ব্যাস' পত্রিকার এবং অবশ্যই স্নিগ্ধেন্দু আর সন্দীপনের। ২০০৪ সালে, সম্ভবত, ব্যারাকপুরের কোনো এক লোকাল বাসে স্নিগ্ধেন্দুর সঙ্গে সন্দীপনের পরিচয়। স্নিগ্ধেন্দু তখন তার এক সুনীলপন্থী বন্ধুকে সুনীল কেন মিডিওকার এবং সন্দীপন লেখক হিসেবে সুনীলের থেকে কেন বহুগুনে এগিয়ে সেইসব বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বন্ধুটিও মানতে নারাজ স্বাভাবিকভাবেই। আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সংস্কৃতিবান পরিবেশে জন্মে 'শুকতারা' আর 'আনন্দমেলা' পড়তে পড়তে বড় হয়ে উঠেছি ওই বয়সে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে পৃথিবীর মহানতম লেখকদের একজন মনে করা এবং নিজেদের নীললোহিত ভাবাটাই তাদের নিয়তি একপ্রকার; পুঁজিনির্ধারিত নিয়তি, যে পুঁজি কিনা বাংলাসাহিত্যের বাণিজ্যিক ধারাটিকে ফুলিয়েফাঁপিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে নিয়োজিত। আমাদের মতো বাবলু, বুবলু, বাবান, বাবাই, বুবাই ও বুবুনদের ক্রীতদাস ক্রীতদাসীর আখ্যান বা বিজনের রক্তমাংসের বাস্তবতা গ্রহণ করে উঠতে পারার জন্য প্র…

নো বাজেট, লো বাজেট, টেলিফিল্ম, ন্যাশনাল অস্কার, ইত্যাদি - পুরোটাই ব্যক্তিগত : অনমিত্র রায়

নো বাজেট, লো বাজেট, টেলিফিল্ম, ন্যাশনাল অস্কার, ইত্যাদি - পুরোটাই ব্যক্তিগত
পুনরায় উপন্যাস। যাই লিখতে যাচ্ছি আজকাল উপন্যাসের মাপে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। আসলে আমি লেজেন্ড কিনা ! লেজেন্ডদের মাঝে মাঝে এরকমটা হয়। আমি যে লেজেন্ড সেটা কালকে জেনেছিলাম। আজ শিওর হলাম। এর আগেও আমি কয়েকবার লেজেন্ডের সম্মান পেয়েছিলাম। এই নিয়ে বোধহয় ৫-৬ বার হলো।
ঘটনাটার শুরু গতকাল। অথবা গতকাল ঠিক নয়, ২০১৩ সালে। অথবা ২০১০ সালও হতে পারে। কে কিভাবে দেখছে তার ওপর। আপাতত গতকালের ঘটনাটা থেকে শুরু করি।
সোম চক্রবর্তী একটা একজোট হওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে দেখলাম ফেসবুকে। সেখানে গিয়ে জানালাম যে আমিও উদ্যোগটারসাথে থাকতে চাই।কিছু পূর্বপরিচিত লোকজনের সাথে কথাবার্তা হচ্ছিলো সেই নিয়ে ওখানে তারপর। ইতিমধ্যে দেখলাম প্রদীপ্তদাও উদ্যোগটার সাথে থাকতে চান জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। অন্যান্য কে কি বলছে দেখতে গিয়ে দেখলাম এক মহিলা লিখেছেন এমনিতে সাথেই আছেন কিন্তু নো বাজেট হলে সাথে নেই। আরেক ব্যক্তি সেখানে লিখেছেন দেখলাম যে একদিকে ইউনিয়নের ধান্দাবাজি আরেকদিকে নো বাজেট ধান্দাওয়ালা। আমি গত চারবছর একেবারেই কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত নেই। ফলে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম ন…

ধারাবাহিক : কবি হওয়ার সহজ পাঠ ~ রাজা | পর্ব - এক ( দুই পর্বে সমাপ্য)

কবি হওয়ার সহজ পাঠ
...তাহলে ব্যাপারটা হল যে, এমন উথলে ওঠা কবি বাজারে একজন কবি কি করে নিজেকে খুব তাড়াতাড়ি  খুব বড় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমি কবিদের জীবন যাপন, বিশেষত তাঁদের হোয়াটস আপ আর ফেসবুকের কার্যকলাপ দেখে যেসব সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি তারই কিছুকিছু আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিচ্ছি...

১/ আরামদায়ক বন্ধুত্ব পাতান
ফেবুতে আপনার বন্ধু সংখ্যা কত? ৫০০? ৬০০? হবে না। সংখ্যা বাড়ান। কম সে কম ২০০০। কবি, অকবি (যদিও বিরলতম জীব), কবির স্বামী- স্ত্রী, বয়ফ্রেণ্ড, গার্লফ্রেন্ড, ভাই,বোন,মামা,কাকা যাদের খুঁজে পাওয়া যায় ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠান।রিকুয়েস্ট একসেপ্ট হলেই ইনবক্সে নিজের কবিতা সম্পর্কে একটু খুঁচিয়ে দিন। যেমন- "হাই কেমন আছেন? আপনি কি কবিতা পড়েন? কখনো আমার কবিতা পড়েছেন? ইয়েলো সিগনাল দেখলেই টুক করে দু'-একটা কবিতা চালান করে দিন।এরপর মানবিকতা বা যে কারণেই হোক, আপনার পোস্ট করা কবিতায় এনারা লাইক এবং কমেন্ট করবেনই।২০০০ বন্ধুর মধ্যে যদি ১৫০ টাও লাইক আসে আপনার কাজ হাসিল। কবিতা জগতের উজ্জ্বল প্রতিভা এবং মাথাদের সাথে (তলে- তলে এবং অতলে) সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন।ওনাদের কবিতায় দুহাত খ…
Like us on Facebook
Follow us on Twitter
Recommend us on Google Plus
Subscribe me on RSS